একদিন গ্যাস নামক সোনার ডিম পাড়া হাঁসটি মরে যাবে > আমাদের যথেচ্ছা গ্যাস ব্যবহার বিলাসীতার পাপ বহন করবে ২৫ কোটি মানুষ

31412_429445210725_398468890725_5879109_8312610_n

২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৩ |

সরকার নির্ধারিত সামান্য কয়েকজন ডিলারের একটি ডিপোতে লম্বা লাইন! লাইনের মানুষগুলো সেই কাকভোরে উঠে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছে! সবাই পাবার আগে শেষ হয়ে গেলে খুনোখুনি লেগে যেতে পারে মনে করে নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া প্রহরা! তারই মধ্যে সিরিয়াল বিক্রি হচ্ছে শত শত টাকায়! পর পর দুইদিন না পেয়ে আজ পাওয়ায় এক জন সেই প্রাপ্য বস্তুটি বুকে আগলে দৌড় দিয়েছে! ওদের তো অন্য ধরণের সামর্থ নেই তাই আজ পাওয়ায় বাড়িতে অসুস্থ বাবার জন্য গরম ভাতের ব্যবস্থা হবে! এটি ভেবেই লোকটির চোখের কোণে জমে উঠেছে এক ফোঁটা আনন্দাশ্রু………….

এই মহার্ঘ বস্তুটির নাম কেরোসিন! ২০৩০ কিংবা ২০৪০ সালের কোন এক দিনের ঢাকায় ঠিক এমনই একটি দৃশ্য দেখা যেতে পারে! ফেনানো গল্পের মত মনে হলেও এই বাস্তবতা হয়ত আমাদের অনেককেই ‘নিয়তি’ বলে মেনে নিতে হবে। মাটির তলেকার পাইপ লাইনগুলো যেখান দিয়ে চলে গেছে, সেখানকার মানুষেরা মাটি খুঁড়ে সেই পাইপ তুলে ভাংড়ি দোকানে বিক্রি করবে। খুব সকালে ঢাকা শহরের সব ইলেক্ট্রিক বাতিগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। সন্ধ্যের একটু আগে আবার জ্বলে উঠবে পাওয়ার হাউসের মাধ্যমে। অ্যামুজমেন্ট বা বিলাসী শিল্প পণ্যের কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। তিন বেলা মাছে-ভাতে বাঙালির খাদ্যাভ্যাস বদলে যাবে। অধিকাংশ বাড়িতে দিনে মাত্র একবেলা রান্না হবে। ঢাকার রাজপথে এখনকার তুলনায় চল্লিশ বছর পরে যে হারে যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবার কথা না না হয়ে ম্যানুয়াল যানবাহনে ছেয়ে যাবে ঢাকা। ঢাকার আসে-পাশে এখন যেমন ফিলিং স্টেশনের সংখ্যা গুণে শেষ করা যায়না, তখন এই জায়গা দখল করবে লাকড়ির দোকান। শত শত লাকড়ির দোকানে হাজার হাজার কাঠ চেরাই করার শ্রমিকের কর্মসংস্থান হবে। গভীর রাতেও শোনা যাবে হেহ্ শব্দে কাঠ চেরাই করছে আধুনিক মানুষ। রিকসা করে চ্যালা কাঠ নিয়ে বাড়ি ফিরছে আধুনিক রমণী! ঢাকার আশেপাশের গ্রাম আর মফস্বলের জেলা থেকে ট্রাক বোঝাই হয়ে আসছে চ্যালা কাঠ। ঝাঁ চকচকে মার্বেল-মোজাইকের ফ্ল্যাট বাড়িতে ‘অত্যাধুনিক কায়দায়’ মাটির চূলো তৈরি হয়েছে। বাড়ি বাড়ি কেরোসিনের স্টোভ বসে গেছে! অবস্থাসম্পনদের বাড়িতে কেরোসিনের মওজুদ নিয়ে এন্তার কাগজে লেখালেখি হচ্ছে! কোরোসিন মওজুদের বিরুদ্ধে সরকারি প্রজ্ঞাপনও জারি হচ্ছে! নাগরিক জীবনে যে দুটো বস্তু প্রায় অর্ধ শতাব্দী আগে বিলিন হয়ে গেছিল সেই লাকড়ি আর কেরোসিন ফিরে এসেছে পুরোদমে। মানুষের জীবন কেরোসিন আর লাকড়িময় হয়ে ওঠায় সে সব ব্যবহারের উপর কর্মশালাও নিয়মিত হতে থাকছে…………………..

এই এতসব ঘটনা ঘটে যাচ্ছে যে বস্তুটির অভাবে তার নাম গ্যাস। জ্বালানী গ্যাস। যা এখন মুড়িমুড়কির মত আমরা ফেলে-ছড়িয়ে খাচ্ছি, বিলাচ্ছি, অপচয় করছি। আগামী ২০৩০ থেকে ২০৪০ সালের মধ্যে আমাদের প্রাকৃতিক গ্যাসের ভান্ডার শেষ হয়ে যাবে। তখনকার নাগরিক জীবনের যে কল্পিত চিত্রটি আঁকা হলো সেটি ঠিক এই মুহূর্তে কল্পরাজ্যের কাশুন্দি মনে হলেও প্রকৃত অবস্থা এর চেয়ে খুব একটা উন্নততর কিছু হবে না হয়ত। বর্তমানের কনজাম্পশন, আগামী ৩০/৪০ বছর পরের বৃদ্ধি পাওয়া কনজাম্পশন যোগ করলে মাটির তলে যে মওজুদ আছে তা নিঃশেষ হয়ে যাবে। হয়ত আমাদের আশঙ্কার চেয়েও দ্রুত নিঃশেষ হবে। ২৮ টি ব্লকের যে আশার বাণী শোনানো হচ্ছে তার সব কয়টি থেকেও যদি উত্তোলন করা হয় তবুও তা মোট চাহিদা মেটাতে পারবেনা, কারণ আজ থেকে ৩০/৩৫ বছর আগে যেসব খাতে গ্যাসের ব্যবহার ছিল তা বেড়ে শতগুণ হয়ে গেছে। একসময় যে সব কলকারখানা ফার্নেস ওয়েল, ডিজেল-এ চলত এখন তা গ্যাসে চলে। দেশে হাজার হাজার বয়লার জ্বলে গ্যাসে। উত্তরাঞ্চলের সামান্য কিছু বয়লার হাস্ক-এ চললেও সারা দেশে হাজার হাজার বয়লার রাতদিন গ্যাসে জ্বলছে। বিশ্বে বাংলাদেশই একমাত্র দেশ যেখানে পাইপ লাইনে বাড়িতে গ্যাস দেওয়া হয়েছে। প্রাপ্ত প্রাকৃতিক সম্পদের অপব্যবহার কত রকম কত ভাবে হতে পারে তার জ্বলন্ত নিদর্শন এই বাংলাদেশ।

দেশের মোট বিদ্যুতের প্রায় ষাঁট ভাগই উৎপাদন হয় গ্যাসে। মোট কলকারখানার নব্বই ভাগ চলে গ্যাসে। ঢাকা, ময়মনসিংহ, জামালপুর, টাঙ্গাইল এবং ঢাকার আশেপাশে প্রায় ষাঁট থেকে সত্তর ভাগ যানবাহন গ্যাসে চলছে। মাত্র বছর পাঁচেকের মধ্যে এই ঢাকায় দুই থেকে তিনশ’ গ্যাস কনভার্শন কারখানা গড়ে উঠেছে। প্রাইভেট কারগুলো রাতারাতি গ্যাসে কনভার্ট হয়ে গেছে। তিন থেকে সাড়ে তিন লাখে রিকন্ডিশন গাড়ি কিনে একশ’কুড়ি টাকার গ্যাস চার্জ কের বাবুরা দিব্বি হাওয়া খেয়ে বেড়াচ্ছেন। সিএনজি কনভার্শন চালু হওয়ার পর দেশে গাড়ির সংখ্যা হু হু করে বেড়ে ঢাকার রাস্তার ধারণক্ষমতা অনেক আগেই শেষ করে দিয়েছে। এখন পুরোটা রাজপথ গাড়ির দখলে। বিএনপি আমলে নাজমুল সাহেব ভারতের বাজাজ আর ইটালির কোম্পানীর সাথে যখন চুক্তি করলেন তখনই ইতালী বুঝে গেছিল ওই দেশে রাতারাতি লাখ লাখ গ্যাস সিলিন্ডারের দরকার পড়বে। ঠিক যেমন অংক করে ইউনূস সাহেব বুঝে নিয়েছিলেন বাঙালিকে একবার মোবাইল খাওয়াতে পারলে সে তো খাবেই, তার চোদ্দগুষ্ঠিও খাবে। শুধু খাবে না, খাবে আর ছড়াবে। সারা গায়ে মোবাইল মাখবে! মোবাইলময় জীবনে অভ্যস্থ হয়ে মোবাইল ম্যানিয়ায় আক্রান্তও হবে। ইউনূস সাহেব এলেমদার মানুষ, বাঙালির স্বভাব চেনেন!

গ্যাস যে শেষ হবেই তাতে কারো সন্দেহ নেই, তবে ঠিক কবে থেকে শেষ হবে, কোন কোন খাতে আগে রেশনিং হবে, কোন খাত থেকে আগে তুলে নেওয়া হবে, কোন খাতে আর গ্যাস দেওয়াই হবেনা সেটি আমরা এখনো আন্দাজ করতে পারছিনা। একটা পরিসংখ্যান দেওয়া যাকঃ

Yearly Gas Sales
12,239.47 MMCM (2007-2008)
Yearly Revenue
Tk. 4,410.17 crores (2007-2008)

Payment to the National Exchequer
Tk. 285.67 crores

No. of Customer (Upto 30th June, 2008)
Total 13,50,187 nos.
Power – 10 nos.
IPP & SPP – 8 nos
CIPP – 10 nos
Fertilizer – 4 nos.
Industrial – 4,184 nos.
CNG – 169 nos
Seasonal – 12 nos
Captive Power – 750 nos
Commercial – 9,831 nos.
Domestic – 13,35,196 nos.
Domestic Generator – 13 nos.

কমার্শিয়াল উইজার্স সিনারিও!

টোটাল কনজাম্পশনের ঘরটা খেয়াল করুন! এটা শুধু (BGFCL)তিতাস গ্যাস কোম্পানীর হিসাব। এ ছাড়াও আছে SGFL, BAPEX, IOCs- এর মধ্যে আছে কেয়ার্ণ, শেভরণ, নিকো, টাল্লো। এদের সবার সম্মিলিত প্রডাকশন এবং কনজাম্পশন এর হার দিন দিন মোটা দাগে কমে যাচ্ছে। ক্যাপাসিটি যা থাকার কথা কখনো তার অর্ধেক কখনো সাঁট-সত্তর ভাগ উৎপাদন হচ্ছে। সিস্টেম লসের ব্যাপারটা বরাবরই আমাদের দেশে গোপন করা হয়! মনে করা হয় এই তথ্য বাইরে পাচার হলে তাদের কিছু একটা ‘মহাক্ষতি’ হয়ে যাবে! তাই নাম কা ওয়াস্তে একটা রিপোর্ট দেওয়া হয়, যাকে ঘটা করে বলা হয়-‘এই হলো আমাদের সিস্টেম লস, যা প্রতি বছর কমে আসছে’। এই কমে আসাকেই এরা এদের কৃতিত্ব বলে জাহির করে থাকেন। এটি শুধু এই গ্যাস সেক্টরেই নয়, সমগ্র দেশের সকল সেক্টর করপোরেশনে এই একই চিত্র!

শীতকালে অত্যধিক শীতে পাইপ লাইনে বালু উঠে আসে বলে প্রডাকশন কমে যায়। এটা প্রতি বছরের চিত্র। কিন্তু এবার শীত একটু বেশী পড়তেই ঢাকার প্রায় ৪০ ভাগ অঞ্চলে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। লোডশেডিং করেও কুলোনো যাচ্ছে না। মিরপুর থেকে শুরু করে প্রায় সমগ্র ঢাকায় গ্যাস রেশনিং হচ্ছে। গুলিস্তানের দক্ষিণে পুরো পুরান ঢাকায় সারা দিন গ্যাস থাকেনা। রাত বারটার পরে গ্যাস আসে এমন অঞ্চলের হার এখন প্রায় পঞ্চন্ন ভাগ। এ নিয়ে বিভিন্ন পাড়ায় পাড়ায় মিছিল-ঘেরাও হয়েছে, কাগজে প্রায় প্রতিদিনই খবর হচ্ছে, কিন্তু সুরাহা হচ্ছেনা। পেট্রো বাংলার প্রডাকশন চার্টে দেখা যাচ্ছে রাত ১২ টার পরে একটু প্রডাকশন বাড়লে তখন সাপ্লাই দেওয়া হচ্ছে। গত এক সপ্তাহ ধরে ঢাকার গ্যাস ফিলিং স্টেশনগুলোতে সারাদিন নোটিশ টাঙ্গানো থাকে-‘গ্যাসের স্বল্পতায় স্টেশন বন্ধ’। এই বন্ধ বা রেশনিং অথবা লোডশেডিংয়ের একটা তুলনামূলক চিত্র ধরলে দেখা যাবে গত বছর এই সময়ে ঢাকার পঁচিশ থেকে ত্রিশ ভাগ অঞ্চলে গ্যাসের হাহাকার ছিল। এবার সেখানে চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ ভাগে দাঁড়িয়েছে। এই ক্রমবর্ধমান সংকট মাথায় রাখলে নিঃসন্দেহে বলা যায় আগামী বছরে এই লোডশেডিং বা রেশনিং ছড়িয়ে যাবে ষাঁট-সত্তর ভাগ অঞ্চলে। পেট্রো বাংলা কি করবে? প্রডাকশন না থাকেলে কি ভাবে দেবে? এটা খুব সহজ বিষয়। গ্যাস নেই তো সাপ্লাই নেই।

প্রতিদিনের ওভারঅল প্রডাকশন চার্ট। এই লিঙ্কে আরো তথ্য পাওয়া যাবে।

তাহলে বিকল্প কি?
এই বিকল্প নিয়ে বিশেষজ্ঞরা এন্তার ভাবাভাবি করেছেন। করে একটা সিদ্ধান্তে এসেছেন যে আমাদের কয়লা উত্তোলন করে এর বিকল্প ভাবতে হবে। কয়লা নিয়ে কি হচ্ছে বা আগামীতে কি হবে সেটা এখানে আলোচনায় আনা হলো না। সে অধ্যায়টি আরো হতাশাজনক। এখন যেমন মহার্ঘ প্রাকৃতিক গ্যাস চূলোয় জ্বালয়ে কাঁথা শুকোনো হচ্ছে, পানি গরম করা হচ্ছে, ম্যাচের কাঠি বাঁচানো হচ্ছে, গার্মেন্টে কাপড় ইস্ত্রি করার জন্য বয়লারে পানিকে বাষ্প বানানো হচ্ছে, প্রাইভেট গাড়িকে সিএনজি করে বাবুগিরি দেখানো হচ্ছে, আগামীতে ক্রুড অয়েল কিনে রিফাইন করে জ্বালানির জন্য কেরোসিন বানানো হবে, পাওয়ার প্লান্ট চালানোর জন্য ডিজেল ইম্পোর্ট দশগুণ বাড়াতে হবে। জাতীয় আয়ের সিংহ ভাগ চলে যাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে, কারণ বিদ্যুৎ ছাড়া সবই অচল। এখন যেমন বৃক্ষ বৃক্ষ করে আমরা তড়পাচ্ছি, যেন বৃক্ষই আমাদের গ্লোবাল ওয়ামিং থেকে বাঁচাতে পারে! সেই ওয়ামিং থেকে বাঁচানোর বৃক্ষই তখন আমাদেরকে কেটে কেটে চূলো জ্বালাতে হবে! তাহলে সবুজ বনায়ন বা উপকূলীয় বৃক্ষবেষ্টনীর কি হবে? সিডর-আইলা থেকে কে বাঁচাবে? যদি গাছ কেটে রান্না করতে হয় তাহলে বৃক্ষহীন বাংলাদেশ নিজেই গ্লোবাল ওয়ামিংকে নিজের বাড়িতেই প্রতি বছর বাড়িয়ে দেবে। তাতে করে শুরু হবে সংকটের নতুন মাত্রা!
সেই সংকটের হাত ধরে চলে আসবে নোনা পানি। মিঠা পানির নদীগুলো নোনা পানিতে সয়লাব হয়ে যে ডিজাস্টার ঘটাবে তা কল্পনারও অতীত! বাংলাদেশের প্রায় চল্লিশ শতাংশ অঞ্চলে ধান ফলবে না। সেচের জন্য হাজার ফুট খুঁড়েও পানি মিলবে না! শুধু মাত্র খাবার পানির জন্যই শুরু হবে কারবালার মত হাহাকার!

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো তাদের তেল ফুরিয়ে গেলে কি করবে তা তারা ভেবে রেখেছে। জ্বালানী তেল শেষ হয়ে গেলে কি দিয়ে গাড়ি চলবে ইউরোপ-আমেরিকা তা ভেবে রেখেছে। এমন কি ভারত তার খনিজ গ্যাস, তেল, কয়লা শেষ হলে কি করবে তাও ভেবে রেখেছে। তার তো সম্পদের অভাব নেই,তারপরও তারা পাইপ লাইনে রান্নার গ্যাস সাপ্লাইয়ের বিলাসীতা করেনি। কিন্তু আমাদের সবেধন নীলমনি গ্যাস ফুরিয়ে গেলে আমাদের কি হবে সেটা কি আমাদের ভাবনেঅলারা ভেবেছেন? আমরা জানিনা।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গ্যাসকোরোসিনগ্যাসের অপব্যবহারপেট্রো বাংলাগ্যাস কনজাম্পশন ;
প্রকাশ করা হয়েছে: প্রবন্ধ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুন, ২০১০ ভোর ৪:২৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর…

 

 

এডিট করুন | ড্রাফট করুন | মুছে ফেলুন

৫৩৫ বার পঠিত৭৭০২৪

 

মন্তব্য দেখা না গেলে – CTRL+F5 বাট্ন চাপুন। অথবা ক্যাশ পরিষ্কার করুন। ক্যাশ পরিষ্কার করার জন্য এই লিঙ্ক গুলো দেখুন ফায়ারফক্সক্রোমঅপেরাইন্টারনেট এক্সপ্লোরার

 

৭০টি মন্তব্য

১-৩৫

১. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৯০

অপ্‌সরা বলেছেন: খুব সকালে ঢাকা শহরের সব ইলেক্ট্রিক বাতিগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। সন্ধ্যের একটু আগে আবার জ্বলে উঠবে পাওয়ার হাউসের মাধ্যমে। অ্যামুজমেন্ট বা বিলাসী শিল্প পণ্যের কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। তিন বেলা মাছে-ভাতে বাঙালির খাদ্যাভ্যাস বদলে যাবে। অধিকাংশ বাড়িতে দিনে মাত্র একবেল রান্না হবে। ঢাকার রাজপথে এখনকার তুলনায় চল্লিশ বছর পরে যে হারে যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবার কথা না না হয়ে ম্যানুয়াল যানবাহনে ছেয়ে যাবে ঢাকা।

তুমি রোজ ভয় পাইয়ে দাও ভাইয়া। এমন এমন ভয়ের কথা বলো!!!

তবে কে ভাববে বিকল্প ব্যাবস্থার কথা???

২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫৫০

লেখক বলেছেন:

ভয় পাইয়ে দেই না অপসরা! আমি নিজেই ভয় পাই। ছোট বেলা বর্ষা কালে গ্রামের মা-চাচীদের ভেজা নাড়া-ডালপালা দিয়ে রান্না করতে দেখতাম।

ভাবলে গা শিউরে ওঠে! এই ঢাকায় রান্নার গ্যাস না থাকলে কি হবে? গ্রামের মানুষ মানিয়ে নেবে। তাদের এখনই যে কষ্ট হয় সেটা আর একটু বাড়বে, কিন্তু ঢাকায় গজব নেমে আসবে।

২. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০২০

রাঙা মীয়া বলেছেন: আয় হায়, কন কি ? তয এক্সপোর্ট হইবো কেমনে ? বিদেশী কোম্পানীর কমিশন তো তাইলে আমার দেশের নেতারা হারাইলো

এই দুঃখ কই রাখি ?

২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫৮০

লেখক বলেছেন:

নাহ্ কমিশন হারাতে পারেনা! কমিশন আসতেই হবে! এক্সপোর্ট নিশ্চিত হলেই উত্তোলন হবে, তার আগে না।

অতএব দুঃখ রাখার জায়গার অভাব হবে না ইনশাআল্লাহ্!

৩. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৯০

টোটাল ভালবাসা বলেছেন: দেশ প্রেমে উদ্ধুদ্য হয়ে সকরে উচিৎ গ্যাস ব্যবহারে সতর্ক হওয়া। একটি ম্যাছের কাঠি বাচানোর যেন সারা রাত যেন চুলা জ্বালিয়ে রাখা না হয়।

২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৫০

লেখক বলেছেন:

দেশপ্রেম এমনি এমনি আসেনা। তার জন্য রাষ্ট্রকেও নাগরিকদের ভাল-মন্দ দেখতে হয়। রাষ্ট্র তা না দেখলে যা হয় এখন তা-ই হচ্ছে, দলে দলে মানুষ দেশ ছাড়ছে! আগে একজন বাবা তার ছেলেকে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার বানাবার স্বপ্ন দেখত,

এখন দেখে কি ভাবে তাকে বিদেশে পাঠানো যায়! তাতেই বাবার শান্তি, বাবা নিশ্চিন্ত!

৪. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২০০

তায়েফ আহমাদ বলেছেন: গুছিয়ে লিখেছেন। দারুন হয়েছে।

আসলেই গ্যাসের অপব্যবহার এবং গ্যাস পরবর্তী সময়ের বিকল্প জ্বালানী নিয়ে আমরা জাতিগতভাবেই অনেক উদাসীন।

২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৭০

লেখক বলেছেন:

বিবিধ বিষয়ে জাতিগত উদাসীনতা এখন ক্রনিক ব্যাধিতে রূপান্তরিত হয়েছে! এই ব্যাধি থেকে মুক্তির উপায় জানা নেই!

৫. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৫০

সায়েম মুন বলেছেন: গৃহিনীগণতো একটা ম্যাচের কাঠি জ্বালানোর কষ্ঠ করতে চাননা। চুলার মধ্যে আগুন সবসময় জ্বলতে দেখা যায়। গ্যাসের যে করুণ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে এক কেজি চাল রাঁধতে এক ঘন্টা লাগছে। কয়েকদিন পর তাও বোধয় ২ ঘন্টা আর এরপর ক্রমেক্রমে নাই হয়ে যাবে-তখন রান্নার জন্য চেলাকাঠ সংগ্রহে নামতে হবে। আর যে হারে গাড়ীগুলো সিএনজি তে পরিণত হচ্ছে তাতে আর ১০ বছরের মধ্যে দেশে গ্যাস বলতে কোন বস্তু থাকবে কিনা সন্দেহ।

২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১০০

লেখক বলেছেন:

পুরান ঢাকার মানুষরা এখন রাত বারটার পর গ্যাস আসলে তখনই রান্না করে। সারাদিন তাদের আর কোন উপায় নেই!

ভাব সাব দেখে মনে হচ্ছে সিএনজি গাড়ি হাকিয়েই আমরা লাকড়ি কিনতে বেরুব!

৬. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৫০

সায়েম মুন বলেছেন: গৃহিনীগণতো একটা ম্যাচের কাঠি জ্বালানোর কষ্ঠ করতে চাননা। চুলার মধ্যে আগুন সবসময় জ্বলতে দেখা যায়। গ্যাসের যে করুণ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে এক কেজি চাল রাঁধতে এক ঘন্টা লাগছে। কয়েকদিন পর তাও বোধয় ২ ঘন্টা আর এরপর ক্রমেক্রমে নাই হয়ে যাবে-তখন রান্নার জন্য চেলাকাঠ সংগ্রহে নামতে হবে। আর যে হারে গাড়ীগুলো সিএনজি তে পরিণত হচ্ছে তাতে আর ১০ বছরের মধ্যে দেশে গ্যাস বলতে কোন বস্তু থাকবে কিনা সন্দেহ।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৬০

লেখক বলেছেন:

ভাব সাব দেখে মনে হচ্ছে সিএনজি গাড়ি হাকিয়েই আমরা লাকড়ি কিনতে বেরুব!

৭. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৬০

জানজাবিদ বলেছেন: ব্লগে ভাল লেখার আকালের মধ্যে এমন একটা তথ্যবহুল লেখা দেয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

আমাদের দেশে একটা জিনিস কেউ বুঝতে চায়না, চাহিদা বাড়লেই কি তা মেটাতে হবে? সবাই তাৎক্ষণিক বিপদ সামাল দিতে চায়, দীর্ঘমেয়াদের কথা কেউ চিন্তা করেনা।

২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৪০

লেখক বলেছেন:

“আমাদের দেশে একটা জিনিস কেউ বুঝতে চায়না, চাহিদা বাড়লেই কি তা মেটাতে হবে? সবাই তাৎক্ষণিক বিপদ সামাল দিতে চায়, দীর্ঘমেয়াদের কথা কেউ চিন্তা করেনা।”


চমৎকার বলেছেন। সম্ভবত তাৎক্ষণিকের চিন্তাতেই এখন আর কেউ তাল গাছ লাগায় না, লাগায় সেগুন-মেহগণি। কয়েক বছর পরে মোটা লাভে বেঁচে দেয়। আর লাগায় কলা, এক বছরেই ফল!

৮. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৬০

টোটাল ভালবাসা বলেছেন: একটু সহযোগীতা প্রয়োজন।

২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২২০

লেখক বলেছেন:

দেখে এলাম। ঠিক এই মুহূর্তে কিছু করতে না পারায় ব্যথিত হচ্ছি।

৯. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১২০

শুটিং স্টার লষ্ট বলেছেন: দুঃখ লাগে, কষ্ট লাগে। খালি মনে হয়, আমাদের দেশ, আহা আমার সোনার বাংলাদেশ কোথায় যাচ্ছে?

২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪০০

লেখক বলেছেন: সোনার বাংলা কখনোই সোনার ছিল না। কবি সাহিত্যিকদের উৎপাদন করে খেতে হয়না বলে আবেগটাবেগ মিশিয়ে যা-তা বলে!

গরিব মানুষের এখন যে কষ্ট সেই একই কষ্ট আগেও ছিল। হয়ত মাত্রাটা বেড়েছে। কি আর করবেন বলুন! এই নিয়েই আমাদের দিনপঞ্জি।

১০. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৬০

আতিকুল হক বলেছেন: ভালো লেখা।

ইউ এস এ তে পাইপে করে গ্যাস সাপ্লাই দেয়া হয় ডোমেস্টিক ব্যবহারের জন্য। আমরা গ্যাসের অনেক অপব্যায় করি সেটা বন্ধ হওয়া দরকার। সিলিন্ডারে কিনতে হলে সবাই খুব সচেতন হবে এটা সত্যি। কিন্তু এমনি ব্যক্তি পর্যায়ে গ্যাসের ব্যবহার খুবই কম। নিশ্চয়ই জানেন বাসাবাড়ির গ্যাস লাইনে কেন মিটার থাকে না – কারন বাসায় গ্যাসের ব্যবহার এতটাই কম যে মিটার ব্যবহার করা লাভজনক থাকে না। আমাদের নিজেদের সচেতন হতে হবে – কেউ ঘাড়ে ধরে সচেতন করাতে পারবে না।

২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৫০

লেখক বলেছেন:

বিশেষজ্ঞরা যে সময়ের ধারণা দিচ্ছেন প্রকৃত অবস্থা সেখানে যেতে হয়ত সময়ের কিছুটা হেরফের হতে পারে, তবে গ্যাস যে শেষ হবে এতে কোন সন্দেহ নেই।

ধরে নিন দেশের চাষযোগ্য জমির এক তৃতীয়াংশ জুড়েই তেলের/গ্যাসের/কয়লার মওজুদ পাওয়া গেল। পাওয়া গেলেই কি তা উত্তোলন করা যাবে? পরিত্যাক্ত কয়লা খনিতে দুর্বাও জন্মে না। ধানী জমি “নষ্ট” করে কয়লা তোলা কতটুকু লাভজনক হবে সেটাও ভাবনায় আসতে হবে।

ঢাকার আরবান টেরিটোরিতে গ্যাস থাকবে না, এটা এখনই ভেবে রাখা যায়। আসলেই থাকবে না।

১১. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫০০

রাজীব বলেছেন: এখনো অনেক এলাকায় মাটি খুরলেই গ্যাস বের হয়। অনেক এলাকায় মানুষ নলকুপ বসাতে পারে না, সেখান থেকে গ্যাস বের হয় বলে। অনেক এলাকায় নলকুপ থেকে বিরামহীন ভাবে গ্যাস বের হতে থাকে।

আর আপনি বলছেন আমাদের গ্যাস শেষ হবার পথে। আমাদের দরকার সম্পদের সুষ্ঠু আহোরন ও বিতরন ব্যবস্থা।

তবে দিয়াশলাইয়ের কাঠি বাচাবার চেষ্টা দঃখজনক ।

২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৩০

লেখক বলেছেন:

“এখনো অনেক এলাকায় মাটি খুরলেই গ্যাস বের হয়। অনেক এলাকায় মানুষ নলকুপ বসাতে পারে না, সেখান থেকে গ্যাস বের হয় বলে। অনেক এলাকায় নলকুপ থেকে বিরামহীন ভাবে গ্যাস বের হতে থাকে।”


নলকূপ দিয়ে গ্যাস বের হওয়া মানেই গ্যাসের ছড়াছড়ি নয়। গ্যাস আর বড়জোর ১০/১৫ বছর থাকবে, তারপর শেষ!

১২. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০১০

আলোর মিছিল বলেছেন: চারিদিকে শুধু হতাশার কথা শুনি। দেশ নিয়ে কিছু আশার বানী শুনিনা করো কাছে।

গ্যাস এর বিষয়টা খুবই সত্য বলেছেন। সবচেয়ে অদূরদর্শী কাজ হইছে গাড়িগুলো সিনজি করার বিষয়টা।এই ৮-৯ বছরে গ্যাস এর consumption এত বেড়ে যাওয়ার পেছনে মুল কারন হচ্ছে transport sector এ গ্যাস এর ব্যাবহার শুরু হওয়া।আমারতো মাঝে মাঝে মনে হয় গাড়ি ব্যবসায়ী গুলাই নাজমুল হুদারে টাকা খাওয়ায় সিনজি চালু করাইছে।যেই ভাবে গাড়ি বিক্রি হইতেছে-কে বলবে এই দেশ গরীব?

২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১১০

লেখক বলেছেন:

কোথাও তো আশাবাদী হওয়ার মত কিছু দেখিনা! কি করে আশার কথা শোনাই? আশা যা ফলে তা নেতা-নেত্রীদের মুখে আর চ্যালাদের জবানে ফোটে। বাস্তবে সবই হতাশা!

ধন্যবাদ আলোর মিছিল।

১৩. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১৯০

নুভান বলেছেন: জ্বালানী সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশে কতটা জরুরী সেটা এখন আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৬০

লেখক বলেছেন:

আপনার এই পোস্টটিই একটি আস্ত সমাধান। আমাদের দুঃখ হচ্ছে, আমাদের মত আম নাগরিকদের কথা শোনার জন্য আমলা প্রাইমেটে সেই মাপের শ্রবনেন্দ্রীয় নেই!

১৪. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৭০

আতিকুল হক বলেছেন: আমাদের প্রচুর গ্যাস আছে এমনটা আমি মোটেও বলছি না। আমাদের গ্যাস খুব শিগগিরই শেষ হয়ে যাবে। তবে এই সমস্যাটা কেবল বাসাবাড়িতে গ্যাসের ব্যবহার কমিয়ে কিছুতেই মোকাবেলা করা যাবে না। সেজন্য গ্যাসের বিকল্প ভাবা দরকার। বিকল্প খুজতে গিয়ে আমাদের মহামূল্যবান ফসলী জমি নষ্ট করাও অন্যায় হবে। রিনিউএবল এনার্জি আর পারমানবিক বিদ্যুতে নজর দেয়া খুব জরুরী মনে হয় আমার। ২০৩০ এর অনেক আগেই গ্যাস শেষ হয়ে যাবে মাথায় রেখে এখন থেকেই কাজ শুরু করা দরকার।

২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১০০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ আতিকুল হক।

পেট্রো বাংলার ডাটা দেখাচ্ছেঃ কমার্শিয়াল এনার্জি ইউজেস সিনারিওতে পেট্রোলিয়াম, কয়লা, হাইড্রোপাওয়ার ব্যবহার হচ্ছে ৩৯ %, আর প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার হচ্ছে ৬১%

এটাই মূল ঝুঁকির কারণ। ১৯৬৮ সালের আগে ওই সব খাতে ১০০% ই পেট্রোলিয়াম, কয়লা, হাইড্রো পাওয়ার ব্যবহার হতো। চড়া মূল্যের কারণে ব্যবহারের বহুমুখিনতা ছিলনা। গ্যাস পাওয়ার পরে ব্যবহারে বহুমুখিনতা বাড়বে এটা স্বাভাবিক, তাই বলে কতটা?

ঠিক বলেছেন, পারমানবিক বিদ্যুৎ আর রিনিউএবল এনার্জি। এ নিয়ে ভাবা হচ্ছে বটে, তবে তা অন্য আর দশটা বিষয়ের মত জনসাধারণের কাছে ধুম্রজাল ছাড়া কিছু না!

এরশাদ রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজী দেখানোর জন্য হরিপুরের তেল নিয়ে মিসমার কান্ড করল! সে সময় বলা হলো বাংলাদেশ তেলের উপরে ভাসছে! পারমানবিক জ্বালানী নিয়ে রূপপুরকে মডেল বানিয়ে শত শত আশার বাণী বর্ষিত হলো। এখন সেসব জায়গায় গরু-ছাগল চরে বেড়ায়!

আসলে আমাদের আমলাতন্ত্রের জন্য দরকার একটা প্রকল্প, একটা অফিস, একটা ফান্ড, কয়েকটা বিদেশী ট্যুর, কিছু ডেমোনেস্ট্রেশন, কয়েকটা কর্মশালা! তাতেই তাদের যা আসার এসে যায়। আর দরকার নেই! সবারই কিছু না কিছু জুটে যায় বলে খুব একটা চিৎকার চেচামেচি হয়না।

১৫. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:১৮০

অলস ছেলে বলেছেন: ভবিষ্যত চিত্রটা গা শিউড়ে উঠার মতো হলেও খুব ভালো লেগেছে। আরো ভালো লাগতো যদি অলৌকিক ভাবে কাল সকালে ঘুম থেকে উঠে দেশের অবস্থা কিছুদিনের জন্য এমন হয়ে যেতো তাহলে। তখন হয়তো কিছু হতো। হয়তো বা তবুও কিছু হতো না।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২০০

লেখক বলেছেন:

সেটাই! উপমা, নতিজা তো কম হলো না। চোখের সামনে একের পর এক ভয়াবহ সব ঘটনা ঘটে যাবার পরও কি হয়েছে? কিসসু না।

১৬. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪০০

মুনশিয়ানা বলেছেন: পরিশ্রমী এনং তথ্য বহুল পোস্ট। অনেক খাটা খাটনি করেছেন বোঝাই যাচ্ছে।

এটা ঠিক আমাদের নাগরিক জীবন এবং উৎপাদনশীলতা ভীষন রকম গ্যাসের উপর নির্ভরশীল। এমনকি বিদ্যুত উদপাদনের জন্যও আমরা প্রচুর গ্যাস ব্যবহার করি। কিন্তু আমাদের পরিবেশের কথা ভেবে এমনিতেই আমাদের বিকল্প জ্বালানীর ব্যবস্থা চিন্তা করা উচিত। এমন জ্বালানী যা কার্বন নিঃসরন কমাবে।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:১৫০

লেখক বলেছেন:

পরিবেশের জন্য তো বটেই, আমাদের সামনের দিনগুলোতে বাঁচার জন্য এখনই বিকল্প ভাবা দরকার। আর সেটা এমন বিকল্প হতে হবে যা আমাদের সাধারণ গরিব মানুষ সহজে কিনতে পারে।

যাদের পয়সা আছে তারা বাড়িতে জেনারেটর বসিয়ে ইচ্ছেমত বিদ্যুৎ পেতে পারে, সেই বিদ্যুৎ দিয়ে তাদের যা খুশি করতে পারে। কিন্তু গরিব মানুষ তো চন্দন কাঠ দিয়ে চিতা সাজাতে পারে না! মেহগণি দিয়ে ভাত রাধতে পারবে না!

ধন্যবাদ মুনশিয়ানা।

১৭. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৪০

মেটালিফেরাস বলেছেন: ভয় পেলাম না। এমন এক পরিনতি হবে আন্দাজ করা যায়। জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৩০০

লেখক বলেছেন:

কাউকে ভয় দেওয়া এই লেখার উদ্দেশ্য ছিল না। কি উদ্দেশ্য ছিল আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

ধন্যবাদ মেটালিফেরাস।

১৮. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:০০০

ঢাকাইয়া টোকাই বলেছেন: খুবি জরুরি একটি পোস্ট। এই ভয়ানক এনালাইসিস টা নিয়ে দেশের কোন মিডিয়া তে কোন রিপোর্ট তো তেমন একটা দেখা যায় না।

এর জন্যই তো বাংলা ব্লগে ঘুরে ঘুরে আসি।

মানুষ সত্য টা জানুক।

আপনার পরিশ্রম করে লেখার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

যদি পারমিশন দেন তো এখানে আমার দেশ গড়ার পরিকল্পনার ( নিছকই ক্ষুদ্র চিন্তা ভাবনার) একটি পোস্টের লিংক এখানে দিতে চাই।

২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৫০

লেখক বলেছেন:

আপনার চিন্তা-ভাবনা যা-ই হোক না কেন এখানে লিংক দিতে কোন পারমিশনর দরকার নেই। নিঃসংকোচে দিতে পারেন।

১৯. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৩১০

পি মুন্সী বলেছেন: অশেষ অশেষ ধন্যবাদ মনজু। তার মানে কথা রাখতে পেরেছেন। অনেক খেটেছেনও দেখা যাচ্ছে।

আমার মনে হয় এবার এখন সেকেন্ড ফেজের তথ্য সংগ্রহে যাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন। যেমন, গৃহস্হালিতে ও সিএনজি ষ্টেশনে সরবরাহকৃত বা ভোগকৃত গ্যাসের পরিমাণ অন্যান্য খাতে তুলনায় কত শতাংশ; এই হিসাবটার পেতে হবে এভারেজ ডেইলি আকারে এবং সেইসাথে একটা কোম্পানীর সরবরাহ নয়, পেট্রোবাংলার সবকয়টা সাবসিডিয়ারি কোম্পানী মিলিয়ে টোটাল সরবরাহটা জানা দরকার। এতে বিদেশী কোম্পানীগুলোর হিসাব আলাদা করে না হলেও চলবে কারণ ওরা এই সাবসিডিয়ারি কোম্পানীগুলোর মাধ্যমেই ভোক্তার কাছে পৌছায়।

আমার মতে গৃহস্হালিতে ও সিএনজি ষ্টেশনের কনজাম্পশন পরিমাণ যদি মোট ভোগের ১০% এর বেশি হয়ে গিয়ে থাকে তাহলে এটা এলার্মিং।

দ্বিতীয় প্রসঙ্গ: “দেশের মোট বিদ্যুতের প্রায় ষাঁট ভাগই উৎপাদন হয় গ্যাসে” – আপনার এই তথ্যটা বোধহয় আর একবার চেক করতে হবে।

পানিবিদ্যুত অর্থাৎ কাপ্তাই এর ক্যাপাসিটি ২২০ মেগাওয়াট হলেও এটা এখন ৯০ এর বেশি উৎপাদন দিতে পারে না। ওদিকে, ঢাকার বাইরে বিশেষ করে পশ্চিমে ছোট ছোট ডিজেল বা ফার্ণেস চালিত জেনারেটর যেগুলো আছে সেগুলো সবমিলিয়ে ৩০০-৪০০ মেগাওয়াটের বেশি ক্ষমতার হওয়ার কথা না।আর সারাদেশের টোটাল যদি ৪০০০ মেগাওয়াট ধরি তবে গ্যাস-বহির্ভুত উৎপাদন ক্ষমতা ১০% এর বেশি নয়। অর্থাৎ একা গ্যাসেই হলো ৯০%। কাজেই আপনার বলা ৬০% হিসাবটা আবার চেক করা দরকার।

আবার ডিজেল বা ফার্ণেস অয়েলের ক্যাপাসিটির কথা বললাম বটে কিন্তু বেশির ভাগ সময়ে এগুলো চালানো হয়না অত্যাধিক খরচের কারণে। ৮০ দশকে যখন যমুনার উপর দিয়ে কেবল টেনে প্রথম উত্তরবঙ্গকে যুক্ত করে ন্যাশনাল গ্রিড নেটওয়ার্কের অধীনে সারাদেশকে আনা হয় তখনকার একটা হিসাব জানি, হাইড্রো অর্থাৎ পানি বিদ্যুত উৎপাদনে প্রতি ইউনিট যদি ২৫ পয়সা হয় তবে গ্যাসে লাগত ৭৫ পয়সা আর ডিজেল/ফার্নেসে লাগত দুটাকা ৭৫ পয়সা; অর্থাৎ ১: ৩ : ১১ – এই অনুপাতের খরচ। একমাত্র কোন কারণে ন্যাশনাল গ্রিড ফেল করলে বা কোন ইমারজেন্সী দেখা না দিলে অত্যাধিক খরচের কারণে ডিজেল/ফার্নেসে চালিত জেনারেটর চালান হয় না বলেই জানি, যদিও ইদানিংয়ের খবর জানা নাই। কাজেই আমার হিসাবে ৯০% বিদ্যুৎ উৎপাদনই গ্যাস টারবাইন হওয়ার কথা।

তিন নম্বর প্রসঙ্গ:

পানিবিদ্যুতের উৎপাদন লোভনীয় মনে হলেও ওর মধ্যে যে হিসাবটা ধরা নাই তা হলো, ওখানে পানি ধরে রাখতে যেপরিমাণ জমি নষ্ট হয়, বিশল জনগোষ্ঠিকে উৎখাত করতে হয় এর প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ক্ষতি ও খরচ, পুণর্বাসনের খরচ, পুণর্বাসনের হলে বা না হলেও এর যে রাজনৈতিক অস্হিরতা তৈরির খরচ (পার্বত্য চট্টগ্রামে যা এখনও আমরা গুনে চলছি) – এই বিশাল খরচ বা উটকো দায়গুলো অন্তর্ভুক্ত নয়।

সম্প্রতি শুনছি পররাষ্ট্র উপমন্ত্রী হাসান মাহমুদ বলেছেন, কাপ্তাইয়ের ভাটিতে নাকি আবার বাঁধ দিয়ে পানিবিদ্যুতের ফাঁদের পড়ার জন্য সরকার ডোনার খুঁজছে। এবং বলা বাহুল্য উপরে যে খেসারতগুলোর খাত দেখালাম তা ঐ লালসার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়। এবার কার কপাল পুড়বে এটাই বোধহয় দেখার বিষয়। আর বাড়তি পাওনা হবে, দেশের ভিতরেই এক জনগোষ্টি আর এক জনগোষ্ঠির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা। এই হলো আমাদের পরিবেশ জ্ঞানী, প্রাক্তন পরিবেশ মন্ত্রীর প্রাণ-প্রকৃতি বিষয়ক জ্ঞানের নমুনা; উনার জ্ঞান একেবারে ঝরে ঝরে পড়ছে, ধরার পাত্র খুজে আমি হয়রান, রাখব কই, পাত্র পাই না দশা আমার!

২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৬০

লেখক বলেছেন:

“গৃহস্হালিতে ও সিএনজি ষ্টেশনের কনজাম্পশন পরিমাণ যদি মোট ভোগের ১০% এর বেশি হয়ে গিয়ে থাকে তাহলে এটা এলার্মিং।”

আসলেই এলার্মিং! পেট্রো বাংলার যে চার্ট দেওয়া আছে সেসবের বাইরেও অনেক ব্যবহার আছে, যা ওদের জাবদা খাতায় নেই! আমরা গৃহস্থলি, সিএনজি, কল কারখানা, এবং অন্যান্য ব্যবহারের যে হিসেব পাই তার সাথে যোগ হবে এলএনজি। এই এলএনজি দেশের প্রায় সবক’টি জেলা শহরে ব্যবহার হয়। সেই হিসেব হয়ত পেট্রো বাংলার কাছে আছে, কিংবা সরকারি কোন সেক্টরে আছে। সব মিলিয়ে বিদ্যুৎ এবং কল কারখানা বাদে অন্যান্য কনজাম্পশনের পরিমান ১০% এর বেশীই।

হ্যাঁ, প্রায় ৯০% ই গ্যাস টারবাইনে হয়। তবে কিছু দিন আগে শোনা গেল বাঘাবাড়ি এবং খুলনায় পুরোনো সিস্টেমে ডিজেল/ফার্নেস অয়েলে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। আরও কিছু প্রাইভেট সেক্টরেও বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে বটে তবে তাও সরকারের থেকে নাম মাত্র দামে(সাবসিডি) গ্যাস কিনে। এর বাইরে যারা ছোট ছোট ক্ষেত্রে উৎপাদন করছেন তারাও ডিজেল/ফার্নেস সাবসিডি দামে পাচ্ছন। ব্যাপারটা আসলে থোড় বড়ি খাড়া-খাড়া বড়ি থোড় এর মতই।

পানি বিদ্যুতের যে খবর পেলাম তা রিতিমত বসা ডালের গোঁড়া কাটার মত! এমন সব রত্ন দিয়েই তো আমাদের সিভিল ব্যুরোক্র্যাসি চলছে! কাপ্তাইয়ে সেকেন্ড প্ল্যান্ট বসালে আপনি যা বললেন সেই খেসারতের সাথে আরও যোগ হবে চট্টগ্রাম বন্দর। এটা শেষ হয়ে যাবে। কে জানে আমেরিকার “গভীর সুমুদ্র বন্দর” প্রজেক্ট যা একবার পাশ করা হয় আবার বন্ধ করা হয়!(প্রজেক্ট কিন্তু একেবারে রিজেক্ট করা হয়নি) আধাআধি (ব্যক্তি মালিকানা-সরকারি মালিকানা) শেয়ারে ডিপ সী পোর্ট করতে পারলে কি বিরাট একটা শ্রেণীকে পেট্রোনাইজ করা যায় সেটা ভাববার বিষয়! ধরে নেওয়া যায় একটা মাল্টি ক্লাস ওই ৫০% শেয়ার কিনে দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দরের মালিক হয়ে গেল! এরপর সরকারকে নাকে দড়ি দিয়ে ঘোরাতে এখন যদি তাদের তেল-মবিল মাখাতে হয়, তখন কেবল তুড়ি দিলেই চলবে!

কোন জটিল হিসেব দিতে পারব না, তবে সরল হিসেবে বুঝি- কোন নদীকে প্রতিবন্ধক করলে অন্তত দশ থেকে পনের ধরণের পরিবেশ বিপর্যয় ঘটে।

সব চেয়ে আশ্চর্য লাগে এটা ভেবে যে, দেশে বুয়েট-ফুয়েটের প্রাজ্ঞ ব্যক্তিরা এন্তার টকশো, সেমিনার সিম্পোজিয়ামে বলে চলেছেন-“আমাদের বিকল্প ভাবতে হবে”কেউ কেউ একধাপ এগিয়ে সোলার, পারমানবিক এবং উইন্ড পাওয়ারের পরামর্শও দিচ্ছেন, কিন্তু কেউ-ই টোটাল ফিজিবিলিটি, কস্টিং, প্রডাক্ট ভ্যালু, রেয়ার ভ্যালু নিয়ে জোরোশোরে প্রজেক্ট প্রোফাইল হাজির করছেন না! রিএ্যাক্টর এর কস্ট সম্পর্কে মনে হয়না কেউ সঠিক ধারণ দিতে পারছেন! ঘুরে ফিরে সেই বায়ো গ্যাসেই পড়ে থাকছেন। নিচে নাজমুল হক রাসেল ভাল বলেছেন “শক থেরাপি”। নেচার যে ছোটখাট শক থেরাপি দিচ্ছে তাতে তেমন আমলে আসছে না। একটা বড় ধরণের শক থেরাপি আসন্ন এবং অবসম্ভাবি।

২০. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৫২০

নাজমুল হক রাসেল বলেছেন: ধন্যবাদ। আলোচনা এর বিশেষ কছু নাই আসলে। আমরা মূটামূটি নিশ্চিত হয়ে এক্টার পরে আরেকটা দুর্জোগের দিন গুন্তে পারি। আর সবচেয়ে নিরেট বাস্তব হল কোন দুর্যোগ ঈ আমাদের সম্বিত ফেরাতে পারবেনা। কারন আমরা ‘সাডেন শক’ খাইনা। দুর্যোগ এর সাথে দ্রাবিভূত হবার ক্ষমতা আমাদের অসীম। শুনতে খুব খারাপ শুনালেও, ঢাকার বাসিন্দা হয়েও আমি আসলে বলতে বাধ্য হচ্ছি একমাত্র ভুমিকম্পই পারে আমাদের একটা ‘শক থেরাপি’ দিতে। যেটা আসলে সেই প্রতিক্ষিত ‘দ্বিতীয় বিপ্লবের’ জন্ম দিবে।

২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪২০

লেখক বলেছেন:

নাজমুল হক রাসেল,

ভাল বলেছেন “শক থেরাপি”। নেচার যে ছোটখাট শক থেরাপি দিচ্ছে তাতে তেমন আমলে আসছে না। একটা বড় ধরণের শক থেরাপি আসন্ন এবং অবসম্ভাবি।

আমাদের কর্তা ব্যক্তিদের প্রতিটি ক্ষেত্রেই ইনসট্যান্ট লজিক হাজির করার মহার্ঘ বিদ্যে জানা আছে। সেই বিদ্যেটা এমনঃ “লড়াকু মানুষ আবার মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে”!!! সিডর-আইলায় সর্বস্ব হারানো অসহায় মানুষ কোথাও কোন সাহায্য-সহযোগীতা না পেয়ে যখন নিজেরাই ছাঁপড়া-ঝুঁপড়িতে শেয়াল-কুকুরের মত জীবনের তাগিদে বসবাস শুরু করে(না করে উপায় কি? কেউ তো ঘর বানিয়ে দিচ্ছে না!) তখনই আমাদের কর্তাদের বেলাজ মুখে উচ্চারিত হয়-লড়াকু মানুষ……… ঘেন্না লাগে। এদের বাকচাতুরিতে উল্টি আসে, গা গুলিয়ে ওঠে!

২১. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৫৭০

হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: বিকল্প কোনো ব্যবস্থা হয়ে যাবেই ইনশাআল্লাহ।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:২১০

লেখক বলেছেন:

হুমম

২২. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৭০

কাঙাল বলেছেন: বিশ্বে বাংলাদেশই একমাত্র দেশ যেখানে পাইপলাইনে গ্যাস দেয় বাসাবাড়িতে……… এই কথা কই পাইলেন ভাই। এক্কেবারে ফালতু কথা। এই রকম গবেষণালব্ধ লেখায় ভূয়া ইনফো দেয়া তো ভাই খুবই গর্হিত কাজ।

আপনার লেখার জন্য ধন্যবাদ। সরকার বড়লুকের পাজেরোতে আরো সস্তায় গ্যাস সরবরাহ করবে। ১৬ টাকার গ্যাস ৬ টাকা দামে বিক্রি করবো। এই শ্যালকপুত্র/কন্যাদের এদেশের মানুষ যেদিন রাস্তায় টেটে ছেচড়ে এনে পীঠের চামড়া তুলবে, সেদিন বোধোদয় হয়তো হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুই বছরে কোন শিক্ষা হয়নাই

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৯০

লেখক বলেছেন:

ঠিক বলেছেন, পাইপ লাইনে আরো দেশে গ্যাস দেওয়া হয়, কিন্তু আমেরিকার কিছু অঞ্চলে যে দেওয়া হয় সেটা জানা ছিলনা।

তত্ত্বাবধায়করাই কি ধোয়া তুলসী পাতা ছিল? শাসকদের চামড়া খুলে নেওয়ার মত অত পরিশ্রমের কাজ এখন কেউ করতে চায় না। মানুষ এখন মহা ব্যস্ত!

২৩. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৫০০

ঢাকাইয়া টোকাই বলেছেন: কাঙাল বলেছেন: ” এই শ্যালকপুত্র/কন্যাদের এদেশের মানুষ যেদিন রাস্তায় টেটে ছেচড়ে এনে পীঠের চামড়া তুলবে, সেদিন বোধোদয় হয়তো হবে। ”

মারহাবা

৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৮০

লেখক বলেছেন:

জ্বি ঠিক বলেছেন।

২৪. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৫৩০

ঢাকাইয়া টোকাই বলেছেন: লেখকের পারমিশন নিয়ে আমার একটা লেখার লিংক দিলাম।

লেখাটা কেন জানি ভাত পাইতাসেনা।

টোকাইয়ের দেশ গড়ার মহাপরিকল্পনা ( পর্ব ১: ভিক্ষা অভ্যাস ত্যাগ করা)

৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৯০

লেখক বলেছেন:

কোন লেখা কি ভাবে “ভাত” পায় সেটি আজও জানা হলো না! আপনার লেখাটি পড়ে আসলাম। ভালই তো লিখেছেন। কনফিডেন্টলি লিখতে থাকুন……….

২৫. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:১০০

আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

শুধু শিরোনাম পড়েই সহমত জানাচ্ছি ।

৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০২০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ আ.রা.শি। শুধু শিরোনাম নয়, আমাদের এখন এই বিপদ সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে।

২৬. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৫৫০

পথ হারা পাখি বলেছেন: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

শুধু শিরোনাম পড়েই সহমত জানাচ্ছি ।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:০৫০

লেখক বলেছেন:

ওটা তো শিপনের মত পাওয়া গেল, আপনার নিজের মতামত কি?

এই পোস্টে পথ হারাবার ভয় নেই পাখি, পথ খুঁজে পাওয়ার চেষ্টাতেই পোস্ট!

ভাল থাকুন।

২৭. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৫৫০

পথ হারা পাখি বলেছেন: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

শুধু শিরোনাম পড়েই সহমত জানাচ্ছি ।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৬০

লেখক বলেছেন:

……….

২৮. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২০০

দীপান্বিতা বলেছেন: আমাদের এদিকেতো এখনই রান্নার গ্যাসের আকাল শুরু হয়ে যাচ্ছে!……বিকল্প কি!……মনে হয় সবচেয়ে ভাল বিকল্প সৌরশক্তি……ওটার তেজ তো দিন দিন বেড়েই চলেছে!

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৯০

লেখক বলেছেন:

বেড়ে বলেছেন দীপান্বিতা। ওটার তেজ তো দিন দিন বেড়েই চলেছে…!! তবে এখুনি আপনাদের বড় ধরণের চিন্তার কিছু নেই। আসানসোল আছে না! কয়লা যা আছে তা দিয়ে ভারত আগামী ৫০ বছর দিব্যি পার করে দিতে পারবে। কেরলে, অন্ধ্রে, গোয়ায়, ত্রিবান্দ্রামে, কোইম্বাটোরে সোলার এবং উইন্ড পাওয়ার ইউজ হচ্ছে। পশ্চিম বাংলায়ও চাল হলো বলে! কোলকাতা পুর নিগম অনেক সচেতন। এখন কোলকাতায় ৫ কাঠার উপর বাড়ি করতে গেলে ২ কাঠা আবশ্যিক ভাবে “নো ম্যানস ল্যান্ড” হিসেবে ছেড়ে দিতে হয়, অর্থাৎ ওই ২ কাঠা দিয়ে আলো-বাতাস আসবে। এই নিয়মটা খুব কঠোর ভাবে আরোপ করা হয়। যদিও আমাদের দেশে এসবের বালাই নেই।

আপনার স্বামীজীর পোস্টে কমেন্ট করার জায়গাই পেলাম না! বাপস্! এত্তো কমেন্ট!

ভাল থাকুন।

জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি অঞ্চল নিয়ে আগামীতে একটা মিনি সিরিজ শুরু করতে যাচ্ছি।

২৯. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:২১০

চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: পরিক্পনার অভাব। ভবিষ্যতের কথা চিন্তা না করে কাজ করা।আপনি লেখায় পয়েন্টগুলো তুলে এনেছেন

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:০৬০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ চিটি আপা।

৩০. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৬০

দীপান্বিতা বলেছেন: আপনি কি ভূ-তত্ত্ববিদ! একটু নিশ্চিন্ত হলাম……আমাদের গ্যাস বুকিং নিচ্ছে না আর সে সময়ই আপনার লেখাটা পড়ে টেনশনে পরে গেছিলাম…

হ্যা, ব্যাঙ্গালোরে খুব সৌরশক্তি ব্যবহার হয়……সুন্দরবনের গ্রামগুলোতেও শুরু হয়েছে, টিভিতে একটা ডকুমেন্টারিতে দেখছিলাম।

আমাদের পাড়ায় কি “নো ম্যানস ল্যান্ড” নিয়ম মানা হচ্ছে! কে যানে! হুড়মূড় করে বাড়ি উঠেই চলেছে! আকাশ দেখা ভার!

আজও একটা পোস্ট দিলাম!

দারুন খবর! জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি প্রায়ই আসেন নাকি! কতদিন ওদিকে যাই নি! ছবি দেবেন……

সিরিজ আসছে কবে!

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৬০

লেখক বলেছেন:

নাহ্, আমি মোটেই ভূ-তত্ত্ববিদ নই, স্রেফ কলমবাজ!

শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি নিয়ে যেটি লিখব সেটি “বেড়ানো টাইপ” নয়, তাই ছবি দেওয়ার সুযোগ হবেনা। না প্রায়-ই যাই না, অনেক আগে গেছি, আর গত তিন বছর আগে বার তিনেক। বেশ কিছু ঝামেলা নিয়ে বড্ড হ্যাপা চলছে। একটু ফুরসৎ পেলেই লিখে ফেলব।

৩১. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০২০

দীপান্বিতা বলেছেন: ঝট্‌পট্‌ লিখে ফেলুন!…আমার জলপাইগুড়ি, তিস্তাকে, কাঞ্চনজঙ্ঘাকে আপনি কেমন ভাবে দেখেন খুব পড়তে ইচ্ছে করছে…

হ্যাপার কি আর শেষ আছে! জীবনটা হ্যাপা-ই-হ্যাপা

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩১০

লেখক বলেছেন:

নিশ্চই লিখব, তবে ঝট্ পট্ হবে না হয়ত। বই বেরুচ্ছে, তার কাজ, কাগজের নিয়মিত লেখা, ঘন্টার পর ঘন্টা একাকী বসে বসে ভাবা…..এসবও কম হ্যাপা নয়! ভাবাটা আসলেই বেশ কষ্টের কাজ।

৩২. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২২০

দীপান্বিতা বলেছেন: “এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি” বই আকারে বেরচ্ছে!!! দারুন খবর!…আপনাদের বইমেলা শুরু হয়েগেছে!

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৭০

লেখক বলেছেন:

হ্যাঁ, আমাদের বইমেলা শুরু হয়ে গেছে। আমার বইটা সম্ভবত ১০ তারিখের মধ্যে বেরুবে। এ ব্যাপারে আমি বরাবরই আনাড়ি! কি ভাবে প্রচার চালাতে হয়, মোড়ক উন্মোচন করতে হয়, স্ট্যান্ট মারতে হয়,ব্লগে-পত্রিকায় প্রিভিউ বা বিজ্ঞাপন দিতে হয় তা জানিনে! খুবই আনাড়ি।

অনেক ধন্যবাদ দীপান্বিতা।

৩৩. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২০০

নাজমুল আহমেদ বলেছেন: এই জাতির ভাগ্যকাশে আমবশ্যার অন্ধকার ছাড়া আর কিছুই নাই

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:০৭০

লেখক বলেছেন:

ঠিক তাই। নিজেরাই নিজেদের ধ্বংস করলে তাদের কে বাঁচাবে?

৩৪. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৬০

দীপান্বিতা বলেছেন: অনেক অভিনন্দন! কিচ্ছু চিন্তা করবেন না! দেখবেন সব ঠিক ভাবে হয়ে যাবে……

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৯০

লেখক বলেছেন:

ঠিকই, চিন্তা করেই বা কি করার আছে! যাই হোক একভাবে বইটা বেরুলেই হয়। আমাদের মত অখ্যাত লেখকের বই বের হচ্ছে এটাই তো চমকপ্রদ ব্যাপার!!

আপনার খবর ভাল তো?

৩৫. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৬০

দীপান্বিতা বলেছেন: হুম্‌! দেখুন না! এটা বেরলেই আপনি কত্তো নাম করে যাবেন!

চলছে এক রকম…

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৫৮০

লেখক বলেছেন:

আপনার মুখে (কী-বোর্ডে) ফুল চন্দন পড়ুক।

আপনার আশাবাদ পুশ্পে পল্লবিত হোক।

লেখকের স্বীকৃতি হয়ত লেখককে আরো দায়িত্ববান করে।

রাষ্ট্র আর সমাজের বোঝা আরো একটু বেড়ে যায়। এ-ও এক অপার্থীব আনন্দ!

 

Top of Form

আপনার মন্তব্য লিখুন

কীবোর্ডঃ  বাংলা                                    ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয় ভার্চুয়াল   english

নাম

       

Bottom of Form

 

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s