শ্রেণী বৈষম্য > শ্রেণী সংগ্রাম > শ্রেণী সংঘাত > কিছু দেখি কিছু দেখতে পাইনা…..

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:০০ |

 

ব্যাপারটা কিছুতেই জলিল সর্দারের মাথায় ঢোকেনা। শুধু এতটুকুই বোঝে বিলের পানি একবারে শুকায় না। ধাপে ধাপে শুকায়। ওদের বাপ-দাদাদের নাকি বিঘার পর বিঘা জমি ছিল, এখন নেই।জলিল সর্দার ভাগে পেয়েছিল আড়াই বিঘে। তিনটি মেয়ের বিয়েতেই সব শেষ। এর পর কামলা খাটা। এ নিয়ে তার কোন আক্ষেপও নেই, কারণ ওদের গ্রামের অধিকাংশ মানুষেরই একই অবস্থা। মানুষ কি অদ্ভুতভাবে সব মিলিয়ে নেয়! ব্যালন্স করে নেয়! যদি ওর একারই শুধু এই দশা হতো তাহলে ওর কষ্টই হতো, এখন হয়না, কেননা অনেকের সাথে নিজেদের মানিয়ে নিতে পেরেছে।

রসুল সর্দার। জলিল সর্দারের বড় ছেলে। সড়সড় করে সিক্স পর্যন্ত গেল। তারপরই হোচট। একটা কালাজ্বর কিভাবে যেন একটা বছর খেয়ে দিল। এর পরে আবার তরতর করে ছেলেটা ক্লাস টেনে উঠল। ম্যাট্রিকও দিল। তারপর সলতের তেল শেষ। অনেক দূরের কলেজে যাওয়া হলো না। ছেলেটা রাক্ষসের মত গিলত! শাকপাতা,কচু-ঘেচু যা পেত তাই দিয়েই দুই থালা। ৭/৮ জনের পরিবারে প্রতি বেলায় হাড়ি চড়ে না। জলিল বিষন্ন চেয়ে চেয়ে দেখে, ছেলেটা মস্ত জোয়ান হয়ে উঠেছে, কি›তু ওর যেন আর কিছু করার নেই। বাপের সাথে কামলা দেয়। আবার মাঝে মাঝে বেঁকে বসে। বলে-ম্যাট্রিক পড়া ছেলে আমি, চাকরি করব, কামলা দিতে যাব না। একদিন খুব সকালে জেলা সদরের লম্বা লাইনে রসুল সর্দার। গজ ফিতা, কথাবার্তা,শরীরের এখানে ওখানে থাবড়া আর চাটির পর টান দিয়ে অন্য একটা ছোট লাইনে। তিন মাস পর। চকরাবকরা পাতাবাহারী পোশাক পরে লঞ্চ থেকে নেমে এলো রসুল সর্দার। সিপাহী রসুল সর্দার।নম্বর-২৮৫৮২।

সোহান। চার্মিংবার্ড নার্সারী থেকে পি-ফাইভে টপ স্কোর।আরো কিছুদিন ধরে টপেই থাকা। একটা কোচিংয়ে টানা ছয় মাসের ক্লাসের পর ক্যাডেট কলেজ। তার আগে সকাল-বিকেল কমপ্লান চাইল্ড, কমপ্লান ইজি, স্পিরিলিনা ট্যাব, ডাবল আমলেট, এসি গাড়িতে ঘিলু ঠান্ডা রেখে লার্নিং। বাড়িতে শ্যেভনিস্ট এটিকেট। ঘড়িধরে পড়াশুনা আর ঘড়ির কাঁটা ধরে জীবনযাপন। ক্যাডেট ছাড়া আর কিছু কি এরচে’ ভাল হয়? নাহ্, হলে তাতেই সই। ক্যাডেট কলেজ। ভিন্ন ধাঁচের জীবনদর্শন। প্রথম ধাক্কাতেই শিখে নিল “ব্লাডি বেঙ্গলী গিভ নো ফুড”। “য়্যু শুড ওবে সিনিয়রস অর্ডার”। “য়্যু ডোন্নো হু আর য়্যু, য়্যু আর আ লিডার”। এমনতর আধুনিক হওয়ার হাতে-কলমের শিক্ষা। আরো কয়েক বছর পর, সোহান, আ প্রাউড সান অব মিঃ হাওলাদার ইজ আ কমপ্লিট অফিসার, সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট।

বেশ কিছু বছর বাদে। লেফটেন্যান্ট কর্ণেল সোহান, রানিং চার্জে সেক্টর কমান্ডার, উইথ মারভেলাস বাংলো, এ্যালংউইথ লট অব আর্দালী এন্ড ব্যাটম্যান। রসুল নামের এক দাড়িঅলা হাবিলদার তার ফুলের কেয়ারীর পাশে দাঁড়ানো। প্রথাগত বিচ্যুতির কারণে কোয়ার্টার গার্ডে ডিউটি।কাচুমাচু ভঙ্গিতে আর্জি জানানোর চেষ্টা। কর্ণেল সোহান। স্মার্টলী রিপ্রেন্ট আ হগ অব কমান্ড লাইক স্ল্যাং।একটু দূরে দাঁড়িয়ে বাবার এই প্রথাগত অপমান দেখছিল আসলাম। রসুলের ছেলে। এসব দেখে দেখেই ওর বড় হওয়া।

বুকের ভেতর একটা চাপা কষ্ট নিয়ে বড় হয়েছে আসলাম।ও যখন কোন রিক্সাঅলার সাথে নিজেকে তুলনা করত তখন কিছুক্ষণের জন্য নিজেকে উঁচুমাপের মানুষ মনে হতো। ভাবত তার বাবা সৈন্য! যখন টিভিতে যুদ্ধের ছবি দেখত তখন ভাবত তার বাবা ওই সিনেমার সৈন্যের মতই গর্বিত দেশমাতৃকার সন্তান!যখন প্রায় ছেলের বয়সী অফিসারের গালি খেয়ে তার সামনে কাচুমাচু ভঙ্গিতে দাঁড়ানো দেখত, তখন মনে হতো তার বাবার চেয়ে ক্ষুদ্র মানুষ জগতে নেই!তার বাবার চেয়ে ঢের বেশি সন্মান একজন দিন মজুরের!

লোহার সিঁকে প্লাস্টিক পেঁচিয়ে যে চেয়ার তাকেই ওরা “সোফা” বলত!চৌকিতেই তার বোন পরম মমতায় ফুল তোলা চাদর বিছিয়ে দেওয়ায় যেন ওদের বাড়ির আসবাবের মানরক্ষা হতো! সরকারী স্কুলে ওর সহপাঠিরা কেউ বাইরের গরিবের ছেলে, আবার অনেকেই ওদের চেয়ে অনেক বড়মাপের ঘরের ছেলে। ওর বাবা নিজেকে নিয়ে কিসের গর্ব করত তার ওর মাথায় আসত না। আবার কখনো অবাক হয়ে দেখত ওর সাদাসিধে ভালমানুষ বাবা বিশেষ কোন দায়িত্বে বাইরে মিছিল বা আন্দোলন ঠেকানোর ডিউটিতে কি নির্মম ভাবে ছাত্রদের পেটাত। ও কিছুতেই হিসেব মেলাতে পারত না। কেন এমন হয়?

এভাবে বড় হওয়া আসলাম দুই দু’বার ইন্টার ফেল করার পর বাবা জোর করেই ক্যাপ্টেন বানাতে চাওয়া ছেলেকে লাইনে দাঁড় করিয়ে দেয়। বড় অফিসাররা পরিচিত ভেবে আশ্বস্ত হয়, ছেলেটা টিকে যাবে! আসলাম টিকে যায়। আসলাম জওয়ান হয়ে ট্রেনিং শেষ করে। আসলাম ক্রেজি সেপাই হিসেবে দুর্নাম কুড়োয়। আসলাম অফিসারকে স্যালুট ঠোকে ঠিকই, কিন্তু কোথায় যেন একটা ঘোরলাগা ঘৃণা হুহু করে বাড়তে থাকে। আসলাম মাথা উঁচু করে হাঁটে। আসলামের উঁচু মাথা একদিন নিছু করে দেওয়া হয়। এটাই নিয়ম। এটাই হয়ে আসছে। আসলাম বোঝে, জানে, আবার জানেনা। আসলাম জানে ওকে এই চাকরি দিয়েই ওর আরো তিনটা বোনের বিয়ে দিতে হবে। ওর বোনরাও নিয়মমত কোন সাধারণ সেপাই অথবা কোন সাধারণ ঘরে বউ হয়ে যাবে। তারপর সবই নিয়মের হাত ধরে নিয়মের মোহনায় গিয়ে থামবে।

২৫ ফেব্রুয়ারী। এই আসলামরা গুলি করে অফিসার মেরেছিল। ওরা এটাকে বিদ্রোহ বললেও রাষ্ট্র আর সমাজের এলিটরা বলেছিল হত্যাযজ্ঞ।আসলামের চাইনিজ থেকে কয়টা গুলি বেরিয়েছিল, কিংবা আদৌ বেরিয়েছিল কিনা ওর মনে নেই। শুধু জেনেছিল ওরা কয়দিন পরে মারা যাবে। কিভাবে মারা যাবে তাও জানেনা।মাত্র দুইদিন। এ জীবনে মাত্র দুইদিন আসলাম নিজেকে মানুষ বলে ভাবতে পেরেছিল। ওই বিস্ময়কর ঘনঘটাময় ঘোর অমানিশার দুইদিন!

আসলাম জানেনি, ওর ছয় বছরের মেয়েটা একদিন সকাল থেকে সন্ধ্যে পর্যন্ত চার নম্বর গেটের গ্রিলে মাথা ঠেকিয়ে দাঁড়িয়েছিল! দুপুরের পর থেকেই মেয়েটা ঝিমিয়ে পড়ছিল। চোখের জল কতবার যে শুকনো খটথটে পিচে পড়ে মুহুর্তে শুকিয়ে গেছে মেয়েটি তা জানেনা।শতশত মানুষ রিকশা-গাড়ি করে গেটের পাশ দিয়ে চলে গেছে। গাড়ির ভেতর বসা ফুটফুটে বাচ্চাগুলো কাঁচের জানালা দিয়ে অবাক বিষ্ময়ে দেখেছে পিলখানা গেটের ধারে দাঁড়ানো সেই মেয়েটিকে যার নাম রেবা, নয়ত রিতা, অথবা জয়া। সেই মেয়েটি সারা দিন কিচ্ছুটি মুখে না দিয়ে কি এক অধীর অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থেকেছে।একসময় মাটিতে বসে পড়েছে। কাকুরা গল্প করেছে, গাড়ি এসে থেমেছে, কেউ কেউ গেট দিয়ে বেরিয়ে এসেছে। ওর বাবা আসেনি। ঘরে ফিরে মাকে জিজ্ঞেস করেছে-আত্মহত্যা কি মা? মা নিরবে চোখ মুছেছে। সারা দিনের ক্লান্তি মেয়েটাকে কাদার মত বিছানায় লেপ্টে রেখেছে, তাই পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি হযেছে। বাবার লাশটা দেখতে দেরি হয়েছে। বাবার মুখটা দেরিতে দেখেছে। জীবনটা দেরিতে নয়, দ্রুতই মেয়েটিকে বড় করে দিয়েছে।ওই মেয়েটির কান্নায় রাষ্ট্রযন্ত্রের কোনও একটি নাটবল্টও নড়ে ওঠেনি! আমাদের কারোরই বুকের বামপাশে খচ্ করে ওঠেনি!সময় পেরিয়ে গেছে সময়ের বেজন্মা নিয়মে!

বিডিআর জোয়ানদের বঞ্চণা- দাবী দাওয়ার জায়গায় স্থান করে নিয়েছে নিহতের স্বজনদের অশ্রুসজল চোখ, নিখোজ পিতার খোজে আকুল সন্তানের ছবি, গণকবরের দৃশ্য, অফিসারদের কোয়ার্টার ভাঙচুরের ছবি, লুটকরা স্বর্লাংকার নিয়ে পলায়নপর বিডিআর এর গ্রেফতার কাহিনী। সেই সাথে মিডিয়া- সরকারপ্রধান- সেনাপ্রধান- সামরিক- বেসামরিক আমলা-আমর্ত্য বুদ্ধিজীবী সবার মুখেই ষড়যন্ত্রের নানান জল্পনা। কেউ বলছে বিডিআররা মুখ বাধার জন্য এত রঙিন কাপড় কোথায় পেল, কেউ বলছে অস্ত্রাগার থেকে অস্ত্রপাতি কিভাবে লুটকরল, ওই গাড়িটি কোত্থেকে এলো- গণকবর কেন হলো- এত বাধ্য জোয়ানরা কোন সাহসে অফিসার দের গায়ে হাত তুলল- অফিসার দের বাড়িঘর কেন লুটপাট হলো? এগুলো সবই ষড়যন্ত্রের প্রমাণ। এদের সবাই কে খুজে খুজে বের করে কঠোর শাস্তি দিতে হবে, দৃষ্টান্তু স্থাপন করতে হবে যেন ভবিষ্যতে এরকম আর না ঘটে।মানুষ মানুষের শাস্তির ব্যাপারে কখনোই ঢিলেমি পছন্দ করে না!কেননা সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে গেলে নাকি লোয়ার ক্লাসকে অপরাধী সাব্যস্ত করে শাস্তি দিতেই হবে। শাস্তি ব্যাপারটা ওদের জন্যই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত হয়ে আছে!

এর পর চলেছে বিচার। কার বিচার? কিসের বিচার? কে করছে বিচার? বিচার যদি করতেই হয় তাহলে প্রথমেই বিচার করা দরকার বর্তমান রাষ্ট্রযন্ত্রের, এবং বিদ্যমান সামরিক তন্ত্রের। এটা কেমন ব্যবস্থা যেখানে বিদ্যমান সামাজিক বৈষম্যের মতই তথাকথিত অফিসার এবং সৈনিক এর মর্যাদার পার্থক্য করা হয়, যেখানে অফিসার সেই দাস যুগের দাস- প্রভুর মতই সৈনিক নামের দাসের সাথে প্রতিনিয়তই অন্যায়-অত্যাচার- জুলুম- নির্যাতন চালায়?আর তা যে চালায় সেটি কিন্তু কেউ অস্বীকার করছে না! এ সামরিক তন্ত্রে তো অফিসার শ্রেণী প্রতিদিনই সৈনিকের আত্মমর্যাদাকে হত্যা করছে। তাছাড়া কি শেখানো হয় মিলিটারিতে- সন্ত্রাসবাদ না মানবিকতা? যে শিক্ষাটা তারা পায়-তার সাথে মানবাধিকার বা সভ্যতার কি কোন সম্পর্ক আছে?না ছিল কোনও কালে? চেইন অব কম্যান্ডের স্বার্থে শুরু থেকেই স্বাধীন চিন্তা বিকাশের সমস্ত পথ রুদ্ধ করে দেয়া হয় সকলের- সার্কাসের পশুর মতই চাবুকের বাড়িতে নির্দিষ্ট ধরনের নড়াচড়া ছাড়া অন্য কোন কিছু করার কোন সুযোগ নেই এখানে। রাষ্ট্রিয় নিরপত্তা রক্ষার অযুহাতে এভাবে স্রেফ একদঙ্গল পশু তৈরীর কারখানা চালু রাখা হচ্ছে, (আর এটা শুধু বিডিআর এ নয়, প্রায় সব বাহিনীতেই)। তার ওপর আছে সুযোগ-সুবিধার বঞ্চনা, বৈষম্য। মানবেতর জীবন যাপন। এর )ফলে পাশবিকতা বা নৈরাজ্য না ঘটাই তো অস্বাভাবিক। কাজেই বিশেষ ট্রাইবুনালে নৈরাজ্যের বিচার করার চেয়ে যে সিস্টেম/ প্রক্রিয়া এর জন্য দায়ী সেটার বিচার করা এবং সেটাকে পাল্টানো বেশী জরুরী, এটা কি কেউ ভেবেছেন?

সাধারণ মানুষ এবং রাষ্ট্রের বানানো আইন হত্যা করা হয় অগোচরেই। বেসরকারী ব্যাংকগুলো প্রতিমাসে ২ লক্ষ ৫০ হাজার করে ১০ বছর মেয়াদে ৩ কোটি টাকা ১০ সেনাসদস্যদের পরিবারদের দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরে, অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও একই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা সম্মিলিত ভাবে সম্ভবত সাড়ে সাত কোটি টাকা বা আরো বেশি দেবে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের পরিবার পরিজনদের।

সেনা কর্মকর্তাগণ পেলেন কোটি কোটি টাকা, ৩জন নিহত সাধারণ মানুষ পেলেন ২ লক্ষ টাকা করে, কিন্তু পিলখানায় বিদ্রোহীদের গুলিতে নিহত, কিংবা সেনা কর্মকর্তাদের বাঁচাতে গিয়ে নিহত বিডিআর সদস্যগণ গণদুশমন কিংবা রাষ্ট্রদ্রোহী হওয়া ভিন্ন কি পেলো।এখন রাষ্ট্র এবং তার এলিট সোসাইটি সমস্বরে আর্তনাদ করে চলেছে, এই বাহিনী ভেঙ্গে দিয়ে অন্য বাহিনী বানাতে হবে। অথচ এই বাহিনীটির মুক্তিযুদ্ধে ছিল সবচেয়ে গৌরবজ্জল ভূমিকা।

ঠেলায় টনখানেক শিট বা আরো ভারি কিছু নিয়ে যে দুজন প্রায় বৃদ্ধ প্রচন্ড রোদে ঠেলা টেনে চলেছে, তার কানের পাশে গাড়ির হর্ণ বাজলেই তার মুতের বেগ আসে। তারা ওই গাড়ির আরহিদের মুখের ওপর মুতে দিতে চায়। পেছনের সিটে পায়ের ওপর পা তোলা যাত্রী যখন রিকশাচালককে বাঞ্চোৎ বলে ধাতানি দেয়, তখন রিকশাচালকেরও মুত আসে।ষ্টিল রিরোলিং মিলের গনগনে আগুণের সামনে দাঁড়ানো কিশোরটিরও মুত আসে।কচি গার্মেন্ট শ্রমিকটি যেদিন প্রথম কৌমার্য হারায় পিএম বা সুপারভাইজারের কাছে,বাড়ির কাজের মেয়েটি যখন সারাদিনরাত খেটে রান্নাঘরে বসে গোগ্রাসে গেলে তারও ভাবনায় কোন রাজপুত্তুর আসেনা, আসে বাড়ির কর্তা কিংবা তাদের দালাল ড়্রাইভার, যে প্রায়ই তাকে নিয়ে ছানাছানি করে, তারও পেচ্ছাপ চাপে।সুদূর অজপাড়াগাঁ থেকে এই মহানগরীতে কাজের খোঁজে আসা ক্ষেতমজুরটির জন্য এই শহর কিছুই রাখেনা। ঠেলা খেতে খেতে একদিন আবার সে বাড়িমুখো হয়। খুব কম পয়সায় ট্রাকে চেপে। অর্ধেক মরে যায়, অর্ধেক বেঁচে ফেরে, তাদেরও মুত আসে। এরা সকলেই কল্পনায় প্রতিদিন, প্রতিমুহূর্ত ক্ষমতাবান এলিট ক্লাসের মুখের ওপর মুতে দেয়।এই কাজটা তারা যদি কল্পনাতেও না করতে পারত, তাহলে এদ্দিন এরা ঝাঁকে ঝাঁকে বুক ফেটে মারা যেত। যেহেতু মারা যায়নি অতএব বুঝতে হবে-এরা সকলেই ক্রমাগত মুতে চলেছে, থুথু দিয়ে চলেছে।

হরিদ্রাভ একখন্ড আকাশে যত যত মেঘের আনাগোনা তার কিছু জল দেয়, কিছু দেয়না। জলহীন মেঘের দিকে চেয়ে কাল থেকে কালান্তরে এই মানুষেরা অপেক্ষা করে আছে। আমরা আমাদের দূরবীণে কতটুকু দেখব তা আমাদের শিক্ষা আর সংস্কৃতি ঠিক করে দিয়েছে। সেই ঠিক করে দেওয়াকেই আমরা ম্যানার বলছি। সেই ম্যানারের মাপে একেবারে খাঁজে খাঁজে আমরা শ্রেণী সমন্বয়ের প্লাস্টার গেঁথে দিয়েছি, যেন কোনও ভাবেই আমাদের মধ্যবিত্ত এ্যারিস্ট্রোক্র্যাসিতে সামান্যতম চিঁড় না ধরে!

 

সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:৩৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর…

 

 

এডিট করুন | ড্রাফট করুন | মুছে ফেলুন

৭৭৮ বার পঠিত১৮৬৪২২

 

মন্তব্য দেখা না গেলে – CTRL+F5 বাট্ন চাপুন। অথবা ক্যাশ পরিষ্কার করুন। ক্যাশ পরিষ্কার করার জন্য এই লিঙ্ক গুলো দেখুন ফায়ারফক্সক্রোমঅপেরাইন্টারনেট এক্সপ্লোরার

 

৬৪টি মন্তব্য

১-৩৩

১. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:১০০

নকীবুল বারী বলেছেন: খুবই অসাধারণ লেখা। মন্তব্য করার ভাষা খুজে পেলাম না। আসলে মিডিয়ার চামচামী, রাষ্ট্রপক্ষের দূর্বলতার জন্য বিডি আর বিদ্রোহের কারন খুজে পেতে ব্যার্থ হয়েছে। পিলখানার ভেতরে আরেকটি নিরব গনহত্যা চলছে, বিনা বিচারে।

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:২৯০

লেখক বলেছেন:

এই বিনা বিচারে হত্যা যেদিন থেকে এদেশের সুবিধাবাদী মানুষের সমর্থন পেয়েছে, সেদিন থেকেই এই সমাজটা কোমায় চলে গেছে। প্রায় মৃত! এই মৃত সমাজের কোন কিছুর প্রতিই আর বিবেকবানদের শ্রদ্ধা থাকা উচিৎ নয়। আসুন আমরা নিজেকে বিবেকবান দাবি করি।

২. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:১০০

আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন: +++++++ আজকে মনে হয় আমিই রোল——নং—–০১

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:০৯০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রোমাস। ভাল আছ তো?

৩. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:১৪০

মানুষ বলেছেন: সেল্যুট কমরেড!

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৩২০

লেখক বলেছেন:

পরাজিত মানুষেরা স্যালুট দিয়ে কি করবে? বরং এখনো যারা ক্লেদ-কালিমায় নিপতীত হয়নি তাদের স্যালুট দেই…. স্যালুট টু অল প্রলেতারিয়েতস

৪. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:২০০

নাজিম উদদীন বলেছেন: মজার ব্যাপার হল মিডিয়াও চুপ!

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:০২০

লেখক বলেছেন:

আরোপিত স্বাধীন মিডিয়া/নিয়ন্ত্রিত স্বাধীন মিডিয়া/আ্যাবেডেড মিডিয়া/সামন্তবাদী আধাখ্যাচড়া সুড়সুড়ি মিডিয়া। এদের প্রসবদ্বার দিয়ে আর কি আশা করেন বিকলাঙ্গ ছাড়া?

৫. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৩৪০

আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন: অনেক মনোযোগ দিয়ে পড়লাম! মঞ্জুরুল……..ভাই……….আপনি আপনার সুনিপুন চিন্তাধারা দিয়ে আমাদের এই ক্ষতরোগাক্রান্ত সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন। এক কথায় বলা যায় অসাধারন হয়েছে..লেখাটি.!! এটি সরাসরি প্রিয়তে নিলাম!!

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:৩২০

লেখক বলেছেন:

মনটা ভাল নেই ভাইয়া! বিষন্নতা ছেঁকে ধরছে…

৬. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৩৪০

মানুষ বলেছেন: মনে নেই ২৬ তারিখে মঈন উ কি বলেছিল?

@নাজিম

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:০৭০

লেখক বলেছেন:

মহারাজঃ বন্দির বাকশক্তি হরণ করা হয়েছে?

পেয়াদাঃ আজ্ঞে মহারাজ।

মহারাজঃ হস্ত-পদ নিঃস্ক্রীয় করা হয়েছে?

পেয়াদাঃ আজ্ঞে মহারাজ।

মহারাজঃ দাঁত কটমট,চোখ দিয়ে ঘৃণা প্রকাশের ক্ষমতা হরণ করা হয়েছে?

পেয়াদাঃ আজ্ঞে মহারাজ।

মহারাজঃ এবার তাহলে বেজন্মা নালায়েক বরাহশাবক সারমেয়শাবককে সম্মূখে আনো..

৭. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৪৮০

লেখক বলেছেন:

লেখক মনজুরুল হক আবজাব লিখে তার স্বত্তার প্রতি অবিচার করে আসছিল! ফালতু বিষয় যা দাড়িগোঁপ গজানোর আগেই মীমাংশা করে ফেলেছিলাম, তাই নিয়ে হাওয়ায় গদা ঘোরানো ভাললাগছিল না, তাই “লেখায়” ফিরলাম।

ব্লগে অনেক কিছুই ইগনর করা শিখছি বছরখানিক হলো ।

কিছু কিছু প্রতিবন্ধীদের বাল্যশিক্ষা শিখায়াও লাভ নাই ।

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:৪০০

লেখক বলেছেন:

অহেতুক টাইম নষ্ট! অথচ হাতে খুব বেশী টাইম নেই!

৯. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:২৬০

বলেছেন: কিছু বলার নাই মনজু ভাই … পালিয়ে থাকি এসব থেকে …

অনেক’তো চিৎকার করলাম … বৃথাই …

ভুলে গিয়েছিলাম মাথা না থাকলে যে তাদের কান’ও থাকতে নেই ।

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৪৯০

লেখক বলেছেন:

পালানোর পথ নেই ! হয় রুখে দাঁড়াতে হবে, নয়ত বিনা যুদ্ধে আত্মসমর্পন করে বন্দি হতে হবে, অথবা অসম যুদ্ধে মৃত্যুবরণ করতে হবে। কোনটা বেছে নেবে?

১০. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:২৮০

 

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৩৪০

লেখক বলেছেন:

দেখছি, কিন্তু বুঝতে পারছিলাম না। বিভাগ হ্যাক করে কার কি উপকার হবে? আমারই বা কি ক্ষতি?

১১. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৩৯০

সবারই কমবেশী এই সমস্য হচ্ছে আজ ।

দেখেন আমারও ঃ
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৪৬০

লেখক বলেছেন:

হ, সিস্টেমও মাঝে মাঝে ফান করে!!

আজ আর ম্যাসেন্জার ওপেন করলাম না। একটু পরই ঘুমাতে যাব। সকাল ১০ টায় এ্যাপোলোতে উপমাকে দেখাতে যেতে হবে। মেয়েটা টেস্ট এর ধক্কলে কাহিল। ল্যাবএইড বাদ। দেখি এ্যাপোলো। জাবির এর খালা পিজিতে আছেন, তার সাথেও কথা বলব কাল-পরশু।

১২. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৫৮০

 

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:০৪০

লেখক বলেছেন:

হ্যাঁ, কাল ওর সাথে ম্যাসেন্জারে এ বিষয়ে কথা হয়েছে অনেকক্ষণ।

১৩. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:১৩০

  • বলেছেন: “লেখা”য় ফিরলেন দেখে ভাল লাগছে। আপাতত শোকেছে রাখলাম। একটু ফ্রি হয়ে পড়বো কারণ বিষয়বস্তু যা আছে দেখছি তাতে করে এটা পড়ার পর কাজ করতে পারবোনা।

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:৫৭০

লেখক বলেছেন:

আমি হাঁপিয়ে উঠছিলাম।

একটা ঘোর লেগে আছে এখনো।

কত কাজ বাকি! অথচ সময় কেবলই

বয়ে চলে বুড়িগঙ্গার নোংরা পানি বেয়ে,

আউটফলের দুর্গন্ধ গায়ে মেখে!!

সেই সময় কি আমার একার?

তা কি আমি জন্মসূত্রে পড়ে পাইনি?

১৪. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:২৭০

বলেছেন: বস…

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:৩৫০

লেখক বলেছেন: কহো….

১৫. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৯০

মানুষ বলেছেন: স্যালুট টু অল প্রলেতারিয়েতস

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:৪৪০

লেখক বলেছেন:

আগে বলা হতো-

শৃংখল ছাড়া সর্বহারার হারাবার কিছু নেই,

জয় করার জন্য আছে সারা বিশ্ব।

এখন বলতে হবে-

শুধু এই জীবনটাই বাকি

এছাড়া হারাবার কিছু নেই,

জয় করার জন্য আছে নতুন প্রাণস্পন্দন!

১৬. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:৫৬০

খারেজি বলেছেন:

স্যালুট।

এইতো বিডিয়ার বিদ্রোহের নতুন ইতিহাস লেখা হচ্ছে।

রিফাত হাসান-কে কেউ এটা পড়ে যেতে বলেন।

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:২৫০

লেখক বলেছেন:

এটা সে অর্থে বিডিআর বিদ্রোহের ইতিহাস হয়ে ওঠেনি। ওটা যদি লিখতেই হয়, লিখব “অন্নপ্রাসনের” পরে!!

১৭. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:৫৯০

কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:

আমার মনে হয় দিন-রাত উভয়কানা রোগ হইছে, এইটা আগে দেখিনি।

লেখা নিয়ে আমার বলার কীবা আর থাকতে পারে। স্টারে টিপ দিলাম।


দা, কেমন চলছে?

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:০৫০

লেখক বলেছেন:

ভাল যেন না চলে সেই কামনা করুন দাদা!

ভাল চললে আঙ্গুলের ফাঁক গলে

চামড়া কুঁচকে যাওয়া দেবানন্দ বেরুবে!!

ভাল নেই, তাই দ্রোহে থাকার পুরোনো রোগ

আবার বাসা বেঁধেছে। ঘোর লাগা ঘোরে আচ্ছন্ন আছি…..

১৮. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:০৬০

মনজুরুল হক বলেছেন:

দাদা, আমি জানি তুমি আরো কথা বলবে। ১৫ মিনিটের ব্রেক নিচ্ছি…..

১৯. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:০৭০

কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:

আবার বাসা বেঁধেছে। ঘোর লাগা ঘোরে আচ্ছন্ন আছি…..

দারুন।

ঘোর থাকুক।

৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:১২০

লেখক বলেছেন:

প্রাণপণে সেই চেষ্টা চলছে….

২০. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:০৯০

আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: সত্যিইইই অসাধারন!

৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:২৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শান্ত।

২১. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:১৮০

প্রচ্ছদ বলেছেন: বুকমার্ক

৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৪৬০

লেখক বলেছেন:

বাকি সব খবর ভাল তো? দ্যাখা হবে কবে?

২২. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:৩৯০

দেশী পোলা বলেছেন: পড়িলাম, ভালই লিখেছেন

একটা প্রশ্ন, স্টালিনের গুলাগে আর পলপটের টর্চার চেম্বারে যারা মরেছে, ওরা কি লোয়ার ক্লাস প্রলেতাড়িয়েত ছিল নাকি আপার ক্লাস এলিট ছিল?

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:০৬০

লেখক বলেছেন: আপনার দেখার চোখ আরো বিচক্ষণ ভেবেছিলাম।

খেয়াল করেছেন নিশ্চই, নিহত বিডিআর এর জন্য মায়াকান্না নেই! যাদের বিচার (!) করা হচ্ছে, বিচারে তাদের ফাঁসী হলেও কোন মায়াকান্না থাকবে না, কারণ ক্লাস কনফন্টেশনে পরাজিত ক্লাসের মৃত্যু ঘটে(শারীরীক অথবা মানসিক)। যুদ্ধের নিয়মেই এটা পড়ে। কিন্তু এখন যা করা হচ্ছে (আত্মহত্যাকরণ) সেটাকে কি বিচার বলবেন?

গুলাগে আর পলপট বিষয়ে কিছু বলতে চাইছি না, কেননা ওই বিষয় দুটিতে আপনি নেশাগ্রস্থের মত আচ্ছন্ন হয়ে আছেন। আমার দেওয়া যুক্তি আপনার মাথার উপর দিয়ে যাবে।

২৩. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:৫০০

মগ্নতা বলেছেন: খারেজি বলেছেন:

স্যালুট।

এইতো বিডিয়ার বিদ্রোহের নতুন ইতিহাস লেখা হচ্ছে।

রিফাত হাসান-কে কেউ এটা পড়ে যেতে বলেন।

৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:১০০

লেখক বলেছেন:

এটা সে অর্থে বিডিআর বিদ্রোহের ইতিহাস হয়ে ওঠেনি। ওটা যদি লিখতেই হয়, লিখব “অন্নপ্রাসনের” পরে!!

২৪. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:০৮০

বলেছেন: কইসি আপনি “বস”…

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:১৩০

লেখক বলেছেন: দূর দূর…..

২৫. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:২৩০

দেশী পোলা বলেছেন: লেখক বলেছেন: কিন্তু এখন যা করা হচ্ছে (আত্মহত্যাকরণ) সেটাকে কি বিচার বলবেন?

নাহ, এটাকে শ্রেণীশত্রু নিধন বলা যায়, এলিটরা লোয়ার ক্লাসের মাঝে যেসব শত্রু আছে তাদের মারছে, এটাকে বিচার বলা যায় না

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:৩৫০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ। আমরা একটি বিষয়ে অন্তত একমত হতে পারলাম!

 

২৭. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:১৪০

মনজুরুল হক বলেছেন:

পঁচিশ ঘন্টা পরে না বলে মাইনাসটা কেন দিলেন মিনেসোটা ?বলে কয়ে দিলে ভাল হতো না ?!

০১ লা মে, ২০০৯ রাত ১১:৫৯০

লেখক বলেছেন: আহা মিনেসোটা ! কি অপূর্ব নাম!!

২৮. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৩১০

কঁাকন বলেছেন: কি বলবো

কিছুই বলার নেই

ভালো থাকুন

৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:১৫০

লেখক বলেছেন:

অনেক অনেক ধন্যবাদ কাঁকন।

আপনিও ভাল থাকুন

২৯. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৪০০

সাঁঝবাতি’র রুপকথা বলেছেন: ফেসবুকে লিঙ্ক দিয়ে দিলাম …

আমি এই লেখা প্রিয়তে নিয়ে যাওয়া ছাড়া আর কিছুই করতে পারি না …

কারন…?

উই আর জাষ্ট এ কমন ম্যান …

০১ লা মে, ২০০৯ রাত ১২:১৮০

লেখক বলেছেন:

“উই আর জাষ্ট এ কমন ম্যান …”

আ মিনিংফুল কমপ্লিমেন্টস! হ্যাটস অফ টু য়্যু ।

৩০. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৪৮০

প্রচ্ছদ বলেছেন: কারেন্টের জ্বালায় পর্তে পার্তেছিন;;;

০১ লা মে, ২০০৯ রাত ১২:১৯০

লেখক বলেছেন:

আমাদের এখানেও একই দশা!

৩১. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৪৯০

প্রচ্ছদ বলেছেন: পার্তেছিনা

০১ লা মে, ২০০৯ রাত ২:০০০

লেখক বলেছেন:

 

Top of Form

আপনার মন্তব্য লিখুন

কীবোর্ডঃ  বাংলা                                    ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয় ভার্চুয়াল   english

নাম

       

Bottom of Form

 

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s