মৃত্যু যেখানে নানা ছুঁতোয় হানা দেয় খুবলে খায়

১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৩৮ |

অ্যাফুয়েন্ট ভোগবাদী সমাজে অপমৃত্যু একটি নৈমিত্তিক ঘটনা। সমাজের চারপাশে কেবলই নেই নেই, কেবলই খাই খাই’য়ের মধ্যে মৃত্যুও যেন একটা ট্রান্সফারেবল ট্রান্সশিপড কমোডিটিজ বিশেষ। এই চটকদার আধুনিক মোবিলাইজড সমাজে অটোমোবিলাইজড যান্ত্রিকতায় সবকিছু যেমন মেকি-কাগুজে, পোশাকী এবং হিপোক্রাসিতে ভরা, মৃত্যুও তেমনি কাগুজে-বিবশ অলঙ্ঘনীয়। আধুনিকায়ন, লেস ডেভেলপড থেকে নিউ ডেভেলপড হওয়ার উন্নাসিকতায় সবকিছুকে যেমন পেছনে ফেলে আসা। সবকিছুকে যেমন স্কেপ করা, তেমনি মৃত্যুকেও এই গো-ভাগাড়ের মতো মিশ্র বিটকেলে কালচারের সমাজ অ্যাফুয়েশনের অঙ্গ বলে যেন মেনে নিয়েছে। এখানে এই মৃত্যু উপত্যকায় রোজকার সংবাদপত্র যেন দুচারজন অপঘাত মৃতের সংবাদচিত্রে অনূড়া। এখানে এই একঘেয়ে জীবনে বিকৃত কান্তিকর বিষাদ, সেলুলয়েডি সুর এবং কণ্ঠের ও যন্ত্রের মিলিত ক্যানেস্তারার আওয়াজ। এখানে শহুরে জীবনের ধূসরতা গ্রাম্য জীবনের শ্যামলতাকে গ্রাস করেছে।

আমরা এই ধূসরতায় বিমূঢ় হয়ে একজন-শ’জন-সহস্রজন ম্যানিয়াক হয়ে গেছি। রোজকার সকালেই সংবাদপত্র জুড়ে সেই পারস্পরিকতা, সেই বিকারগ্রস্থতার নিউমর্ডানাইজেশনের ফুটেজ। ভাবগম্ভীরতার ইম্পোজড ক্যারিক্যাচার, প্রায় মুদ্রিত নেত্রের আবেগায়িত প্রকাশ, উন্মাদের উন্মত্ততায় আনন্দ উদযাপন। মাংশময় আনন্দ। নেতানেত্রীদের সুপার ইম্পোজড সেলুলয়েডি বিন্যাস। স্মিত হাসির অভয়। খোঁড়া লুলা ল্যাংড়া আতুরদের নিয়ে উচ্চমার্গিয় তামাশা। ভালোবাসা আর ত্যাগের মহিমায় বুঁদ হওয়ার মচ্ছবের ভেতর দিয়ে নির্মোহ-নির্বিকারভাবে পাঁচ/দশ দিন পর ৪৮ খুনের সংবাদ পঠন। ঢাকায় ২২ জনকে হত্যা। মানিকগঞ্জে ৩ ডাকাত গণপিটুনিতে হত্যা। রাজশাহীতে কিশোরী মহিমা ধর্ষণ। ধর্ষণের পর ছবি তুলে ভিডিও করে প্রচার।জনযুদ্ধের নেতাকে ধরে কতল। লাল পতাকার ডা.মিজানুর রহমানকে “ক্রসফায়ার”। প্রবীন নেতা মোফাক্কার চৌধুরীকে রাতের আঁধারে “ক্রসফায়ার”। মহিমার আত্মহনন। এক দমে টানা পড়ে যাওয়া শুধু। বিকারহীন। অভিব্যক্তিহীন। কিনিক্যাল ডেড মানুষের মতো শুধু ফ্যাল ফ্যাল করে শূন্যে চেয়ে থাকা। এই মধ্যে বেহেশতি জজবায় দুধের শিশুকে কুরবানি! সাইকোসিস বা হ্যালুসিনেশন তো ঘাতক পিতাই শুধু নয়, পুরো সমাজ। কল্পিত সুখ বিলাস, ভোগবাদী পরজাগতিক লিপ্সা।তার ভেতর নব উদ্যোমে আলাদা গোছের ভয়ংকর গণতন্ত্রবাদী নির্বাচনের মচ্ছব।ক’দিন আগের ‘মহাপ্রতাপশালী’ সবকিছু ঠান্ডা করে দেওয়া সেই নব ঊন্মেষের কান্ডারিরা স্তিমিত। চারিদিকে কেবল নির্বাচন আর আগামীর অচেনা আনন্দগাহন! চারিদিকেই নাকি হত্যা আর খুন খারাবির আস্ফালন।কেবলই ভয়ে চলেন কর্তারা,নেত্রীরা,মতাবানরা।কি জানি কোথা থেকে খুন করে বসে কে!

এই সমাজে, এই দেশে দলবাজি রাজনীতির অভীষ্ট লক্ষ্য ক্ষমতার মসনদ। সেখানে যাবার সিঁড়ি ভাঙতে হলে ভাঙতে হয় মানুষের মন। মানুষের ঘর। মানুষের সংসার। মানবতার বিশ্বাস। প্রচলিত ধারণা। সরলতা, গ্রাম্যতা যা কিছু সুন্দর সব। বকের মতো শিকারীর ছররা গুলিতে মানুষ মরে। প্রযোজ্য লাশ মিছিলে ওঠে। অপ্রযোজ্য মর্গে। বেওয়ারিশ। নাইট্রিক অ্যাসিডে মাংশ গলিয়ে মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষা উপকরণ। এখানে এই জনপদে গত এক দশক ধরে মানুষ মরে ম্যানিয়াকের হাতে। শিল্পমণ্ডিত হয়ে। হুটহাট গুলি করে মারায় কোনো শিল্প নেই। মারতে হবে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে। একে একে অঙ্গহানি করে করে। প্রথমে আঙুল অতপর কব্জি-বাহু-চোখ-নাক মুণ্ডু…। এখানে পুলিশ সশস্ত্র সন্ত্রাস রূপে শিক্ষিত-পরিমার্জিত। ট্রেইন্ড। পেশাদার হন্তারক। রাষ্ট্রের প্রয়োজনে সরকারের অঙ্গুলী হেলনে ঝাঁপিয়ে পড়বে মানুষের ওপর। নিরস্ত্র মানুষের ওপর। সশস্ত্র মানুষে তাদের বড়ো ভয়। সশস্ত্র মানুষ কড়ির জোগানদার। জীবিকার ভাগিদার। মতার মসনদের দম্ভের আত্মম্ভরিতার পাহারাদার।

কিন্তু এখন আমরা যে রিজিমে দিনাতিপাত করছি তাতে যোগ হয়েছে ইহজাগতিক আধুনিকতা আর পরজাগতিক পশ্চাদপদতা। এই সম্মিলনে যে সরকার দণ্ড হাতে আসীন তারা তুখোড় পরিমিতিবোধ সম্পন্ন ঔপন্যাসিকের মতো নির্মোহ। নির্মোহ। অসম্ভব ব্রেকিং বোধসম্পন্ন। মনুষ্যহত্যা, প্রাণীমৃত্যু এদের কাছে এলডিসি থেকে ডেভেলপড হওয়ার সোপান মাত্র। প্রতিদিন এক হালি করে বিরুদ্ধবাদী হত্যা নবসৃষ্টির প্রসব বেদনা মাত্র। ঠোঁটের কোণায় স্মিত হাসির সামান্যতম বিচ্যুতি নেই। দুহাত তুলে উদাত্ত আহ্বান আর বেশুমার বাচনিক মিথ্যাচার।

ইলা মিত্রকে পাকিস্তানি পুলিশ যৌনাঙ্গে গরম ডিম প্রবিষ্ট করিয়ে অত্যাচারে নতুন মাত্রা এনেছিল। মধ্যযুগীয় প্যাশনের নব্য মাত্রা দান। সেই পুলিশ এখন লজ্জা পাবে তাদের প্রাচীনতায়। কসমোপলিটন সমাজের দগদগে ঘায়ে আইটির প্রলেপ দিয়ে আমাদের শাসকেরা নব্য নগরায়নের বাতাবরণে অত্যাচার-ব্যাভিচারেরও আধুনিকায়ন করেছেন। অ্যালবেয়ার ক্যামু’র’Out Sider’ কসমোপলিটন শহরের, নব্য জাতীয়তাবাদী জামাতী রেজিমের বিষবৃরে ফল। ক্যামু’র ‘Out Sider’-এর নায়কের মতো। আলজেরিয়ান নায়ক মা মারা যাওয়ার পর ছুটি নিতে গেলে বস জিজ্ঞাসা করলেন, ‘মা কবে মারা গেছেন?’ নায়ক উত্তর দিলেন ‘Mother died today, or may be yesterday, I can’t be sure”. উত্তরের মধ্যে এই যে নির্মম ঔদাস্যের সুর, তাকেও পেছনে ফেলেছেন আমাদের শাসকেরা, চালকেরা, গত টার্মের খালেদা-নিজামী সরকারের দেখনেঅলারা। ‘ক’টা মরেছে?’ ‘পাঁচটা। প্রতিদিন গড়ে পাঁচটা। গত ৬ মাসে প্রায় ২ হাজার।’ ‘হ্যাঁ ওতো হতেই পারে।তার পরের সরকার হলেন নিরপেক্ষ ন্যায়নীতির সরকার। তাদের হাতেও ছোপ ছোপ রক্তের দাগ।তাদের রেজিমেও বিনা বিচারে কবুতরের মত গুলি করে মারা।এখন তাদের চলে যাবার পরে আবারো নাকি কারা কারা মারতে আসছে।

পট পরিবর্তন হলে পরে অমন কিছু সংখ্যক মানুষ মরেই। কোথায় লাগে অ্যালবেয়ার ক্যামু’র আলজিরিয়ান নির্মম নায়ক। আমাদের নির্মমতার কাছে যে নস্যি।
অক্টোবরের নির্বাচনে তকমা পাওয়ার পর যে তাণ্ডব দেশজুড়ে শুরু হয়েছিল তা কি থেমেছিল ক্ষমতার শেষ দিন অব্দি?এবারের নির্বাচনের পর আরো কারা মরবেন? মরবেন যে সেটা তো ইতিমধ্যেই আলোচনায় উঠে এসেছে। তাতে সংখ্যাতাত্ত্বিক ক্রমবিকাশে নির্যাতিত গফরগাঁও-এর জ্যোৎস্না রানী, মণি বাইন, চিতল-মাঝির হাসিনা, মধু রানী দাস, চম্পা, আগৈলঝাড়ার শাবিত্রী, মধু, শেফালী সরকার, ভোলার শেফালী রানী, রীতা রানী, পাবনার সুজাতা, রেণুকা, রাউজানের প্রভাত দাস, মীরসরাইয়ের স্বম্বি, কুটন দাস, সিরাজগঞ্জের পূর্ণিমা হয়ে রাজশাহীর মহিমা। নির্লিপ্ত মধ্যযুগে প্রত্যাবর্তন। এ এক বিটকেলে কিম্ভুতকিমাকার পোলারাইজেশন।

ইউরোপ-আমেরিকার সমাজেও হত্যা, নারী ধর্ষণ আছে। প্রতিকারহীন নয়। শাসকের নির্লিপ্ততায় পোক্ত নয়। ওদের ভোগবাদী চরম উৎকর্ষময় বিপণন সমাজেরও একটা প্রকার আছে। এক ধরনের ভ্যালুজ আছে। তারা শুধু এগুতে থাকে। পেছোয় না। আর আমাদের আছে চরম ভোগবাদী বিপণন ব্যবস্থার সঙ্গে কুৎসিত পুঁতি গন্ধময় ক্ষমতার খেয়োখেয়ি রাজনীতির সঙ্গে অন্তঃসারশূন্য তান্ত্রিকতা, পশ্চাদপদতা, কূপমণ্ডুকতা, স্থূল বিশ্বাস, ধর্মীয় ফেরেপবাজি, মতলববাজি, চামারী, কোবজ, মাদুলি, তুকতাক, ফুকফাক, ফতোয়া, ধান্ধাবাজির মিশেলে কিম্ভুতকিমাকার অথর্ব পাগলা সমাজের নাপতামী। সুশীল ভণ্ডামী।

মানুষ মরতেই পারে। মরবেই। কিন্তু এ কেমন মৃত্যু? বিরুদ্ধ চিন্তা করলেই জনসম্মূখে ধরে ধরে হত্যা! ঘরে ঢুকে ব্লাংকরেঞ্জে গুলি করে হত্যা! কুরবানির গরু জবাইয়ের মতো ‘পুণ্যবান’ হত্যা! চাঁদা না দিলে হত্যা! জোরে কথা বললে হত্যা! সমালোচনা করলে হত্যা! সঙ্গত না দিলে হত্যা! কেন এতো প্রতিকারহীন হত্যা? আপনারা যারা শাসন দণ্ড হাতে বসে আছেন কই আপনাদের কোনো প্রাত্যহিক কর্মতো থেমে যাচ্ছে না? কোনো দারোদ্ঘাটন, কোনো শিলান্যাশ তো বন্ধ হচ্ছে না? কোনো উন্নয়নের মেনিফেস্টোতো লেখা থামছে না? আপনারা কী এতোটাই পাথুরে স্নায়ু ধারণ করেন?

এই মৃত্যু উপত্যকা থেকে অনেক দূরে কোনো তন্ত্রপীঠের নির্জন গ্রাম্য শ্মশানে অমবশ্যার রাতে চলতে চলতে যখন একটার পর একটা শুকনো মাথার খুলি পায়ে ঠোক্কর খেয়ে গড়িয়ে যায় তখন এক নিমেষে চোখের সামনে ভেসে ওঠে পৃথিবীর এই দেশের হাজার হাজার সব জ্যান্ত মহার্ঘ্য মাথা। ঝকমকে মাথা। সাধারণ মানুষের ঘিলু শুষ্ক মাথা নয়, সোনা দিয়ে বাঁধিয়ে রাখার মতো বড়ো বড়ো সব ভারিক্কি মাথা। যার ভিতরে অফুরন্ত বুদ্ধির গলন্ত ঘিলু অহরহ টগবগ করছে। এই সব মাথাঅলা ধর্মের যাজক, পুণ্যের বাহক, রাষ্ট্রের প্রতিভূ আপনাদেরও মুক্তি নেই। অবশ্যই জানবেন, মুক্তি নেই।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): কিলিং ;
প্রকাশ করা হয়েছে: প্রবন্ধ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জুন, ২০১০ রাত ২:২৯ |

 

৩৯১ বার পঠিত২৬

২৭টি মন্তব্য

১. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪১

রশীদ খাঁন বলেছেন: ভালই পাইছি +++

১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২৮

লেখক বলেছেন: ভাল না,”ভালই” পাইছেন? বেশ । ধন্যবাদ নিন।

২. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪৫

বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: কিছু বলার নাই । পড়ি উপলদ্ধি করি মিনিট পাঁচেক পরে সব ভুলে যাই….
আবারো যখন ভেতরটা ঝাকি খাবার মত কোন খবর শুনি আবার সব মনে পড়ে …. আবার ভুলে যাই
অনুভূতিগুলো ভোতা হয়ে যাচ্ছে

১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২৪

লেখক বলেছেন:
হ্যাঁ। আমাদের দশা হয়েছে গোল্ডফিস এর মত। কেবলই ভুলে যাই! একটা পাক দিতে না দিতে ভুলে যাই!!তবে সামনে এমন দিনও হয়ত এসে যাবে,যখন আমরা আর কিছুই ভুলতে পারব না।
দগদগে ঘা হয়ে লেপ্টে থাকবে কদাকার স্মৃতিগুলো।

৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:০২

সত্যান্বেষী বলেছেন:

অনেক, অনেক কিছু এনেছেন লেখাটার ভিতর।

এসব দেখতে দেখতে দেখতে দেখতে আমি কেমন নিথর হয়ে উঠছি। মাও সেতুঙের বই হাত থেকে নামিয়ে যেদিন বিপ্লবী মোফাক্কারকে তারই প্রিয় গ্রামে নিয়ে গিয়ে গুলি করে মারে রেবের কালো শর্টগান, সেদিন নিজেকে কিছুটা অসহায় লাগলেও আবার যথারীতি ঠান্ডা মাথায় ভাত খাই, মেয়ের সাথে তুখোর গল্পে মেতে উঠি। আবার যখন দেখি রাস্তার ওপারের দশ হাজার শিক্ষার্থীর একস্কুলে একদিনে, না, এক লহমায় মাসের বেতন ভর্তি ফি সব দ্বিগুন করে দেয়ার পর অভিভাবকদের ডাকা মানববন্ধনের দিনে স্কুলের গেটে কালো কালো শকুনের মতো কালো শর্টগানের কালো ঠোট উচিয়ে রেব বসে আছে তখন কিছুটা বুঝে যাই রেব আসলে কার। স্কুল গেট আর রেবের গাড়ী পেড়িয়ে মোড়ের দোকানে ড্যানিশ মার্কা চা খেতে খেতে ফের ভুলে যেতে থাকি রেবের কাজকাম।

তারপরও কে যেন ভিতরে বোবাস্বপ্নের মতো হাতপাহীন চিৎকারে ফেটে পড়ে- ‘এই জল্লাদের উল্লাস মঞ্চ আমার দেশ না’।

১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:১২

লেখক বলেছেন:
কি নির্লিপ্ত রোবটিক জীবনটা যাপিত করে চলেছি আমরা! সৃষ্টির সেরা নির্মম প্রাণী যেমন এই মানুষ, ঠিক তেমনি মানুষের সেরা নির্লিপ্ত গোবরদলার মত ভুসভুসে ভুষি মালের বস্তা হয়ে দিন কাটানো বাঙালি মুসলমানকুল!!সব কিছুতেই যুক্তির জোড়া লাগাতে পারি!! রেব এর হত্যাকেও এথিক্যাল বলে দিস্তা দিস্তা কাগজ পয়মাল করে ফেলেছে এই হার্মাদীয় অনুজীব আমরা!! ঘেন্না। ঘেন্না। ঘেন্না।

৪. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৫২

 বলেছেন: আমার, আমাদের মুক্তি নেই … সেটা তাও মানতে রাজী …
কিন্তু আমার, আমাদের সন্তানরা’ও মুক্তি পাবেনা … তার, তাদের জন্য আমি, আমরা কোন “শুরু” রেখে যেতে পারছিনা …
এটা ভাবতেই অসম্ভব এক ক্লীবত্ব আমাকে পেয়ে বসে … নিজেকে আর সক্ষম দাবী করতে পারিনা …

১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৩

লেখক বলেছেন:
সব কিছু দেখে মনে হচ্ছে না যে আমরা বেশ ভাল আছি !!
এই যে ভাল থাকা, এটাই আমাদের কাল! সর্বনাশ!!
আমরা একটা হৃদয়হীন বাটপার সমাজে আমাদের
সন্তান-সন্ততিদের ফেলে যাচ্ছি…. আমরা কি আর
আশাবাদীও হতে পারব না? কে জানে ,
কোন একদিন হয়ত আমাদের সন্তানরাই আমাদের দায়ী করে বসবে!!

৫. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৬

জাতিশ্বর বলেছেন: দাদা, এইডি আমগো না, বড়গো জন্য লেখা! মারাত্মক।স্যালুট লন দাদা।

০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:১৮

লেখক বলেছেন: ……………..

৬. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৮

মনজুরুল হক বলেছেন: ইহা একটি “পরিত্যাক্ত” অনাদ্রিত আখ্যান বিশেষ, @ জাতিশ্বর।

৭. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০০

শফিউল আলম ইমন বলেছেন: অসাধরন লিখেছেন। মনজুর ভাই কেমন আছেন?

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০৭

লেখক বলেছেন:

ভাল নেই।অনেক দিনের অপেক্ষার পর যে সময়টা শুরু হলো, তা নিয়ে তেমন আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না। সেটাই ভাল না থাকার কারণ। আপনি ভাল তো?

ভাল থাকবেন।

৮. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১২

সত্যান্বেষী বলেছেন:
পোস্টটা মুছে দিলাম।

৯. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১৫

নাফে মোহাম্মদ এনাম বলেছেন: রহস্য সাহিত্য পুরস্কারে’০৯-এ অংশগ্রহন করুন:এখানে

১১. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৬

নাফে মোহাম্মদ এনাম বলেছেন: রহস্য সাহিত্য পুরস্কারে’০৯-এ অংশগ্রহন করুন:এখানে

১২. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:১০

 বলেছেন: মনজু ভাই এখন খুব খুশি লাগতেছে … খুব ! ! !

প্রত্যাবর্তনের জন্য স্যালুট, অভিবাদন, ধন্যবাদ … সব

১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫২

লেখক বলেছেন: আপনার ভালবাসায় আমি মুগ্ধ। আমার অভিনন্দন নিন মনির।

১৩. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৬

১৫. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২১

অপ্‌সরা বলেছেন: এত কঠিন কথা গুলো এত সুন্দর করে লিখো তুমি আসলেই জানতাম না আগে।

অনেক ভালো থেকো।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩২

লেখক বলেছেন:

লজ্জায় ফেলে দিলে! আমার এক বন্ধু এই লেখাটি সংবাদপত্রে পড়েও এই একই মন্তব্য করেছিল! আমি লেখা থামালেই সে আমাকে সাহস যোগায় এভাবে………..

“এত কঠিন শব্দ এত সাবলীল ভাবে যে লিখতে পারে তার কেন লেখা থেমে থাকবে?”

আমার নিজের একটা প্রিয় লেখা আছে,গল্প। ছোট। সময় পেলে পড়ে দেখোঃ

“শেষ রাতের এক ফালি চাঁদ” এই নামে। এটা আমার শো-কেস এ আছে।

ভাল থেকো।

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s