জাহাজভাঙ্গার ভাগাড়ে নতুন খেলা > শ্রমিকরাই নিজেদের মৃত্যু দাবি করছে !

Early in the morning Rubel , 14 years old , begins ferrying workers from the beach to the ships being stripped . He has been doing this job for three years . Chittagong , Bangladesh . August 10 , 2008 . Ship breaking , popularly known as beaching , started as a business in 1972 . At present there are 20 Ship breaking Yards , on the beach of the Bay of Bengal , spreading about 8 square kilometer in Sitakunda of Chittagong .

Early in the morning Rubel , 14 years old , begins ferrying workers from the beach to the ships being stripped . He has been doing this job for three years . Chittagong , Bangladesh . August 10 , 2008 . Ship breaking , popularly known as beaching , started as a business in 1972 . At present there are 20 Ship breaking Yards , on the beach of the Bay of Bengal , spreading about 8 square kilometer in Sitakunda of Chittagong .

০২ রা মার্চ, ২০১০ রাত ১:৪৭ |

গত সপ্তাহে জাহাজভাঙ্গা নিয়ে লেখায় বলেছিলামঃ “মাত্র এক মাস আগে জারি করা আমদানি-নীতি অনুযায়ী(বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আমদানি নীতি আদেশ ৪০ নম্বর বিধান) বাংলাদেশের কোনো আমদানিকারক বিদেশ থেকে পুরোনো জাহাজ আমদানি করতে চাইলে যে দেশ থেকে আমদানি করা হবে, সেই দেশের সরকার অনুমোদিত উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের(সার্ভেয়ার) প্রত্যয়নপত্র নিতে হবে। এতে উল্লেখ থাকতে হবে, ‘জাহাজটি বিষাক্ত বর্জ্যমুক্ত’আমদানি-নীতি শিথিলের জন্য পরিত্যক্ত জাহাজ ব্যবসায়ীরা অবশ্য দুই সপ্তাহ ধরে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) তদবির করছেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে সরকার যে এই বিশেষ মহলের সুপারিশে আমদানিনীতি শিথিল করতে চাইছে তার পেছনে কারণ কি? কেন দেশের স্বর্থের কথা বিবেচনায় না এনে একটি বিশেষ মহলের আবেদন বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হচ্ছে? “

ওখানে যেটিকে শঙ্কা হিসেবে দেখিয়েছিলাম আজ সেটি আর শঙ্কা নয়, বাস্তবতা। সেই ১০টি আমদানি করা জাহাজ না ছাড়ার কারণে জাহাজ মালিকরা এক অভিনব পন্থা আবিষ্কার করেছে! কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা! শ্রমিকদের জান-মালের নিরাপত্তা আর উপকূলের মানুষদের বিষের ছোবল থেকে বাঁচানোর জন্য সরকার আইন জারি করেছেন, সেই শ্রমিকদেরকেই সরকারের বিরুদ্ধে ব্যবহার করেছেন তারা। শ্রমিকদের মহাসড়কে নামিয়ে বিক্ষোভ সংগঠিত করেছেন। শ্রমিকরা এটা করতে বাধ্য, কারণ তাকে বলা হয়েছে- সরকার জাহাজ আমদানি করতে বাধা দিয়েছে, সে কারণে ইয়ার্ড বন্ধ, এবং তোমাদেরও মজুরি বন্ধ! প্রায় ৪৫ হাজার দিনমজুর মনে করেছে ইয়ার্ড বন্ধ মানে মজুরি বন্ধ! তাহলে খাব কি? বাঁচব কিভাবে? এই অসহায় শ্রমিকদের এখন অবস্থা এমন যে তারা বিষের ছোবলে ক্ষয়ে যেতে পারে, সেকেলে ব্যবস্থায় জাহাজ ভাঙ্গতে গিয়ে প্রতিনিয়ত মরতে পারে জেনেও শুধুমাত্র বেঁচে থাকার তাগিদে মালিক সমিতির প্ররোচণায় রাজপথে নেমে এসেছে! এইরকম খেটে খাওয়া গরিব মানুষকে মানবঢাল হিসেবে ব্যবহারের নজির এর আগে বাংলাদেশে ছিলনা। এবারই প্রথম দেখাল পুরোনো জাহাজ আমদানিকারকরা। 

সরকার এখন পড়েছে উভয় সংকটে! যে শ্রমিকদের জানমাল আর নিরাপত্তার কথা ভেবে আইন করা হলো, তারাই দেখি রাজপথ অবরোধ করে বসে আছে! সরকার এখন কি করতে পারে? বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জাফর আলম বলেছেন, “আমরা দুই মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে আবেদন জানিয়েছি, নতুন সিদ্ধান্তের কারণে পাঁচ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের জাহাজ ভাঙা শিল্প হুমকির মুখে পড়বে। এই খাতে কর্মরত প্রায় আড়াই লাখ শ্রমিকের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হবে। সরকারের বার্ষিক ৬০০ থেকে ৯০০ কোটি টাকার রাজস্ব আয় বাধাগ্রস্ত হবে। নতুন সিদ্ধান্তের কারণে পাইপলাইনে থাকা দুই লাখ টনের আরো ১০টি পুরনো জাহাজ আমদানিতে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ভারত, পাকিস্তান, চীন, তুরস্কসহ পৃথিবীর কোনো দেশে পুরনো জাহাজ আমদানির ক্ষেত্রে রপ্তানিকারক দেশের এ ধরনের সার্টিফিকেটের দরকার হয় না। হয়তো কারো প্ররোচনায় নতুন এ আমদানি নীতি প্রণয়ন করেছে আমাদের সরকার। তাছাড়া বিষাক্ত অর্থাৎ কোনো ধরনের যুদ্ধজাহাজ বাংলাদেশ কখনো আমদানি করেনি। যেসব বর্জ্যের (তেলের খাদ) কথা বলা হচ্ছে, সেগুলো আমরা কখনোই সমুদ্রে ফেলি না। আমাদের দেশের ব্রিকফিল্ডে এগুলো ব্যবহৃত হয়”

তাহলে এগুলো কি?

এসব কি তেলের খাদ আর নাম না জানা হরেক কিসিমের টক্সিক নয় ?

তারা বলছেন তারা কোন বিষাক্ত জাহাজ আমদানি করেননি! ভাল কথা, এই কথাটিই তারা নিজেরা কেন বলছেন? তারা কি বিশেষজ্ঞ? এই কথাটিই তারা সেই দেশের যথাযথ সার্ভেয়ার বা যথাযথ প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে বলাচ্ছেন না কেন? সার্টিফিকেট হাজির করছেন না কেন? তারা যেভাবে সরকারের উপর চাপ প্রয়োগ করছেন তাতে সরকার তাদের চাপের কাছে নতিস্বীকার করতে যাচ্ছেন বলে মনে হচ্ছে। তাহলে কি ধরে নিতে হবে বৃহত্তর জনগোষ্ঠির নিরাপত্তা আর জীবনের নিশ্চয়তা বিধানের গুরু দায়িত্ব থেকে সরকার মাত্র কয়েকজন হোমড়া-চোমড়ার হুমকিতে সরে আসবে? সরকারের নীতি বাস্তবায়ন হলে এই শিল্প কি কি ক্ষতির সম্মূখিন হবে সেই বিবরণ ফেনিয়ে-ফাঁপিয়ে দেওয়া হচ্ছে কোন উদ্দেশ্যে সেটা পরিষ্কার। এটা কোন যুক্তিই হতে পারেনা যে অন্যান্য দেশে সার্টিফিকেট লাগেনা বলে আমাদের দেশেও লাগতে পারবে না! 

সরকারের সমালোচনাকে ধরে নেওয়া হয় গণতন্ত্রের জন্য আবশ্যিক ব্যাপার। যৌক্তিক সমালোচনা সরকারকে সঠিক পথে চলতে সাহায্য করে। একটা শক্তিশালী বিরোধীদল সংসদে থাকলে তারা সরকারকে ডিরেইলড হওয়া থেকে উদ্ধার করে। এসবই কেতাবি কথাবার্তা এবং কেতাবেই সীমাবদ্ধ। বলাবাহুল্য আমাদের দেশে এই সব গণতান্ত্রিক প্রাকটিস নেই বললেই চলে। বিরোধীদলের অবস্থান থেকে কিংবা অবহেলিত-নিপীড়িত সাধারণ মানুষের অবস্থান থেকে সরকারের কাজে সমর্থন বা সহযোগীতার উপমা দূরবীনদৃষ্টি স্বাপেক্ষ। তেমন রেওয়াজও নেই। ধরেই নেওয়া হয় সরকার যা করেন তা আখেরে জনগণের অকল্যাণই বয়ে আনে। সাধারণ নাগরিকদের অবশ্যি এক্ষেত্রে দোষও দেওয়া যাবেনা, কেননা অতীতে এই ধরণের নজিরই বেশি। এমন একটি নেতিবাঁচক ধারণা থাকার পরও আমরা দেখি এই সরকার কিছুদিন আগে একটি জনহিতকর আইন করেছিলেন। সেই আইনটি বাস্তবায়নের আগেই সরকারকে সেই অবস্থান থেকে সরিয়ে আনার জন্য আবার পায়তারা শুরু হয়েছে। যেখানে জনহিতকর পদক্ষেপ বা আইন নেই বললেই চলে, সেখানে সরকার যখন একটা ভাল কাজ করেন বা করতে উদ্যোগী হন তাতেও আমাদের সন্দেহ আর অবিশ্বাস দাপাদাপি করে!

সরকার এখন কি করতে পারে তা আমাদের পূর্বাভিজ্ঞতা থেকে বুঝতে পারি। স্ক্র্যাপ দিয়ে হাজার হাজার টন এমএস, বিলেট ইত্যাদি তৈরি করে দেশের নির্মাণ শিল্পকে চালু রাখার নামে, সস্তায় এমএস পাওয়ার নামে এবং বার্ষিক ৬০০ থেকে ৯০০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের নামে আমদানি নীতি সংশোধন করবেন। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হবে-“দেশের এবং দেশের মানুষের বৃহত্তর মঙ্গলের কথা বিবেচনা করে আমদানিনীতি অধিকতর গ্রহনযোগ্যরূপে সংশোধন করা হলো”

আর আমরাও আবার বিষাক্ত জাহাজে কর্মরত শ্রমিকের ক্ষয়ে যাওয়া হাত-পা, মৃত শ্রমিকের কদাকার মুখচ্ছবি, অসহায় সেই সব শ্রমিকের বউ-বাচ্চার আহাজারীর চিত্র সম্বলিত ওয়েভ লিঙ্কে এবং পত্র-পত্রিকায় দেখে আগামী লেখার উপকরণ খুঁজে নেব???!!!

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): জাহাজভাঙ্গাশ্রমিক নিপীড়নসরকারি আইনআমদানিনীতিবিষাক্ত বর্জ্য ;
প্রকাশ করা হয়েছে: প্রবন্ধ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুন, ২০১০ ভোর ৪:২৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর…

এডিট করুন | ড্রাফট করুন | মুছে ফেলুন

২১৭ বার পঠিত১১৮১১

মন্তব্য দেখা না গেলে – CTRL+F5 বাট্ন চাপুন। অথবা ক্যাশ পরিষ্কার করুন। ক্যাশ পরিষ্কার করার জন্য এই লিঙ্ক গুলো দেখুন ফায়ারফক্সক্রোমঅপেরাইন্টারনেট এক্সপ্লোরার

১৮টি মন্তব্য

১-৯

১. ০২ রা মার্চ, ২০১০ রাত ১:৫৩০

মিটুলঅনুসন্ধানি বলেছেন: আর আমরাও আবার বিষাক্ত জাহাজে কর্মরত শ্রমিকের ক্ষয়ে যাওয়া হাত-পা, মৃত শ্রমিকের কদাকার মুখচ্ছবি, অসহায় সেই সব শ্রমিকের বউ-বাচ্চার আহাজারীর চিত্র সম্বলিত ওয়েভ লিঙ্কে এবং পত্র-পত্রিকায় দেখে আগামী লেখার উপকরণ খুঁজে নেব।

এটা অমানবিক….

০২ রা মার্চ, ২০১০ রাত ২:০৩০

লেখক বলেছেন:

যখন বলা হলো- সরকার জাহাজ আসতে দিচ্ছেনা বিষাক্ত বর্জ্য আছে সে কারণে। এখন আমরা কি করব? ইয়ার্ড বন্ধ! তোরা কি করবি? ইয়ার্ড বন্ধ মানে বেতনও বন্ধ! যা সরকারের কাছে যাঃ !!

টক্সিকে ক্ষয়ে যাবে, চাঙড় পড়ে মরে যাবে, হাত-পা ভেঙ্গে কাতরাবে, তবুও জীবন থেমে থাকবে না! জীবনের জন্য এসব মেনেও তাকে বলতে হবে-জাহাজ আসতে দাও, আমাদের কাজ দাও, বাঁচতে দাও!! কি অদ্ভুত আঁকুতি! আর কোথায় জীবন এমন মরণকলে পড়েছে আমার জানা নাই।

২. ০২ রা মার্চ, ২০১০ রাত ১:৫৪০

সাহসী বলেছেন: শ্রমিকরা বলে যে, আমরা মরেই গেলেই তো খবর হই ! অথচ আমরা বেচে আছি এটাই অনেক বড় খবর।

১০ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:২৪০

লেখক বলেছেন: দুর্দান্ত বলেছেন। কতটা অসহায় অবস্থায় পড়লে এরকম কথা বের হয় শ্রমিকদের মুখ থেকে!

ধন্যবাদ সাহসী।

৩. ০২ রা মার্চ, ২০১০ রাত ৩:১৭০

মেটালিফেরাস বলেছেন: এই সব পুরোনো জাহাজ আসার আগে কি দেশে রডের দাম আকাশ ছোঁয়া ছিল? জাহাজভাঙ্গা লোহা দিয়ে কি সস্তায় বাড়ি বানানো যাচ্ছে? আজিব যুক্তি! সরকার যতি এই সব মাফিয়াদের কথামত আমদানী নীতি বদলে ফেলে তাহলে এর পর এরা যা খুশি এনে উপকূল সয়লাব করে ফেলবে।

কে জানে সরকারি লোকজন তো আবার যখন তখন বিক্রি হওয়ার জন্য উসখুস করে!

০২ রা মার্চ, ২০১০ রাত ৩:৫৯০

লেখক বলেছেন:

এসব আসলে খোঁড়া যুক্তি। জাহাজে যদি বিষাক্ত বর্জ্য না-ই থাকে তাহলে রপ্তানিকারক দেশ থেকে সার্টিফিকেট আনতে বাধা কোথায়?

ওরা জানে সেই দেশের কোন প্রতিষ্ঠান কে দিয়ে ভূয়া সার্টিফিকেট আনা যাবেনা। তারা যে সার্টিফিকেট দেবে তাতে সেই সার্টিফিকেট দিয়ে আর পুরোনো জাহাজ ক্লিয়ারেন্স করা যাবেনা।

এখন তারা যে নতুন স্টাইল নিয়েছে সেটাকেই যে কোন ভাবেই হোক কার্যকর করবে।

দেখবেন যে কোন দিন হয়ত সরকার তাদের দাবির কাছে মাথা নত করবে।

৪. ০২ রা মার্চ, ২০১০ সকাল ৯:২১০

মোমেন বলেছেন: আপনার লেখা পড়ে ভাল লাগল। বাংলাদেশের পরিবেশের অবস্থা খুব খারাপ। আমাদের সোচ্চার হওয়র দরকার।

০২ রা মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:৫২০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ মোমেন।

পরিবেশের অবস্থা যৎসামান্য যা লিখেছি, বাস্তব অবস্থা এর চেয়েও ভয়াবহ! কতটা ভয়াবহ সেটা হয়ত আমরা এখনই বুঝতে পারছি না। বুঝতে পারব আরো ১৫/২০ বছর পরে। তখন সেই প্রকৃতিকে বাসযোগ্য করার আর উপায় থাকবে না।

৫. ০২ রা মার্চ, ২০১০ সকাল ৯:২৭০

জুল ভার্ন বলেছেন: প্রিয় মঞ্জুরুল হক ভাই, এবিষয়ে আপনার সবকটা লেখাই সচেতন মানুষের দৃস্টি কেড়েছে। আপনার লেখাটা অত্যন্ত বাস্তব। তার চাইতেইও বেশী বাস্তব মানুষের জীবন ধারন-তথা বেঁচে থাকা। নিশ্চিত মৃত্যুর কথা জেনেও শ্রমিকেরা অমন কঠিন মৃত্যুর মাঝেই বেঁচে থাকার লড়াই করে। কারন, ওদের বিকল্প কিছু করার নেই! জীবন ও জীবিকার তাড়নাতেই অমন কঠিন মৃত্যুর মাঝে জীবন খোঁজা!

অনেক ধন্যবাদ বিষয়টা নিয়ে আবারো গুরুত্বপুর্ণ একটি পোস্ট দেবার জন্য।

০২ রা মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:০৬০

লেখক বলেছেন:

এইতো হচ্ছে আমাদের কর্মসংস্থানের চরম নিয়তি! এত ভয়ংকর পরিবেশেও তাকে কাজ করতে হবে! সে টের পাচ্ছে সরকার তাদের ভালর জন্যই আইন করতে যাচ্ছিল। তারপরও তাকে শুধু মাত্র বেঁচে থাকার জন্যই ঐ ভয়াবহ কাজগুলো করে যেতে হবে।

আর এই সামগ্রিক সিনারিওটা জানে-বোঝে আমাদের শিল্পপতিরা এবং ফরেন ইনভেস্টররা।

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ জুল ভার্ন।

৬. ১১ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:০৬০

বলেছেন: নীতিমালা তৈরি হওয়ার খবরে যতটা খুশি হয়েছিলাম এখন ততটাই আতঙ্কিত । কে জানে কত শেষ পর্যন্ত কি বেড়িয়ে আসবে । হয়তো প্রকৃতি দূষন, অমানবিক পরিবেশে শ্রমিকদের কাজ করা, অপর্যাপ্ত পারিশ্রমিক ইত্যাদি এই ফাকে হালালায়ন হয়ে যাবে ।

১১ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:৩৮০

লেখক বলেছেন:

অলরেডি হালালায়ন হয়ে গেছে! শ্রমিকরাই বলছে-‍” জাহাজে বিষ আসুক আর হাতিঘোড়া আসুক, জাহাজ আসতে দিতে হবে! জাহাজ না কাটলে খাব কি”?

কি বুঝলে?

৭. ১১ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:১২০

লালসালু বলেছেন: খুব গবেষনা ধর্মী লেখা।

১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:০১০

লেখক বলেছেন: আপনি যা বলেন…

৮. ১৪ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:০১০

বলেছেন: আজকে আরেকটা মরলো … কাজ করার সময় উপর থেকে লোহার আস্ত একটা শীট পরে … হয়তো চ্যাপ্টা হয়ে মারা পরেছে …

ডেইলি স্টারের এক কোনার কলামে তিন ইঞ্চির একটা খবর … ব্যাপার না ।।

১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:০৩০

লেখক বলেছেন: ব্যাপারনা! জাতির “বৃহত্তর স্বার্থে” এইসব ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মৃত্যুকে আমলে নিতে নেই!! আমাদের কেবলই সামনে তাকাতে হবে!!!!

৯. ১৯ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:৩৭০

শ্রীমরম বলেছেন: Click This Link

আপনার মতামত কি ?

২০ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১:১৪০

লেখক বলেছেন: যে জায়গাটা ঘৃণায় ছেড়ে এসেছি, তা নিয়ে আর কিছু বলতে ইচ্ছে করেনা। পোস্ট লেখক কি উদ্দেশ্যে কিভাবে লিখেছেন তা তিনিই ভাল বুঝবেন। অত-সত আমার মাথায় আসে না।
Top of Form

আপনার মন্তব্য লিখুন

কীবোর্ডঃ  বাংলা                                    ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয় ভার্চুয়াল   english

নাম

       

Bottom of Form

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s