কর্পোরেট বাণিজ্যের গলাধাক্কায় রাজপথ দুধে সয়লাব > আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে >

symble

০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:০৩ |

 

বাঙালি কবে থেকে ব্যাপারী হয়েছে সেই হাল সাকিন মেলে না।কিন্তু বাঙালি যে ব্যাপারী হয়েছে তাতে কোন সন্দেহ নাই।আগে কেউ ব্যাবসা-বাণিজ্য নিয়ে দরকষাকষি করলে, কিংবা কিপ্টেমি করলে বলা হতো-মেড়োর স্বভাব পেয়েছে! মেড়ো, অর্থাৎ উত্তর প্রদেশের বা মধ্য প্রদেশের মাড়োয়ারি সম্প্রদায় এই ব্যবসা-বাণিজ্যে এতদিন একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রেখেছিল। সে নিয়ে বাঙালির সংস্কৃতিতে অনেক প্রবাদও চালু আছে। একাত্তরের পর মাড়োয়ারি আর বিহারিদের দখল থেকে বাণিজ্য মুক্ত হবার পর পরই সেখানে উঠতি বাঙালি বাবু আর সায়েবদের রমরমা। তারও অনেক পরে মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানী গুলো ধীরে ধীরে সেই বাঙালির ছোট ছোট ব্যাপার ক্ষেত্রগুলোর দখল নিতে থাকে। বাঙালি অন্য সবকিছুর মতই একটু পরে গা-করে! একটু দেরিতে বোঝে।

কিন্তু নব্বই দশকে সারা বিশ্বজুড়ে গ্লোবালাইজেশনের নামে বৃহৎ পুঁজির একচেটিয়াকরণের যে মচ্ছব শুরু হয় তার ভবিষ্যৎ ফলাফল কি হতে পারে সেটি বাঙালির চঞ্চল মস্তিষ্কে খেলেনি। তাই তারা ট্যাঁপোও করেনি। যারা দুপাতা লেখা-লেখি করেন তারা এনিয়ে কিছু প্রতিবাদের চেষ্টা করেছিলেন বটে, কিন্তু তাও যথেষ্ট ছিল না। ফলে যা হবার তাই-ই হলো। বাংলাদেশ বেগম জিয়ার পারিবারিক সরকারের জমানায় হুট করেই ‘গ্যাট’ চুক্তিতে স্বক্ষর করে বসল! এখানে একটা তথ্য দেওয়া প্রাসঙ্গি হবে-

ভারতে যখন গ্লোবালাইজেশনের নামে চুক্তি স্বক্ষরিত হতে যাচ্ছে, ঠিক তখনই তারা(ভারত সরকার) একজন বিচারপতি মিঃ ডাঙ্কেল কে দায়িত্ব দিলো এই বিশ্বায়ন চুক্তির ভাল-মন্দ বাছ-বিচার করতে। এটার নাম হলো ডাঙ্কেল প্রস্তাব। তখন এই প্রস্তবনাটি তারা দেশের একবারে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে দিল। রেডিও টিভি, সিনেমা,পোস্টার ইত্যাদির মাধ্যমে তারা গ্রামের মানুষদের বিশ্বায়নের সুফল-কুফল দুই-ই বোঝাতে লাগল। টানা দুই বছর প্রচারের পর তারা সিদ্ধান্তে আসল যে, বিশ্বায়ন চুক্তি ভারতের অভ্যন্তরীন বাজারের জন্য শুভ নয়। এবং বলা বাহুল্য তারা ওই চুক্তি স্বক্ষর করেনি! আগেই বলেছি, আমাদের খালেদা-নিজামি সরকার অত ধুনপুনের ধার ধারেনা। তারা রাতারাতি গ্যাট নামের চুক্তি স্বাক্ষর করে বসল। আসলে এইসব চুক্তিটুক্তি স্বাক্ষর মানেই কাড়ি কাড়ি টাকা! আর আমাদের মত আবালঅধ্যুসিত সাধারণে ওসব ভাল-মন্দের বিচার করার কে আছে? পাবলিককে অত গোনারই বা কি আছে! তো চুক্তি স্বাক্ষরের পর আমপাবলিক এতে তেমন খারাপ কিছু দেখলোও না। বেশ। তার কয়েক বছর পর থেকেই অবশ্য দেখছে! দেখছে শুধু না, অস্থিমজ্জায় দগদগে ঘা নিয়েই দেখছে!

মোটা দাগে বিশ্বায়ন মানে তুমি কোন কিছু অবগুণ্ঠিত রাখতে পারবেনা।তোমার বাজার সবার জন্য উন্মূক্ত রাখতে হবে। তোমার বাজারে যে কেউ অবারিত প্রবেশ করতে পারবে। তোমার পণ্য প্রচন্ড প্রতিযোগীতায় টিকতে পারলে তা বর্হিবিশ্বে রফতানি হতে পারে। কোন কোটা বা এ্যালোটমেন্ট থাকবেনা।জিএসপি বা এই জাতীয় কোন ইনসেনটিভও তুমি পাবেনা।তোমার দেশ এবং তোমার ব্যাংকও তোমার রুগ্ন শিল্পকে রোগমুক্ত করার জন্য টাকার যোগান দিতে পারবেনা।তেমনি তোমার অভ্যন্তরীণ বাজারে বিশ্বের সবার পণ্য ঢুকতে দিতে হবে। কাউকে এমবার্গো দিতে পারবেনা। 

অর্থাৎ সোজা বাংলায় তোমার কোন কিছুরই নিয়ন্ত্রক আর তুমি নও, সব কিছুর নিয়ন্ত্রক এখন উন্মূক্ত বাজার, বাজার অর্থনীতি। এই চুক্তির পর পরই সরকারকে ট্যারিফ পুননির্ধারণ করতে হয়েছে।সর্বোচ্চ শুল্ক রাখতে হয়েছে ২৫% আগে সরকার যদি মনে করত যে পণ্য তার দেশেই উৎপাদন হয় সেটি তারা আমদানি করবে না। আর না করাকে নিশ্চিত করার জন্য ওই পণ্যের শুল্ক বাড়িয়ে রাখা হতো।যেমন পাটজাত পণ্য, চামড়াজাত পণ্য, এবং অন্যাণ্য পণ্য যা এদেশে উৎপাদন হয় তা এখন আর আমদানি নিষিদ্ধ নয়। অর্থাৎ কোন বিগ মার্চেন্ট যদি দেখে যে দেশে পাটের বস্তা কিনতে যে টাকা লাগে তার চেয়ে কমদামে সে আমদানি করতে পারে, তাহলে সে তা করতেই পারে।এরই হাত ধরে দেশে এখন এমন অনেক পণ্য শুভঙ্করের ফাঁক গলে আমদানি হচ্ছে যা এদেশেই তৈরি হয়। কেউ একটা বিশাল লট আমদানি করে স্থানীয় ছোট কারখানাগুলোকে স্রেফ পথে বসিয়ে দিতে পারে! তাকে প্রটেকশন দেবার কেউ নেই! ঠিক এই কাজটিই হয়েছে দুধের বেলায়। “আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে”। এই প্রবাদটা এখন কার্যকর হতে চলেছে। কোথায় ? সেই সব দুধ উৎপন্ন হওয়া জায়গাগুলোতে। এই বিষয়ের ভয়াবহ খবরটা দেখুন……

মিল্কভিটাসহ বিভিন্ন দুগ্ধ কোম্পানি খামারিদের কাছ থেকে দুধ কেনা এবং দাম কমিয়ে দেয়ায় হুমকির মুখে পড়েছে দেশী দুগ্ধশিল্প। এতে করে বেকায়দায় পড়েছেন পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের দুগ্ধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকরা। রাস্তায় দুধ ঢেলে এবং সড়ক অবরোধ করে তারা এর প্রতিবাদ জানাচ্ছেন বেশ কিছুদিন ধরে। কম দামি বিদেশী দুধ সহজলভ্য হওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে খামারিদের কাছ থেকে কম দামে দুধ সংগ্রহ করলেও এখনো আগের বর্ধিত দামেই বিক্রি করছে মিল্কভিটাসহ অন্যান্য দুগ্ধ কোম্পানিগুলো(কি চমৎকার খেল!)

মিল্কভিটাসহ বিভিন্ন দুগ্ধ কোম্পানি স্থানীয় খামারিদের কাছ থেকে দাম কমানোসহ দুধ কেনার পরিমাণ কমিয়ে দেয়ায় খামারিরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। ভারত ও চীনের কমদামি দুধ পেয়ে কোম্পানিগুলো এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।এতে করে দুগ্ধ খামারি ও ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়েছেন। দুগ্ধ খামারি ও দুগ্ধ ব্যবসায়ের সঙ্গে জড়িত কয়েক লাখ মানুষ অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। কোম্পানিগুলোর এই হটকারী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বেড়ায় দুগ্ধ খামারি ও ব্যবসায়ীরা পাবনাঢাকা মহাসড়কে কয়েক দফা দুধ ঢেলে ফেলে। একই সঙ্গে তারা মহাসড়ক অবরোধ এবং মিছিল সমাবেশ অব্যাহত রাখে। 

পাবনা ও সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন গ্রামে গড়ে উঠেছে ছোট-বড়ো প্রায় ৪ হাজার দুগ্ধ খামার। এসব এলাকার খামারে ও ব্যক্তিগত গাভী পালনের মাধ্যমে প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ লাখ লিটার দুধ উৎপন্ন হয়ে থাকে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কয়েক লাখ মানুষের কর্মসংস্থান।ইতিপূর্বে এসব দুগ্ধ এলাকা থেকে প্রাণ, মিল্কভিটা, আকিজ কোম্পানি ও আফতাবসহ কয়েকটি কোম্পানি দুধ সংগ্রহ করে কিনে নিয়ে যাওয়ায় সংশি¬ষ্টরা স্বাচ্ছন্দে ব্যবসা করছিল। কিন্তু গত ২ মাস ধরে প্রতি সপ্তাহে ২ দিন করে এসব কোম্পানি দুধ কেনা বন্ধ রাখার পর এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে প্রাণসহ কয়েকটি কোম্পানি দুধ কেনা বন্ধ রাখে। এর প্রতিবাদে পাবনার বেড়া উপজেলায় শত শত খামারি ও দুগ্ধ ব্যবসায়ী পাবনাঢাকা মহাসড়কে প্রায় ৭০ মণ দুধ ঢেলে প্রতিবাদ জানায়।

এসব খবর পত্র-পত্রিকাসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রচারিত হলে কোম্পানিগুলো খামারিদের কাছ থেকে দুধ কেনা আবার শুরু করে। কিন্তু পরিমাণ ও দাম কমিয়ে দেয়। ভারত ও চীন থেকে কম দামে নিম্নমানের দুধ সংগ্রহ করছে এসব কোম্পানি। ভারতীয় আমূল নামক পাউডার দুধ অতি সস্তায় পাওয়া যাচ্ছে। কোম্পানিগুলোর কারণে দুধের দাম ইতিমধ্যে ৪০ ভাগ কমে এসেছে। কোম্পানিগুলো তাদের কাছ থেকে ৩২ টাকা লিটার দুধ কিনতো। কিন্তু বর্তমানে ২৪ টাকা লিটার দুধ কিনছে। একই সঙ্গে দুধ কেনার পরিমাণও কমিয়ে দিয়েছে অর্ধেক।

সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ি মিল্কভিটা কারখানা এলাকায় দুধের দাম কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছে হাজার হাজার খামারি। দুধ আমদানির কারণে লোকসানের দিকে ধাবিত হচ্ছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান মিল্কভিটা। প্রতিদিন খামার থেকে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ লিটার দুধ উৎপন্ন হয়। এর মধ্যে মিল্কভিটা প্রতিদিন খামারিদের কাছ থেকে ক্রয় করছে দেড় লাখ লিটার দুধ। অন্যান্য বেসরকারি দুগ্ধ ক্রয় কেন্দ্রগুলো ক্রয় করে আরো প্রায় দেড় লাখ লিটার দুধ। উদ্বৃত্ত এক লাখ লিটার দুধ ন্যয্য দামে বিক্রি করতে না পেরে খামারিরা প্রতিদিনই বিপাকে পড়ছে। এ সুযোগে ও নানা অজুহাতে সরকারি-বেসরকারি সংগ্রহকারীরাও সংগ্রহ ও দুধের মূল্য কমিয়ে দিয়েছে। অপরদিকে দুধ পরিবহনের ব্যয় বেড়ে গেলেও ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না এর সঙ্গে জড়িত কয়েকশত শ্রমিক। মিল্কভিটার সঙ্গে যুক্তরা বলছে সরকারের কর নীতির কারণে বিদেশ থেকে যে দুধ আসছে গ্রাকহরা তা কম মূল্যে পাচ্ছে। ফলে দেশী দুধ ক্রেতারা কিনছে না। এছাড়া মিল্ক ভিটার দুধ ১৫% ভ্যাট ধরায় তা বাজারে অনেক মূল্য দিয়ে ভোক্তাদের কিনতে হয়। বাজার আমদানি করা দুধে সযলাব। তারদের কথা মতে, প্রকৃত খামারিদের বা সমিতি ভুক্তদের দুধ নেয়ার টার্গেট কিংবা মূল্য কমানো হয়নি।

অপরদিকে বেসরকারি দুধ সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠান প্রাণ ডেইরি লিমিটেড আগে প্রতিদিন প্রায় ৮ হাজার লিটার দুধ ক্রয় করত। এখন ৫ হাজার লিটার ক্রয় করছেন, দামও কমানো হয়েছে লিটার প্রতি ৬ টাকা। প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনও কমিয়ে দেয়া হয়েছে। মিষ্টি উৎপাদনকারীরা বর্তমানে বিদেশ থেকে আমদানিকৃত গুঁড়ো দুধ দিয়ে তাদের কাজ সারছে। আর তাই খাঁটি দুধের আর কদর নেই তাদের কাছে। ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হওয়া পাঁচশতাধিক খামারি এ নিয়ে মহাবেকায়দায় পড়েছে। তারা প্রতিদিন হাজার হাজার লিটার দুধ বিক্রি করতে না পেরে রাস্তায় ঢেলে দিচ্ছে। 

এবার আমাদের সরকার এই দুধের খামারিদের কি করবেন? ভর্তুকি দেবেন? দিলে কিভাবে? কত টাকা? এই সব প্রশ্নের কোন সঠিক উত্তর নেই। সরকারের কাছে এসবের উত্তর থাকেওনা।“গ্যাট” তো বলেই দিয়েছিল- তুমি কারো অবাধ আমদানি বন্ধ করতে পারনা। কারো অবাধ রপ্তানিও রুদ্ধ করতে পারনা।সেই ভানু বন্দোপাধ্যায়ের কৌতুকটা মনে পড়ে? ভানু একটা লম্বা সিটের পুরোটারই টিকিট কেটে বলেছিল- “তিনঠো টিকিট কাটা হ্যায়, ইচ্ছে করেগা বসকে যায়েগা, ইচ্ছো করেগা তো শু-কে যায়েগা”!

বড় পুঁজি ছোট পুঁজিকে গিলে খায়, ঠিক বড় মাছে ছোট মাছকে গিলে খাবার মত। এটা অনেক পুরোনো উপমা। আমরাও জানতাম এমনই হবে, কিন্তু তার পরেও সরকার তার স্থানীয় শিল্পকে বাঁচানোর জন্য কি কিছুই করার ক্ষমতা রাখেনা? নিশ্চই রাখে। সরকার ইচ্ছে করলে আন্তর্জাতিক ট্যারিফ বা শুল্ক বাড়াতে পারেনা ঠিক, কিন্তু গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে সম্পূরক শুল্ক আর এটিভি বা এ্যাডভান্স ট্রেডিং ভ্যাট বাড়িয়ে অবাধ আমদানি নিরুৎসাহিত করতে পারে।আমদানি করা দুধের ওপর সারচার্জ বসাতে পারে।আমদানি করা দুধের উৎপাদন পর্যায়ে আবগারি এবং উৎমূলে ভ্যাট বাড়িয়ে দিতে পারে যাতে করে বিদেশ থেকে নিম্নমানের দুধ আমদানিকারকরা বাধ্য হয়ে স্থানীয় দুধ কিনতে উৎসাহী হয়।আর এসব গ্যাট চুক্তিকে লঙ্ঘন না করেই করা সম্ভব। কিন্তু সরকার কি তা করবে? মনে হয় না, কারণ ইতিমধ্যে এমন কথাও উঠেছে যে, আমদানির ফলে শহুরে মানুষরা এখন মোটামুটি সস্তায় গুড়োদুধ পাচ্ছেন! আম নাগরিকেরা এখন তাদের সন্তানদের প্রটিনের অভাব,পুষ্টির অভাব মেটাতে পারছেন! ঠিকই তো! সাড়ে পাঁচশো টাকার গুড়োদুধ এখন চারশো টাকায় নেমে এসেছে! মারহাবা! আমাদের সন্তান এবার ঠিক থাকবে দুধে-ভাতে! তা যদি হাজার হাজার দুধ উৎপাদনকারীর জীবনের বিনিময়েও হয়, তাও সই!

একসময় এই বাঙলার চাষীরা তাদের পাটের ন্যায্য মূল্য না পেয়ে হাটের মধ্যে পাটে আগুন ধরিয়ে দিত। তারপর পাট চলে গেল! এখন দুধের খামারীরা পাকা রাস্তায় মণকে মণ দুধ ঢেলে দিচ্ছে! এর শেষ কোথায়? একে একে কি নিভিবে সকল দেউটি? তারপর কেবলই আঁধার চারিধারে……… 

 

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): কর্পোরেট বাণিজ্য ;
প্রকাশ করা হয়েছে: প্রবন্ধ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:৪২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর…

 

 

এডিট করুন | ড্রাফট করুন | মুছে ফেলুন

৬০০ বার পঠিত৬৬৬২৭

 

মন্তব্য দেখা না গেলে – CTRL+F5 বাট্ন চাপুন। অথবা ক্যাশ পরিষ্কার করুন। ক্যাশ পরিষ্কার করার জন্য এই লিঙ্ক গুলো দেখুন ফায়ারফক্সক্রোমঅপেরাইন্টারনেট এক্সপ্লোরার

 

৬৬টি মন্তব্য

১-৩৫

১. ০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:০৮০

কালপুরুষ বলেছেন: বড় লেখা। কাল অফিসে বসে ধীরে সুস্থে পড়বো।

২. ০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:৩৫০

মনজুরুল হক বলেছেন:

চেষ্টা করেও আর ছোট করা গেল না দাদা! কষ্ট করে পড়ার জন্য অভিনন্দন।

৩. ০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:৩৬০

ফ্রুডো বলেছেন:

সহমত।

আমাদের দুধ শিল্প পথে বসলে দেখা যাবে সাড়ে ৪৫০ টাকার দুধ ৯০০ টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে।

তখন শহুরে মানুসরা যাবে কই।

০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১:১৬০

লেখক বলেছেন:

মূল বিষয়টা হচ্ছে কর্পোরেট দোকানের কাছে দেশী শিল্প বিকাশের সকল তরফদারী বন্ধক রাখা হয়েছে। কর্পোরেটের জবজবানীর খেলটা এবার সবাই মিলে দেখুক!!

 

৫. ০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১:০৮০

হোরাস্‌ বলেছেন: ৮ কেলাস পাশ দিছে এরকম কারও কাছ থেকে গ্যাটের চেয়ে ভাল কিছু আশা করা ঠিক না।

আরেকটা কথা, ব্যবসায়ীরা দুধ রাস্তায় না ফেলে বিনা মুল্যে গরীবদের দিয়ে দিলে প্রতিবাদের সাথে সাথে কিছু মানবিকতাও দেখাতে পারত।

+

০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:০৩০

লেখক বলেছেন:

বুকের ভেতর ক্ষোভ ঘৃণা থাকলে তখন আর ওসব মাথায় আসেনা। আমরা হলেও তাই-ই করতাম।

৬. ০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১:০৯০

বলেছেন: পাটের রশি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানোর ঘটনাগুলি উহ্য রাখলেন যে ?

০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১:১৫০

লেখক বলেছেন:

ওটা বহুবার বর্ণিত, তাই পুনরুল্লেখ করলাম না।

৭. ০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১:১৬০

খারেজি বলেছেন:

একটা কাজের জন্য কতগুলা রিপোর্ট ঘাটতে গিয়া দেখি বাংলাদেশের গ্রামে গ্রামে রিকেট বহু গুন বৃদ্ধি পেয়েছে।

কারণ, ট্রাক্টর। গরু নাই, দুধ নাই। কারণ কীটনাশক। গুড়া মাছ নাই।

ফলাফল অশক্ত হাড়। রিকেট।

০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:০৪০

লেখক বলেছেন:

১৫ কোটির কি পরিমানে রিকেট? আমার তো মনে হয় প্রায় ৭০% !!

৮. ০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১:২৪০

বন্ধু কই কৈ বলেছেন: জটিল পোষ্ট দাদা……………।।

দাদা আমারেতো বেহুদা জেনারেল দিয়া রাখছে………

০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:০৫০

লেখক বলেছেন: তোমার বিষয়টা নিয়া কাইল কথা কমুনে ভাইয়া।

৯. ০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১:২৫০

বলেছেন: @ খারেজি শুধু ভাত আর ডাইল খাইয়া কি সব পুষ্টি মেলে ?

০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৩১০

লেখক বলেছেন:

তাও আবার ছোলার ডাইলের বদলে এ্যাংকার! ওহহো, ভাল খবর ! ইনুচছাব তো শক্তি দই বাজার ছেড়েছেন, এবার আর পুষ্টির কোন অভাব হবে না !! মাশাল্লা !!!

১০. ০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১:২৯০

খারেজি বলেছেন:

সেইটাই। মেলে না বইলাই তো রিকেট।

০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:১৫০

লেখক বলেছেন:

আপনার রিকেট বিষয়ে কিছু উপাত্ত থাকলে আমাকে শেয়ার করতে পারেন। আমার কাজে আসবে।

১১. ০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৩৮০

নকীবুল বারী বলেছেন: আমাগো মতো গরীব দেশরে বাজার বানাইলেই তাগো লাভ………….সারা জীবন হ্যারা বেচবোআমরা কিনুম। আমাগো নিজস্ব প্রোডাকটিভিটি যহ কমানো যায় ততই মাল্টিন্যাসনাল কোম্পানী গুলার লাভ।

আমাগো বুদ্ধীজীবিরা তো কর্পোরেটের পোষা কুকুর। হেরা বৈদেশিক বিভিন্ন ফর্মুলা আমাগো অশিক্ষিত মানুষজন রে খাওয়ায় পরিবর্তে পায় নামী পুরস্কার, পদ মর্যাদা, মিডিয়া কভার ইত্যঅদি ইত্যাদি।

০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:৩৪০

লেখক বলেছেন:

আমাগো বুদ্ধীজীবিরা তো কর্পোরেটের পোষা কুকুর। হেরা বৈদেশিক বিভিন্ন ফর্মুলা আমাগো অশিক্ষিত মানুষজন রে খাওয়ায় পরিবর্তে পায় নামী পুরস্কার, পদ মর্যাদা, মিডিয়া কভার ইত্যঅদি ইত্যাদি।

দশ কথার এক কথা!! দারুন বলেছেন।

১২. ০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৫৪০

বলেছেন: শক্তি দই কি ফ্রী দেয় ?

০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:০২০

লেখক বলেছেন:

জিদানের আসা-যাওয়ার খচ্চা ওঠার পর ফ্রী দিতারে

১৩. ০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:০৩০

নাজিম উদদীন বলেছেন: আস্তে আস্তে সব কর্পোরেটের কব্জায় চলে যাবে।

০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:০৮০

লেখক বলেছেন:

তথাকথিত শিল্প আর সংস্কৃতিতে কি পরিমানে ইনভেস্ট করে, তা দেখেই তো বোঝা যায়, কি ভাবে একে একে সব কিছু তারা কব্জায় নিয়ে নিচ্ছে! আর আমাদের ভাড়াখাটা সাংস্কৃতিজীবী এবং মেরুদন্ডহীন বুদ্ধিজীবীরা কেবলই খোল-করতাল নিয়ে কেত্তন গাইছে….”প্রভু ম্যায় গুলাম উ ম্যায় গুলাম…”!!

১৪. ০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:১৩০

দেশী পোলা বলেছেন: এত দুধ খাইয়া লাভ কি? বাঙালীর পুৎ দুধ খেয়ে লায়েক হলে তো জনসংখ্যা বাড়বে, এটা ভিন্ন উপায়ে জন্মনিয়ন্ত্রন, অপুষ্টিতে ভোগা জনগনের রুগ্ন লিকলিকে পোলাপান বেশিদিন বাঁচবে না, দেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনে আসবে, নো মোর আইএমএফ লোন নিডেড টু ফিড দা পুওর।

০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:২৪০

লেখক বলেছেন:

একটা পুরান কথা মনে করিয়ে দিচ্ছি দেশি পোলা।

কন্ট্রাসেপ্টিভের আবিষ্কারক আরবের উটের রাখালরা! একদিন খেলাচ্ছলে একজন তার মাদি উটের জননেন্দ্রে একখন্ড পাথর প্রবিষ্ট করে। পরে আর মনে নেই! বছর পার হওয়ার পরেও তার বাচ্চা না হওয়ায় ওষুধপত্তর করা হয়, তাও কাজ হয়না! একসময় রাখালের মনে পড়ে পাথরের কথা। জানাজানি হওয়ার পর ওই মেথডে জন্মনিয়ণ্ত্রণ চালু হয়।

আপনি কি এই উপায়টা নিয়ে একটু ভাববেন? একেবারেই কষ্টফ্রী কিন্তু !!

১৫. ০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:২৬০

নাজিম উদদীন বলেছেন: আপনি কি এই উপায়টা নিয়ে একটু ভাববেন? একেবারেই কষ্টফ্রী

হা হা প গে।

১৬. ০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:৩২০

বলেছেন: গুরু, এমনে লেখলে হয় ? পেপারে গেল সপ্তায় কাহিনি দেখতাছিলাম, খামারীদের চেহারাগুলা আজকাও ভুলতে পারি নাই । এম্নেই শুরু হয় নিরব মড়ক, সবাই যহন টের পাইব, সব সাফা কিরকিরা ।

ধন্যবাদ গুরু, না প্রিয়ায়া আর পারলাম্না ।

০৬ ই মে, ২০০৯ ভোর ৪:০৫০

লেখক বলেছেন:

জয় কেল্টু দার জয়!!

১৭. ০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:৩৪০

দেশী পোলা বলেছেন: আপনি irony বোঝেননি, বুঝবেন বলেও মনে হয় না, আরব, রাখাল আর উট নিয়ে আপনার দিন-রাতের চিন্তা, ভাল কিছু বললেও উল্টা বুঝবেন

০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:৪৩০

লেখক বলেছেন:

ধুরো ভাই! আপনিওতো irony বোঝেননি,আমার কমেন্ট কি irony সাপোর্ট করেনি?

ভাল মনে করে আরবের একটা এ্যাচিভমেন্ট বল্লাম, আপনি রেগে গেলেন! রিল্যাক্স ম্যান, আ্যাম নট এ্যান এনিমি।

১৮. ০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:৩৫০

বলেছেন: আরবের রাখাল পুলারা সেরাম জিনিয়াস মনে হইতেছে …

০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:৫৩০

লেখক বলেছেন:

আফসোস, আরবের সবার আবার সেই গুণ নাই! রাখালরা যুগে যুগে অমর!! লুক দ্য ওয়ের্স্টান ট্রেইল…..রাখালই সব।

১৯. ০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:৪৩০

দেশী পোলা বলেছেন:  জিনিয়াস তো বটেই, কি একখান উট-গবেষণা করল, সেটা স্বনামধন্য মন্জুরুল হক এখনও মনে রেখেছেন।

০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:০৬০

লেখক বলেছেন:

স্বনামধন্য !!??

২০. ০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:৪৪০

বলেছেন: দেশী পোলা মাইন্ড খান ক্যান । ফান ইজ ফান । চিয়ারাপ

০৬ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:০০০

লেখক বলেছেন:

লঘু চিত্তে গুরু গম্ভিরতা !!

২১. ০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:৫৯০

দেশী পোলা বলেছেন:

 

নাৎসিরা পূর্ব ইউরোপে দেশগুলোতে কৃত্রিম দূর্ভিক্ষের সৃষ্টি করেছিল যাতে ইহুদীরা এমনিতেই মরে যায়। এটা যে কোন রুগ্ন জাতির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। রাষ্ট্রনীতি স্বার্থপর হয়, অনেক সময় অন্য দেশের মানুষ মেরে নিজের দেশের লোকজনকে খাওয়াতে হয়, এটা বুঝিয়ে বলতে গেলে স্বনামধন্য লোকজন ঠাট্টা-তামাশা করবেন, সেটাই স্বাভাবিক।

The Annihilation of Superfluous Eaters”: Nazi Plans for and Uses of Famine in Eastern Europe

০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:১৩০

লেখক বলেছেন:

আপনি যে কথা বা যে লিংক দিলেন, সে বিষয়ে আমি ওয়াকিবহাল। এ নিয়ে আমার কাগজে লেখাও আছে তিন-চার বছর আগের। প্রসঙ্গ সেটা নয়। আপনাকে আসলেই আমি উপহাস করিনি। এটা বিশ্বাস করতে পারেন।

ক্যারিবিয়াতে আমেরিকানরা কলা নিয়ে যা করে সেটা জানলে আপনার এই কথারই সার্থকতা প্রমান হয়। এবং সেটা আমি জানি।

আবারো বলছি আমি উপহাস করিনি।

২২. ০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:০২০

বলেছেন: বলেছেন: দেশী পোলা মাইন্ড খান ক্যান । ফান ইজ ফান । চিয়ারাপ

০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:০৭০

লেখক বলেছেন:

পণ করেছেন যে, উনি মাইন্ড খাইবেনই খাইবেন!

২৩. ০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:২৬০

বলেছেন: ৪৪ এর দুর্ভিখ্যের করনটাও কি একই ছিল না ?

০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:৪৫০

লেখক বলেছেন: মোক্ষম!!

২৪. ০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:২৬০

অদ্রোহ বলেছেন: সেইদিন আর বেশি দেরি নেই যেদিন দুধের স্বাদ ঘোলে মেটাতে হবে।

০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:০৭০

লেখক বলেছেন: সে দিন এলো বলে….

২৫. ০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:৪৪০

মনজুরুল হক বলেছেন:

আমাদের আলোচনা মনে হয় পোস্টের মূল বক্তব্য থেকে সরে যাচ্ছে। দুধের দাম পড়ে যাওয়ায় খামারীরা দুধ রাস্তায় ঢেলে প্রতিবাদ করছে। আসল প্রতিবাদ কাদের বিরুদ্ধে?

যে কর্পোরেট হারামজাদারা একচেটিয়া বাণিজ্যের শুভংকরের ফাঁকিতে এই দরিদ্র খামারীদের পণ্যকে সস্তা করে দিয়ে তাদের ইম্পোর্ট বাণিজ্য ফাঁপিয়ে তুলছে, প্রতিবাদটা আসলে তাদের বিরুদ্ধে।

এখানে সরকারের অনেক কিছু করার আছে। সেটাই সরকারকে করতে বাধ্য করার জন্য আমাদের প্রচেষ্টা থাকা উচিৎ।

২৬. ০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:৫৬০

বলেছেন: আমি কিন্তু প্রথমে দোষারোপের কাঠগরায় ওঠাবো রাস্ট্রের পলিসী মেকারদের । তারপরে অন্যরা ।

০৬ ই মে, ২০০৯ ভোর ৪:০৪০

লেখক বলেছেন:

ভুলটাতো সেই প্রথমেই বিম্পি করে বসেছে। এখনো কিন্তু সেটব্যাক করার সময় আছে।

পলিসি মেকাররা ঠান্ডা ঘরে চার-পাঁচ ঘন্টা কাটিয়ে মাস গেলে হাজার পঞ্চাশেক পেলেই খুশি। কি যায় আসে হতচ্ছাড়া গ্রাম্যরা মরলে ?

২৭. ০৬ ই মে, ২০০৯ সকাল ৭:১৩০

মুক্ত বয়ান বলেছেন: ভাইয়া, ব্যাপারটা পেপারে দেখার পর থেকেই মাথায় শুধু ঐ মানুষগুলো চেহারা ভাসছে। কি কষ্ট মনে চেপে রেখে দুধ রাস্তায় ফেলে দিচ্ছে।

ভাল একটা বিষয় সবার নজরে আনছেন ভাইয়া।

++++

০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:৪২০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ মুক্ত। ভাল আছ তো? এই লেখাগুলিই আমি। আমার আদি পরিচয় এতেই। এখানেই সাচ্ছন্দ বোধ করি।

ধন্যবাদ তোমাকে।

২৮. ০৬ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:২০০

বলেছেন:

পলিসি মেকাররা ঠান্ডা ঘরে চার-পাঁচ ঘন্টা কাটিয়ে মাস গেলে হাজার পঞ্চাশেক পেলেই খুশি। কি যায় আসে হতচ্ছাড়া গ্রাম্যরা মরলে ?

———-একমত

০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১:১২০

লেখক বলেছেন:

একমত হলেই কি, আর না হলেই বা কি? মেজাজ বিলা! উটের পিঠে চেপে বসা আমলাতন্ত্র জিন্দাবাদ।

২৯. ০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:২৭০

ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: বিচিত্র এ দেশ!

০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১:১৩০

লেখক বলেছেন:

দিন দিন আরো বিচিত্র হতে চলেছে………..

৩০. ০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:০৪০

কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:

মেইল করি নাই তবে করুম। ফোনে ট্রাই মারছিলাম।

মেইল করুম আরেকটু আইডিয়াটা পুক্ত কইরা লই

০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:১৮০

লেখক বলেছেন:

ঠিকাসে। অপেক্ষাতেই থাকলাম।

গরম কেমন? দুপুরটুপুরে কি বেরুনো যায় ?

৩১. ০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:২৫০

আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

“একসময় এই বাঙলার চাষীরা তাদের পাটের ন্যায্য মূল্য না পেয়ে হাটের মধ্যে পাটে আগুন ধরিয়ে দিত। তারপর পাট চলে গেল! এখন দুধের খামারীরা পাকা রাস্তায় মণকে মণ দুধ ঢেলে দিচ্ছে! এর শেষ কোথায়? একে একে কি নিভিবে সকল দেউটি? তারপর কেবলই আঁধার চারিধারে………”

অনেক কিছুই বলার আছে , সব ছাপিয়ে বলতে ইচ্ছে করছে একটি কথাই- “আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে ।”

০৮ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:২৫০

লেখক বলেছেন:

আরাশি, দেখেন কি অদ্ভুত বৈপরিত্য! কেউ তার পরিশ্রমের ন্যায্য মূল্য না পেয়ে অভিমানে ক্ষোভে রাস্তায় দুধ ফেলে দিচ্ছে, আর কেউ পরম পরিতৃপ্তিতে ভাবছেঃ এই আকালের বাজারে নতুন সরকার এসে দুধ সহজলভ্য করেছে !!

তাই, আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে।

৩২. ০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৩৬০

কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:

মেইল করলাম দেইখেন।

গরম এই যা হয়। আমি বাইর হই, অনেকে দেখি খুব হা-হুতাশ করে।

সর্বোচ্চ ৩৯ হইছিল, একদিন। ৩২ থেকে ৩৫/৩৬ থাকে মোটামুটি। এখন মনে হয় কমতির দিকে।

০৮ ই মে, ২০০৯ ভোর ৪:১৫০

লেখক বলেছেন:

এখনো মেইল পাইনি তো দাদা! মেইল কি হেঁটে হেঁটে আসছে?

৩৩. ০৮ ই মে, ২০০৯ রাত ২:০২০

পুতুল বলেছেন: কেবলই আঁধার চারিধারে………

কান্ডারী রাত পোহাবার কত দেরী?

০৮ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:৫৫০

লেখক বলেছেন: জানতাম যদি, তাহলে ততদিন ঘুমিয়েই থাকতাম

৩৪. ০৮ ই মে, ২০০৯ ভোর ৪:৩৮০

কঁাকন বলেছেন: আমাদের দেশের গণতান্ত্রিক সরকার কোন নিয়ম-নীতির ধার ধারেনা

যে যখন ক্ষমতায় আসে ইচ্ছামত দেশ চালায়

তাইলে এত কষ্ট করে টাকা-পয়সা খরচ করে ভোটা-ভুটির কি দরকার ৫ বছর ৫ বছর ভাগ করে দিলেই হয়।

আমাদের মনে হয় একটা দূরদর্ষী অর্থনৈতিক স্ট্র্যাটেজী এবং পররাষ্ট্র স্ট্র্যাটেজী থাকা দরকা যেটা সব সরকার নিজে ইচ্ছেমত বদলাবে না

০৮ ই মে, ২০০৯ ভোর ৪:৫৮০

লেখক বলেছেন:

সত্যিকার গণতন্ত্র থাকলে এভাবে ভাবতে হতো না! আমি মাঝে মাঝে খুবই হতাশ হয়ে পড়ি! শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে ঠেকবো আমরা?

৩৫. ০৮ ই মে, ২০০৯ সকাল ১০:৫৭০

কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:

বুঝলাম না, অন্য আই ডি থেকে করি, ই-মেইল বাংলা থেকে করেছিলাম

০৯ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:১৬০

লেখক বলেছেন:

হ্যাঁ দাদা মেইল পেয়েছি। পড়ে উত্তর দিচ্ছি। উদ্ভ্রান্ত আছি। কেন ? তা জানিনে যে !!

 

Top of Form

আপনার মন্তব্য লিখুন

কীবোর্ডঃ  বাংলা                                    ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয় ভার্চুয়াল   english

নাম

       

Bottom of Form

 

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s