বিভেদের দেওয়ালঘেরা বৈশাখী বর্ষবরণের

jamdani17-01

১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:১৩ |

গত কয়েক বছর ধরে আমরা পয়লা বৈশাখে জাতীয়ভাবে আনন্দউল্লাস করছি। নেচে গেয়ে রং মেখে সঙ সেজে রংবেরংয়ের মুখোশ বানিয়ে হরেক রকমের কাগজের মূর্তি বানিয়ে এক মহাযজ্ঞের আদলে আমাদের সেই প্রাচীন বাঙলার বৈশাখ এখন দাঁড়িয়ে গেছে কর্পোরেট ‘ফাস্ট বোশেখ ফেস্টিভেলে’!

এর বাইরে রাজধানীর বাইরে সেই সুদূর মফস্বল শহর গুলোতে এখনো পয়লা বৈশাখ বাঙালির আদি এবং অকৃত্রিম প্রাণের উৎসব। বাঙালির নিরেট ভালোবাসার দিন। ধর্মাধর্মীর বেড়াজাল ছেঁড়া মুক্ত স্বাধীন আনন্দ আবাহন। আজো গ্রাম বাঙলায় পয়লা বৈশাখ মানে দোকানীর হালখাতা, লাল রঙের জাব্দা খাতায় ফি বছরের বাকিতে পণ্য নেওয়া আটপৌরে বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতি। হালখাতার দিনে দোকানে দোকানে ক্রেতার ভিড়। যে যেমন পারেন ধার শোধ করেন, আর শালপাতা বা কাগজের ঠোঙায় মিষ্টি মিষ্টান্ন নিয়ে বাড়ি ফেরেন। আবার নতুন খাতায় নাম লিখিয়ে শুরু হয় সারা বছরের প্রচলিত কষ্টেসৃষ্টে কাটিয়ে দেওয়ার লিখন! যদিও এখন আর আগেকার সেই মহাজনের শোষণ নেই, কিন্তু ভিন্নমাত্রায় নব্য কর্পোরেট শোষণে জর্জরিত বাঙালি কিছুতেই তার আগেকার সেই সহজীয়া সংস্কৃতি খুঁজে পায় না। পাবেও না, কেননা সেখানে এখন বীরদর্পে আবির্ভূত হয়েছে নিখুঁত মাপের ভাঁজ করা এক নব্য কালচার, যাকে আদর করে বলা হচ্ছে- কর্পোরেট কালচার!

এই কর্পোরেট আগ্রাসনে এখন সব কিছু আক্রান্ত। রাজনীতি, অর্থনীতি তো গেছেই, বাকি ছিল গ্রাম্য সংস্কৃতি। সেটার ওপরও নজর পড়েছে মাফিয়াদের। মাফিয়ারা সেই গ্রাম্য ঐতিহ্যগুলোকে কমোডিটিজ বানিয়ে বিক্রি করছে। বিক্রি মানেই মুনাফা। কর্পোরেট মুনাফা মানে মোটা দাগে ব্যাপক অঙ্কের মুনাফা। বড়ো মুনাফার ধর্ম হলো প্রয়োজনে সে মানুষ খুন করে। আমরা আগামীতে বড়ো বড়ো মাফিয়া ব্যাপারিদের মধ্যে বর্ষবরণ নিয়ে প্রতিযোগিতা দেখবো। রেষারেষি দেখবো। এর পর দেখবো খুনোখুনি।প্রতিবারই যার আলামত (পৃথক হয়ে যাওয়া খণ্ড হয়ে যাওয়া) দেখা যাচ্ছে।

দেশজ আর লোকজ সংস্কৃতি যখন বহুজাতিক কোম্পানি আর কর্পোরেট ব্যাপারিদের হাতে পড়ে তখন তার ঐতিহ্য হারাতে বাধ্য। তখন তা নিছক বিকিকিনির এক মচ্ছব হয়ে দাঁড়ায়। আর পুলিশে যার শৃঙ্খলা রক্ষা করতে চায় তার শৃঙ্খলার বারোটা বেজে যায়। গতবার বটমূলের অনুষ্ঠান আর রমনা-সোহরাওয়ার্দী এলাকায় ৬ হাজার পুলিশ, বিডিআর, র‌্যাব নামানো হয়েছিল,এবারো ঠিক তেমনি র‌্যাব-পুলিশ আর অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে নিরাপত্তা চাদরে মুড়ে ফেলা হবে সমগ্র রমনা আর এর আশেপাশের এলাকাগুলো। মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে প্রত্যেকের শরীর চেক করে করে ঢোকানো হয়েছিল, এবারো তাই হবে। ঠাঠা রোদের মধ্যে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে মানুষ পার্কে ঢুকে একে অপরের মুখে দেখছে আর প্রশ্ন করেছে, কী দেখতে এলাম?

ফেরিঅলাদের প্রবেশঅধিকার ছিল না পার্কে। তপ্ত রাজপথে বসতে হয়েছিল। গাছের ছায়া ওদের জন্য হারাম করা হয়েছিল। কচি কচি বাচ্চারা রোদের মধ্যে পুতুল, মিষ্টি কিনতে গিয়ে চাঁদিফাটা কষ্ট পেয়েছে। নিরাপত্তার নামে অস্ত্রধারীরা বর্ষবরণকে প্যারেড স্কয়ার বানিয়েছে। পুলিশ ক্যাম্প বানিয়েছে। এই সরকারি পিটি-প্যারেডে বাঙালির বাংলা হাওয়া হয়ে জায়গা দখল করেছে রাজনীতিকদের পান্তা খেকো মানসিকতা। আমি পুরো এলাকাটা ঘুরে কোথাও কারো মধ্যে কোনো আনন্দ দেখলাম না। যদিও কেউই জানে না কিসে আনন্দ, কেন আনন্দ? এবারো সেই একই রকম আনন্দ আনন্দ খেলা চলবে। মানুষ উন্মাদের মত আনন্দের পেছনে ছুঁটবে আর মিছে আনন্দ খুঁজে ফিরবে।

কর্পোরেট কালচারের অন্যতম নিয়ম হলো সব কিছুর ভেতর প্রফেশনালিজম! কড়া ভাঁজের প্রফেশনালিজম। যার একটু চুন থেকে পান খসবে না। এই প্রফেশনালিজমের কোন এক নিভৃত কোণে হয়ত হতদরিদ্র মানুষগুলোর ছেলে-মেয়েরা একটা হাওয়াই মিঠাইতেই আনন্দ হাতড়ে নেওয়ার চেষ্টা করবে। প্রতিবার তা-ই করে ওরা। অথচ কর্পোরেট কালচারের যারা ধীমান, যারা শিখরকর্তা, যারা তরফদার-গাতিদার তাদের কিন্তু আনন্দ গ্যাদারের নিয়ম এরকম না! তারা পাট খোলা লাল-সাদা গারদ বা সিল্কের ভাঁজে ভাঁজে ফরাসী সৌরভ ছড়িয়ে দেবেন, খোঁপায় দুধসাদা বেলিফুলের মালা জড়াবেন, কপালে বড় করে লাল-কালো টিপ পরবেন, গলায় পুঁতির মালা অথবা বেলিফুলের মালা ঝোলাবেন, হাতে কনুইঅব্দি কাঁচের চুড়ির রিনিঝিনি বাজাবেন খোঁপায় একটা গোলাপ কিংবা গাঁদা অথবা জবা গুঁজে নেবেন এবং হাওয়ায় আঁচল উড়িয়ে দুইগালে লোকজ সংস্কৃতির চিহ্ন এঁকে একে অপরকে অহেতুক ভালবাসার আহ্বান জানাবেন।

পাশাপাশি আর এক দল সাদা কিংবা ঘিয়ে রঙের পাঞ্জাবী,চুড়িদার পাজামা, অথবা রং বে রংয়ের ফতুয়া গলায় কড়ের মালা, হাতে হরেক রকমের বালা অথবা নানা রঙের টিশার্টের বাহারে গোটা বোশেখজোন আলোকিত হয়ে উঠবে।হাই ভ্যালুর পান্তা-ইলিশ সাথে একেবারে খাঁটি বাঙাল রিসালতের বিলাস ছড়াবেন। সেই সাথে কর্পোরেট দোকানগুলো এই সমগ্র উৎসব বা মচ্ছবের বিভিন্ন ক্যাটাগরির আইটেমে স্পন্সর হবেন। কোন কোম্পানী পানি সাপ্লাই দেবে তো কোনটা দেবে হাতপাখা। কেউ কেউ স্বেচ্ছা রক্তদান কর্মসূচী থেকে শুরু করে বিভিন্ন কমোডিটিজের ব্যাপার-বাণিজ্যও করে নেবেন।বাড়িতে বাড়িতে বাঙাল ঘরানার বিশেষ খানাপিনার আয়োজন চলবে, একটা বিশেষ দিনে সবাই কেবলই মাটির সানকিতে খেতে চাইবেন, কারোই মাথায় কাটলেট,পিৎজ্জা,বার্গার, চপ, আইসক্রিম,বিরিয়ানীর খায়েশ চাপবে না। সবাই এই একটি বিশেষ দিনে ভয়ংকর ভাবে আদি এবং খাঁটি বাঙাল হয়ে উঠবেন। ঠিক ওই দিনের রাত অব্দি। রাত পোহালেই আবার যে যার আসল চেহারায় এবং আসল খোমায় আবির্ভূত হবেন। আবার যার যার নিজের পছন্দ অপছন্দের মূল ঘারানায় ফিরে যাবেন।

দিন ক্রমশঃ গড়িয়ে যাবে। এক একটা দিন আরো ধীরে ধীরে আরো একটি নতুন অনিশ্চিত দিনের দিকে ধেয়ে যাবে।

এর থেকে অনেক দূরে যেখানে সূর্য যথারিতি ওঠে আর ডোবে, যেখানে রাত এলে কারো কাছেই মোহনীয় মায়াবী মনে হয়না, যেখানে কেউ পানি বা হাতপাখা কিংবা অন্য কিছুতে স্পন্সর করে না, যেখানে সন্ধ্যের আগে আগে কেরোসিনের অভাবে কুপিগুলো নিভে যায়, যেখানে খুব ভোরে সূর্য ওঠারও আগে মানুষগুলো বেরিয়ে যায় জীবিকার খোঁজে, যাদের বউগুলো আরো একটু পরে বড়রাস্তা ধরে দ্রুতলয়ে হেঁটে যায় শহরে কাজের আশায়, কিংবা তোলা কাজের বাড়িতে, যাদের কচি ছেলেমেয়েগুলো সারাটাদিন এক নিরেট নিথর অপেক্ষার প্রহর পার করে বাবা-মায়ের ফিরে আসার আশায়, সেখানে কোন বৈশাখী উৎসব নেই। সেখানে পয়লা বোশেখ নেই। হালখাতাও নেই!কেউ তাদের কোন মুখোশ বানিয়ে দেয়না। কেউ বাঁশি বাজিয়ে আবহনী সঙ্গীত শোনায় না, কেউ নাগরদোলায় চড়িয়ে উথাল-পাতালে চক্কর খাওয়ায় না। তারা এমনিতেই সারা বছর ওই উথাল-পাথাল আর নাগরদোলার চক্করে আছে। তারা কোখনো দিন অতিবাহিত করে না, তাদের দিনগুলো অতিকষ্টে ঘেয়োকুকুরের মত হেঁচড়ে হেঁচড়ে কোনওমতে পেরিয়ে যায়।

এবার এই দুই ধরণের বর্ষবরণের একত্রিকরণ কিংবা একিভূত করার চেষ্টায় আমরা দেখি সেই চিরায়ত ধনবৈষম্য আর শ্রেণীবৈষম্য। এটা থাকতেই পারে। খুব ভালভাবেই পারে। থাকবেও, কিন্তু যে আমরা একটা নতুন বছরকে আবাহন জানানোর কাজটাও সার্বজনীন করতে পারিনি, সবার জন্য আনন্দময় করতে পারিনি, সেখানে কি করে আমরা ঢেরা পিটিয়ে বলি যে, পয়লা বোশেখ বাঙালির আদি সংস্কৃতির অনুষ্ঠান, প্রাণের মিলনক্ষেত্র, কিংবা বাঙালির নিজস্ব উৎসব? উৎসব কি আমরা রেখেছি? যেটুকু রেখেছি তা কি সবার জন্য? যদিও নামকা ওয়াস্তে সবার জন্য চাপাটা চালিয়েই দিই, তার পরও কি সেটা সবার জন্য হয়ে উঠেছে? মোটেই না। এটা আজ থেকে দশ-পনের বছর আগে তাও যেমন কিছু সাধারণ মানুষের মিলনমেলা ছিল, এখন তাও নেই।

একটা বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত শ্রেণীর আরোপিত কর্পোরেট ছেনালি, বা একদল আপহোল্ড মানুষের একদিনের বেলেল্লেপনা ছাড়া আর কি? হ্যাঁ একটা পর্যায় পর্যন্ত এই অনুষ্ঠানকে বলা চলে সকল ধর্মের সহাবস্থান। সেটি ঠিক আছে, এখানে হিন্দু-মুসলমানের আলাদা কোন ভেদাভেদ নেই। কিন্তু তাতেই কি সার্বজনীন?

চৈত্র সংক্রান্তির রাতে যে চাষা সারা বছরের ধারের টাকা শোধ করার তাড়নায় ঘুমুতে পারে না।দাদনে নেওয়া টাকার হিস্যা হিসেবে সারা বছরের ফসলের বড় একটা অংশ যাকে মহাজনের গোলায় তুলে দিতে হয়।মহাজনের (কিংবা ক্ষমতাবানের, কেননা আধুনিক সমাজে আজকাল ক্ষমতাবানেরা প্রাচীন মহাজনের আদল পরিবর্তন করে ক্ষমতাবান বা আধুনিক ব্যুরোক্র্যাট হয়েছেন) ইচ্ছার বাইরে মেয়েটিকে কাজে পাঠাতে পারে না, ছেলেটিকে মাদ্রাসার বদলে স্কুলে পড়াতে পারে না।জমিতে কাজ না থাকার মৌশুমে বিনা পারিশ্রমিকে বা মাহেন্দারী প্রথার আদলে সস্তা শ্রম দিতে বাধ্য করা হয় সেখানে একদিনের মিছে আনন্দ যে তাদের জন্য নয় সেটা মোটাদাগে কাউকেই আর দেখিয়ে দিতে হয় না! জ্বলজ্বলে সত্যের নিরেট গাঁথুনি দেওয়া দেওয়ালই তাদের এই বিভাজনরেখা পষ্ট করে তোলে। যা আমরা খুব পেশাদারী কায়দায় ওভারকাম করতে শিখেছি। আর সেটি হচ্ছে ক্লাস কোলাবরেশনের বেহায়া নির্লজ্জ প্রদর্শন!

গার্মেন্ট সেক্টরের মেয়েগুলোর প্রানান্ত ঘর্মাক্ত ছুটোছুটি দেখে আমরা বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি, বুঝে নিতে চাইছি- এরই নাম বোধহয় সার্বজনীন আনন্দ! এই তো আমরা সবাই কেমন একসাথে থালা-বাঁশি-ঢোলডগর-কাসর-ভেঁপু-চন্দনচর্চিত মুখে ছুটে চলেছি…..এই যে আমরা টিভি ক্যামেরার সামনে নেচে গেয়ে আনন্দের পায়রা উড়িয়ে জগাই-মাধাইয়ের মত উদ্বাহু নেত্য করে চলেছি…..এই যে আমরা একে অপরকে খাঁটি বাঙাল কায়দায় অভিনন্দন জানাচ্ছি, একে অপরকে পার্টিতে ইনভাইট করছি, একে অপরকে শাড়ি-চুড়ি গহনাগাটি উপহার দিচ্ছি, খোলা মাঠে বসে শালপাতায় বা কলাপাতায় গিলছি, টাওয়েলের বদলে গামছায় মুখ মুছছি, এসবই কি চিরায়ত বাঙাল সংস্কৃতি নয়? নিশ্চই!

আমরা বাঁশি কিনছি, কুলো কিনছি, ধামা কিনছি, দোতারা কিনছি- আর ধেই ধেই করে আদি বাঙাল সংস্কৃতির সূত্রধর হয়ে বিবেকের রোল প্লে করে চলেছি……চলেছি সেই প্রাচীরের পাশে, যেখানে আমাদের শ্রেণী বৈষম্য আরো মোটাদাগে বৈষম্য বাড়ানোর ইঁট-সিমেন্ট সহযোগে বিভেদের দেওয়াল তুলে দিচ্ছি…. আর নিয়ম-কানুন এবং প্রথা মিশিয়ে সেই দেওয়ালকে অনতিক্রম্য করে দিচ্ছি। বৃত্ত কেবলই অনতিক্রম্যই থাকে!!
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বর্ষবরণ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: প্রবন্ধ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জুন, ২০১০ রাত ২:৫২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর…

 

 

এডিট করুন | ড্রাফট করুন | মুছে ফেলুন

৫৮০ বার পঠিত৩৬৪১৬

 

মন্তব্য দেখা না গেলে – CTRL+F5 বাট্ন চাপুন। অথবা ক্যাশ পরিষ্কার করুন। ক্যাশ পরিষ্কার করার জন্য এই লিঙ্ক গুলো দেখুন ফায়ারফক্সক্রোমঅপেরাইন্টারনেট এক্সপ্লোরার

 

৬৪টি মন্তব্য

১-৩৪

১. ১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:১৮০

মহাকালর্ষি বলেছেন: অনেক দিন পর আসলাম, এসেই ভালো লাগলো। লেখাটির জন্য কৃতজ্ঞতা। ভালো থাকবেন। প্রিয়তে থাকলো।

১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৫৯০

লেখক বলেছেন:

কৃতজ্ঞতা রইল মহাকালর্ষি। আমিও অনেকদিন পর দেখলাম আপনাকে, ভাল ছিলেন তো? নিয়মিত হোন, ভাল থাকুন।

২. ১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:১৮০

হাসান বায়েজীদ বলেছেন: পহেলা বৈশাখে পান্তা ইলিশ খাওয়ার ন্যাকামী অসহ্য লাগে

১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:২৩০

লেখক বলেছেন:

কর্পোরেট ন্যাকামী অসহ্য লাগলেও কিছুই করার নেই! পুরো কর্পোরেট ম্যাকানিজমে পড়ে গেছি আমরা….

৩. ১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৪৩০

আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন:

সে কালের মহাজনদের শোষন আজ আর নেই, তবে শোষন এই অব্দি শেষ হয়নি! এতেও আধুনিকতার ছোয়া লেগেছে…. যেমন আমাদের ইতিহাস , ঐতিহ্য আর সংস্কৃতির উপর কর্পোরেট শোষন চলছে।।

:::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::

আধুনিকতার রেশ ধরে……….আমাদের জীবনধারা কেমন পাল্টে যাচ্ছে.. আমরা কেমন যেন যন্ত্র মানব হয়ে যাচ্ছি? চলমান জীবনের বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে আমরা দূঃদ্রান্ত অভিনয় করে যাচ্ছি!!

:::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::

মঞ্জু ভাই লেখা খুব ভাল হয়েছে!! ++

১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:০০০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ রোমাস।

অ.ট. দুএক দিনের মধ্যেই বসা দরকার সাংবাদিক সম্মেলন নিয়ে।

৪. ১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:০০০

কালপুরুষ বলেছেন: চমৎকার লেখা। বাঙালী সংস্স্কৃতির রূপরেখা এঁকেছেন শব্দ দিয়ে। খুব ভাল লাগলো।

১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৫৮০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কালপুরুষ দা।

৫. ১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:০০০

মেঘ বলেছেন: বস্‌ আমরাও করপোরেট প্রোডাক্ট। এই দুষ্ট চক্র থেকে মুক্তি নাই

১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৫৪০

লেখক বলেছেন:

নাহ্ মুক্তি নাই। কর্পোরেট প্রডাক্ট হয়ে আমরা এখন বেশ আছি কর্পোরেট এরিনায়।

৬. ১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:২৮০

খারেজি বলেছেন:

আজিমপুরের মহররম মেলার কথা মনে আছে আপনার? কি অদ্ভুত এক মেলা ছিল…

১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:০৯০

লেখক বলেছেন:

মনে নেই মানে! আলবত মনে আছে। হোসেনী দালানের মেলায় “মলিদা” নামের একধরণের খাবার পাওয়া যেত, আটা দিয়ে বানানো।

৭. ১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৩০০

শূন্য আরণ্যক বলেছেন: মাইনাস …… সমাজতন্ত্র ফেইলওর সিষ্টেম ….

বুলি কপচিয়ে লাভ নেই ….

গদি আটা চেয়ারে বসে সবার গুষ্ঠি উদ্ধার করা সহজ …

কারো জন্য অন্য কারো জীবন থেমে থাকেনা …

পোষ্ট টা কেবল আমি বিবাকবান বিরাট মানুষ হিসাবে নিজেকে জাহির করার নির্লজ্জ অপচেষ্টা

ইভোলোশন থিওরী বিশ্বাস করা নাস্তিকের মুখে সমাজতন্ত্রে অলীক স্বপ্ন ভন্ডামীর উৎকট রুপ মনে হয় ।

১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৩৩০

লেখক বলেছেন:

গুড। আপনার মন্তব্য থেকে এখনো রাগের ধোঁয়া উঠছে! রাগের মাথায় মানুষ আবোল-তাবোল বকে। ওসব ধরতে নেই।

৮. ১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৪০০

খারেজি বলেছেন:

@মনজুরুল, একটা মজার বিতর্ক ছিল, সম্ভবত ৮ম শতকে। আল্লার বিবর্তন হয়েছে কি না!

নামটা ভুলে গেছি, বাগদাদের লোক ছিলেন, বলেছিলেন আল্লাহর আগে কিছু ছিল না, কেননা তিনি অনাদি-অনন্ত।

তিনি একদা সৃষ্টি করার বাসনা প্রকাশ করলেন, এই বাসনা পূর্ববর্তী আল্লা এবং বাসনা পরবর্তী আল্লা এক নয় কিছুতেই।

হেগেলর ভাব-বস্তুর ডায়লেকটিস এর পূর্বসূরী মনে হয় তাকে। এই দ্বান্দ্বিকতার মধ্য দিয়ে আল্লা নিজেকে ক্রমশ বুঝছেন।

নির্বোধ লোক কেন দরকার করুণাময় প্রভুর? আমি ভেবে একটা উত্তর বের করেছি: নির্বোধ সত্তাকেও, তার অভিজ্হতাকেও মাবুদ বুঝতে চান।

তাই তিনি আমাদের চারপাশ এত নির্বোধেও ভরে দিয়েছেন, আমি তাই নির্বোধদের উপরে বেশিক্ষণ রাগ করতে পারিনা। শূন্যর উপর রাগ করবেন না, সেই আল্লার একটা রুপের প্রকাশমাত্র।

১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৫১০

লেখক বলেছেন:

না না খারেজি! রাগ করব কেন? দেখুন না, কি মোলায়েম কমেন্ট করেছি!………… “ওসব ধরতে নেই”!!

 

লেখক বলেছেন:

কিছু নির্বোধ আছে বিষয়ের একদিক নিয়ে ভেবেই জগৎজয় করে ফেলার গর্ব করে। সমাজতন্ত্রকে ফেইলিয়র বলে তারা। এই হাটুতে জ্ঞানঅলা আধুনিক পুঁজির দাসেরা বোঝেনা, ১৯১৭ য় সমাজতন্ত্রের ঝান্ডা ওড়ার পর পুঁজিবাদ চিরতরে ফেইলিয়র হয়নাই, তেমনি ১৯৯১তে সমাজতন্ত্রের সেটব্যাকের পরও সমাজতন্ত্র ফেইলয়র হয়না।

কি আর করা।

গোবধের গো-বধেই আনন্দ!!

১০. ১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৫১০

নাজিম উদদীন বলেছেন: কি আর করা মনজুরুল ভাই, বোমা না ফাটিয়ে যে পয়েলা বোশেখ করা যাচ্ছে এতেই আমাদের আনন্দ খুঁজতে হবে।

১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৫৭০

লেখক বলেছেন:

ঠিক তাই। তবে সেই যে বোমা ফাটল, তার পর বোমাতঙ্কে এমন নিরাপত্তাচাদর যে কোথাও আর স্বাভাবিকতা নেই! পথশিশুরাও ঢুকতে পারে না মেলায়, ওরা যদি বোমা বহন করে, সেই ভয়! বুঝুন নিরাপত্তাবহর!!

১১. ১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৫৩০

খারেজি বলেছেন:

আইজ আপনার লগে লড়ব এমনকেউ নাই। সব আণ্ডাবাচ্চা।

১২. ১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:০২০

বিদগ্ধজন বলেছেন: সাইকোপ্যাথদের এড়িয়ে যাওয়াই উচিত।

১৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:০৯০

লেখক বলেছেন:

কাকে বললেন? নিশ্চই লেখককে ?? নো প্রব।

১৩. ১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:০৫০

 

খারেজি বলেছেন:

পুস্টান। ঈশ্বরের আরেকটা রুপ প্রকাশ হোক। পাপ নাই জগতে, জগত তিনি ময়।

১৫. ১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:১২০

খারেজি বলেছেন:

“… পথশিশুরাও ঢুকতে পারে না মেলায়, ওরা যদি বোমা বহন করে, সেই ভয়! ”

হ্যা, পোষাকেই পরিচয়।

সকল আনন্দ মধ্যবিত্তের জন্য উৎসর্গীত।

১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৫৫০

লেখক বলেছেন:

মধ্যবিত্ত। সকল সৃষ্টি এবং অনাসৃষ্টির ধারক….

১৬. ১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:২২০

ফারহান দাউদ বলেছেন: অল্প একটুই উদ্ধৃত করি–“তারা পাট খোলা লাল-সাদা গারদ বা সিল্কের ভাঁজে ভাঁজে ফরাসী সৌরভ ছড়িয়ে দেবেন, খোঁপায় দুধসাদা বেলিফুলের মালা জড়াবেন, কপালে বড় করে লাল-কালো টিপ পরবেন, গলায় পুঁতির মালা অথবা বেলিফুলের মালা ঝোলাবেন, হাতে কনুইঅব্দি কাঁচের চুড়ির রিনিঝিনি বাজাবেন খোঁপায় একটা গোলাপ কিংবা গাঁদা অথবা জবা গুঁজে নেবেন এবং হাওয়ায় আঁচল উড়িয়ে দুইগালে লোকজ সংস্কৃতির চিহ্ন এঁকে একে অপরকে অহেতুক ভালবাসার আবহন জানাবেন।

পাশাপাশি আর এক দল সাদা কিংবা ঘিয়ে রঙের পাঞ্জাবী,চুড়িদার পাজামা, অথবা রং বে রংয়ের ফতুয়া গলায় কড়ের মালা, হাতে হরেক রকমের বালা অথবা নানা রঙের টিশার্টের বাহারে গোটা বোশেখজোন আলোকিত হয়ে উঠবে।হাই ভ্যালুর পান্তা-ইলিশ সাথে একেবারে খাঁটি বাঙাল রিসালতের বিলাস ছড়াবেন। সেই সাথে কর্পোরেট দোকানগুলো এই সমগ্র উৎসব বা মচ্ছবের বিভিন্ন ক্যাটাগরির আইটেমে স্পন্সর হবেন। ”

সাথে ফার্স্ট বোশেখের ডিজে পার্টি যোগ করে নেন। শাড়ি-পান্ঞ্জাবিতে উদ্দাম নাচে বিয়ার আর হুইস্কির মাজেজাই আলাদা।

১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৫৪০

লেখক বলেছেন:

সাথে ফার্স্ট বোশেখের ডিজে পার্টি। শাড়ি-পান্ঞ্জাবিতে উদ্দাম নাচে বিয়ার আর হুইস্কির মাজেজাই আলাদা। সাথে আরো কিছু কিছু “খাঁটি” বাঙালিত্ব!

ধন্যবাদ ফারহান দাউদ।

১৭. ১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:২৩০

সমাজ্ঞী বলেছেন: মঞ্জু সাহেব,

আপনি যে কী চাইতেছেন বুঝা বড় মুশ্কিল। আমার মনে হয় সমস্যা আপনার নিজেরই, নিজের ভাবনার স্ববিরোধীতায়।

আপনি যাকে “বৈশাখী বর্ষবরণ” বলে চিনছেন এর ভিতর আবার আপনারই কথা মত “আদি সংস্কৃতির অনুষ্ঠান” খুজছেন। কেন? ভাষা-ভিত্তিক জাতীয়তাবাদের খাতকই যদি হয়ে থাকেন তাহলে আবার “আদি সংস্কৃতির অনুষ্ঠান” খোঁজার বাতিক রাখেন কেন?

দেখছি, “এবার এই দুই ধরণের বর্ষবরণের একত্রিকরণ” দেখার আকুতি প্রকাশ করছেন আবার, নিজেই নিজের “একিভূত করার চেষ্টায়” “সেই চিরায়ত ধনবৈষম্য আর শ্রেণীবৈষম্য” দেখতে পান। মহা মুশকিল!

ভাষা-ভিত্তিক জাতীয়তাবাদের মধ্যে একটা বড় অনুষঙ্গ উপাদান হলো, বেকুব আয়ুব খান শহুরে মধ্যবিত্তের রবীন্দ্র সঙ্গীত গাওয়াতে আপত্তি তোলা আর মধ্যবিত্ত ওটা গেয়ে দেখাতে গিয়েই “বৈশাখী বর্ষবরণ” পর্যন্ত পৌছান – এই ঘটনা। কাজটা প্রতিবাদ হিসাবে ভাল হয়ত কিন্তু এটাই আপনার পছন্দের “আটপৌরে বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতি” বা আপনার কাম্য “আদি সংস্কৃতির অনুষ্ঠান” থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়াও বটে – নাকি? যে বিচ্ছেদ বিভেদের দেয়াল তখনই উঠেছে তা নিয়ে আজ বেয়াল্লিশের বেশি বছর পরে আপনার হুশই বা হচ্ছে কেন আর আহাজারিই বা করছেন কেন – সত্যি বুঝা ভার। “বৈশাখী বর্ষবরণ” তো সেই সময় থেকেই আপনার “বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতি” থাকে নি, এক নয়ও। নতুন পথ ধরেছিল। ফলে আপনি যদি চিরায়তের প্রতি, ঐতিহ্যের প্রতি আপনার একনিষ্ঠতা দেখাতে চান তবে “বৈশাখী বর্ষবরণ” তো চিরায়তও নয়, ঐতিহ্যও নয়। “বৈশাখী বর্ষবরণ” এর প্রতি আপনার আহ্লাদ দেখে একটা জিনিষ নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে যে আপনি চিরায়তের, ঐতিহ্যের প্রতি আপনার একনিষ্ঠতা একটা ফাঁকাবুলি। “বৈশাখী বর্ষবরণ” এর পক্ষে আপনি বগল বাজাচ্ছেন যে এটা নাকি ধর্মের নিকুচি করেছে, “সকল ধর্মের সহাবস্থান। সেটি ঠিক আছে, এখানে হিন্দু-মুসলমানের আলাদা কোন ভেদাভেদ নেই”। আপনি খুব খুশি। কিন্তু এতে যে আপনার “বাঙালি চিরায়তের, ঐতিহ্যের” কাপড় খুলে নাঙ্গা হয়ে গেছে সে খেয়াল নাই।

কোন কিছুই চিরায়ত, ঐতিহ্যে থাকে না, নয়ও। একটা ধীর অথবা বিপ্লবী বদল ওখানে আছেই, থাকবেই। ফলে চিরায়ত, ঐতিহ্য বলে আপনি কী আঁকড়ে থাকতে চাইছেন? আপনি না “সমাজ পরিবর্তনের” খাতক!

“বৈশাখী বর্ষবরণ” শহুরে বাঙালি মধ্যবিত্তের দিক থেকে চিরায়ত, ঐতিহ্যে এক নতুন উল্লফন, নতুন ঐতিহ্যের পালক লাগানো। একই সঙ্গে তা কৃষি সংস্কৃতির সাথে বিচ্ছেদও বটে। কী ঘটে গিয়েছে আমি সেটাই বললাম, এটা ভাল না মন্দ হয়েছে সেটা এখানে আমার প্রসঙ্গ নয়।

সমাজে পুঁজিতান্ত্রিক নতুন সম্পর্কের বিকাশে মানুষের মধ্যে দুই ধরণের প্রতিক্রিয়া হয়। এক যারা পুরানা সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার কারণে ক্ষতিগ্রস্হ তারা চিরায়ত, ঐতিহ্যে নামে “কী সুন্দর দিন কাটাইতাম” বলে আহাজারি করে, আবার যারা আরও নতুন কোন সম্পর্কের তাগিদ থাকে তারাও একটা প্রতিক্রিয়া দেখায়। তবে, প্রায়শ প্রথমটাকে পরেরটা বলে চালিয়ে দেবার চেষ্টা দেখা যায়।

আপনি “বৈশাখী বর্ষবরণ” দেখে আহ্লাদিত অথচ এর মধ্যে আবার বাঙালির চিরায়ত, ঐতিহ্য নাই, মিল নাই বলে খুঁজে হাতড়ে মরছেন, আহাজারি করছেন।

আপনি “বৈশাখী বর্ষবরণ” এর খুশি ছাড়তে চান না, আবার সেই কবে জন্ম লগ্নে এর কৃষি সংস্কৃতির সাথে বিচ্ছেদও ঘটে গেছে তা টের পান না, বুঝতেও চান না।

আপনি নিজেই “বর্ষবরণের একত্রিকরণ” চেয়ে মেনে নিয়েছেন “বৈশাখী বর্ষবরণ” আর কৃষি সংস্কৃতি একত্রিভূত নয়। দুটো আলাদা হয়ে আছে। আবার একত্রিভূত করে দেখার আকাঙ্খা করছেন খামোখা ও ষোল আনা। এতে গায়েবি ভাবে আরোপ করার চেষ্টায় থাকছেন “চিরায়ত ধনবৈষম্য আর শ্রেণীবৈষম্য”। ধনবৈষম্য আর শ্রেণীবৈষম্যই যদি আপনার প্রথম নজরে আসে তবে “বৈশাখী বর্ষবরণ” তো আপনার হবার কথা নয়। কারণ “বৈশাখী বর্ষবরণ” সেই কবে কৃষি সংস্কৃতির সাথে বিচ্ছেদ ঘটিয়েই বড় হয়েছে, আগে বাড়ছে।

এখন “পিৎজ্জা,বার্গার, চপ, আইসক্রিম” এর উপর দোষ চাপিয়ে, “কর্পোরেট ছেনালি” এর উপর ঈর্ষা, কৃত্রিম গোস্বা করে সব দোষ চাপিয়ে লাভ কী? এটাই তো “বৈশাখী বর্ষবরণ” এর অপর পিঠ। মুদ্রার অপর পিঠ দেখে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে লাভ নাই। এটাই তো হবার কথা। নয় কী?

কী চাইতেছেন আগে দুদন্ড ভেবে নেন, তারপর মন চাইলে চেয়েন।

১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৫২০

লেখক বলেছেন:

হা হা হা। আপনিও দেখি আমার রোগে রোগাক্রান্ত হলেন! আপনি ঠিক কোন জায়গায় আঘাত করতে চাইলেন সেটা আগে ক্লিয়ার করুন। তা না হলে আমি যে যে “রোগ” পুষে এক বিষয়ের খাতক হয়ে অন্য বিষয়কে গুলিয়ে ফেলেছি, আপনিও কিন্তু তা-ই করলেন!

যাই হোক, আপনার সুলিখিত প্রশস্ত মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

সমাজ পরিবর্তনের খাতকের অবস্থান থেকে দেখলে আমার কাছে বৈশাখী বর্ষবরণ কোনই তাৎপর্য বহন করে না। তা সে কর্পোরেট ছেনালিতে হোক বা “খাঁটি” বাঙালিত্বে হোক।

এখানে ঘুরেফিরে বা আকারে-ঈঙ্গিতে দুটি বিষয়কে ধরতে চাওয়া হয়েছে।

এক. কোন রকম শ্রেণী বিভেদ না করে কর্পোরেট থাবার আগেকার এক প্রচলিত বর্ষবরণ, যা মধ্যবিত্ত মানসিকতাকে ধারণ করে, যদিও যার প্রকৃত রূপ একপ্রকারের শোষণই। এখানে আমি কি চাই সেটি মোটেই ধর্তব্য নয়।

দুই. কর্পোরেট থাবা বসার পরে এই উৎসব বা কালচার(ধরে নিলাম এটা কালচারই) একটা বিশেষ শ্রেণীর কুক্ষিগত হওয়ার পরে তার বানিজ্যিকিকরণ। এই বাণিজ্যিকিকরণ মুক্ত হলেই যে এটা আমার বর্ণিত শ্রেণীর সহায়ক হয়ে উঠবে এমন নয়। তবে সে সময়কার মহাজনী শোষণকে মেনে নিয়েও যে সেই সিস্টেম আমাদের কাছে আনন্দদায়ক ছিল সেটিই বলার চেষ্টা।

আর যদি বলেন এতে সমাজ পরিবর্তনের কি আছে? তাহলে বলবঃ কিছুই নেই। এই উৎসবের সাথে আমি যে সমাজ পরিবর্তনের খাতক(আপনার ভাষায়) তার কোন সম্পর্ক খুঁজতে চাওয়া নিঃশ্প্রয়োজন, কারণ উৎসবের প্রকরণ পরিবর্তিত হলেই তা সমাজ পরিবর্তনের নিয়ামক হয়ে ওঠে না।

আবারো ধন্যবাদ বিস্তারিত আলোচনার জন্য।

১৮. ১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:০৭০

তনুজা বলেছেন: নাজিম উদদীন বলেছেন: কি আর করা মনজুরুল ভাই, বোমা না ফাটিয়ে যে পয়েলা বোশেখ করা যাচ্ছে এতেই আমাদের আনন্দ খুঁজতে হবে।

শোকেসে তুলতে হল

১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:৩৩০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ তনুজা (ক্যামন যেন বোকা বোকা হয়ে গেল আমার মন্তব্যটা!)

১৯. ১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:০৩০

সমাজ্ঞী বলেছেন: মনে হচ্ছে আরও কথা খরচ করতে হবে। বুঝাতে পারি নাই।

আমি রোগাক্রান্ত হইনি। মূল কথার সাথে অন্য অনেক খুচরা কথা বলে ফেলেছি, লোভ সামলাতে পারি নাই।

আমার মূল কথাটা কর্পোরেট কালচারের আগে পরের নয়। বলেছি প্রতিবাদ করে রবীন্দ্র সঙ্গীত গাইতে গাইতে শহুরে মধ্যবিত্ত নতুন এক “বৈশাখী বর্ষবরণ” চালু করেছিল যেটা ভাষাভিত্তিক পরিচয় নির্মাণে পরিণতি লাভ করেছিল। কিন্তু এটা কমবেশি অনেক পুরান জানা কথা। যেটা নতুন তা হলো, “বৈশাখী বর্ষবরণ” এর মধ্যে দিয়ে একইসাথে পুরনো কৃষি সংস্কৃতির সাথে শেষ সম্পর্ক যোগাযোগটা থেকেও বিচ্ছেদ হয়ে গেছে, বিভেদের দেওয়াল খাড়া হয়ে গেছে।

আপনার প্রসঙ্গটা সংস্কৃতি বলে সাংস্কৃতিক দিক থেকেই কথাটা বলার চেষ্টা করেছি – কৃষি সংস্কৃতি বলেছি, শ্রেণীর কথা তুলে বলি নাই।

এখন আপনি যদি সাংস্কৃতিক দিক থেকে “বৈশাখী বর্ষবরণ” আপনার মনে করেন তার মানে হলো, এই শ্রেণী বিচ্ছেদ, বিভেদের দেয়াল আপনার কাম্য। শ্রেণী মানে যা সম্ভাব্য নয়া গণতান্ত্রিক মৈত্রী জোট হতে পারত, হয়নি বলাই বাহুল্য। ফলে আপনি ঐ নয়া গণতান্ত্রিক মৈত্রী জোটের কেউ নন। শহুরে মধ্যবিত্ত কৃষকের সাথে গণতান্ত্রিক মৈত্রী জোট করেনি। নিজেই ভাষাভিত্তিক এক পরিচয় খাড়া করে অবশেষে (সময় লাগিয়েছে প্রচুর) সাম্রাজ্যবাদের সাথে জোট বেধেছে, ‘আধুনিক’ হতে চেয়েছে। সে এখন “পিৎজ্জা,বার্গার, চপ, আইসক্রিম” তো খাবেই – এনিয়ে হাহুতাশ করার কিছু নাই।

এখন আপনি কী? ভাষাভিত্তিক বাঙালি? আধুনিক? নাকি হারিয়ে ফেলা নয়া গণতান্ত্রিক মৈত্রী জোটের কেউ হতে চান?

আমার দৃষ্টিতে আপনি কনফিউসড। স্পষ্ট করে দুটোর কোনটাই না। তবে ভারকেন্দ্র ভাষাভিত্তিক বাঙালি, আধুনিকের দিকে ঝুকে আছে। আবার কৃষকের সাথে বিচ্ছেদের দেয়াল আপনাকে এখনও পীড়া দেয়। অন্যদিকে পুঁজিতান্ত্রিক সম্পর্কের প্রতি আপনার প্রতিক্রিয়াটা নেতিবাচক। ধেয়ে আসা (আন্তর্জাতিক) পুঁজিতান্ত্রিক সম্পর্কের তোড়ে টিকতে না পেরে, ভেঙ্গে পড়া প্রাক-পুঁজিতান্ত্রিক সম্পর্কগুলো যেমন “সমাজতন্ত্রের” সমর্থক হয়ে যায় সেরকম। আপনার পোষ্টে প্রতি পদে এই আক্ষেপগুলোই আমি দেখেছি।

১৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:১৪০

লেখক বলেছেন:

এটার জবাবে একটা আলাদা পোস্টই লিখতে হবে। আশা করব সে পর্যন্ত সাথে থাকবেন।

ধন্যবাদ সম্রাজ্ঞী।

২০. ১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৫৩০

বলেছেন: বস্‌ অসাধারন ভাবে ঝাড়ছেন … আমি’তো রাগ ঝাড়ার কিছু পাচ্ছিনা ..

ছুটি যেটা পাই ওটাই আনন্দের … সারাদিন ঘুম … বিকেলে সুন্দরী-দর্শনে রাস্তায় বন্ধুরা মিলে বের হওয়া … এই আমার বর্ষবরণ …

প্রায় চোদ্দ বছর আগের এক প্রথম বৈশাখের স্মৃতি নিয়ে আমাকে আরো অনেক দিন থাকতে হবে … এর মাঝখানে প্রায় পাচ ছয় বার গিয়েছি … বিশ্বাস করুন কোন স্মৃতি জোগার করতে পারিনি …

১৩ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:০০০

লেখক বলেছেন: ছুটি যেটা পাই ওটাই আনন্দের … সারাদিন ঘুম … বিকেলে সুন্দরী-দর্শনে রাস্তায় বন্ধুরা মিলে বের হওয়া … এই আমার বর্ষবরণ …

মন্তব্যে জোশ!

২১. ১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৪০

আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন: জীঃ ভাই আমাদের বসা উচিত. এ ব্যাপারে রুবেল ভাই ্ও অরন্যভাইর সাথে আলাপ করব!

১৩ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:৫৯০

লেখক বলেছেন: অরণ্যর সাথে কথা হয়েছে। আমরা সম্ভবত ১৫ তারিখে বসছি। আপনাকে ঠিক তারিখ এবং সময় পরে জানানো হবে।

২২. ১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:৪১০

আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: আমরা নিজেরাই নিজেদের ধর্ষণ করে চলেছি।

১৩ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৫৮০

লেখক বলেছেন: ক্রমাগত…..

২৩. ১৩ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৪৮০

বিদগ্ধজন বলেছেন: @ ওনাদের পিতা কার্ল মার্কস এর প্রতি অন্ধপ্রেমে যা হয় আর কি !

১৩ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৫৮০

লেখক বলেছেন:

প্রেম কখনো অন্ধ হয় নাকি! তাহলে তো সবাই কন্ডেলিৎসা রাইসের প্রেমে পড়ত!! আর কার্ল মার্কস লোকটা কখনো রমনা বটমূলে এসেছিলেন বলে তো শুনিনি!!

২৪. ১৩ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:১৬০

খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন:

২৫. ১৩ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:১৭০

খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন: Et ks+t kIra Ekkhan kmen+t likhlam, magar haOya hIya gelo…!!!!!!!!!!!1 ks+t paIlam

১৩ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:৫১০

লেখক বলেছেন:

মাথা ঘুরে গেল বুঝতে গিয়ে!!তাই না বুঝেই ধন্যবাদ!!!

২৬. ১৩ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:৫৪০

অপ্‌সরা বলেছেন: কেমন আছো ভাইয়া?

১৪ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:০৫০

লেখক বলেছেন:

আছি তো ভালই, কিন্তু সেই মাথাব্যথাটা লেগেই আছে। বিকেলের পর থেকে শুরু হয়ে অনেক রাত পর্যন্ত থাকে….কোন কিছুই ভাল লাগে না। যেমন কাল কোথাও বেরুতে পারব না।

তুমি ভাল আছ তো? কাল তো তোমার প্যাক্ট প্রোগ্রাম….

২৭. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:২০০

কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:

কর্পোরেটবাদ জিন্দাবাদ

জয় কর্পোরেটবাদ

নারায়ে কর্পোরেটবাদ

১৪ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:২৯০

লেখক বলেছেন:

কর্পোরেটবাদ জিন্দাবাদ

জয় কর্পোরেটবাদ

নারায়ে কর্পোরেটবাদ

হ্যাপ্পি নববর্ষ যুগযুগ জিওহ্ !!

২৮. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:৩৪০

নাজনীন খলিল বলেছেন:

শুভ নববর্ষ।

কেমন আছেন?

১৪ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:৩৮০

লেখক বলেছেন:

মাথাব্যথাটা মাইনাস করতে পারলে বেশ ভাল আছি আপা।

আপনাকে এবং আপনার সন্তান সন্ততিদের কে বাঙলা নববর্ষের বাঙালশুভেচ্ছা।

২৯. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৫৯০

অরণ্য আনাম বলেছেন:

১৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:১০০

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু অরণ্য।

৩০. ১৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:০৬০

বলেছেন: মনজু ভাই … অধমের বিলম্বিত এবং প্রলম্বিত নববর্ষের শুভেচ্ছা নিয়েন … বর্ষবরণ দারুন রমরমাবস্থা … মাথাটা এখন’ও আউলায় আছে ।

১৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:১৩০

লেখক বলেছেন:

আমি এসবের কিছুই দেখলাম না!সারা দিন এমন এক বাজে ঝামেলায় ব্যস্ত ছিলাম যে লাইভ, টিভি কোন কিছুই দেখা হলো না! অবশ্য আমার চোখ আজকাল অনেক কিছুই আর দেখতে চায় না। সব দেখা যেন শেষ!!

৩১. ১৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:২২০

কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন: Click This Link

Click This Link

এই দুইখান দেইখেন।

এইখানে করা কমেন্ট ইন্টারনেট পাঠায় খাইছে। এখন দুকান বন্ধ হইয়া যাইবো গা, আমি যাই, কালকে আবার লেখুম।

আপানের লেখা দুইটা পেন্ডিং, মনে করায়া দিলাম

১৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:৩০০

 

  • বলেছেন: ছবিটাই যেন সব কথা বলে দিল, আয়নার সামনে দাড়ানো আমাদের চেহাড়া একই রকম বোধ করি।

১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:১৪০

লেখক বলেছেন: আয়না কখনো মিথ্যে বলে না!!

৩৪. ১৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:১১০

কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:

সংস্কৃতিকে পন্য না করতে পারলেতো আর মেরুদন্ড বাকানো যাবেনা।পুজির মুনফা নাইলে কৈ?

আপনি দেখেন না, রিয়েলিটি শো গুলিতে, “আই লাভ মাই ইন্ডিয়া” দেশপ্রেম।

দেখেন না বলে, কোনদেশর তিনটা নাম, হিন্দুস্তান, (প্রথম চয়েস), ভারত আর ইন্ডিয়া।

৩ বছরের বাচ্চা বলবে, ” রোহনকো বহত আচ্চা লাগতা হে, ঠিক বো ডিডিড়লজি’র শারুখ”

তখন হোস্ট বলবে, ” রোহনের মা আর তিতিয়ার মা, পাশাপাশি বসে কী করেন? বেটা পুছো”।

দেশপ্রেম, প্রেম সবই রইল। কোনও আপত্তি নাই।

রেটিং এটি একটি ভাল শো, কত টেলেন্ট আবিস্কার হচ্ছে, তাছাড়া শিক্ষনীয়ও বটে। বাপ-মা রা টিভিকে সেই সংস্কৃতিকে অভিবাবক করে শিখে নিতে বলে, ” মহান ভারত কি বহু কা পেহেচান হে ইয়ে সিন্দুর আউর দিল মে পাত্থর বান্ধে পতিও কা সেবা”। ( ঘরোয়া সামাজিক সিরিয়াল! দ্রষ্টব্য)

সিনেমার পর্দায় পাকিস্তানকে হারিয়ে মন খুশি করে বাড়ি ফিরি যদিও খবরে মাঝে মাঝে ওঠে আসে, পরিবার টুকরো হয়ে দুইপাশে থেকে ৪০ বছর ধরে বাপ-বেটিতে দেখা নেই, এদিকে আর ওদিকে, দুই পরিবারই এখনও দিনমজুর।সেসব ভুলেও না, ঘুম পাড়িয়ে দাও।

আয় ঘুম আয়, লোকগানও থাক, রিয়েলিটি শোয়ে আর কী চাই শুধু ৪ বছরের মেয়েকে সে গান গাইবার আগে পরিয়ে দেয়া হবে, পিঠখোলা, ঠিলা স্ট্রিপের জামা, যাতে তাকে ‘কিউট’ দেখায়।

১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৪৩০

লেখক বলেছেন:

সারে জাঁহাসে আচ্ছা… হিন্দুস্তা হামারা হামারা…

ইয়ে হ্যায়ে আম্সি মুম্বই। ইহাপার জিন্দেগি কাভি সুরাজ য্যায়সা উঠতি…মাগার শোলা আউর বিজলী য্যাসা চমকাতি নেহি, ছের পে মাক্খান লেকে ধূপ মে না যায়া কারো, কিউ? কিউকি মাক্খান ধুপ পার টিকতা নেহি!! মারহাবা মারহাবা!! তাবভি আপুন লোগ ধোতি ফাঁড়কার কাহতেহু….সারে জাঁহাসে আচ্ছা…..হিন্দুস্তা হামারা…

 

Top of Form

আপনার মন্তব্য লিখুন

কীবোর্ডঃ  বাংলা                                    ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয় ভার্চুয়াল   english

নাম

       

Bottom of Form

 

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s