যুদ্ধাপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে দেলওয়ার হুসেনের সাথে সংহতি প্রকাশ করুন, রুখে দাঁড়ান।

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৮ |

গত পরশু হঠাৎ একটি মেইল পেলাম। মেইলের বিষয়বস্তুঃ কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশী ছাত্র দেলওয়ার হুসেন যুক্তরাজ্য-নিবাসী কথিত যুদ্ধাপরাধী চৌধুরী মুঈনউদ্দিনকে নিয়ে গার্ডিয়ানে একটি লেখা পোস্ট করেন। “Prosecute Bangladesh’s war criminals” নামে। আর্টিকেলটি প্রকাশের পর পরই চৌধুরী মুঈনউদ্দিন লেখক এবং গার্ডিয়ানের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করার হুমকি দেয়। এই হুমকি পাবার পর পরই পত্রিকাটি ১৩ অক্টোবর সেই আর্টিকেলে মুঈনউদ্দিন পর্বটুকু মুছে দেয়, যা ব্রিটেনের বাঙালিদের বিস্মিত করেছে।

মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি আখ্যায়িত একটি জোট যখন নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে দেশের শাসনভার হাতে নিয়েছে, যখন চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আয়োজন চলছে, যখন আত্মস্বীকৃত খুনিদের বিচার কার্যক্রম নতুন করে জোরেশোরে শুরু হয়েছে ঠিক সেই সময়ে কোন অদৃশ্য শক্তি বলে চৌধুরী মুঈনউদ্দিনের মত লোক তার বিরুদ্ধে পুরোনো অভিযোগ নতুন করে লেখার কারণে মামলা করার ধৃষ্ঠতা দেখায়? কোন আন্তর্জাতিক কূটচক্রে ব্রিটেনের মত সর্বমতের দেশের একটি প্রতিষ্ঠিত সংবাদপত্র “মামলার ভয়ে” রিজয়েন্ডার দেয় সেটি বুঝতে অসুবিধা হলে একাত্তরে ঈঙ্গ-মার্কিন ভূমিকার স্মৃতিচারণ করে নিতে হবে। এর সাথে আরো যোগ করে নিতে হবে আমাদের আইনমন্ত্রির কথা। তিনি কিছুদিন আগেও বলেছেন-“যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে কোন আন্তর্জাতিক চাপ নেই”! বাস্তবে আমরা কি দেখছি? 

গত দু’দিন ধরে বিষয়টি নিয়ে মেইল চালাচালির পর আজ ভাবছিলাম একটা পোস্ট দেব। তার আগে আমরা ক’জন “মুক্তাঙ্গন নির্মাণ ব্লগ” এ মুক্তাঙ্গন এডমিন এর পক্ষ থেকে একটি পোস্ট দিয়ে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই বাঙালি ছাত্র দেলওয়ার হুসেন এর সাথে সংহতি প্রকাশ করা করি। ইতিমধ্যে এই সংহতি পোস্ট বিভিন্ন ব্লগ, ফেসবুক, টুইটার ইত্যাদিতে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সামহোয়ারইন ব্লগ এর পাঠকদের জন্য এখানেও হুবহু পোস্ট করা হলো।


সংহতি পোস্টঃ

গার্ডিয়ানে দেলওয়ার হুসেইনের নিবন্ধে যুদ্ধাপরাধী চক্রের কালো থাবা, রুখে দাঁড়ান 

লিখেছেন: মুক্তাঙ্গন | ১৫ অক্টোবর ২০০৯, বৃহস্পতিবার

বাংলাদেশ যখন প্রত্যাশা করছে, ২০০৮-এর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত নতুন সরকার তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে, বিদেশে আশ্রয়গ্রহণকারী যুদ্ধাপরাধীদেরও দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করবে, ঠিক তখনই একটি ঘটনার মধ্যে দিয়ে যুদ্ধাপরাধী চক্র আমাদের বুঝিয়ে দিয়েছে, এ-ধরণের বিচারপ্রক্রিয়াকে ঠেকানোর জন্যে এবং বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত তথ্যায়ন প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করার জন্যে তারা যথেষ্ট সংঘবদ্ধ।

উল্লেখ্য, গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এহুদ বারাকের ব্রিটেন সফর নিয়ে এই ব্লগেই এ মাসের পাঁচ তারিখে একটি পোস্ট লিখেছিলেন অবিশ্রুত এহুদ বারাকের ব্রাইটন মিশন : ব্রিটেন কি যুদ্ধাপরাধীদের ভূস্বর্গ? শিরোনামে। প্রসঙ্গত তিনি লিখেছিলেন,

ব্রিটেন যে যুদ্ধাপরাধীদের ভূস্বর্গে পরিণত হয়েছে, এই ক্ষোভ এর আগেও প্রকাশ পেয়েছে অন্যান্য দেশের বিভিন্ন নাগরিকদের মন্তব্য থেকে। বাংলাদেশের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা যুদ্ধাপরাধ করেছে, তাদের কারও কারও নিরাপদ বাসস্থান এখন এই ব্রিটেন। এই ব্রিটেনে বসেই গোলাম আযম পরিচালনা করেছিলেন পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার আন্দোলন। 

মুক্তাঙ্গনে এই পোস্ট প্রকাশের দু-দিন পর ৭ অক্টোবর তারিখে গার্ডিয়ান পত্রিকায় যুক্তরাজ্য-নিবাসী কথিত যুদ্ধাপরাধী চৌধুরী মুঈনউদ্দিনকে নিয়ে লেখেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশী ছাত্র দেলোয়ার হুসেন।

তাঁর লেখাটির শিরোনাম ছিল ‘প্রসিকিউট বাংলাদেশ’স ওয়ার ক্রিমিনালস’, যাতে প্রসঙ্গক্রমে উঠে আসে, ব্রিটেনে আশ্রয়গ্রহণকারী বাংলাদেশের (কথিত) যুদ্ধাপরাধী চৌধুরী মুঈনউদ্দিনসহ বিভিন্ন জনের কথাও। চৌধুরী মুঈনউদ্দিনের যুদ্ধকালীন ভূমিকা সম্পর্কে কমবেশি আমরা সবাই জানি। গণহত্যাসম্পর্কিত একটি ওয়েবসাইটেও তার সম্পর্কে তথ্যপত্র রয়েছে, যাতে সুস্পষ্ট যে মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি হন্তারকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। এমনকি ব্রিটেনে আশ্রয় নেয়ার পরও তিনি যে-ভূমিকা রেখে চলেছেন, তা অতীতের রাজনৈতিক আদর্শেরই জের। গার্ডিয়ানে লেখাটি প্রকাশ পাওয়ার পর চৌধুরী মুঈনউদ্দিন তা ধামাচাপা দেয়ার জন্যে মরিয়া হয়ে ওঠেন এবং শেষ পর্যন্ত খানিকটা সফলও হয়েছেন বলা চলে। কেননা আইনগত পদক্ষেপ নেয়ার হুমকির মুখে গার্ডিয়ান কর্তৃপক্ষ তাদের ওয়েবসাইটের মূল লেখাটিতে পরিবর্তন ঘটিয়েছে।এ প্রসঙ্গে গার্ডিয়ান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন

On 13 October this article was changed following a legal complaint.

এ ঘটনার মধ্যে দিয়ে পরিষ্কার, যুদ্ধাপরাধী চক্র খুবই সংঘবদ্ধ এবং তারা ব্রিটেনের একটি প্রধান সারির পত্রিকার ওপর সাময়িক কিংবা সুদূরপ্রসারীভাবে চাপ তৈরি করতে সক্ষম। গণতান্ত্রিকতা ও বাকস্বাধীনতা চর্চার সুযোগ গ্রহণ করে যুদ্ধাপরাধীরা এখন এখানে গণতান্ত্রিক আইনী পদ্ধতিতে ঐতিহাসিক ও প্রতিষ্ঠিত সত্যকেও পাল্টে ফেলার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। কয়েকদিন আগে আমরা দেখেছি, ব্রিটেন থেকে ইসরাইলের যুদ্ধাপরাধী এহুদ বারাককে সদর্পে ঘুরে যেতে; আর এখন দেখতে পাচ্ছি, বছরের পর বছর ধরে এখানে বসবাসকারী এক যুদ্ধাপরাধীকে তার অপরাধ ঢাকার অপচেষ্টা চালাতে। আমাদের জানা মতে, চৌধুরী মুঈনউদ্দিনের পক্ষ থেকে লেখক এবং গার্ডিয়ান পত্রিকার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা রুজু করার চেষ্টা চলছে। যদিও এখনো ঠিক বোঝা যাচ্ছে না, মুঈনউদ্দিনরা কি সত্যি সত্যিই মামলা করতে চায় নাকি মামলার ভয় দেখিয়ে যুদ্ধাপরাধের বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলা মানুষদের কণ্ঠরোধ করতে চায়।

এটি বলার অবকাশ রাখে না, এই পরিস্থিতি আমরা মেনে নিতে রাজি নই। এও বলার অপেক্ষা রাখে না, আমরা দেলওয়ার হুসেইনের পাশে আছি। তার প্রতি আমরা পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছি। আমরা দৃঢ়কণ্ঠে বলতে চাই, সঠিক তথ্যই তিনি তুলে ধরেছিলেন তাঁর নিবন্ধটিতে। গার্ডিয়ান-এর লিগ্যাল টিম তাদের অবস্থান থেকে পত্রিকাটির সম্পাদকীয় স্বাধীনতা বজায় রাখার যথাযথ পদক্ষেপ নেবে বলেও আমরা আশা করছি। এ ছাড়াও আইনী সহায়তা কেন্দ্রীভূত করা যায় কি না সেটি চিন্তা করতে হবে বিভিন্ন দিক থেকে। ইতিহাসের প্রকৃত সত্যকে আমরা আপোষহীনভাবে তুলে ধরব, প্রকাশ করব এবং এ জন্যে যে-কোনও ধরণের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে আমরা একটুও কুণ্ঠিত নই, দ্বিধান্বিত নই। আমরা সকলের প্রতি আহ্বান রাখব, আমাদের এই প্রতিবাদ ও সংহতিজ্ঞাপক লেখাটি সবখানে ছড়িয়ে দিতে এবং বিভিন্ন ক্ষেত্র থেকে বিভিন্নজনের সামর্থ্য অনুযায়ী আরও অজস্র প্রতিবাদগাথা রচনা করতে। আমরা সকলের প্রতি আহ্বান রাখব, যুদ্ধাপরাধীদের মুখোশ খুলে দেয়ার জন্যে আবারও সবাইকে কলম ধরতে, পাঠচক্র ও আলোচনা সভার মাধ্যমে ইতিহাসের প্রকৃত সত্য তুলে ধরে সবাইকে সংঘবদ্ধ করতে; যাতে এই যুদ্ধাপরাধীদের দ্রুত বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো যায়। আমাদের পূর্ব-প্রজন্ম গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধ সংগঠন করে গেছেন; তাদের উত্তরসূরি হিসেবে আমাদের হাত একটুও কাঁপবে না এইসব যুদ্ধাপরাধীদের আইনের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে শাস্তি দিতে, বরং আমরা আরও শাণিত ও সুদূরপ্রসারী সিদ্ধান্তই নেব অতীতের অভিজ্ঞতার আলোকে।

আমরা জানি, ইতিহাস আমাদের পক্ষে, জনগণও আমাদের সঙ্গে রয়েছেন। আমরা ইতিহাস এবং জনগণের কাছে অঙ্গীকারাবদ্ধ।


এ বিষয়ে প্রাসঙ্গিক কিছু লিঙ্কঃ
১। Fact Sheet on Chowdhury Mueen-Uddin
২। The Guardian Gagged by Chowdhury Mueen-Uddin of the MCB
৩। The Guardian Has Received ANOTHER Libel Threat

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): যুদ্ধাপরাধী ;
প্রকাশ করা হয়েছে: মুক্তিযুদ্ধ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:৫৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর…

এডিট করুন | ড্রাফট করুন | মুছে ফেলুন

৭৯১ বার পঠিত৩৬৬২৩

মন্তব্য দেখা না গেলে – CTRL+F5 বাট্ন চাপুন। অথবা ক্যাশ পরিষ্কার করুন। ক্যাশ পরিষ্কার করার জন্য এই লিঙ্ক গুলো দেখুন ফায়ারফক্সক্রোমঅপেরাইন্টারনেট এক্সপ্লোরার

৬৬টি মন্তব্য

১-৩৪

১. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৪০

রাহা বলেছেন: অবশ্যই… সকলের সংহতি প্রকাশ করা উচিত

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৩১০

লেখক বলেছেন:

দেলওয়ার হুসেন যেন মনে না করেন তিনি একা। আমরা আছি তাঁর সাথে।

২. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৪০

মনজুরুল হক বলেছেন:

এই লেখাটি বিভিন্ন ব্লগে, গ্রুপে যত খুশি রিপোস্ট করুন। এখন দরকার খুব দ্রুত এই সংহতির পক্ষে জনমত সংগঠিত করা। সবার সহযোগীতা কাম্য।

১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৩১০

লেখক বলেছেন:

লন্ডনে পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটলে আপডেট দেওয়া হবে।

৩. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৫০

ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন: দেলওয়ার হোসেনের আরো লেখা গার্ডিয়ানে ও ওপেন ডেমোক্রেসিতে পড়েছি। তার সঙ্গে এবং মুক্তাঙ্গনের উদ্যোগে সংহতি।

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৫২০

লেখক বলেছেন:

আরো কোন তথ্য পেলে প্লিজ শেয়ার করবেন ফারুক।

৪. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৯০

বলেছেন: গতকাল রাতেই মেইলে পেয়েছি খবরটা । সাথে আছি ।

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৩১০

লেখক বলেছেন:

কৃতজ্ঞতা।

৫. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৪০০

দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: পড়লাম এবং অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে বলতে বাধ্য হচ্ছি বাংলাদেশে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের কোন বিচার হবে না। এটা একটা পলিটিক্যাল ক্যাপিট্যাল। এবং এটার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার চেষ্টা করবে বেনিফিসিয়ারী রাজনৈতিক চক্র।

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৩৩০

লেখক বলেছেন:

তিন তিনটা যুগ তো পার হয়ে গেল, আর কত হিপোক্র্যাসি দেখতে হবে যাপিত জীবনে।

৬. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৪২০

কিউরিয়াস বলেছেন: মুঈনউদ্দিন সংক্রান্ত অংশটুকু, যেটা মুছে ফেলা হয়েছে, সেটা একটু দেখতে চাই, অনুরোধ করলাম।

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৪৯০

লেখক বলেছেন:

২ নং লিঙ্ক ধরে চলে যান, পেয়ে যাবেন।

৭. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৪৫০

নাঈম বলেছেন: ফেসবুক আর টুইটারে শেয়ার করলাম …………

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৪৯০

লেখক বলেছেন:

অনেক ধন্যবাদ নাঈম।

৮. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:০৭০

বলেছেন: সংহতি প্রকাশ করতে আসলাম । আগে ফেইসবুকে মেসেজ’টা ছড়িয়ে দিয়ে আসি … তারপর বাকি কথা …

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৩৬০

লেখক বলেছেন:

ইউ কে বেইজড কিছু ব্লগার ওখানকার বাংলাদেশী রাষ্ট্রদূতের সাথে দেখা করার চেষ্টা চালাচ্ছে, সেটা হলে একটা পরিষ্কার চিত্র পাওয়া যাবে।

ধন্যবাদ মনির।

৯. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:১২০

১৯৭১স্বাধীনতা বলেছেন: সংহতি

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৩৮০

লেখক বলেছেন:

সংহতি।

যুদ্ধাপরাধের শাস্তি হতেই হবে।

১০. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:১৫০

জনৈক আরাফাত বলেছেন: সংহতি

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৫৩০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ আরাফাত।

১১. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:১৬০

বলেছেন:

ওয়াও!

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৩০০

লেখক বলেছেন:

ওয়েলকাম! অন আ ফানি ওয়ার্ল্ড!!

১২. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৪৩০

একরামুল হক শামীম বলেছেন: গার্ডিয়ান যুদ্ধাপরাধীদের নিয়ে লেখা থেকে চৌধুরী মুঈনউদ্দিনের অংশ মুছে দিয়েছে। কিন্তু তাকে নিয়ে আরো অনেক অনেক লেখা তৈরি হবে…..

সত্যকে চেপে রাখা যায় না। লন্ডনের একটি টিভি চ্যানেল এই চৌধুরী মুঈনউদ্দিনকে নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল। সুতরাং আইনী প্রমাণ অনেক কিছু্ই আছে। শুধু বলতে চাই, দেলওয়ার হুসেন একা নন। আমরা অনেকেই তার পাশে আছি।

সংহতি জানালাম।

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৫২০

লেখক বলেছেন:

৩০ মার্চ ২০০৮ এ মুঈনউদ্দিনকে নিয়ে Bangladesh Genocide Archive এ বিশাল প্রতিবেদন আছে(১ নং লিঙ্ক)।

লন্ডনের যে টিভি চ্যানেল তার উপর প্রতিবেদন প্রচার করেছিল সেটির নামঃ “চ্যানেল-৪”

“দেলওয়ার হুসেন একা নন। আমরা অনেকেই তার পাশে আছি।”

ধন্যবাদ শামীম।

১৩. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৫০০

দন্ডিত বলেছেন: আর সহ্য হইতেছে না। এইবার জনতাকে রাস্তায় নামতে হবে।

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৩৯০

লেখক বলেছেন:

জনতা রাস্তায় নামার আগেই তো সব কিভাবে যেন মিনিমাইজ হয়ে গেল! জনতা এখন ভীষণ অপ্রতিরোধ্য দ্রব্যমূল্য নিয়ে হাঁসফাঁস করছে! অন্তত এই ইস্যুতে জনতা আর রাস্তায় নামবে না মনে হয়।

১৪. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৫৬০

বলেছেন: ফেসবুকে আমাদের একটা বিশাল গ্রুপ আছে … ওখানে শেয়ার করলাম …

মনজু ভাই আত্মবিশ্বাস ক্রমেই কমে যাচ্ছে … আমাদের এই মেরুদন্ডহীন ছাগল সরকার … শুয়োর গুলার বিচারের করবেতো ?

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৪৮০

লেখক বলেছেন:

কাবলিওয়ালাদের একটা রেওয়াজ ছিল দেনাদার দেনা শোধ না করে মরে গেলে ওরা তার কবরের উপর লাঠির বাড়ি মেরে ঋণ উসুল করত!

জানিনা জীবিত রাজাকারদের সবার কবরে যাওয়ার আগেই জেলে ভরা যাবে, নাকি কাবলিওয়ালার মত কবরে বাড়ি মেরে গায়ের ঝাল মেটাতে হবে!!

১৫. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৫৬০

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: সাথে আছি। শামীম আমি পুরা ভিডিওটা পোস্ট করছিলাম ফেসবুকে। লিঙ্কটা খুজতে হবে

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:২৮০

লেখক বলেছেন:

পিয়াল একজন পাকিস্তানীর এই কমেন্টটা কৌতুহলোদ্দীপক!

SharifL’s profile picture SharifL

07 Oct 09, 3:51pm

I cannot speak for all. but as a Pakistani, I know that Bengalis were not not treated well. And Pakistan must be ashamed of the atrocities in the eastern sector. There is no if and but, just apologize.

But Delawar, The whole of Pakistan has been and still is being ruled by the army and the civilians and those who prefer rule of law are victims of cruelty. Dictator Ayub Kahn was followed by Yahya Khan. Bhutto was elected but another dictator overthrew him and subsequently hanged him. Many others lingered in jails for a long time. The army also overthrew Nawaz and he was sent to prison. Of course many who joined these leaders, also suffered. Only a year into the new civilian government, there are rumors that the army chief is trying to destabilize it.

This does not justify the fiasco of East pakistan, but I say this. If you cannot behave with your own people, how can you expect better behavior for others. Basically , most of Pakistanis do not like democracy. When the troops come marching in Islamabad, many celebrate it.”

একটা অদ্ভুত তথ্য শেয়ার করি- মুঈনউদ্দিন এখন ইস্ট লন্ডনের ইসলামী ফোরামের নেতা। মসজিদ কমিটির হোতা। এমন কি অল ইউরোপীয়ান মুসলিম কম্যুনিটি অব ফ্রিডমেরও নেতা! আর এতসব ওই লন্ডনে বসে বসে সে করে যাচ্ছে! আমাদের দূতাবাস কি খালি পিকাডেলি সাকার্স দেখার টিকেট কাটার কাজ করে?

১৬. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:১৫০

জর্জিস বলেছেন: “দেলওয়ার হুসেন একা নন। আমরা অনেকেই তার পাশে আছি।”

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৫০০

লেখক বলেছেন:

ক্রমশ: দিনগুলো পার হয়ে যাচ্ছে….

১৭. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:২৬০

বিডি আইডল বলেছেন: প্লাসাইলাম..আমার ফেসবুকে বড় কয়েকটা গ্রুপ আছে..দিয়ে দিচ্ছি সেখানে

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৫১০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ বিডি আইডল। একটা জোরালো প্রচার হওয়া দরকার। ব্রিটেনের হাইকমিশন আর সরকারের কানে পানি ঢুকুক।

১৮. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৩১০

নেক্সাস বলেছেন: সংহতি

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৫২০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ নেক্সাস। কৃতজ্ঞতা।

১৯. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৩৫০

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: লিঙ্কগুলা দিলাম :

১ম পর্ব 

২য় পর্ব

৩য় পর্ব 

শেষ পর্বটাতেই চৌধুরী মঈনউদ্দিন নিয়া কথাবার্তা আছে। আর আমিও একটা পোস্ট রেডি করতেছি হারামীটারে নিয়া

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৪৯০

লেখক বলেছেন:

লিঙ্কগুলোর জন্য অনেক ধন্যবাদ পিয়াল।

২০. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৩৬০

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: মনজুরুল হক ভাই, তারে আমি অনেকদিন ধইরাই ট্র্যাক করতেছি, কিন্তু হাত আসলেই শক্ত।

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৪৪০

লেখক বলেছেন:

খালি শক্ত না অনেক লম্বাও! যদিও এটা নিশ্চিত যে গার্ডিয়ান না হয়ে অন্য কোন কাগজ হলে এতটুকু হুমকিতে কন্টেন্ট চেঞ্জ করত না। গার্ডিয়ান সেই একাত্তরেও বিতর্কীত ভূমিকায় ছিল। ওরা ব্রিটিশ স্টাবলিশমেন্টের একনম্বরের দালাল। টোরি সমর্থক।

২১. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৪৪০

চাষী বলেছেন: যুদ্ধাপরাধ নিয়ে অনেক খেলা, অনেক নাটক দেখলাম। আর আশাবাদী হতে পারিনা।

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:১৩০

লেখক বলেছেন:

ঠিকাছে।

২২. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৫৩০

কঠিন চিজ বলেছেন: আর্য জাতির সমন্ধে কিছু জানেন ? বাঙ্গালীর পূর্ব পুরুষ কারা? যুদ্ধাপরাধীরা কি বাঙ্গালী??

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:১৭০

লেখক বলেছেন:

এইখানে বাঙালির কিছু কুসন্তান লইয়া কথা হইতাছে।

২৩. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:১৩০

দেশী পোলা বলেছেন: সাথে আছি, সবার সাথে শেয়ার করছি

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:১৮০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ দেশী।

২৪. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:২৬০

তৃনভোজী বলেছেন: বস, যে চিন্হিত রাজাকার তাকে ‘কথিত’ কেন বলি!!

  • এবং সংহতি।

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৩৩০

লেখক বলেছেন:

“দ্য গার্ডিয়ান” কথিত বলে রিপোর্ট ছেপেছে। সেটা অনুসরণের কারণেই কথিত বলা। ব্রিটিশরা আবার সব ব্যাপারেই পারফেকশনিস্ট‍!

সংহতির জন্য ধন্যবাদ।

২৫. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:২৮০

দন্ডিত বলেছেন: কই জানি পড়ছিলাম আয়ারল্যান্ডে এক যুদ্ধাপরাধী এমন ভাবে গা ঢাকা দিছিল খুইজা পাওন যায় নাই। যখন খুইজা পাওয়া গেছে তখন সে মইরা কবরে। পরে কবর থাইকা কফিন তুইলা সেই কফিনরেই লটকানো হইছিল। কাবুলীওয়ালাদের কথা শুনে সেইটা মনে পড়ল।

আমার বয়স সামনের ডিসেম্বরে ২৩ হবে। হস্তক্ষেপ হীন ঈশ্বর দিয়া তো কিছু হবে না, তবে যদি বাইচা থাকতে পারি একদিন দেখে যেতে পারব এদের বিচার।

গ্রীক মিথলজিতে একটা গল্প আছে। রাজা ট্যান্টেলাসের গল্প। দেবতারা তাকে শাস্তি দিয়েছিল যে তার মুখের কাছে ঝুলবে সুস্বাদু ফল, তার গলা পর্যন্ত থাকবে সুমিস্ট পানি। কিন্তু ফল খেতে গেলেই সেটা বাতাসে সরে যাবে। পানি খেতে গেলেই পানি নেমে যাবে।

জানি না কোন দেবতার অভিশাপে আমরা সবাই ট্যান্টেলাসের জীবন যাপন করছি।

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৩৭০

লেখক বলেছেন:

সম্ভবত থিয়োডর দেবতার অভিশাপে আমরা ট্যান্টেলাসের জীবন যাপন করছি।

আমিও আশাবাদী তবে একটি ব্যাপার আমাকে বেশ ভাবায়- নিরঙ্কুশ বা ল্যান্ডস্লাইড ভিক্টরি মানে স্বেচ্ছাচারির পূর্ব লক্ষণ! এই নিরঙ্কুশতা দিয়েও যদি এবার না হয় তাহলে আমাদের বোধহয় সেই বিচার দেখে যাবার আর সময় থাকবে না।

২৬. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:২০০

মনজুরুল হক বলেছেন:

একটি অভিনব তথ্য পাওয়া গেছে! মুঈনউদ্দিনের কুকির্তির খবর একটি পাকিস্তানী ব্লগেও প্রকাশ হয়েছে। লেখক একজন আইনজীবী এবং গবেষক।

লিঙ্কঃমাই ভয়েস পাকিস্তান ফোরাম

২৭. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:২৪০

দন্ডিত বলেছেন: আমি আর কিছুদিন দেখবো। তারপরও যদি দেখি সরকার নিজেদের বংশধরদের জন্যে চর্ব চোষ্য লেহ্য নিশ্চিত করতে আইন প্রনয়নেই ব্যস্ত তাহলে “রাজনীতি থেকে নিজেকে দুরে রাখবো ” এই অটোসাজেশন ফেলে দিয়ে তীব্রভাবে রাজনৈতিক হয়ে যাব। এই পচা নষ্ট পরজীবিকে গোড়া থেকে কেটে ফেলার চেষ্টাও যদি না করি তাহলে রাতে একা ঘুমাতে যাব কি করে? নিজের বিবেক যে তাড়া করে ফিরে?তাকে এড়াবো কিভাবে?

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৯০

লেখক বলেছেন:

একজন ২৩ বছরের তরুন যখন এই কথা বলে তখন চারিদিকের নিরাশার ভেতরেও একধরণের আশার আলো খুঁজে পাই। অভিনন্দন তুহিন।

২৮. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:২৮০

ডাঃ এন এইচ সার্জা বলেছেন: সংহতি জানাই।

ফেসবুক থেকে লিংকটা পেলাম!!

অত্যন্ত দুঃখজনক।

তারা এখনো যথেষ্ট ভালো মাত্রায় সংঘটিত বলেই মনে হচ্ছে!!

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৭০

লেখক বলেছেন:

“তারা এখন আগের চেয়েও বেশি শক্তিশালী।” এটা ভেবেই মনে হয় আমাদের সুশীলরা পিছুটান দিচ্ছেন! কি আর করা?

২৯. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা

বলেছেন: ডাক গেছে ।

৩০. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৫০

পাপতাড়ুয়া বলেছেন: সাথে আছি।যুদ্ধাপরাধের বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা অক্লান্ত।

১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:১৮০

লেখক বলেছেন:

“যুদ্ধাপরাধের বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা অক্লান্ত” কথাটি শুনে ভাল লাগল। ঠিক এই কথাটি যখন শাসকশ্রেণী বলতে কুন্ঠা বোধ করেন তখন সব কিছু পাতানো খেলা মনে হতে থাকে….

৩১. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:০৫০

মুনশিয়ানা বলেছেন: বৃটেনের মিডিয়াতে (চ্যানেল ফোর, ইভনিং স্ট্যান্ডার্ডস) কিন্তু যুদ্ধাপরাধীদের নিয়ে সাহসী কিছু কাজও আছে। তবে গার্ডিয়ানের এই নপুংসকতা সত্যিই দুঃখজনক।

সংহতি… সাথে আছি।

১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২০০

লেখক বলেছেন:

হয়ত চ্যানেল ফোর এর কিছু সাহসী কাজ আছে। হয়ত তারা যুদ্ধাপরাধ বা পশ্চিমের বানানো মানবাধীকার নিয়ে বেশ সোচ্চার, কিন্তু তাদের এমন কিছু প্রেজেন্টেশন দেখেছি যাতে করে ঘেন্নায় আর ওই মুখো হতে ইচ্ছে করেনি।

  • মাও সে তুং একজন “কামুক লাল দস্যু” এমন একটি ডকুমেন্টরি বানিয়ে তা তারা প্রচার করেছিল! এমন কি যে নয়া চীন মাওকে তেমন মূল্যায়নও করে না তারাও প্রতিবাদ করেছিল। পরে বন্ধ হয়।

  • “লাস্ট টেন ডে’জ অব লেনিন” (নামটা ভুলও হতে পারে, স্মৃতি থেকে বলছি) নামের ছবিটা কোলকাতা ফেস্টিভেলে প্রথম শো’য়ের পরেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল । সেখানে দেখানো হয়েছিল লেনিন নার্সদের সাথে খুনশুটি করছেন! বিছানায় ……ত্যাগ করছেন! এটাও চ্যানেল ফোর দীর্ঘ দিন ধরে প্রচার করেছে।

  • বলশেভিক বিপ্লবের সময় লেনিনের বাহিনী “কি নির্মম ভাবে জার নিকোলাস-২ র পরিবারের লোকদের হত্যা করেছে” তার বর্ননা সমৃদ্ধ একটা ডকুমেন্টারি বছরের পর বছর দেখিয়েছে। সেটা আবার আমাদের “একুশে টিভি”ও অনেক দিন ধরে দেখিয়েছে !!

ব্যাপারটা এমন….মুক্তিযোদ্ধারা কি নির্মম ভাবে পাক বাহিনী আর বিহারীদের মেরেছে তার স্বাক্ষাৎ দলিল যেন!

গার্ডিয়ান এটা না করলেই বরং অবাক হতাম। টোরিদের মুখপাত্র এরচে ভাল আর কি করবে?

সংহতির জন্য ধন্যবাদ মুনশিয়ানা।

৩২. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:২০০

ত্রিশোনকু বলেছেন: মনজুর,

দিলাম, ভাগ ভাগ করে। মোট ৭০৩ জনকে পাঠানো হয়েছে। ই মেইলের ডুটো গ্রপে আরো১০৫ জনকে পাঠাচ্ছি।

আপনার ফোন নম্বরগুলো ইমেইল করুন। কথা আছে জরুরী।

২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২১০

লেখক বলেছেন:

একটু পরেই মেইল চেক করুন।

৩৩. ২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩৮০

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ভাই পোস্ট দিছি

২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:২৯০

লেখক বলেছেন:

দুর্দান্ত পোস্ট। কমেন্ট করে আসলাম। পরে আরো আলোচনা আছে। সময় হলেই জানাব।

৩৪. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৪০

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আপনারে ফোন দিছিলাম সকালে মুনিররে দিয়া।

২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২০০

লেখক বলেছেন:

আমি তখন জ্বরের ঘোরে ছিলাম। ফোন ধরতে ধরতে লাইন কেটে যাওয়ার পর কে করেছিল তা আর সার্চ করি নাই। এখন একটু সুস্থ্য বোধ করায় ব্লগে এলাম। কোন জরুরী দরকার ছিল কি? মেইল করেন তাহলে….

monjuraul এ্যাট yahoo.com
Top of Form

আপনার মন্তব্য লিখুন

কীবোর্ডঃ  বাংলা                                    ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয় ভার্চুয়াল   english

নাম

       

Bottom of Form

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s