টিপাইমুখঃ ভারতের হাইড্রোপলিটিক্সের রেসের ঘোড়া…. নিজের ল্যাজে পা পড়ার পর ভারতও এখন প্রতিবাদী!!!

On this day in 1930, Russian painter Ilya Repin died

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৪০ |

১৯৭৬ সাল। পশ্চিম বঙ্গ, বিহার আর অন্ধ্রপ্রদেশের নকশাল আন্দোলনের সহযোগী গণনাট্যের অজিতেশ বন্দোপাধ্যায় এ সময় একটি নাটক লিখলেন ফারাক্কা নিয়ে। স্টেজ শো করতে না পেরে নাটকটি রেডিওতে প্রচারের ব্যবস্থা করলেন। বার দুয়েক প্রচারের পর পরই সেখানেও নিষিদ্ধ হলো। নাটকটিতে বলা হয়েছিল: ফারাক্কা বাঁধের কারণে সেখানকার অধিবাসীদের ভিটেমাটিহীন হবার কথা। আরো বলা হয়েছিল এই বাঁধের কারণে আগামীতে ভাটি অঞ্চলের মানুষদের দুর্দশার কথা। চুয়াত্তরে ঋত্তিকের ‘তিতাস একটি নদীর নাম’-এ যেমন শুকনো নদীতে নখর দিয়ে এক আজলা পানির জন্য মানুষকে কাতরাতে দেখা গেছিল, তেমনি ফারাক্কা নিয়ে লেখা নাটকটিতেও মানুষের পানির জন্য পাতালে নেমে যাওয়ার কাহিনী বর্ণনা করা হয়েছিল। এর ঠিক এক দশক পরেই সেই নাটকীয় দৃশ্যের বিবরণ দেখছে ওই অঞ্চলের প্রায় তিন কোটি মানুষ! ফারাক্কা এখন দগদগে বাস্তব!

আজ ‘গণনাট্যদল’ নেই! নেই টিপাইমুখ বাঁধ হলে সেখানকার অসহায় মানুষদের নিয়ে প্রতিবাদ করার কেউ। যে মনিপুরের মানুষ বছরের পর বছর প্রতিবাদ করছিল, কেন্দ্রের থাবায় সেই প্রতিবাদ ছত্রভঙ্গ তো হয়েছেই, সেখানে রাজ্য শাসিত সরকার বদলে কেন্দ্রের শাসন জারি হয়েছে। অকুপাইড টেরিটোরির মত ভারতীয় সেনারা গোটা মনিপুরে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। অত্যাচারিত হওয়ার চরমক্ষণে বাধ্য হয়ে মনিপুরের নারীরা সম্পূর্ণ উলঙ্গ হয়ে রাস্তায় নেমেছিল! তাদের বিরোধিতার কারণ ছিল যে বাঁধ নির্মিত হলে মনিপুর রাজ্যের ৩১১ বর্গ কিলোমিটার এলাকা স্থায়ীভাবে জলমগ্ন হয়ে যাবে। যার মধ্যে আছে ২২৯.১১ বর্গ কি.মি. সংরক্ষিত বনভূমি আর আবাদী কৃষি জমি ও আবাসন এলাকা। এতে জেলিয়াংগ্রং ও হামার আদিবাসীর ৪০/৫০ হাজার লোক উচ্ছেদ হয়ে যাবেন। আমাদের কাপ্তাই বাঁধে যেমন অবস্থা হয়েছিল পার্বত্য আদিবাসীদের। তাছাড়া এই বিশাল বাঁধটি যে অঞ্চলে তৈরি হতে যাচ্ছে তা একটা ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা। ১৯১৮ সালের ৭ মাত্রার রিখটার স্কেলের ভূমিকম্প সহ ১০০ বছরের ভূকম্পন প্রবণতা থেকে এ ঝুঁকি উপেক্ষা করতে পারে কেন্দ্র, কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দারা ?

পানি কি ভাবে জীবন?
বাংলাদেশের চার-পঞ্চমাংশ ভূখণ্ড তৈরি হয়েছে গঙ্গা(পদ্মা), ব্রহ্মপুত্র, মেঘনা(বরাক) নদী ব্যবস্থায়। এই গঙ্গা-বহ্মপুত্র-মেঘনা নদী ব্যবস্থা ৫টি দেশ যথা ভারত, নেপাল, ভুটান, চীন ও বাংলাদেশব্যাপি রয়েছে। এই অববাহিকায় পৃথিবীর প্রায় ১০ ভাগ মানুষ বাস করে, এই পানি সম্পদ আমাদের খাওয়া, গৃহস্থালিসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে ব্যবহার করা, উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য সেচ-এর কাজে লাগানো, সমুদ্রের লোনাপানি প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা, ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর রক্ষা করে কৃষি-বন ও আর্সেনিকের মতো বিষক্রিয়া রোধ, নৌ চলাচল, প্রাকৃতিক মৎস্য সম্পদ আহরণ ও মাছের চাষ করা, পানির দূষিতকরণ রোধ করা, শিল্প-কারখানার জন্য পানি সরবরাহ, হাঁস-মুরগি, গবাদি পশুর খামারের জন্য পানি, বনাঞ্চল ও প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাসহ নানা প্রয়োজন পূরণ করে। এইভাবে গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা বেসিনের জলপ্রবাহের সাথে আমাদের জীবনপ্রবাহ সম্পর্কিত হয়ে আছে। পানি ছাড়া প্রাণ ও প্রকৃতির সহজিয়া বিকাশ রুদ্ধ হতে বাধ্য। মানব সভ্যতার ঊষালগ্ন থেকে আজ অবধি লোকালয় হোক বা নগরায়ন হোক সবই নদী কেন্দ্রেীক। জীবন, অর্থাৎ পানির আধার যে নদী, যা মানুষ সৃষ্টি করেনি, মানুষ কেবল জন্মসূত্রে ভোগদখল করার অধিকার পেয়েছে, সেই দখলিস্বত্ব এখন টেকনোলজি আর জীবন- বিলাসের প্রয়োজনে মানুষের ক্ষমতাবান অংশ কুক্ষিগত করতে চাইছে, করছেও।

ফারাক্কা আর টিপাইমুখ, কে বেশি ধ্বংসাত্মক?
ফারাক্কা বাঁধ দিয়ে হুগলি-ভাগীরথী নদীতে পানি টেনে কোলকাতা বন্দরকে নব্য রাখার ব্যবস্থা হয়েছে। তারও আগে গঙ্গাকে উত্তর প্রদেশ, বিহার ইত্যাদি স্থানে অসংখ্য বাঁধ ও সংযোগ খাল করে সেচের জন্য পানি সরিয়ে নেয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ভাগিরথী-হুগলী নদীর পানি প্রবাহ কমে আসে। কলকাতা বন্দরের নাব্যতা বাড়ানো ও সেচের জল যোগান দেয়ার জন্য বাংলাদেশ সীমানার ১১ মাইল উজানে মুর্শিদাবাদ জেলার ফারাক্কা নামক স্থানে ফারাক্কা বাঁধ দেয়া হয়। ১৯৫১ সালে ভারত এ পরিকল্পনা করে এবং ১৯৬১ সালে বাঁধের কাজ শুরু হয় এবং ১৯৭৪ সালে তা শেষ হয়। পরীক্ষামূলকভাবে বাঁধ চালুর কথা বলে তারা স্থায়ীভাবে চালু করে দেয়। যার ফলে বাংলাদেশের ৩৭ ভাগ অঞ্চল ও ৩ কোটি মানুষ চরম ক্ষতির শিকার হয়েছে। স্থায়ী মরুকরণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের এক তৃতীয়াংশ।

টিপাইমুখে বাঁধ দরকার কেন?
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলে আর্থিক-সামরিক সাম্রাজ্য ও আধিপত্য বিস্তারের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। তারই অংশ হিসাবে এবং ভারতীয় একচেটিয়া পুঁজির মুনাফা বাণিজ্য স¤প্রসারণের জন্য পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যসমূহের পানি, তেল, কয়লা,গ্যাস ইত্যাদি প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদের পূর্ণ ব্যবহার করে ৫০ থেকে ৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন, ইস্পাতসহ ভারী শিল্প স্থাপন, বাণিজ্যিক ও পর্যটন সমৃদ্ধ এলাকা স্থাপন, সামরিক স্থাপনা নির্মাণ ইত্যাদি স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ও প্রকল্প নিয়ে ভারত এগুচ্ছে। এই বাঁধে সরাসরি সাধারণ জনগণের স্বার্থ না থাকায় টিপাইবাঁধ বিরোধী একটা বড় আন্দোলন মনিপুর-মিজোরাম জুড়ে চলমান রয়েছে। এখন ভারতের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী চীন। চীনের উত্থান ও চীন-রাশিয়ার মিলিত নব সুপার পাওয়ারকে চতুর্দিক থেকে (মধ্য এশিয়া, পূর্ব-ইউরোপ, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, ভারত, বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান) বেষ্টনি দিয়ে হুমকি এবং ভারসাম্যের মধ্যে রাখার মার্কিনী রণকৌশলের সাথে ভারতের আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তার কৌশলের কাকতালীয় মিলকেও আমলে আনতে হবে। ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যসমূহকে কেন্দ্র করে এই মহাপরিকল্পনার একটা অংশ হচ্ছে টিপাইমুখে বরাক নদীতে বাঁধ। অথচ বলা হচ্ছে, শুধুমাত্র বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা!

টিপাইমুখ ছাড়াও বাঁধ আরো আছে।
ভারত,পাকিস্তান, নেপাল ও ভুটান আগামী ২০ বছর টিপাইমুখের মত আরো ৪৪৯ টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের মাধ্যমে ১.৫ লক্ষ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা করেছে! এবং এই বিশাল প্রকল্পের গন্ধ পেয়েই ছুটে এসেছে বিশ্বব্যাংক আর তাদের বরকন্দাজ অর্থলগ্নি প্রতিষ্ঠানগুলো। আর এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে এই অঞ্চলে গ্রীণহাউস ইফেক্ট কোন মাত্রায় বাড়বে সেটা ভাবনারও বাইরে!

প্রকৃতির ওপর মানুষের মাস্তানি বন্ধ করার কাজটা করতে হয় সেই মানুষকেই। প্রকৃতির সাথে মানুষের সম্পর্ক কী – এটা ধর্ম, দর্শন ও ভাবের দিক এবং সর্বপরি আমাদের রাজনৈতিক সত্ত্বার দিক থেকে বুঝা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটাই হবে আমাদের সকলের আগামী দিনের নতুন চিন্তা, ভাবদর্শনের উৎস; যে কোন কথা, দাবি তোলার আগে তার প্রাণের দিক, প্রয়োগের দিক, বিবেচনার দিক নির্ণয় করা জরুরী।

এখানে অনেককে দেখা যাচ্ছে “বাঁধ দিলে” আমাদের পানির প্রাপ্যতা ও এর টেকনিক্যালিটি নিয়ে বিস্তর ঘাটাঘাটি করে দ্বিগগজ পন্ডিত সাজার চেষ্টা করছে, ক্যলকুলেটর নিয়ে বসে গেছে। ১৯৯৬ সালের পানিচুক্তিতে বিস্তর এসব গবেষণা উপাত্ত বসিয়ে নিশ্চিত করে, আমরা শান্তনা পেতে চেয়েছিলাম যে এইবার পানি ঠিকঠাক পরিমাণ মত আসবে। কিন্তু ফলাফল শূণ্য! বাস্তবে পানি চুক্তির পরিমাণ মত আসে নি। ভারত নতুন যুক্তি হাজির করেছে এটা “প্রকৃতির দোষ”। আমাদের পানি মন্ত্রীও ভারতের মুখপাত্র হয়ে একই কথা বলছে। জনগণ অত গভীরে যেতে পারে না। তারা এই ব্যুরোক্র্যাটিক এলম বিষয়েও জানে না, শুধু এতটুকুই জানে সে পানি পাচ্ছে কি-না? সবধরণের বাঁধ, ব্যরেজ, পানি সরিয়ে নেবার বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেওয়া ছাড়া আমরা নিজেদের রক্ষা করতে পারব না। প্রকৃতি আর বাংলাদেশ প্রত্যক্ষভাবে একাকার। এর একটি বাদ দিয়ে অপরটি অর্থহীন।

আনন্দবাজারের আত্মপোলব্ধিঃ
নিজের ল্যাজে পা না পড়া পর্যন্ত গোখরো খেয়াল করে না যে তার ছোবলে কি পরিমানে বিষ! ভারত যখন টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে ‘কিসিকো কেয়ার নেহি করেঙ্গে’ নীতিতে এগিয়ে যাচ্ছে, ঠিক তখন চীন টিপাইমুখের চেয়েও বিশাল প্রকল্প হাতে নিয়ে বসে আছে! যা বাস্তবায়ন হলে আমাদের প্রধান নদী যমুনাও শুকিয়ে যাবে! যমুনা মানে ব্রহ্মপুত্র । যা ভারতের পূর্বাঞ্চলের শ্বাসনালি। আর এটা দেখেই আনন্দবাজারের মাতম শুরু হয়ে গেছে! তারা ১০ জুন, ২০০৯ তাদের সম্পাদকীয়তে লিখছে……….
আনন্দবাজার পত্রিকার সম্পাদকীয় এখানে

নদীর উৎসে বাঁধ দিচ্ছে চিন শুকিয়ে যেতে পারে ব্রহ্মপুত্র 
বিশ্বের বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ প্রকল্প তৈরি করছে বেজিং। তাতে ভারতের সর্বনাশ। 
জীববৈচিত্রও বিপন্ন। নয়াদিল্লি, এখনও পর্যন্ত, নির্বিকার। সব ঠিকঠাক থাকলে এই বছরেই ব্রহ্মপুত্র নদের মৃত্যুঘন্টা বাজাতে শুরু করবে চিন! চিন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে প্রায় ২৯০০ কিমি এই জলরাশির মৃত্যুপরোয়ানা সই হয়ে গিয়েছিল বছর তিনেক আগেই। এবার অরুণাচল সীমান্তের অদূরে, চিনের পার্বত্য অঞ্চলে ইয়ারলুং সাংপোনদীতে বাঁধ এবং অজস্র ক্যানাল তৈরি করে, টারবাইনে বহতা নদীস্রোতকে ছিন্নভিন্ন করে ৪০ হাজার মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবস্থা প্রায় পাকা। এত বড় জলবিদ্যুৎ প্রকল্প দুনিয়ায় এই প্রথম! 
বিদ্যুৎ উৎপাদনে আপত্তি নেই। কিন্তু কৈলাস পর্বতের জিমা ইয়াংজংহিমবাহ থেকে বেরিয়ে আসা সাংপো নদীর ওই স্রোতোধারাই তো এ দেশের অরুণাচল প্রদেশে ডিহং, খানিক বাদে অসমে পৌঁছে ব্রহ্মপুত্র। একটু পরে বাংলাদেশে ঢুকে নাম বদলে যমুনা! তিন দেশের মধ্যে দিয়ে ছুটেযাওয়া আন্তর্জাতিক এক নদীর উৎসে বাঁধ দিয়ে তার প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে চায় চিন! 
ভারতের বিপদ 
চিনা আশ্বাস, সাংপো প্রকল্পের ফলে ব্রহ্মপুত্র নদে আর বন্যা আর হবে না। প্রকল্পের জলবিদ্যুৎ ভারত এবং বাংলাদেশকেও বিক্রি করা হবে। প্রথম আশ্বাসটিকে নদীবিজ্ঞানীরা উড়িয়ে দিচ্ছেন। বাঁধ তৈরি করে নদীতে জলপ্রবাহের গতি যদি কমিয়ে দেওয়া হয়, নীচের দিকে আরও বেশি পলি জমবে। তাতে প্রবাহ রুদ্ধ হয়ে বন্যা বাড়বে। হিমালয়ের ধ্বসপ্রবণ এলাকায় যে ভাবে টানেল তৈরি করা হচ্ছে, ভারতের পক্ষে সমূহ বিপজ্জনক! 
এশিয়ার বেশির ভাগ বড় নদীর উৎসই তিব্বতের হিমবাহ অঞ্চলে। সেই সব নদীকে বেঁধে ফেলার পরিকল্পনা তৈরি। জলরাজনীতি বেয়েই দক্ষিণ এশিয়ায় নিজের ষ্ট্র্যাটেজিক গুরুত্ব বাড়াতে চায় চিন।
আর ভারত? রুদ্ধ প্রবাহের দিকে মনোযোগ নেই, চিনের সঙ্গে নদী নিয়ে দ্বিপাক্ষিক চুক্তিও নেই। শুধু বেজিং পাকিস্তানকে কটা জঙ্গি বিমান দিল, সে দিকে নজর। অবশ্য, প্রতিবাদ ভারতেরও শোভা পায় না। আন্তর্জাতিক নদীতে বাঁধ তৈরির জলরাজনীতিতে সেও সিদ্ধহস্ত। কখনও ফরাক্কায় বাঁধ দিয়ে পদ্মায় জলপ্রবাহ রুদ্ধ করে সে, আবার কখনও ঝিলমে বাগলিহারআর শতদ্রুতে ভাকরা নাঙ্গালতৈরি করে পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশকে মরুভূমি বানিয়ে দেয়! বড় বাঁধের রাজনীতিই এখন দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় ট্রাজেডি!”

এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হচ্ছে আনন্দবাজার পত্রিকা “ভারতের বিপদ” আখ্যা দিয়ে যে কথাগুলি বলছে, ঠিক সেই একই বিপদ টিপাইমুখ বাঁধের কারণে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ঘটবে! বাংলাদেশের যে বিপদ ইতোমধ্যে ঘটেছে সেটাও তারা অস্বীকার করতে পারছে না! অথচ আমাদের মতলববাজ রাজনীতিক, ততধিক ধান্ধাবাজ মিডলক্লাস পেইডআপ প্যারাসাইট দালাল, নিজেকে সমাজের কোথাও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে হাজির করতে ব্যর্থ পেছনের সারির ছিঁচকে চোর টাইপের উজবুকরা তাদের দালালীর ক্যালকুলেটর টিপে টিপাইমুখ বাঁধের ‘উবগারিত্ব’ উগরে চলেছেন! ওয়াইড মিডিয়ার সেই সব তালেবরদের কিছু অনাহুত ছাও-পোনা যুগে যুগে উচ্ছ্বিষ্ট লাভের আশায় ফেউ হয়ে ঘুরতেই থাকে।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): টিপাইমুখ ও আমরা ;
প্রকাশ করা হয়েছে: সমসাময়ীক রাজনীতি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:৫৮ |বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর…

 

 

এডিট করুন | ড্রাফট করুন | মুছে ফেলুন

১৪৫৮ বার পঠিত২৩১৬৫৫১

 

মন্তব্য দেখা না গেলে – CTRL+F5 বাট্ন চাপুন। অথবা ক্যাশ পরিষ্কার করুন। ক্যাশ পরিষ্কার করার জন্য এই লিঙ্ক গুলো দেখুন ফায়ারফক্সক্রোমঅপেরাইন্টারনেট এক্সপ্লোরার

 

১৬৫টি মন্তব্য

১-৯০

১. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৫০০

রিয়াজুল ইস্‌লাম বলেছেন: চমৎকার।

প্লাস।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:০৩০

লেখক বলেছেন: বাঁধ নিয়ে আপনার মতামতটা তো জানালেন না ভাই…

২. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৫৪০

অপ্‌সরা বলেছেন: ভালো করে সবকিছু না বুঝলেও একটা প্লাস দিয়ে যাই ভাইয়া।এত সব কঠিন ভাবনাচিন্তা তোমার মাথায় আসে অবাক হই।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:০৭০

লেখক বলেছেন:

এই নিয়েই তো আমাদের জীবন, বেঁচে থাকা… তুমি সব বুঝবে না সেটা বলেছ মানে বুঝতে পারবেই। আমরা যে যতটুকু পারি আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটা বেঁচে থাকার মত রাষ্ট্র-সমাজ রেখে যেতে চাই। পারা না-পারা ভাবার চেয়ে লেগে থাকাটাই জরুরী।

৩. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৫৬০

একজন সুখীমানুষ বলেছেন: হারামজাদা ইন্ডিয়ার এখন শিক্ষা হোক। এখন পিনাক বলুক চীন বাধ দিলে ভারতের কোন সমস্যা হবে না

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:১৪০

লেখক বলেছেন: পিনাক তার হ্যাডম দেখাতে পারছে আমাদের নিঃশর্ত দালালীর কারণে।

৪. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:০০০

মুক্তি মণ্ডল বলেছেন: খুবই বিপদের কথা। অনেক কিছু জানতে পারলাম। ধন্যবাদ মনজু ভাই।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:২০০

লেখক বলেছেন: দাদা বিপদের তো সবে শুরু……সামনে আরো বড় বড় বিপদ ওৎ পেতে আছে!

৫. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:০২০

শিট সুজি বলেছেন: অসাধারন ।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:২৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

৬. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:০৮০

বিডি আইডল বলেছেন: আনন্দবাজারের পোষ্টটি ব্লগেই পড়েছিলাম…++

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:২৭০

লেখক বলেছেন:

আপনি যেদেশে আছেন সেখানে ৪/৫ জন নিয়ে একটা প্রসেশনও অনেক ইম্প্যাক্ট ফেলতে পারে….

যে যেখানে আছেন প্রতিবাদ জারী রাখুন। ফলাফল দেখার জন্য আমরা নই, আমাদের পরবর্তী প্রজন্মই থাকুক…

৭. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:১৪০

আগামি বলেছেন: টিপাইমুখ এখন হয়ে গেছে স্বাধীনতার স্বপক্ষের আর বিপক্ষের রাজনীতির নাম । এর পক্ষে বললে স্বাধীনতার স্বপক্ষের আর বিপক্ষে বললে স্বাধীনতার বিপক্ষের হতে হয় । তাই এ ব্যাপারে কথা কইতে নারাজ ।

হেইয়া মুই ছাড়ান দিছি বোজছো মনু ?

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:২৮০

লেখক বলেছেন: উঁহু, পক্ষে-বিপক্ষে অকপটেই বলতে পারেন….

৮. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:১৭০

বলেছেন: চিনের প্ল্যানটা আগেই কানাঘুসা শুনেছিলাম ।

আমার ধারনা এরপরের বিশ্বযুদ্ধ বাধবে এশিয়ার এই এলাকা থেকেই এবং যুদ্ধের কারন হবে পানি ।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:২৭০

লেখক বলেছেন:

চিন্তাশীল মানুষ অনেক দূর পর্যন্ত দেখতে পায়….আপনি অনেক দূর অব্দি দেখতে পেরেছেন!

আসলেই এমনটি হতে পারে, পারেই।

৯. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:১৮০

সায়েম মুন বলেছেন: হুমম!

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৩২০

লেখক বলেছেন: আচ্ছা।

১০. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:২৯০

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: অথচ আমাদের মতলববাজ রাজনীতিক, ততধিক ধান্ধাবাজ মিডলক্লাস পেইডআপ প্যারাসাইট দালাল, নিজেকে সমাজের কোথাও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে হাজির করতে ব্যর্থ পেছনের সারির ছিঁচকে চোর টাইপের উজবুকরা তাদের দালালীর ক্যালকুলেটর টিপে টিপাইমুখ বাঁধের ‘উবগারিত্ব’ উগরে চলেছেন! ওয়াইড মিডিয়ার সেই সব তালেবরদের কিছু অনাহুত ছাও-পোনা যুগে যুগে উচ্ছ্বিষ্ট লাভের আশায় ফেউ হয়ে ঘুরতেই থাকে।

— আর প্রতিবাদ করলেই নানা দৃষ্টিকোন থেকে একটা পয়েন্ট বের করে এড়ে তর্ক লাগিয়ে দেবে। বাস্তবে ও ব্লগে। আমার খুব পছন্দের একজন ব্লগার (যার উচ্চকিত অনেক মতামতই আমার মতামত নয়, কিন্তু তার স্বাধীন উচ্চকিত গলাটা ভালো লাগে) ও দেখলাম ‘এইসব কয়া কিছু হবে না/ ইন্ডিয়া বহুৎ তালেবর / আমাদের কান্দাকাটিতে ফল দিবো না / টিপাইমুখ দিয়া কিছু লোকের রোজগারের পথ খুলতাছে’ এইসব বলে ঘুমানোর পরামর্শ দিচ্ছেন। এত মত এত বিভ্রান্তি এত উদ্দেশ্য দেখে এইসব নিয়ে পড়াই ছেড়ে দিয়েছি। আপনার পোস্ট দেখে মনোযোগ দিয়ে পড়লাম; না পড়লেই কি ভালো হত?

প্রতিরোধের কার্যকর উপায় কি? আমরা যে নপুংসক , মননে ও চিন্তায় ?

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৩৭০

লেখক বলেছেন:

“প্রতিরোধের কার্যকর উপায় কি? আমরা যে নপুংসক , মননে ও চিন্তায় ?”

এটাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । মননে ও চিন্তায় নপুংসক অর্থাৎ পরাধীন হওয়ার কারণে অন্যায়ের প্রতিবাদের আগেই লাভালাভির চিড়ে-দই বাটোয়ারা করতে থাকি, আর সেই বাটোয়ারা নিয়ে কাদাছোঁড়াছুঁড়ি করার ফাঁকে ঠিকই নেপোয় দই মেরে যায়!

আমরা হয়ত কিছুই করতে পারব না আমাদের এই সামান্য প্রতিবাদ দিয়ে, কিন্তু পারব না বলে অন্যায় বাড়তে দিয়েই বা এমন কোন মহান কাজটি হবে ? আমরা ভারতের বিরুদ্ধে(এমন কি মায়ানমারের বিরুদ্ধেও) সামরিক শক্তি দিয়ে কিছুই করতে পারব না, (এটা সামরিক বিশেষজ্ঞরাই বলেন), তাই বলে কি আমাদের সৈন্য ভর্তি করা, মারনাস্ত্র কেনা বন্ধ আছে ? কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিকিকরণ থেমে আছে ?

১১. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৩১০

প্রশ্নোত্তর বলেছেন: হ্যাটস অফ!

১২. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৩৫০

প্রশ্নোত্তর বলেছেন:

টিপাইমুখ নিয়ে যথেষ্ঠ রাজনীতি হয়েছে, আর নয়। আপনি যে পক্ষেরই হোন না কেন এবার রুখে দাঁড়ান দেশের স্বার্থে,আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে।

সকলে আওয়াজ তুলুন টিপাইমুখ বাঁধের বিরুদ্ধে। আমরা আরেকটি ফারাক্কা চাই না। আমরা সুজলা বাংলাকে মরুভূমিতে পরিনত হতে দেব না। আমরা সম্মিলিতভাবে রুখে দেব সকল ষড়যন্ত্র।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৪২০

লেখক বলেছেন:

একটি অকুতভয় ছাত্র যদি মহাচীনের ট্যাংকবহর রুখে দিতে পারে, একজন পাভেল করচাগিন যদি ইতিহাসের উপাদান হয়ে উঠতে পারে, একজন সমীরণ বাঈ যদি জাত-পাতের ভিত্তিমূলে আঘাৎ হানতে পারে, তাহলে আমরা কেন পারব না?

আপনার মন্তব্যে শত প্রনাম!

১৩. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৩৬০

হামীম বলেছেন: ওয়াটার টেকনোলজির বিশ্বযুদ্ধে আমাদের ভূমিকা কি হবে। আমাদের দাবি আদায়ের আর কোন পথ খোলা আছে কি।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৪৫০

লেখক বলেছেন:

ভাটির দেশ হওয়ায় আমরা কাউকেই ব্লক করতে পারব না। বৃহৎশক্তি বেষ্টিত হওয়ায় আমরা কাউকেই কোণঠাসা করতে পারব না। তাই আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের বাঁচার জন্য রক্ত এবং জীবন দিতে পারব শুধু, যা ইতিপূর্বে বহুবার দিয়েছি….প্রতিবাদ চলবে..

১৪. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৩৭০

অন্যরকম বলেছেন: শুনেছিলাম ৩য় বিশ্বযুদ্ধ হবে সুপেয় পানির উৎসের দখল নিয়ে।

পদ্মায় ফারাক্কা, মেঘনায় টিপাইমুখ, এরপর ব্রক্ষ্মপুত্রের উৎসে চীণের বাঁধ….. প্রধান তিনটি নদীই যদি শুকিয়ে যায়, তাহলে কি হবে এই দেশের?

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:০৬০

লেখক বলেছেন:

২০২০ সাল নাগাদ ২৫ কোটি জনসংখ্যার ভারে ন্যুবব্জ একটা দেশের আর কি হতে পারে শুকিয়ে মরা ছাড়া !!

১৫. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৪৬০

নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন: ভাললাগল।++++++++++++++

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:২৮০

লেখক বলেছেন: যার যার অবস্থান থেকে প্রতিবাদ চলুক…..

১৬. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৪৬০

এসব কি হচ্ছে ! বলেছেন: ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করব না। আপনার অসাধারন গুরুত্বপূর্ণ পোস্টটি আশা করি আমাদের কর্তা ব্যাক্তিদের (ও কিছু ব্লগারের) বোধদয়ের জন্য কাজ করবে।

আর অবাক হচ্ছি তাদের পত্রিকা যেভাবে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টির গুরুত্ব তুলে ধরার চেষ্টা করছে, আমাদের পত্রিকা গুলো তা পারছেনা কেন? বিষয়টি খুবই আশ্চার্যজনক।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৩২০

লেখক বলেছেন:

অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ তুলেছেন। এটা নিয়ে কমকথায় বলা যাবে না। আমাদের মিডিয়া আমাদের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে বলে এখন আর ভাবতে পারিনা! কর্পোরেট দালালী করতে করতে ওদের চরিত্র এখন পেষ্য! সরকারের “উইন্ড” দেখে ওরা ছাতা ধরে।

এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত আলোচনার আশা রাখি। আপনাকে সেই আলোচনায় পেলে ভাল লাগবে।

১৭. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৪৬০

মনজুরুল হক বলেছেন:

আওয়াজ তুলুন…….টিপাইমুখ নিয়ে যথেষ্ঠ রাজনীতি হয়েছে, আর নয়। আপনি যে পক্ষেরই হোন না কেন এবার রুখে দাঁড়ান দেশের স্বার্থে,আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে।

সকলে আওয়াজ তুলুন টিপাইমুখ বাঁধের বিরুদ্ধে। আমরা আরেকটি ফারাক্কা চাই না। আমরা সুজলা বাংলাকে মরুভূমিতে পরিনত হতে দেব না। আমরা সম্মিলিতভাবে রুখে দেব সকল ষড়যন্ত্র।

১৮. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৫১০

অন্যরকম বলেছেন: শুধু আওয়াজ তুইলা কি হইব? দরকার রাষ্ট্রপরিচালকদের বাধ্য করানো যায় এমন ব্যবস্থা করা যাতে তারা আর মিউ মিউ না কইরা এক্টিভ হয়!

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৩০০

লেখক বলেছেন:

রাষ্ট্র পরিচালকরাও মিউ মিউ শুনে না-শোনার ভান করে, তাই তাদের শোনানোর জন্য, তাদের কানে পানি ঢালার জন্যই আমাদের সরব হতে হবে। জনগণ সরব হলে তারাও মিউ মিউ করা বন্ধ করতে বাধ্য।

১৯. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৫৪০

প্রশ্নোত্তর বলেছেন: @অনু

আওয়াজ তোলা সেটারই প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্ত্বপূর্ণ ধাপ। আমজনতা আঙুল চুষলে শাসকগোষ্ঠী নিশ্চিন্তে কার্য হাসিল করবে। সুতরাং আওয়াজ তোলাই এখন সবচেয়ে জরূরী।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৩১০

লেখক বলেছেন:

আওয়াজ তোলাই এখন সবচেয়ে জরূরী।

হ্যাটস অফ প্রশ্ন।

২০. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৫৭০

মেটালিফেরাস বলেছেন: পশ্চিম বঙ্গে গণনাট্যদল বন্ধ হবার পরে ওরা এখন ঢোঁড়া সাপ।

বাংলাদেশের প্রগতিশীলরা ক্ষমতার মসনদে সিজদা দেওয়ার পরে এখানে সবাই কেঁচো।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৩৪০

লেখক বলেছেন:

সমাজ-রাজনীতিতে কখনো ভ্যাক্যুম থাকেনা। সুস্থ্য রাজনীতি না থাকলে অপরাজনীতি সেই শূণ্যস্থান পুরণ করবেই….

২১. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:০১০

বলেছেন: ইউরোপ অথবা আফ্রিকায় কমন রিভার আছে অনেকগুলো । অথচ কৈ তাদের তো এত সমস্যা নেই । যত সমস্যা এই রিজিয়নেই ।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:১০০

লেখক বলেছেন:

তারা এখন আর হাইড্রো পাওয়ারের ধ্যান-ধারণায় নেই। এ্যাটমিক পাওয়ার প্ল্যান্ট বসিয়ে পাওয়ার স্টোর করছে। তারা মিষ্টি পানির মর্ম বোঝে! তাই আমাদের মত গাড়ি ধোয়ার জন্যও ওয়াসার পানি ব্যবহার করে না। ড্রেনের পানি রি-সাইকেল করে খাওয়া বাদে অন্য কাজে লাগায়।

তার পরেও আগামী বিশ্বযুদ্ধ(যদি বাধে) তা বাধবে পানি এবং পাওয়ার নিয়ে।

বলেছেন: আমার মনে হয় আমরা যে পরিমান অসভ্য রয়ে গেছি এখনো… সে পরিমান ‘রাজনীতি’ই দেখতে পাবো চোখের সামনে।

ভাগের নদী দখল করে বাঁধ দেয়া যেমন নোংরামি, তেমনি নোংরামি দেশের এই মীরজাফরের দলের ‘ বাধা দিয়ে কিছু হবে না, তাই ভোদা পেতে দে রে’… পরামর্শ।

ঘেন্না হয় এদের অস্তিত্বের উপলব্ধিতে।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:২৪০

লেখক বলেছেন:

বাধা দিয়ে কিছু না হলে ওরা নিজেদের আরো ভাল করে পেতে দিক না কেন! আমরা বিশ্বাস করি সরকার হোক, স্টাবলিশমেন্ট হোক তাদের বাধ্য করার জন্য নিয়মতান্ত্রিক ভাবে যত ধরণের আন্দোলন করা দরকার সবই করতে হবে। ব্লগও এক ধরণের মিডিয়া, কোন কিছু “ফালানো” না গেলে তারা ক্ষিপ্ত হয় কেন ? তার মানে ফালানো যায়….

২৪. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৩৫০

বাঙাল যুবক বলেছেন: দুপুরে পানি পাই নাই। সারাদিনে অল্প সময়ের জন্য পানি ছিল।

মাটির তলায় পানি নাই। বর্ষা কালে বৃষ্টি নাই। আশে পাশের নদী থেকে পানি এনে ওয়াসা আমাদের সাপ্লাই দেয়। কিন্তু সে নদীই যদি শুকিয়ে যায় তবে কোথায় যাব আমরা। এটা পাহাড়ি এলাকাও নয় দু’মাইল হেটে যে ঝর্ণা থেকে নিয়ে আসব। এতসব বাঁধের ফলে পুরো দেশটাই সাহারা হয়ে যাবে ভেবে আতঙ্কিত হয়ে পড়ছি। আমাদেরকেও মনিপুর-আসামের অধিবাসীদের মত আরো তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

পোষ্ট ষ্টিকি হোক

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:০০০

লেখক বলেছেন:

আমাদেরকে এখনো পানির জন্য রাজস্থান-গুজরাটের মত মাইলের পর মাইল হাঁটতে হচ্ছেনা! নদী থেকে সুড়ঙ্গ কেটে(ওপর দিয়ে খাল কেটে আনতে আনতে পানি বাষ্প হয়ে যায়!) পানি এনে ফসল ফলাতে হচ্ছেনা, তাই আমরা পানির মর্ম বুঝছি না।

“এতসব বাঁধের ফলে পুরো দেশটাই সাহারা হয়ে যাবে ভেবে আতঙ্কিত হয়ে পড়ছি। আমাদেরকেও মনিপুর-আসামের অধিবাসীদের মত আরো তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।”

আপনার এই কথাটির সাথে শতভাগ সহমত।

২৫. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৩৫০

প্রশ্নোত্তর বলেছেন: এই পোস্টটি আসলেই স্টিকি করা দরকার। টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে সকল অসৎ রাজনীতির অবসান হোক।

কর্তৃপক্ষ এই পোস্টটা স্টিকি করুন।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৫২০

লেখক বলেছেন:

কি হয় তাতে! থাকুক না এমনিই… এই যে আমরা সবাই একমত হচ্ছি, সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছি…. এটাই আরো ছড়িয়ে পড়ুক। এটাই একটা আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটাক………

২৬. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৩৬০

সত্যান্বেষী বলেছেন: সেইসব দালালেরা কই যাদের ধারণা দানবের বিরুদ্ধে পেরে উঠে না ক্ষুদ্র মানব? সেইসব দালালেরা কই শক্তিমান দেখলে যাদের জিহ্বায় জাগে চাটার তীব্র ইনস্টিঙ্কট।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:০২০

লেখক বলেছেন:

বিহার-ঝাড়খন্ড অঞ্চলে একটা প্রবাদ আছে……

“হাত্তি আপনে রাস্তে পে চালতে রাহেগা / পিছে পিছে কুত্তে ভুক্তা রাহেগা….”

এখানে “হাত্তি” হলো সম্মিলিত জনগণ।

আর “কুত্তে” হলো নৈরাশ্যবাদী দালাল।

২৭. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৩৭০

রাশেদ বলেছেন: হ্যাটস অফ।

তাও যদি কিছু দেশী কুকুরের হুশ ফিরে!

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৫৩০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ রাশেদ।

আমার ভীষণ অবাক লাগে! যে মানুষরা পৃথিবীর অন্যতম শক্তিশালী সেনাবাহিনীকে পর্যুদস্তু করে স্বাধীন হতে পারে, জরুরী আইনের ভেতরেও শিক্ষক গ্রেফতারের প্রতিবাদ করে জেলে যেতে পারে, আসাদের রক্তমাখা সার্ট নিয়ে যে দেশে শত শত কবিতা লেখা হতে পারে, সেই মানুষের উপর আস্থা রাখতে না পেরে চরম নৈরাশ্যজনক উক্তি করতে পারে কারা ? মীরজাফর যে যুগে যুগে ফিরে আসে সেটা বোঝা গেল।

২৮. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৩৯০

নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:

আগামী বিশ্বযুদ্ধ(যদি বাধে) তা বাধবে পানি এবং পাওয়ার নিয়ে।

হ্যা ……….. যদি নয় ঘটনা সত্যিই। কারণ পৃথিবীর ২৯.২% স্থল আর ৭০.৮% জল। কিন্তু এর মধ্যে ৬% মিঠা পানি এবং মোট মিঠা পানির ১৬% এর মালিক বাংলাদেশ। তাহলে বুঝেন আমরা কত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এর সঠিক ব্যবহা করতে পারলে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মিঠা পানির মাছ রপ্তানীকারক হতে পারব।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:২৪০

লেখক বলেছেন:

৪০ হাজার, ১৫ হাজার…..এরকম হাজার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাবার জন্য প্রকৃতির দান রুদ্ধ করে, নষ্ট করে বিদ্যুৎ পাবে ক্ষমতাবানরা, এলিটরা, তারা সেই বিদ্যুৎ দিয়ে হাজার ফুট মাটির নিচ থেকে পানি তুলবে! তার পর একসময় ভূগর্ভের পানির স্তর নিচে নামতে নামতে কোথায় যাবে আন্দাজ হয়না! আর তখন একটা মাঝারী ভূমিকম্পেই ধ্বংসস্তুপে পরিনত হবে এই জনপদ!

মিঠা পানি যে কি অত্যাবশক পণ্য হয়ে উঠবে তার পূর্ণ বিবরণ এখনই দেওয়া যাচ্ছেনা। তবে এই মিঠা পানি যাদের আছে, অর্থাৎ আমাদের, সেই আমাদের পানিই এক সময় দুর্লভ হয়ে উঠবে! সেটার জন্য খুব বেশি দিন অপেক্ষা করতে হবে না।

২৯. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৩৯০

সত্যান্বেষী বলেছেন:

সেইসব দালালেরা কই শক্তিমান দেখলে যাদের জিহ্বায় জাগে চাটার তীব্র ইনস্টিঙ্কট।

পড়ুন: সেইসব দালালেরা কই শক্তিমান দেখলে যাদের জিহ্বায় জাগে পা-চাটার তীব্র ইনস্টিঙ্কট?

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৫৬০

লেখক বলেছেন:

তাহাদের প্রভু তাহাদের কলপে মোহরাঙ্কিত করিয়া দিয়াছে!!…………আর তোমরা তোমাদের প্রভুর নামে সকল কিছুর বিরোধীতা করিতে থাকো, তাহা হইলেই কেবলমাত্র তোমরা যথাযথ গুরুত্ব এবং মর্যাদা লাভ করিতে পারিবে……………….

৩০. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:১১০

বলেছেন:

লোভী পিচাশ’গুলোর জন্য ভয়ংকর একটা পরিনতির দিকে এগোচ্ছে এশিয় পানি রাজনীতি ।

প্রকৃতি শাষনের ফলাফল সবসময় বুমেরাঙ্গের মত আত্মঘাতী হয় । ভারত, চীন, বাংলাদেশ … সবাই’কে এটা বুঝতে হবে । প্রকৃতি ডিঙ্গিয়ে উন্নতির আন্তঃদেশীয় প্রতিযোগিতা ( মাস্তানী করা ) চূড়ান্ত নির্বোধের কাজ ।

লোভী পিচাশ’গুলো হয়তো জানেনা, “প্রকৃতি সীমান্তের কাটাতার চেনেনা … কে মঙ্গোলীয়, কে ককেশিয় কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ, কে মুসলমান জানেনা … কার চামড়া কোন রঙের পার্থক্য করেনা “।

অস্বাধারণ সম্পূর্ন” এই লেখাটির জন্য … স্যালূট মনজু ভাই ।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:২৮০

লেখক বলেছেন:

কি ইদানিং একটু বিক্ষিপ্ত, উদ্ভ্রান্ত ? অথবা রেগে আছ কারো উপর ? তোমার তো এত বানান ভুল হয়না!

যা হোক চমৎকার বলেছ। “প্রকৃতি সীমান্তের কাটাতার চেনেনা … কে মঙ্গোলীয়, কে ককেশিয় কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ, কে মুসলমান জানেনা … কার চামড়া কোন রঙের পার্থক্য করেনা “।

এটাই আমরা এখন বুঝতে পারছি না। আর কবে পারব ?

৩১. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:১৬০

আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন: আওয়াজ তুলুন…….টিপাইমুখ নিয়ে যথেষ্ঠ রাজনীতি হয়েছে, আর নয়। আপনি যে পক্ষেরই হোন না কেন এবার রুখে দাঁড়ান দেশের স্বার্থে,আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে।

সকলে আওয়াজ তুলুন টিপাইমুখ বাঁধের বিরুদ্ধে। আমরা আরেকটি ফারাক্কা চাই না। আমরা সুজলা বাংলাকে মরুভূমিতে পরিনত হতে দেব না। আমরা সম্মিলিতভাবে রুখে দেব সকল ষড়যন্ত্র।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:০২০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ রোমাস। এখন এই আওয়াজটা ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে দিতে হবে…

অট. ভাল আছ তুমি ?

৩২. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৪৮০

বলেছেন: টিপাইমুখের সাথে সাথে এখন যমুনার আন্দোলনও করা দরকার। টিপাইমুখের সমস্যা সমাধানের আগেই আবার চীন যমুনার বাঁধ না দিয়ে ফেলে।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:১১০

লেখক বলেছেন:

জরুরী পয়েন্ট। এখানেই দেখা যাবে যোগ-বিয়োগের খেলা! যার থেকে কোন ভাবেই পরিত্রাণ নেই!

ধরুনঃ সাংগ্রিলায় বাঁধ ঠেকাতে ভারত বাংলাদেশকে পাশে চায়। আবার টিপাইমুখে বাঁধ ঠেকাতে বাংলাদেশ চীনকে পাশে চায়। এখন চীন আর ভারত দুজনই সমান অপরাধে অপরাধী। এরা কি কেউ একে অপরের বিরুদ্ধে যাবার জন্য বাংলাদেশকে পাশে নেবে ? না, নেবে না। বাংলাদেশের জন্য দুটি বাঁধই সমান ক্ষতিকর। দুটি বাঁধই বাংলাদেশকে মরুভূমি করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। আর এটাই নির্মম সত্যি যে, এই দুই পরাশক্তির কাউকেই আমরা আমাদের স্বার্থরক্ষার জন্য পাশে পাবনা! তাহলে বিকল্প কি? আমার ব্যক্তিমত….নিজেকে বার্গেনিং অথরিটির অবস্থানে উন্নিত করা। কিভাবে ? সেটাই রাষ্ট্রনায়কদের ভাবতে হবে। তাদেরকে সে কারণেই আমরা ভোট দিয়ে তখতে-তাউসে বসিয়েছি।

৩৩. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৫০০

এসব কি হচ্ছে ! বলেছেন: আজ থেকে ১০-১২ বছর আগে বিভিন্ন মাধ্যমে শুনতাম যে এক সময় পৃথিবীতে যুদ্ধ হবে মিঠা পানি নিয়ে আর বাংলাদেশে এটার সহজ প্রাপ্যতা থাকায় বাংলাদেশ হবে গুরুত্বপূর্ণ শিকার। তখন বিষয়টির প্রক্রিয়ার ব্যাপারে স্বচ্ছ ধারনা না থাকলেও বর্তমানে বিষয়টি একেবারেই পরিস্কার। তাই এ ব্যাপারে কারই ভুল ধারনা বা জড়তা থাকা উচিৎ নয়।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:১৩০

লেখক বলেছেন:

স্ট্রাটিজিক পয়েন্ট থেকে দেখলে এটাই বাংলাদেশকে আমলে নেওয়ার অন্যতম কারণ।

আমরা এখনো যদিওবা “বটমলেস বাস্কেট”, তবুও এই পানি নিয়েই এখনো আমাদের কিছু পরিমানে বার্গেনিং করার সুযোগ আছে।

৩৪. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৫৬০

বলেছেন: মনজু ভাই বানানে আমি খুব কাঁচা, ভুলে মাঝেমাঝেশুদ্ধটা চলে আসে ।

কারো উপর রাগ করি নাই তো । (নিজের উপর ছাড়া)

আমিতো বরাবরই বিক্ষিপ্ত , উদভ্রান্ত ( … হেয়ালী না বস্‌, এইটাই সত্য )

মাঝে মাঝে দায়িত্ব নামক সামাজিকতার একটাকটু ভন্ডামী … এই আর কি … অফিসে একটু দৌড়ের উপর ।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৩১০

লেখক বলেছেন: কবে তোমার দৌড়ের উপ্রে থাকা শেষ হবে ? ফ্রী হও, কাম আছে….

৩৫. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:২০০

ফারহান দাউদ বলেছেন: কি বলবো? আজকাল অসহায় লাগে, না, ভারতের কি করতে পারবো আমরা বা তাদের ঠেকাতে পারবো কিনা সেটা ভেবে না। অসহায় লাগে এই দেশেরই বালপোড়া বুদ্ধিজীবিরা যখন বাঁধের হাজার রকম হিসাব-নিকাশ দেখিয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রণের মূলা খাওয়াতে চায়। আরে, নদীতীরের ১টা ৩ বছরের বাচ্চাও বোঝে বাঁধ দিলে সেখানে ভাল কিছু হয় না, হতে পারেই না, হাজার হিসাব-নিকাশ করে যে কথা আমরা প্রমাণ করবো তারা তৃষ্ণায় জীবন দিয়ে অনেক আগেই সেই প্রমাণ পেয়ে গেছে, আমাদের দালালরা কোথায় কি হিসাব করে কার বালে তেল দিল তা দিয়ে তাদের কিছু যায়-আসে না। ভারতের বালে টান লাগবে কিনা সেটা দালালেরা হিসাব করুক, অন্তত কণ্ঠ তুলে আসুন নিজের সর্বোচ্চ করি, পৃথিবী ছেড়ে যাবার আগে অন্তত বলতে পারবো আমরা চেষ্টা করেছিলাম।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৪৯০

লেখক বলেছেন:

আপনি হাজার কথার এক কথা বলে দিয়েছেন…………

“কণ্ঠ তুলে আসুন নিজের সর্বোচ্চ করি, পৃথিবী ছেড়ে যাবার আগে অন্তত বলতে পারবো আমরা চেষ্টা করেছিলাম।”

আজ যখন আমরা আমাদের পূর্ব পুরুষদের ভুলের জন্য সমালোচনা করি, ঠিক তেমনি আমাদের উত্তর পুরুষও আমাদের এখনকার আপোষকামীতাকে সমালোচনা করবে। করবেই।

ধন্যবাদ ফারহান।

৩৬. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৫৬০

নূহান বলেছেন: স্টিকি করা হোক । ব্লগাররা কি পারেন না রাজপথে আন্দোলন করতে?এটা বেশি ইফেক্টিভ। মনজুরুলভাই,আপনাকে ব্লগাররা খুব শ্রদ্ধা করে । আপনি যদি একটু সংসদ ভবনের সামনে কিংবা সচিবালয়ের সামনে মানববন্ধন জাতীয় কিছু করার কর্মসূচী দিতেন তাহলে ব্যাপক সাড়া মিলবে । ব্লগ কয়জনে পড়ে ? যা করতে হবে ময়দানে ।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৩০০

লেখক বলেছেন:

আমি বা অন্য কেউ ডাক দিলেই ব্লগাররা মানব বন্ধনে দাঁড়াবেন সেটা নাও হতে পারে, কারণ ব্লগাররা বেশির ভাগই ভার্চুয়াল।

তবে আপনার প্রস্তাবনা ভাল। এধরণের কাজ হচ্ছেও। ২৯ জুলাই থেকে টিপাইমুখ বাঁধ বিরোধী জাতীয় কমিটি লাগাতার কর্মসূচী দিচ্ছে। সারা দেশে বিক্ষিপ্তভাবে মানব বন্ধন হচ্ছে।

আর ব্লগে লিখে মূলত যেটা হয়, সরকারের একাধিক সংস্থার নলেজে যায় ব্যাপারগুলো। তারা রিপোর্ট করে।

৩৭. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:০৯০

রাসেল ( ……..) বলেছেন: আহ্লাদী পোষ্টে কষে মাইনাস দাগানো হইলো।

সেই একই কথা আর সংশয়, লোকজন কিবোর্ড গুতাইয়া বাঁধ ভাইঙ্গা ফেলবে মনে হচ্ছে। কিছু কিছু মানুষ কলমের নিব দিয়ে বাঁধ ফুটা করবার প্রকল্প নিয়েছে, তাদের আহ্লাদী আর লম্ফঝম্প দেখে ভালোই লাগছে।

এই বিপ্লবাকাঙ্খা ভেতরে থাকা ভালো। কোথাও না কোথাও পাথর ঘষলে আগুণ জ্বলে উঠতে পারে। সেটা দবানল হবে কি না সেটা নিয়ে ভাববার সময় এখন।

৩৮. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:১৪০

ফারহান দাউদ বলেছেন: রাসেল, সংশয় তো খালি আপনের দেখা যাইতেসে।আমরা ঠিক কীবোর্ড গুঁতায়া বাঁধ ভাঙতে চাইতাসি না, কারণ বাঁধটা এখনো হয়ই নাই, যেইটা হয় নাই সেইটা যাতে না হইতে পারে তার একটা চেষ্টা চলতাসে। ধইরা নেন আমরা নাদান পাবলিক, কীবোর্ড গুঁতায়া আল্লাদ করা পর্যন্তই আমাগো দৌড়, সেইটাই করতাসি। আপনে আজিজের সেলিব্রিটি বুদ্ধিজীবি, পাঁচ পয়সা মার্কা গেন্ঞ্জি পইরা ঘুরাফিরা করেন, আপনে ময়দানে ঠিক কী কর্মসূচী দিতাসেন সেই বিষয়ে আমাদের অবহিত করেন, কসম আমরা আপনের লগে আছি। তবে, এই বাঁধ হইলে বাংলাদেশের ক্ষতি হইবো কিনা সেইটা নিয়া যদি আপনের সংশয় থাকে, সেইক্ষেত্রে দূরে গিয়া মরতে পারেন, আপনেরে ছাড়াও চলবো।

৩৯. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:১৬০

প্রশ্নোত্তর বলেছেন: রাসেল এখানে বিপ্লব দেখলেন কোথায়?

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৫৪০

লেখক বলেছেন: বাদ্দেন। পাত্তা না দিলেই হলো।

৪০. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:১৭০

ফারহান দাউদ বলেছেন: তবে যদি বাঁধের ক্ষয়ক্ষতি বিষয়ে আপনের সন্দেহ না থাকে, তাইলে আমাদের পথ দেখান প্রতিবাদের, আমরা অন্ধ আমজনতা আপনের আলোতে পথ চলতে আগ্রহী, কীবোর্ড ছাইড়া আপনের লগে পথে নামলাম বইলা।

৪১. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:২২০

রাসেল ( ……..) বলেছেন: এখনও ক্যাঁচলাক্যাঁচলি শুরু হয় নি। বাসদীয় বক্তব্য আসছে কয়েকদিন আগে। বাংলাদেশে আমরাই প্রথম এই বাঁধের বিরুদ্ধে মিছিল করেছি।

এখনও আরও কিছু দলীয় বিজ্ঞাপন আসা বাকি আছে, আমরাই এই বাঁধপ্রসঙ্গে সবচেয়ে উচ্চকিত ছিলাম এবং আমাদের কর্মীরা আহত হয়েছে-

এটা বামপন্থী আহ্লাদের দিকে ধাবিত হচ্ছে- সেটা বাস্তবের বাংলাদেশেও একই দিকেই ধাবিত হচ্ছে। কে আগে প্রতিবাদ করলো, কে পরে, কে মিছিল করলো আর কে করলো না। কে সঙ্গে যাবে কে যাবে না, এইসব মুলা আর গাজর ঝুলানো চলছে সবখানেই।

প্রতিবাদ হওয়া উচিত, জনসমর্থন তৈরি করা উচিত, আমরা ১৪ কোটি মানুষ নিয়েমিছিল করে যাবো টিপাইমুখ বক্তব্যও বাজারে চলে এসেছে।

তবে কি প্রক্রিয়ায় এটা শুরু হবে সেটা বলা হয় নি।

ফারহান ভাই- অতিউত্তেজনা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। নার্ভ স্ট্রেসড হলে অনেক ধরণের সমস্যা তৈরি হতে পারে। খুব খিয়াল কইরা প্রতিবাদী হইতে হবে, অহেতুক ধকল নেওয়া ঠিক না, তাইলে রাইতে ঘুমের সমস্যা হবে।

৪২. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:২৪০

রাসেল ( ……..) বলেছেন: ঘুমাইতে যাই। এত রাতে বিল্পব বিপ্লব খেলা পোষাইবো না। অবসর সময়ে এইসব খেলা খেলি আমি।

৪৩. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৩২০

ফারহান দাউদ বলেছেন: রাসেল ভাই, আমার ঘুমের কোন সমস্যা নাই, যখন যেখানে খুশি ঘুমাইতে পারি, উচ্চমার্গের বুদ্ধিজীবিদেরই শুধুমাত্র ডেলিরিয়াম দরকার হয়, আমার কোনদিনই ঘুমের ওষুধ লাগে নাই। আপনের যদি মনে হয় সবাই খেলতাসে, আপনের বরং খেলার বাইরে সিরিয়াস কিছু সাজেস্ট করেন। যেহেতু বাম ডান কোন রাজনীতির দিকেই আমার মোহ নাই, আপনের সাজেশন কার্যকর হইলে সেই পথ ধইরা আগাইতে আমার কোন আপত্তি নাই। আমি নাদান মানুষ, নিজের স্বল্পজ্ঞানে আর ৪-৫ বছর পড়াশোনা কইরা যা শিখসি তা দিয়া এইটাই বুঝছি যে এই সাইজের একখানা বাঁধ ঘাড়ের উপর বসায়া দিলে আমগো ভবিষ্যতের ফান্ডা হয়া যাইবো, অখন এইটারে আটকানি দরকার। অখনে এইটা বাম ডান রা আটকাইতে পারে ভাল , আমি তাদের লগে আছি, আর যদি আপনে তাগো খেলাধুলার চেয়ে ভাল কোন রাস্তা দেখাইবার পারেন তো আপনের লগেও আছি। আপনে বরং ঘুম থাইকা উইঠা একটা রাস্তা দেখায়া যান,আমি এবং আমার মত আমজনতা অপেক্ষায় থাকলাম।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:১০০

লেখক বলেছেন: ফারহান, ২৬ নম্বর কমেন্ট স্মর্তব্য।

৪৪. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৫০০

রামন বলেছেন: ভারতের প্রধান মন্ত্রী মনমোহন সিং বলছেন, বাংলাদেশের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায় এমন কোনো পদক্ষেপ ভারত নিবে না। কথাটি তিনি টিপাইমুখ বাঁধ নির্মান প্রসঙ্গে বলেছেন। তার এই কথাটির বিশ্বাসযোগ্যতা আপনার নিকট কতটুকু ?

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:০০০

লেখক বলেছেন:

ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এই কথাটি তাদের অনেকেই আগে বলেছেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে

“বাংলাদেশের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায় এমন কোনো পদক্ষেপ ভারত নিবে না।”

বলতে মনমোহন সিং যদি বোঝান যে ‘ বাঁধ যেহেতু ক্ষতির কারণ, তাই ভারত বাঁধ দেবে না ‘ , তাহলে সেটা বিশ্বাসযোগ্য নয়।

তিনি এবং তাদের মুখপাত্ররা আসলে বলতে চাইছেন- বাঁধ হলেও বাংলাদেশের জন্য কোন ক্ষতি হবে না! যেহেতু ক্ষতি হবে না, অতএব ভারত কার্যত বাংলাদেশের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায় এমন পদক্ষেপ নেবে না!!

 

৪৬. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:২২০

গন্তব্যহীন বলেছেন: বাল ছাল কবে আমরা মানুষ হমু? দেশের স্বার্থে কবে যে এক লগে কথা কইতারমু জানি না। এখন না আবার কেউ যুক্তি দিয়া বসে মরুভুমি হইলে ভালাইবে .। দেশের জায়গা বাড়ব মানুষের বাড়ী ঘর হইবো। আবার কইতারে নদীতে প্লাবন আইলে পলি আইবো বেশি চাষবাস ভালাইবো। সো দ্যাট আমরা লঞ্চ ভ্রমনের মাইদ্ধমে তেরান দিতারমু.।। বাল। মরুক শালারা

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৫২০

লেখক বলেছেন:

ঠিক কথা। আমগো মারনের লাইগ্যা আর কাউরে দরকার নাই, আম্রা নিজেরাই এনাফ!

মীরজাফর আকাশ থিক্কা উইড়া আসে নাই, এই বাঙ্গালী থিক্কাই জন্মাইছে, এবং এখনো সমানে বংশবৃদ্ধি কইরা যাইতেছে….

৪৭. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৭:৫৪০

ধীবর বলেছেন: মঞ্জুর ভাইকে প্রথমেই আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমরা বোধ করি পৃথিবির একমাত্র জাতি, যারা কিনা নিজের ভালো বুঝতে অক্ষম। কোন এজেন্ডা থেকে নয়, টিপাইমুখ বাধের বিরুদ্ধে প্রতিটি লেখায় নির্ভেজাল দেশপ্রেম প্রসুত তাতে সন্দেহ নেই। কেননা একে অপরের মুখ না দেখলেও, ওই একই পানি ব্যাবহার করতে হয়। অর্থাৎ পানি নিয়ে অভিমান বা ক্রোধ চলে না।

অথচ দেখুন, এই পানির ইস্যুতেও আমাদের একতা নেই। স্টিকি হবার মত একটি পোস্টেও রাস্কেলের মত একটি মন্তব্য চোখে পড়লো। আমাদের সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্য হলো, দলের অবস্থানের বাইরে যাবার মুরোদ নেই আমাদের। তাই দেখা যায়, একই ইস্যু নিয়ে বিরোধি দলের থাকার সব এক অবস্থান, আর সরকারি দলে থাকলে সম্পুর্ন বিপরীত। এই অবার্চিন মনোভাব ঝেটিয়ে বিদায় করতেই হবে। আর সেটা শুধু টিপাই নয়, দেশের স্বার্থ সংক্লিস্ট প্রতিটি ইস্যুতেই দলের চেয়ে দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে। এটাই আমাদের বার্গেইনিং পাওয়ার বাড়ানোর অন্যতম প্রধান উপাদান। +++

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৫৩০

লেখক বলেছেন:

যার সম্পর্কে বলেছেন তিনি আসলে বিকারগ্রস্থ! চিকিৎসা দরকার ! এবিষয়ে আর কিছু বলতে ভাল লাগছেনা।

পড়া এবং মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৪৮. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:৪৯০

রিয়াজুল ইস্‌লাম বলেছেন: @লেখক বাঁধ নিয়ে আমার মতামত জানতে চেয়েছিলেন।

ব্লগে বাঁধ নিয়ে প্রচুর লেখালেখি হয়েছে। আমার ও একটি লেখা ছিল।

Click This Link

এখন টিপাইমুখ বাঁধ বন্ধ করার জন্য সবচেয়ে কার্যকরি ভুমিকে নিতে পারে কেবলমাত্র বাংলাদেশ সরকার। আর আমাদের উচিৎ সরকারকে তা করতে বাধ্য করা। প্রয়োজনে রাজপথে বিরামহীন আন্দোলন। এই মতামত আমি ইতোপুর্বেও বিভিন্ন ব্লগারের লেখাতেও বলেছি।

আপনার পোষ্টে প্রথম প্লাসটা আমিই দিয়েছি। আরো একটি প্লাস দিতে ইচ্ছে করছে। মনে করুন দিলাম।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৫৮০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনার দেওয়া প্রস্তাবনাগুলো দেখলাম। ভাল লিখেছেন। তবে প্রধানমন্ত্রী এখন এই ভাবনার মধ্যে আছেন বলে মনে হয়না।

৪৯. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৩৯০

ওসমানজি২ বলেছেন: হোরাস্‌ বলেছেন: টিপাইমুখের সাথে সাথে এখন যমুনার আন্দোলনও করা দরকার। টিপাইমুখের সমস্যা সমাধানের আগেই আবার চীন যমুনার বাঁধ না দিয়ে ফেলে।

পোষ্টটি স্টিকি করা হোক।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৫৯০

লেখক বলেছেন: সমবেত দাবী কিছুনা কিছু প্রতিক্রীয়া করেই। আমাদের এই প্রচার আরো বাড়াতে হবে।

৫০. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৪৯০

সুবিদ্ বলেছেন: সবাই যার যার তালে ব্যস্ত……..কিন্তু বাংলাদেশের মতো দেশ কয়টা আছে…….যারা নিজের ভালোটাও বুঝেনা…….এইটা ভাবলেই দুঃখ লাগে……..

টিপাইয়ের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপণ হয়ে গেছে……. প্রতিবাদটা অনেক দেরীতে শুরু হইছে আসলে…….

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:০১০

লেখক বলেছেন: শুধু ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন নয়, আরো অনেক দূর এগিয়েছে কাজ। যে কোম্পানীকে কন্ট্রাক্ট দেওয়া হয়েছিল তাদের বদলে একটি সরকারী প্রতিষ্ঠানকে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নিশ্চই এর পেছনেও কোন গুঢ় রহস্য আছে!

৫১. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:০১০

আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

সবধরণের বাঁধ, ব্যরেজ, পানি সরিয়ে নেবার বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেওয়া ছাড়া আমরা নিজেদের রক্ষা করতে পারব না। প্রকৃতি আর বাংলাদেশ প্রত্যক্ষভাবে একাকার। এর একটি বাদ দিয়ে অপরটি অর্থহীন।

সময় হয়েছে, প্রতিজন বাংলাদেশীর সোচ্চার প্রতিবাদী হবার ।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:০২০

লেখক বলেছেন:

এটাই এখন মূল কথা আরাশি….সময় হয়েছে, প্রতিজন বাংলাদেশীর সোচ্চার প্রতিবাদী হবার ।

৫২. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:১০০

বৃত্তবন্দী বলেছেন: এই লেখার পরও যদি কারো কারো আচরণ না শোধরায় তবে আমার আর কিছুই বলার নেই…


গতকাল সকাল থেকে আমার মেশিন মৃত…

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:০৫০

লেখক বলেছেন:

কারো আচরণ শোধরানোর মহান দায়িত্ব আমাদের নয় বৃত্ত। আমরা আমাদের দাবী, আমাদের বিপদের কথা বলে যাচ্ছি মাত্র। সরকার বা দেশের ক্ষমতাবানরা কি করবেন সেটা তাদের ব্যাপার। তবে তারা কবে কি করবেন সেই ভরসায় ভরসা নেই বলেই আমাদের লাগাতার দাবী উচ্চকিত রাখতে হবে।

মেশিন কি ঠিক হয়েছে ?

৫৩. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:২১০

সুবিদ্ বলেছেন: আমার কমেন্টের রেফারেন্স হিসেবে নিচের লেখাটাতে একটু ঢূঁ মারতে পারেন………..

Click This Link

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:০৬০

লেখক বলেছেন:

একটু পরেই আপনার পোস্টে যাব। আপনার মন্তব্য এর লিংকের জন্য ধন্যবাদ সুবিদ্।

৫৪. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:৩৬০

আলাউদ্দীন বলেছেন: আমাদের শোষকরা যদি এই লেখা দেখে একটু বদলায়।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৩৫০

লেখক বলেছেন: নারে ভাই, এত সহজে শাসকদের চরিত্র বদলায় না! আমরা সে আশাও করি না। শুধু এতটুকুই আশা করি, তারা যেন নিজেদের গোয়ার্তুমি দেখাতে গিয়ে দেশের বারটা না বাজায়।

৫৫. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:৫১০

ছু-মন্তর বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার লেখার জন্য।+++++

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৩৭০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫৬. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:৫২০

ছু-মন্তর বলেছেন: স্টিকি করা হউক।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৩৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫৭. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:২১০

শূন্য আরণ্যক বলেছেন: পোষ্টটা ষ্টিকি করা হউক ।

<br />মনটা খুব খারাপ হলো পোষ্টের কমেন্ত গুলো দেখে ।

প্রত্যক্ষ প্রমান থাকা সত্ত্বেও এমন নির্লজ্জ চামচামি করতে পারে ? বামপন্থী আন্দোলন এতই অপছন্দ যেটার জন্য নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভংগ করতে হবে ?

যেখানে দাদারা নিজেদের গলা একটু শুকানের উপক্রম করাতে হাকডাক করে অস্থির ।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

অনেক ধন্যবাদ লিংকের জন্য আর লেখাটার জন্য ।

এরপরও অবাক লাগছে -- মানুষের ভন্ডামি দেখে দেখে চোখ পচে গেলো -- কিন্তু কথিত মুক্তমনাদের এমন আবদ্ধ গৃহপালিত চিন্তা ভাবনা !!

ট: এখানে একটা ব্যাপার পয়েন্ট করা যায় । বাংলাদেশ দূর্বল এটা অস্বীকার করা উপায় নাই । তবে বাঘের উপরে টাগ থাকে । কাউকে শক্তি দিয়া শায়েস্তা করা না গেলে বুদ্ধি দিয়ে করা যাবে ।

বাংলাদেশ একটু বুদ্ধি আর প্যাচের রাজনীতি খেল্লে এই দুই আপদ থেকেই বাচতে পারবে ।

আমরা রাজনীতি প্রিয় জাতি । কতো রকম প্যাচ করি ।

এই ভালো প্যাচের চিন্তা আমাদের মাথায় আসে না কেন ?

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৯০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ শূন্য আরণ্যক। বক্র কমেন্ট দেখে এখন আর মন খারাপ হয়না। ধরেই নিতে পারি কিছু এ্যাটনেশন সিকার থাকেই যারা নিজেরা জীবনে নিজের চার দেওয়ালের বাইরে কোন কিছু করতে পারেনি, নিজেকে কোথাও আসীন করতে পারেনি, তাদের সবকিছুতেই নেতিবাঁচক দৃষ্টিভঙ্গি থাকবেই। তবে অবাক হচ্ছি লোকটার ম্যানার দেখে! সামান্যতম লাজ-শরমের বালাই নেই! এই ব্লগে তার বর্তমান অবস্থানের পক্ষে তো কেউ নেই! তার পরও বিরামহীন ভাবে ঘেউ ঘেউ করেই যাচ্ছেন।

ঠিকই আমরা শক্তিহীন। তবে এতটা নই যে নিজেদের কবর দেওয়াটাও বসে বসে দেখব! আমাদের জনগণই একটা বিশাল শক্তি যদি তাকে কাজে লাগানো যায়।

প্যাঁচ বলতে আমি বুঝি আমাদের সীমানার ভেতরে বিকল্প বাঁধ তৈরি করা। যদিও সেটা করার মত টাকা নেই, তবুও সেটা করতে পারলে দাঁতভাঙ্গা জবাব দেওয়া যেত। এখন যেটা করা যায়……..সরকারকে বাধ্য করে বিষয়টা দ্বিপাক্ষিক না রেখে বহুপাক্ষিক করে ফেলা। তাতে করে চীনকেও টেনে আনা যায়, কেননা স্বার্থ অভিন্ন।

৫৮. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৩৬০

অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: ভাল লাগল।+++

পোস্টটা স্টিকি করার দাবী জানাই।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৩৮০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অমাবশ্যার চাঁদ। পোস্টে সহমত জানানোর জন্য অভিনন্দন।

 

লেখক বলেছেন:

ভার্চুয়াল মীরজাফরী দিয়ে খুব বেশি কিছু করা যায় না আরিফ। কেবল নিজের অক্ষম বিকৃতি কিছু সময়ের জন্য চরিতার্থ করা যায় মাত্র। কলার চারার মত মাটি ফুঁড়ে মীরজাফররা আসে না, আমাদেরই আস্তিনের তলে ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠে……..

 

 

৬১. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৩৪০

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: দারুণ পোস্ট প্লাস দিলাম

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:০৮০

লেখক বলেছেন:

হা হা হা….

পিয়াল ভাল আছেন ? পাশের বাড়িতে আপনার সিরিজ-১ দেখে এলাম।

৬২. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:১১০

কিরিটি রায় বলেছেন: নিজের গায়ে লাগলে পড়েইনা টের পাওয়া যায়…..

“ভারতের বিপদ” আখ্যা দিয়ে যে কথাগুলি বলছে, ঠিক সেই একই বিপদ টিপাইমুখ বাঁধের কারণে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ঘটবে! বাংলাদেশের যে বিপদ ইতোমধ্যে ঘটেছে সেটাও তারা অস্বীকার করতে পারছে না!

অথচ আমাদের মতলববাজ রাজনীতিক, ততধিক ধান্ধাবাজ মিডলক্লাস পেইডআপ প্যারাসাইট দালাল, নিজেকে সমাজের কোথাও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে হাজির করতে ব্যর্থ পেছনের সারির ছিঁচকে চোর টাইপের উজবুকরা তাদের দালালীর ক্যালকুলেটর টিপে টিপাইমুখ বাঁধের ‘উবগারিত্ব’ উগরে চলেছেন! ওয়াইড মিডিয়ার সেই সব তালেবরদের কিছু অনাহুত ছাও-পোনা যুগে যুগে উচ্ছ্বিষ্ট লাভের আশায় ফেউ হয়ে ঘুরতেই থাকে।

ধিক তাদেরে ।

টিপাইমূখ নিয়ে লেখা সমূহের সংকলিত লিংক

Click This Link

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৫৮০

লেখক বলেছেন:

আমাদের মতলববাজ রাজনীতিক, ততধিক ধান্ধাবাজ মিডলক্লাস পেইডআপ প্যারাসাইট দালাল, নিজেকে সমাজের কোথাও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে হাজির করতে ব্যর্থ পেছনের সারির ছিঁচকে চোর টাইপের উজবুকরা তাদের দালালীর ক্যালকুলেটর টিপে টিপাইমুখ বাঁধের ‘উবগারিত্ব’ উগরে চলেছেন! ওয়াইড মিডিয়ার সেই সব তালেবরদের কিছু অনাহুত ছাও-পোনা যুগে যুগে উচ্ছ্বিষ্ট লাভের আশায় ফেউ হয়ে ঘুরতেই থাকে।

আপনার লিংক কালেকশনটা অনবদ্য।

৬৩. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৫২০

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: +। সকল দেশপ্রেমিক বাংলাদেশীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া ছাড়া বিকল্প নেই। নতুবা এই দালাল মহাজোট সরকার বাংলাদেশের ক্ষতি হলেও তারা ভারত কে টিপাই বাধ চালু করার অনুমতি দিয়ে দিবে। তাদের কে বিরত রাখতে তীব্র গণ-আন্দোলনের বিকল্প নেই। ধন্যবাদ আপনাকে।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:২৩০

লেখক বলেছেন:

শুধু মহাজোট নয়, সকল দলের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহন দরকার। বিচ্ছিন্নভাবে কিছুই হবে না।

ধন্যবাদ আপনাকে।

৬৪. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:০৪০

বহুরূপী মহাজন বলেছেন: যে কোন ভাবেই হোক টিপাইমুখ বাধ নির্মান বন্ধ করতে হবে। প্রয়োজনে আর্ন্তজাতিক আদালতে যেতে হলে সেখানেই সরকারের যা্ওয়া উচিৎ

২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:২৩০

লেখক বলেছেন:

তারও আগে বোঝা দরকার সরকার সয়ং এটা করবে, নাকি সরকারকে বাধ্য করতে হবে ? এখন পর্যন্ত অবস্থা হলো সরকারকে বাধ্য করাতে হবে।

৬৫. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:২২০

মনজুরুল হক বলেছেন:

@কৌশিক। ঘুরে গেলেন, কিছু কইলেন না! যদ্দুর মনে পড়ে, আপনি কিছুদিন আগে বলেছিলেনঃ ব্লগ থেকে টিপাইমুখ নিয়ে একটা ক্যাম্পেইন শুরু করবেন। কিছু ভাবলেন কি ভাবে হতে পারে ?

৬৬. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:২৫০

পাগলা জগাই বলেছেন: সর্বনাশ! এইরকম লেখা মিস করেছিলাম! প্লাস প্লাস প্লাস।

২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৩৮০

লেখক বলেছেন:

সবারই এক একটি এরকম লেখা লিখতে হবে। রাজপথে নামতে হবে। ব্যক্তিস্বার্থ ভুলে দেশের স্বার্থে “স্বার্থপর” হতে হবে। টিপাইমুখ বাঁধ চাইনা। বন্ধ কর। করতে হবে।

৬৭. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৩২০

বলেছেন: আরেকটা ভাঙ্গা মেশিন দিয়ে আপাততঃ কাজ চালাচ্ছি।

২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৩৪০

লেখক বলেছেন:

কি সৌভাগ্য ! ভাঙ্গা মেশিনেও কাজ চলে !! আছ কিরোম ?

৬৮. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৪১০

বলেছেন: বেঁচে আছি এইটাই অনেক…

২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:০২০

লেখক বলেছেন:

চাঞ্চ পাওয়া গেছে! এট্টু হিন্দি ফলাই

পিচ্চিঃ আবে ইয়ার তুম তো জিনা-ই হো..

মামাঃ আবে লাল্লু ইয়ে জিনা কোই জিনা হ্যায় ? খটমল ভি আচ্ছে জি-লেতে

৬৯. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৪৩০

তায়েফ আহমাদ বলেছেন: যৌক্তিক আলোচনা!

যাদের বোঝা দরকার, এখন তারা বুঝলেই হয়।

২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:০৫০

লেখক বলেছেন:

এতটুকুতেই তারা বুঝে যাবেন, আশা করি না। তাদেরকে বোঝানোর জন্য আরো প্রচার, আরো জনসম্পৃক্ততা দরকার…কেননা বিষয়টা গণমানুষের বাঁচা-মরার….

৭০. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:০২০

বজ্রকণ্ঠ বলেছেন: কীবোর্ড বিপ্লব চলিতে থাকুক। কীবোর্ড বিপ্লব দীর্ঘজিবী হোক।

মন্তব্যের ঢালি উজার হোক। দেশপ্রেম ঝড়ে পরুক। প্রেমের স্রোত বহিতে থাকুক। প্লাস পরিতে থাকুক। ++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++

৭১. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:১৩০

বজ্রকণ্ঠ বলেছেন: কতো দেখলাম। এই সব বলেই যে ছাগু বলা হবে তা জানা আছে। ধর্ম ব্যবসায়ীরা যেমন ধর্ম নিয়া ব্যবসা করে, তেমনি এই ব্লগে কিছু লোক মুক্তিযুদ্ধ নিয়াও ব্যবসা করে। দিন তো আরামেই কাটতাছে……….

ভবিষ্যতে কি হয় বলা যায় না।

তবে রেডি আছে……………….. লেখতে থাকেন, বাঁধ ভাঙিতে থাকিবে……………

নদীতে গোসল চলিতে থাকিবে।

এক লোক ঝগড়া লেগেছে এক ব্যক্তির সাথে। ঐ লোক সেখানে ঝগড়ার সমাধান না করে যদি ঘরের ভেতর বসে সমাধান করতে চায় তা হলেই তো সমাধান হবে।

ঘটনাস্থলে যাওয়ার কি কোনো দরকার আছে?

 

৭৩. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৩৬০

রাসেল ( ……..) বলেছেন: আপনাদের খুড়ে খুড়ে নমস্কার দাদারা। আপনারা মনের অলিগলি অলিন্দে চলে যেতে পারেন অনায়াসে। আপনাদের মতো এমন অন্তর্দৃষ্টি হলো না বলেই এখনও নির্বান পেলুম না।

৭৪. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৫১০

মেটালিফেরাস বলেছেন: এই রাসেল লোকটার সমস্যা কোথায়? পোস্টে তো কোন ব্যক্তি তোষণ বা ব্যক্তি আক্রমন দেখলাম না। লোকটা তো সমালোচনাও করতে জানে না! যা করছে তা সরাসরি একটা পাবলিক ওপিনিয়নের বিরুদ্ধাচারণ, এবং করছে মেঠো ভাষা ও ভঙ্গিতে।

কুরুচীপূর্ণ।

টিপাইমুখ নিয়ে এই লেখাটি উপরে যারা স্টিকি করতে বলেছেন তাদের সাথে একমত।

লেখককে ধন্যবাদ।

২৭ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:২৬০

লেখক বলেছেন: ৭৯ নং কমেন্ট দেখুন।

৭৫. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:১৯০

ওসমানজি২ বলেছেন: পোষ্টটি স্টিকি করা হোক। পোষ্টটি স্টিকি করা হোক। পোষ্টটি স্টিকি করা হোক। পোষ্টটি স্টিকি করা হোক। পোষ্টটি স্টিকি করা হোক। পোষ্টটি স্টিকি করা হোক। পোষ্টটি স্টিকি করা হোক। পোষ্টটি স্টিকি করা হোক। পোষ্টটি স্টিকি করা হোক।

২৭ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:২৭০

লেখক বলেছেন: কোন প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। ধন্যবাদ আপনাকে।

৭৬. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৩০

এসব কি হচ্ছে ! বলেছেন: বজ্রকন্ঠ@ ভাই আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এই তথাকথিত আরিফুর রহমান ওরফে ঘনাদা এর আসল ধর্মীয় পরিচয় ও সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষের মুখোস খুলে দেয়ার জন্য।

অতি অবশ্যই পোস্টটি স্টিকি করা হোক।

৭৭. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:১৬০

মনজুরুল হক বলেছেন:

@বজ্রকণ্ঠ। অন্য পোস্টের ক্যাচালের স্ক্রিনশট এই পোস্টে অপ্রাসঙ্গিক ভাবে পেস্ট করায় আপনার ৭৫ নং কমেন্ট মুছে দেওয়া হলো।

৭৮. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৩২০

কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন: যে মনিপুরের মানুষ বছরের পর বছর প্রতিবাদ করছিল, কেন্দ্রের থাবায় সেই প্রতিবাদ ছত্রভঙ্গ তো হয়েছেই, সেখানে রাজ্য শাসিত সরকার বদলে কেন্দ্রের শাসন জারি হয়েছে। অকুপাইড টেরিটোরির মত ভারতীয় সেনারা গোটা মনিপুরে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। অত্যাচারিত হওয়ার চরমক্ষণে বাধ্য হয়ে মনিপুরের নারীরা সম্পূর্ণ উলঙ্গ হয়ে রাস্তায় নেমেছিল! তাদের বিরোধিতার কারণ ছিল যে বাঁধ নির্মিত হলে মনিপুর রাজ্যের ৩১১ বর্গ কিলোমিটার এলাকা স্থায়ীভাবে জলমগ্ন হয়ে যাবে।

এই অংশটায় গড়মিল আছে মঞ্জুদা, একটু দেইখ্যা নিয়েন।

পোস্টি স্টিকি হোক।

২৭ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৩০০

লেখক বলেছেন:

কোথায় গড়মিল আছে সেটা আপনি যেমন জানেন, আমিও জানি। তবে, এখানে সেই গড়মিল কোন বত্যয় ঘটাচ্ছে না বলে আর ডিটেইলসে গেলাম না। প্স্টে এন্ড কম্পাইল করা হয়েছে। আশা করি দীপা বুঝেছেন!

৭৯. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৪৭০

ফারহান দাউদ বলেছেন: মেটালিফেরাস, রাসেল সাবরে সেলিব্রিটি সিনড্রোমে ধরসে। এই রোগে যখন মানুষ ভুগে তখন বাকি সবাইরে বুদ্ধিহীন মনে হয়, যদিও নিজের বুদ্ধির লেভেল যে তখন হাঁটুতে নাইমা যায় সেইটা মনে থাকে না। ছাড়ান দেন, উনি ঘ্যান ঘ্যান করুক, সবাইরেই তো কিছু কইরা খাইতে হয়।

২৭ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:২৯০

লেখক বলেছেন: ঠিক কথা।

৮০. ২৭ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:১২০

মগ্নতা বলেছেন: লেখা পড়ে গেলাম আর সহমত জানিয়ে গেলাম।

২৭ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:২৪০

লেখক বলেছেন:

এই সব এক একটি সহমত এক সময় অগুনতি হয়ে উঠবে। উঠবেই……………….

৮১. ২৭ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:২৪০

বজ্রকণ্ঠ বলেছেন: অপ্রাসঙ্গিক তো লাগবেই। সহযোদ্ধা (ঘনাদা ওরফে ছাগুফুর রকমাণ) বলে কথা! যদি কমেন্ট না মুছেন তবে সাপোর্ট না ও থাকতে পারে যে!!! আর ওর টিকিঁ টা যে সেই স্কীনশটে বেড়িয়ে এসেছে তা যদি সবাই জেনে ফেল?? বলে কথা!!! জয় হোক আপনাদেরমতো শ্রুচিলদের।

৮২. ২৭ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:১৭০

রাগ ইমন বলেছেন: রাজায় রাজায় যুদ্ধ করে

উলুখাগড়ার প্রাণ যায়

আমেরিকা বনাম চীন এর “দুনিয়া গিলে খাওয়ার” যুদ্ধে আমরা হলাম সেই উলুখাগড়া।

ভারতকে আমেরিকা মিত্র বানিয়েছে চীনকে ঠেকাতে। ভারত সুযোগটাকে কাজে লাগাচ্ছে, নেপো হয়ে দই মেরে।

এই ধরনের অবস্থায় দুর্বল রাষ্ট্র গুলো কাছাকাছি মিত্র দেশ গুলোর সাথে জোট বেধে নিজেদের বাচায়। আমরা কি করবো?

ভারত গিলে খেতে চাইছে।

পাকিস্তান চিরশত্রু ।

মিয়ানমার চীনের কাছে কেনা আছে বলে চীন আমাদের পাত্তা দেয় না, স্রেফ বাজার বানিয়ে রেখেছে ।

আমরা কারও বন্ধু না। কোন দেশেরই আমাদেরকে দরকার নেই । সুতরাং আমেরিকা-ভারত জোট আমাদেরকে নিয়ে আফ্রিকার হুটু – টুটসির মত কচু কাটা করে খেলেও কেউ আসবে না বাচাতে।

মুশকিলটা ঐখানেই । জাতিগত দাঙগা বাধাতে না পেরে এখন মরুভূমি বানিয়ে মারার চেষ্টা ।

পোস্ট স্টিকি করা হোক।

২৭ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৫০০

লেখক বলেছেন:

রাগ.ই. আপনি এত্তো এত্তো হাইপ্রফাইলদের নাকের ডগায় সত্য কথাটি বলে ফেললেন! হুটু-টুটসি তো পরের কথা, আপনাকেই এখন কচুকাটা করবেন তারা! তাদের নিয়ে বড়ই বিপদে আছি। তাদের সরকার ধরে আনতে বললে তারা মেরে লাস বয়ে আনতে চান! সরকার হাঁচি দিতে বললে তারা একত্রে সকল কম্মই করে বসেন।

এটাই আমরা যেন সারা গায়ে মেখে সুখনিদ্রায় যেতে পারি যে….”আমরা কারও বন্ধু না। কোন দেশেরই আমাদেরকে দরকার নেই । সুতরাং আমেরিকা-ভারত জোট আমাদেরকে নিয়ে আফ্রিকার হুটু – টুটসির মত কচু কাটা করে খেলেও কেউ আসবে না বাচাতে।”

উই আর নোবডি।

৮৩. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৩৫০

অপ্‌সরা বলেছেন: বর্ষপূর্তী অভিনন্দন ভাইয়া।

আরো আরো অনেক বছর সুন্দর সব লেখা উপহার দিয়ে যাও এই ব্লগে।

২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৪৪০

লেখক বলেছেন:

তোমার অভিনন্দন মাথায় করে রাখলাম ভাইয়া।

কি যে বিক্ষিপ্ত সময় পার করি, তা যদি জানতে!

তোমাদের এই আসরে আছি। আছি শেষরাতের নিভু নিভু তারার মত

একদিন কোন এক ধোঁয়াটে ঘোলা ফ্যাকাসে সকালে দেখবে

নেই হয়ে গেছি! স্রেফ নেই হয়ে হয়ে গেছি…আ্যাম নোবডি!!!

৮৪. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৪১০

বিবর্তনবাদী বলেছেন: প্রিয়তে রাখতেই হল।

২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৫২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বিবর্তনবাদী।

 

৮৬. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩৩০

প্রবাসী মন বলেছেন: আওয়ামী চামচা ও দালালদের এই লেখাটি চুতরা পাতা দিয়ে ধু্ইয়ে ঠ্যাং উপরে টানিয়ে মুখের ভেতর ঢেলে খাওয়ানো দরকার। তাতে যদি ঐ সব দালালদের কিছুটা হলেও শিক্ষা হয়।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৫০

লেখক বলেছেন: ওক্কে বস।

৮৭. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২১০

বাঙ্গাল বলেছেন: পোস্ট স্টিকি করা হোক।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বাঙ্গাল। এখন আর এই প্রয়োজন নেই।

৮৮. ২৬ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ৯:২৩০

এ.বি.এম. মহসিন বলেছেন: আমরা মনে করি যেখানে বাঁধ সেখানেই বিপর্যয়। তাই বাঁধ মুক্ত জীবনের জন্য চাই বাঁধ মুক্ত পৃথিবী।

যারা আমাদের সাথে একমত তারা আমাদের ফেসবুক গ্রুপে অংশ নিয়ে এই আন্দোলনকে শক্তিশালী করুন আর শেয়ার করুন আপনার মতামত।

পোষ্টটি “বাঁধ মুক্ত পৃথিবী চাই” ফেসবুক গ্রুপে শেয়ার করা হল

৮৯. ২৬ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৪৪০

আমি অতি সাধারণ বলেছেন: যাক একজন দেশপ্রেমিক পাওয়া গেল। ৫০ টোম পলাস ডিলাম।

ভারতের দালাল কুত্তার বাচ্চাদের শিক্ষা দেয়ার মত কোন রাজনীতিবিদ এদেশে নেই – না খালেদা না হাসিনা এরা জন্মগত ভাবে চামচা আর ক্ষমতা লোভী । এখনই সময় দেশটাকে কিছু দেয়ার গত ৪০ বছর ধরে তো কেবল লুটপাট হচ্ছে ।

৯০. ২৬ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৫২০

অনিক আহসান বলেছেন: +++

 

Top of Form

আপনার মন্তব্য লিখুন

কীবোর্ডঃ  বাংলা                                    ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয় ভার্চুয়াল   english

নাম

       

Bottom of Form

 

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s