এন্টি গল্প > 36_24_36 >

০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫০ |

হাঁসফাঁস করতে করতে সিঁড়ি দিয়ে নামছেন তিনি। হাতে গোটা তিনেক ব্যাগভরা শপিং।খুব সাবধানে সিঁড়ি ভাংছেন,কারণ যে পরিমান ওজন হলে চার ইঞ্চি পয়েন্টেড হিল আ্যামিউজ করা যায় তার চে অন্তত কেজি বিশেক বেশী ওজন নিয়ে যারপরনাই বিরক্ত তিনি। নামছেন। শরীরের ভাইটাল জায়গাগুলো অনেক আগেই ভিজে গেছিল, এখন প্যাঁচপেচে ধরণের অনুভূতি হচ্ছে! ঠিক তার পাশ দিয়ে একটা মেয়ে গট গট করে নেমে গেল। তারও চার ইঞ্চি।কিন্তু কি সাবলীল নামল! আঠার মত চোখজোড়া লেগে রইল মেয়েটির পেছনে। পার্কিং লটে এসে দেখলেন মেয়েটি একটা নোয়াহ এর পাশে দাঁড়ানো। তিনিও এসে দাঁড়ালেন পুরোনো হয়ে যাওয়া করোলার পাশে। নিজের পেটের কাছটাতে তিন তিনটা থাক।কত করেছেন,তাও কিছুতেই কিছু হলো না!এ্যাবকিং না কি যেন কিনেছেন, জিমে ভর্তি হয়েছেন, নাহ! কিছুতেই কিছু হলো না! কষ্টটা বাড়ে এই মাপের মেয়েদের দেখলে! ফিগার কি! পেছনটা দেখছেন বলে পেছনের বর্ণনাই মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। বড়গলার ব্লাউজের শেষটাতে একটা ছোট্ট গিরিখাদের মত! পানি ঢাললে ঠিক নিচে নেমে যাবে না ছড়িয়ে! তারপর হঠাৎ উঁচু হয়ে ওঠা নিতম্ভ।সুডৌল।শেষে কলাগাছের মত উরুযুগল টানা নেমে মিশেছে চার ইঞ্চিতে! ভাইটাল স্ট্যাট কত? ৩৬? হু। তারপর কি ২৪ ? হু। দেন ? ৩৬! মাইগড! বাংগালি মেয়ের এমন মাপ? আলতো করে নিজের হাতটা তিনথাকের ওপর ঘুরে গেল। মেয়েটি ততক্ষণে উঠে বসেছে নোয়াহতে।স্যাঁৎ করে বেরিয়ে গেল।ইচ্ছে হলো করোলাটাকে কষে লাত্থি লাগায়..পা এবং হিল তাকে থামাল। আবার বিরক্তিকর সেই ভেজা যায়গাগুলোর কথা মনে এলো।

করোলার সামনে দিয়ে একটা চলমান কাঠামো কুচি দৌড়ে পার হলো। যে কুচি দৌড়ে পার হচ্ছিল তার মাথা থেকে ঘোমটা মত আচলটা মুখের ডানপাশ দিয়ে নেমে দাঁতে কাঁমড়ানো। দেহাতি শাড়িটা প্রায় হাটুপর্যন্ত ওঠানো। ময়লা। আঁচলের তলে একটা থালামত তাতে হয়ত কোন খাবার। নারীটি দ্রুত হাটছে। নারীটি কুচি দৌড়ে এগুচ্ছে। নারীটি সামনে কোন কিছুকে তোয়াক্কা করছে না।লিকলিকে শরীরের এই নারীরা এভাবেই হাঁটে। ওরা অনেকটা পথ হেঁটে একটা ঝুঁপড়িমত ডেরায় পৌঁছায়। তারপর প্রায় বসে যাওয়ার ভঙ্গিতে মাথা নিচু করে ভেতরে ঢোকে। সেখানে কেউ একজন চিৎ হয়ে শুয়ে থাকে। অনন্তকাল যেন তার চিৎ হয়ে থাকার অভ্যেস হয়ে গেছে। সেই চিৎ হয়ে থাকা কেউ একজন বহুকষ্টে উঠে বসে। আঁচলের তলা থেকে সদ্যজন্মনেওয়া শিশুর মত কাঙ্খিত খাবার বের হয়। চোখের তারায় ক্ষণিকের জন্য বিদ্যুৎ খেলে যায়। সেগুলো যখন মুখ গলা হয়ে পেটে চালান হয় তখন সেই বয়ে আনা নারীটির মুখে স্বর্গীয় হাসির দ্যুতি খেলে যায়। যদিও স্বর্গ বস্তুটা কেমন তার কোন ধারণাই নেই এদের।

দুজন ঠোলার শ্যেন চোখ আঁচলের তলে অন্যকিছুর অস্তিত্ব খোঁজে। ধারণা নয়। নিশ্চিত তারা। বহুবছরের অভিজ্ঞতায় একেবারে শতভাগ নিশ্চিত হয়, মাগি নিশ্চই মাল ডুকাইছে! ডাইল-ডুল কি? নাকি আরো ভয়ানক কিছু? জইল্যা ল’ মাগিরে দেখতে অয়।বার দুয়েক গলা খাকরানী দিয়ে গড় গড় করে মাথা নিচু করে ঢুকে গেছিল পুলিশ দুজন।মালের ধান্ধায় গন্ধটন্ধ গায়ে মাখে না ওরা। বেশ ট্রেইন্ড। বিশেষ করে মাল বিষয়ক ব্যাপার গুলোতে।পাঁচ বাই সাড়েচার ঝুঁপড়িতে চোখ ঘুরিয়ে আনতে সময় লাগে না। লাগেওনি। কিছুক্ষণ পরই বেরিয়ে এসেছিল ওরা। মাল মেলেনি। তবে অন্য মালের খোঁজ মিলেছে। মনে মনে ঠিক করে নিল, বড়বাবুকে বলে এঅঞ্চলে আবার ডিউটি নেবে।

করোলা জ্যামঠেলে এগচ্ছে। কিন্তু তিনথাকের ভাবনা আবার জ্যামে পড়ে গেল। থেমে গেল সেই ৩৬-২৪-৩৬ এর ছবিতে।কি দেমাগ মাগীর! একবার তাকাল না পর্যন্ত! এতটুকুন মেয়ে, তার একটু ম্যানার ট্যানার থাকবে না? তুক্ষুনি তিনথাকের ইচ্ছে হলো একটা চটকানা লাগায়। সম্ভব না। চটকানার ঝালটা পড়ল ড্রাইভার ছোকরাটার উপর। ‘কি চালাস তুই? এ যে রিক্সার চে আস্তে ! কাহিনী কি তোর?’ ছোকরাটা কিছুই না বুঝে জ্বে ম্যাডাম বলে গিয়ার চেঞ্জ করল। বুকটা! আহা! নিজে কি কখনো অমন ছিলাম? ভাবনা চলছেই গাড়ির গতিকে ফেল মেরে। ২৪! ভাবা যায়! মুঠোয় আসে! রিওয়াইন্ড করে পেছনে গেলেন তিনথাক। নাহ, সেখানেও অমন কিছু নেই। চোখে কাজল দেয়া দুই বেণীর এক মফস্বলি মাল! ধ্যাৎ!

পরদিন ঠিকই দুই পুলিশ ওখানে ডিউটি পেয়েছিল।সন্ধ্যের একটু আগেই মাথা নিচু করে ঢুকে গেছিল ভেতরে। চিৎ হয়ে শুয়ে থাকা মানুষটা আজ ছিল টানটান। হাত-পা সোজা করা। খুব বোধহয় অসুস্থ্য ছিল, নইলে একবারো নড়বে না কেন? মাগিটা সেই টানটান এর পাশে গুটিশুটি।কান্নার মত শোনায় এমন কিছু বিলাপের সুরে আউড়ে যাচ্ছিল। এই ধরণের পরিস্থিতির সঙ্গে খুব ভাল পরিচয় আছে ঠোলাদের। তারা জানে এটাও একধরণের ভান। এই মাগীগুলো খুব হারামী হয়। এখন এই প্যানপ্যানানি শুনবে? আবার পরে আসবে? কিন্তু শরীরের মধ্যিখানে নাভির নিচে কিছু একটা পরে আসার ব্যাপারটা কিছুতেই এ্যালাউ করল না। তার দাবী এখনই। এবং এক্ষুনি। কোন রকম বাধাবিপত্তি ছাড়াই টানটান এর পাশে গুটিশুটিকে শুইয়ে দিল ওরা। তারপর ওর উপরে একজন একজন করে লম্বা হলো।কখনো কখনো একটু ভাজ হলো আবার সেই যে সারদাতে প্রাকটিস করেছিল ঘোড়ায় চড়ে! সেরকমই। বড় বড় নিশ্বাস ফেলে প্রথম জন সরে যেতেই দ্বিতীয়জন। একই ভঙ্গি। প্রথমজনের ভীষণ বদাভ্যেস ওই কামের পর পরই তাকে বিড়ি খেতেই হবে। বাইরে এসে বিড়িটায় যে টানটা দিল তাতে প্রথম চোটেই মাঝবরাবর। অনেকক্ষণ পর খুঁতখুঁতানি। শালার এতক্ষণ লাগে ক্যান? বাঞ্চোৎটাকে নিয়ে আর পারি না। আরে হালা ঝটপট মাল ঝাড়বি, তারপর হাওয়া হয়ে যাবি। তা না……খসানোর পরিতৃপ্তিতে গোঙ্গানির শব্দটা ঠিকমত কানে না গেলেও বেশ বুঝল কেস বিলা! উঁকি দিল। চমকাল।চিৎকার করল। লাফ দিল। লোক ডাকল। হাতকড়া পরাল। গাড়ি আসল। নারীটি গরাদে চলে গেল। কাল সকালে বা দুপুরে কেউ হয়ত টানটান হওয়াটাকে ব্যবস্থা করবে।

পুলিস কেস। নো হ্যালাফেলা! জজ সাহেবের টাইয়ের নট বাঁধার সময়ের চেয়েও কম সময়ে কেস ফয়সালা। চোদ্দশিক। খাতা। বেগুনিপেড়ে সাদাশাড়ি। একটা থালা। একটা বাটি। একটা কম্বল। দিনগুলো পাথরের মত আস্তে আস্তে গড়িয়ে গেল। যাবার সময় চোখে চুলে হনুতে কণ্ঠার হাড়ে দাগ রেখে গেল। তিন বেলা আহারের এমন নিশ্চিন্ততা কবে পেয়েছিল ও? মনে নেই। ও জানে না এর পর কি?

জানানো হলো একদিন খুব ভোরে। যখন সবগুলো মাইক একসাথে বেজে ওঠে। সেদিনও সবগুলো মাইক একসাথে বেজে উঠেছিল। আর বেজে উঠেছিল একটা বিশেষ ধরণের ঘন্টা। ওটা বাজলে যারা পুরোনো তারা মুখে হাতচাপা দেয়। নারীরা কাঁদে। পুরুষেরা মাথাটা বুকের সাথে মিশিয়ে রাখে। সান্ত্রিরা ফালতু হাসে না। বেজায় রসিক যাবজ্জীবনপ্রাপ্তরা ফালতুদের মারে না। নিমগাছটার পাশ দিয়ে ধোঁয়াটে ধূসর সূর্যটা হঠাৎ উঠে এলো।
শান বাঁধানো চত্তরে রাখা হলো নারীটিকে। বুকের ওপর একটা চাদর বিছিয়ে দেওয়া হলো। পাশে দাঁড়িয়ে জমাদার। তার হাতে ফাইল। নারীটির ফাইল। ক্লোজড। ৩৬ নম্বর খাতার ৩৬ সেল এর সেই নারীটির বয়স ছিল ২৪ ! ভাইটাল স্ট্যাট…….৩৬-২৪-৩৬…

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ৩৬-২৪-৩৬ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: এন্টি গল্প  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জুন, ২০১০ রাত ২:২৭ |

 

৬২১ বার পঠিত৫৮২৩

৬২টি মন্তব্য

১. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৮

 বলেছেন: স্যলুট বস…

অফপিকঃ- কালকে বিকালে কি আসবেন ছবির হাটে?

০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৮

লেখক বলেছেন: নিশ্চই যাব। তবে টাইমিংটা ঠিক হলে হয়!

২. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০১

রাতমজুর বলেছেন: ৩৬-২৪-৩৬..

০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০২

লেখক বলেছেন: ধ্রুব, এইটা কার মাপ ?!!!

৩. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০৪

মাসুদ সেলিম বলেছেন:

খুবই ভাল লাগলো।

ভেতর থেকেএকটা চাপা নিঃশ্বাস বের হলো।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫১

লেখক বলেছেন: আপনার অনুভুতিকে শতশ্রদ্ধা।

৪. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০৪

মাসুদ সেলিম বলেছেন:

খুবই ভাল লাগলো।

ভেতর থেকেএকটা চাপা নিঃশ্বাস বের হলো।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৯

লেখক বলেছেন:
আপনার অনুভুতিকে শতশ্রদ্ধা।

৫. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৫

০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২২

লেখক বলেছেন:
অনেক কষ্টেসৃষ্টে আপনার কাছ থেকে একটা প্লাস পাওয়া গেল! এই-ই বা কম কি !
তার পরও বোধহয় আপনার পছন্দের মাপে গেল না এটা !! কি আর করা ! চেষ্টা চলছে, দেখা যাক……………………………………………………………….

৬. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৭

ওয়ার হিরো বলেছেন: মারাত্মক………

১২ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ২:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।

৭. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৯

সব যদি আজ বদলে যেত বলেছেন: + +

ভালো থাকবেন।

হ্যাপী নিউইয়ার।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:২০

লেখক বলেছেন: আপনার সারাবছর আনন্দময় আর ঝরমলে হয়ে উঠুক।

৮. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩০

ফারহান দাউদ বলেছেন: হুম।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: অশেষ…

৯. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫০

আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: আপনার মতনই হল। অসাধারণ।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:২২

লেখক বলেছেন:
আপনার কাছে যে “ব্রান্ডনেম” তৈরি হয়েছে সেটা আমার অনুপ্রেরণা হয়ে থাকুক।

১০. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:১১

বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: মারাত্মক লাগলো মঞ্জুভাই ।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১১

লেখক বলেছেন: থ্যাংয়্যু বিমা।

১১. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:১৫

নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা… বলেছেন: বলার মত কিছু পাচ্ছিনা…আপাতত শুধুই ৫…[আজাইরা কিছু বলে এর মর্যাদা নষ্ট করতে ইচ্ছা হচ্ছেনা…]

০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১৪

লেখক বলেছেন:
আগেই ধরে নিচ্ছেন কেন যে আপনার কথা “আজাইরা” হবে ?
বলেই দেখতেন !
আপনার সপ্রতিভ উপস্থাপনাকে শুভেচ্ছা।
দিনগুলি মধুর হোক।

১২. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৩২

একরামুল হক শামীম বলেছেন: হুমম। ফিনিশিংটা ভালেো লেগেছে।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৪

লেখক বলেছেন:
টার্ণ। টার্ণ অব ফ্রিকোয়েন্সি। ফ্রিকোয়েন্টলি আমি পরের দলে। থ্যাংকস শামীম।

১৩. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪৯

হাসান মাহবুব বলেছেন: এক কথায় চমৎকার।+++++

০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার অনুভূতির জন্য।

১৪. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:১৮

ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: অসাধারণ!

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৯

লেখক বলেছেন: অশেষ ধন্যবাদ।

১৫. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৩৭

জানজাবিদ বলেছেন: It was a real gem!

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২১

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস আ লট।

১৬. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪৭

মাহবুব সুমন বলেছেন: এন্টি গল্পগুলো পড়তে ভালো লাগে, এবারেরটাও ভালো লেগেছে।

আচ্ছাম এন্টি গল্প কেনো ? এটা বুঝতে পারি না।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩১

লেখক বলেছেন:
প্রচলিত গল্পের সামান্য কিছু অনুসঙ্গ রেখে বাকিটা বিরুদ্ধ আঙ্গিকে লেখা। পাত্র-পাত্রী বা বক্তব্য প্রক্ষেপণে প্রচলিত ধারার বাইরে নিজস্ব একধরণের ধারা তৈরী করার ব্যাপারটাকেই “এন্টিগল্প” বলা হচ্ছে।

১৭. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৫

রুখসানা তাজীন বলেছেন: ভালো লেগেছে। আপনার লেখা পড়িনি আগে, ভুল হয়েছে।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫৩

লেখক বলেছেন:
না না। ভুল কেন হবে! আমি সব আলবেলি অনাহূত অস্পৃষ্য বিষয়াদি নিয়ে লিখি। তা সবার জন্য খুব সখকর অনুভুতি আর আমোদ বিতরণ করে না। সাহিত্যমান নিয়েও আমার বিন্দুপরিমানে এ্যালিবাই নেই। সাহিত্যমানের মুখের ওপর সটান লাথি মারতে কোনই কার্পণ্য নেই। ছিলও না কোন কালে।খুব খারাপ ধরণের একটা লেখকের পোস্টে খুব ভাল ধরণের একটা মন্তব্য করে আমাকে ঋৃগ্ধ করেছেন। শুভেচ্ছা।

১৮. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৪

তারার হাসি বলেছেন:
এভাবে শেষ হয়ে যায় একটি একটি অধ্যায়… উঠে নতুন সূর্য , অস্ত যাবার জন্যই ।
গল্পটি পড়ার পর ভাবতে হয়…

০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৮

লেখক বলেছেন:

এখানে দুইটা ক্লাসের কথা বলো হয়েছে। ওপরের ক্লাসটা কেবল ভাবে। আর ভাবে। নিচের যারা তারা কেবল মরে। আর মরে। আমার ভাইটাল স্ট্যাট ওই নিচের ক্লাসকে ঘিরেই।

আপনি ভাবতে চেয়েছেন। ভাবতে পারছেন। ভাবছেন। সেজন্য কমরেডসুলভ
শুভেচ্ছা।

১৯. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০৪

তারার হাসি বলেছেন:
মানে কি ?

০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১৮

লেখক বলেছেন:
মানে খুব সোজা। গল্পটি লেখার অর্থ লেখকের দায়বদ্ধতা প্রকাশ করা এবং সেই দায়বদ্ধতা যেন অন্যকে সংক্রমণ করে তার জন্য লেখায় গতি,ভাললাগার বিষয়,আকর্ষণ ইত্যাদি সন্নিবেশ করা।লেখক সাধ্যমত (কিছু কিছু ক্ষেত্রে শব্দব্যবহারে আনকোরা নতুনত্বও এনেছে)। তার পরও পাঠক ভাবিত নয়। তার মানে লেখক তার কাজে ব্যর্থ! শতভাগ ব্যর্থ! সেই ব্যর্থ লেখকের লেখা পড়ে আপনি বললেন…”গল্পটি পড়ার পর ভাবতে হয়…”।আপনার এই ভাবতেপারাকে কমরেডসুলভ শুভেচ্ছা জানালাম। এর মধ্যে আর কোন “মানে” নেই।

২০. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৪

তারার হাসি বলেছেন:
আপনার ক্লাসের ব্যাখ্যা শুনে আমি বুঝতে হয়ত ভুল করেছি, দুঃখিত।
শুভেচ্ছা…

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: হুমম। শুভেচ্ছা।

২১. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৬

হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: একবার পড়েছি, তবে ভেতরের বার্তাটি নিজের মত করে বিশ্লেষণের জন্য আরোও একবার পড়তে হবে।।।এন্টি গল্পের কনসেপ্টটা ভালো লেগেছে, এ ধরনের এক্সপেরিমেন্ট দেখতে ভালো লাগে।।

২০ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২২. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০৯

মনজুরুল হক বলেছেন:

এই কনসেপ্ট এবং এক্সপেরিমেন্ট এর সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে আরো একটি চাছাছোলা বিষয় জড়িত, কিন্তু ব্লগোস্ফিয়ারে প্রকাশে সমস্যা আছে। শোভন,নৈতিকতা…ইত্যকার ব্যাপারস্যাপার চাউর হয়ে উঠতে পারে।

আপনার জন্য শুভকামনা।

২৩. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৫২

যীশূ বলেছেন: ভালো লেগেছে।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫৮

লেখক বলেছেন:
আপনার নিকটা চমৎকার! নিক, প্রফাইল পিক দুটোই। ভাল লেগেছে জেনে ভাল লাগল। নববর্ষের শুভেচ্ছা।

২৪. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:১২

নিবিড় বলেছেন: মন্জু ভাই এর মত লিখা।+
সমস্যা হল অ্যন্টি গল্প পড়তে আসলে আমার মাথাটাও আ্যন্টি ক্লকওয়াইজ একটা ৩৬০ ডিগ্রী মোচর দেয় ।এখানেও ব্যতিক্রম হয়নি।বিটার মুনেও এরকম অনুভূতি হয়েছিল।মাথাটায় একটা বাড়ি মেরে পেটের ভিতর কে যেন একটা সজোড়ে লাথ্থি দিল…….
……..এখনো ভাবছি—
১।গল্পটা নিয়ে
২,গল্পকারের দক্ষতা নিয়ে

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৯

লেখক বলেছেন:

মাই গড! একসাথে দুইটা ? মাথায় বাড়ি আবার পেটের ভিতর লাত্থি ? নারে ভাই আমার গল্পের অত ক্ষমতা কই ? আর লেখক? সে তো কবেকার আলবেলি নার…..

নতুন বছরের শুভেচ্ছা।

২৫. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২৫

লাবণ্য প্রভা গল্পকার বলেছেন: এই নিয়ে গল্পটি তিনবার পড়লাম
সেই সঙ্গে ভাল লাগার স্মুতিচিহ্ন রেখে গেলাম
ভাল থাকুন

০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪৬

লেখক বলেছেন:

“ভাল লাগার স্মৃতিচিহ্ন” হেঁটে আসতে
অনেকটা পথ পেরুতে হলো শেষাবধি,
শেষতক পথ শেষ হলো,চিহ্নরা খেয়ালি
রোদের কণার মত ছুটোছুটি করল……
লেখক তীব্রদহনে মুগ্ধ হলো।

ভাল থাকবেন।

২৬. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:০৮

 বলেছেন: মনজু ভাই … এইটা কি ! ? ! ? ! ?

আগে পড়লাম না ক্যান ? ! ?

১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৯

লেখক বলেছেন: এটা আধুনিকতার কষ্ট !!

২৭. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৮

নীল চাঁদ বলেছেন:

“বাম”-দের প্রতি আমার একসময় দারুণ শ্রদ্ধাবোধ ছিল।

এখন কি তবে শ্রদ্ধাবোধ টা উঠে গিয়েছে?

মোটেই না। তবে ভালবাসা টা বোধহয় কিছুটা ফিকে। সময় বদলে দেয় কতকিছু।

লেনিন এর নির্দেশেই গুলি হয়েছিল খাদ্যের দাবিতে আন্দেলনরত শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে। শ্রমিকেদরে জন্য যতটা দহিত হয়েছি তার চেয়েও বেশি দহিত হয়েছিলাম লেনিন এর জন্য।

আহা লেনিন!!!

গল্পের সাথে মন্তব্যটা কি গ্যাল না?

একটু দূর থেকেই কথাগুলো বললাম। তাই হয়তো কিছু আওয়াজ হারাবে হয়তো। কিন্তু এটাই তো সত্য। নাকি বলেন?

১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:২৮

লেখক বলেছেন:

মাথার ওপর দিয়ে গেল!
কাকে বললেন, লেখককে? না বামপন্থাকে?
ফর নাথিং ‘রোপট্যুইস্ট’ আমার ধাতের বাইরে। যা বলবেন ঋৃজু বলবেন। ধন্যবাদ।
সাহিত্যসৃষ্টির নামে শব্দ নিয়ে বেশুমার অনর্থ কপচানো আমার পছন্দ নয়। শুভেচ্ছা।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪০

লেখক বলেছেন:

সুজনেষু নীল চাঁদ। আপনি কি আর একবার এসে আপনার লিখিত “আহা লেনিন!!!”
এর ব্যাখ্যাটা দেবেন ? অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি………….

২৮. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:১৪

দি ওয়ান বলেছেন: + :)

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৮

লেখক বলেছেন:

ওক্কে, তাই হোক। হাসলাম।

২৯. ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৩৬

 বলেছেন: ২২ ( ২৪ এর কাছাকাছি পৌছে গেছে ) :)

৩০ শে মে, ২০০৯ ভোর ৫:৫৪

লেখক বলেছেন:
হুম। ২২। শুধুই ভাল লাগা! বেশ। আমি, হ্যাঁ এই আমি আমার এই গল্পটা সপ্তায় একবার পড়ি। আর ভাবি……….আর একটিবার যদি ঠিক এভাবেই লিখতে পারতাম! কেন যে ভাবি তাও জানি না! তবে ভাবি। সব লেখারা সব সময় আসে না, পাশ কেটে বেরিয়ে যায়…সময় তো বহমান…..বয়েই চলে………

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s