বিষাক্ত বর্জ্যযুক্ত জাহাজ আমদানিকারকদের কাছে সরকারের নতিস্বীকার > পেছনে কোন পাকা মাথা?

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৪ |

Early in the morning Rubel , 14 years old , begins ferrying workers from the beach to the ships being stripped . He has been doing this job for three years . Chittagong , Bangladesh . August 10 , 2008 . Ship breaking , popularly known as beaching , started as a business in 1972 . At present there are 20 Ship breaking Yards , on the beach of the Bay of Bengal , spreading about 8 square kilometer in Sitakunda of Chittagong .

Early in the morning Rubel , 14 years old , begins ferrying workers from the beach to the ships being stripped . He has been doing this job for three years . Chittagong , Bangladesh . August 10 , 2008 . Ship breaking , popularly known as beaching , started as a business in 1972 . At present there are 20 Ship breaking Yards , on the beach of the Bay of Bengal , spreading about 8 square kilometer in Sitakunda of Chittagong .

জাতীয় সংবাদপত্রে, ব্লগে এবং অন্যান্য মাধমে লাগাতার জাহাজভাঙ্গা কাজে শ্রমিকদের মানবেতর জীবন-যাপন, তাদের নির্মম মৃত্যু, তাদের নূন্যতম মজুরি, তাদের প্রটেকশন নিয়ে লেখালেখি এবং একর পর এক বিষাক্ত গ্যাসের বিষক্রিয়ায় শ্রমিকের মৃত্যুর সংবাদ ছাপা হতে দেখে অবশেষে সরকারের পক্ষ থেকে এই শিল্প নিয়ে নীতিমালা তৈরি করা, আমদানি নীতি কঠোর করার ঘোষণা আসে। তিন-চার মাস টানাপোড়েনের পর অবশেষে মাত্র এক মাস আগে সেই পুরোনো জাহাজ বা স্ক্র্যাপ জাহাজ আমদানির নীতিমালা তৈরি হয়।

সেই নীতিমালায় যে যে শর্ত দেওয়া ছিল তা পুরণে ব্যর্থ হওয়ায় চট্টগ্রাম বর্হিনঙ্গরে ১০ টি স্ক্র্যাপ জাহাজ আটকে যায়। আমদানিকারকের প্রধান শর্ত ছিল তাকে সার্ভেয়ার নিয়োগ দিয়ে এই মর্মে সার্টিফিকেট দিতে হবে যে, আমদানিকৃত জাহাজে কোন বিষাক্ত বর্জ্য নেই( যদিও এটা খুব যৌক্তিক ব্যবস্থা নয়, কারণ আমদানিকারকের নিয়োগকুত প্রতিষ্ঠান তার পক্ষেই মত দেবে। এটা করানো উচিৎ রপ্তানিকারক দেশের সরকারি পর্যায়ের সার্ভেয়ার দিয়ে)। কিন্তু আমদানিকারকদের সমিতি দেশের আর দশটা সমিতির মত বেঁকে বসেছে! তারা বিভিন্ন পর্য়ায়ে দৌড়ঝাঁপ করে এখন এই নীতি বাতিলের জন্য তদ্বির করে যাচ্ছেন। এবং যথারীতি সরকার তাদের সেই দাবি মেনেও নিচ্ছেন! তাহলে কি দাঁড়াল? সেই নিরাপদে আবার বিষাক্ত বর্জ্য আছে এমন জাহাজ অবাধে দেশে এসে ভিড়বে। সেই বিষের মরণ ছোবলে আবার শ্রমিকের জীবন নাশ হবে। আবার সমগ্র উপকূলজুড়ে মরণ বিষের নীল ছোবল অশিক্ষিত খেটে খাওয়া মানুষকে খুবলে খাবে। তাহলে কেন সরকার “জনকল্যাণে নীতিমালা প্রণয়ন” নামক মূলো ঝুলিয়ে দিয়েছিল? এই প্রশ্নের কোন উত্তর নাই।

Toxic chemicals in our environment threaten our rivers and lakes, our air, land, and oceans, and ultimately ourselves and our future. 
The production, trade, use, and release of many synthetic chemicals is now widely recognised as a global threat to human health and the environment.
 

এই ভীতিকর টক্সিক ওইসব স্ক্র্যাপ জাহাজে করেই এদেশে চলে আসছে। আরো জানতে এখানে দেখুন

ট্যারিফ কমিশন, মূসক, রাজস্ব বিষয়ক নীতিনির্ধারণী কমিটি, রাজস্ব বোর্ড, এই নামগুলি সাধারণ মানুষের কাছে একেবারেই অচেনা,অপরিচিত। এখানে কখন কে কি করেন, কি ভাবে কোথাকার নীতি কোথায় গিয়ে ‘নীতিহীন’ হয়ে যায়, কবে কি ভাবে কোন পণ্যের উপর আরোপিত শুল্ক কমে যায়-বেড়ে যায়, কোন পণ্য কাদের ইশারায় আমদানি নিষিদ্ধ থেকে ‘অবাধ আমদানি যোগ্য’ হয়ে যায় তার খোঁজ সাধারণ মানুষ পায় না, রাখে না। আর এই না পাওয়া বা না রাখার ভেতরেই রাতারাতি রিতিনীতি বদলে যায়। পরে কোন একদিন ‘দেশের স্বাথে’ সেই খবর সংবাদপত্রে ছাপা হলেই কেবল সাধারণ মানুষের নজরে আসে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, জাতীয় ট্যারিফ কমিশন, বিনিয়োগ বোর্ড প্রমূখ সরকারি দপ্তরগুলো প্রচন্ড ক্ষমতাবান। তাদের জবাবদিহিতাও আছে, তবে তা কার কাছে সে এক কোটি টাকার প্রশ্ন!

ব্যাপারটি হচ্ছে মাত্র কিছুদিন আগেই জাতীয় আমদানিনীতি পাশ হয়েছে। এই আমদানিনীতি অনুযায়ী নির্ধারিত হবে কোন কোন পন্য অবাধে আমদানি করা যাবে বা কোন কোন পণ্য আমদানি যোগ্য নয়, অর্থাৎ আমদানি নিষিদ্ধ। সেই আমদানিনীতি বলে পুরোনো বর্জ্যযুক্ত জাহাজ আমদানিযোগ্য নয়। আমদানি হলেও বিশেষ বিশেষ শর্ত পালন স্বাপেক্ষে। এটি একারণেই করা হয়েছে যাতে করে বাংলাদেশে কোন বর্জ্যযুক্ত জাহাজ আসতে না পারে। বিষাক্ত বর্জ্যযুক্ত জাহাজ আসলে কি কি ক্ষতি তা কম-বেশি সকলেরই জানা আছে। তেমনি সরকারেরও জানা আছে বলেই পুরোনো বর্জ্যযুক্ত জাহাজ আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে বা নিয়ন্ত্রিত করা হয়েছে। এখন একটি স্বার্থান্বেষী মহলের স্বার্থ রক্ষার্থে তাদের প্ররোচনায় সেই আমদানিনীতি পরিবর্তনের কথা উঠেছে। পুরোনো বা স্ক্র্যাপ জাহাজ আনার জন্য আমদানি-নীতি আদেশ শিথিল করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ‘পুরোনো জাহাজে বিষাক্ত বর্জ্য আছে কি না, তা বাংলাদেশের আমদানিকারকের নিযুক্ত সার্ভেয়ার কোম্পানি প্রত্যয়নপত্র দেবে।’ আমদানি-নীতিতে এই ধারাটি যুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে।

মাত্র এক মাস আগে জারি করা আমদানি-নীতি অনুযায়ী বাংলাদেশের কোনো আমদানিকারক বিদেশ থেকে পুরোনো জাহাজ আমদানি করতে চাইলে যে দেশ থেকে আমদানি করা হবে, সেই দেশের সরকার বা সরকার অনুমোদিত উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়নপত্র নিতে হবে। এতে উল্লেখ থাকতে হবে, ‘জাহাজটি বিষাক্ত বর্জ্যমুক্ত’।
আমদানি-নীতি শিথিলের জন্য পরিত্যক্ত জাহাজ ব্যবসায়ীরা অবশ্য দুই সপ্তাহ ধরে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) তদবির করছেন।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে সরকার যে এই বিশেষ মহলের সুপারিশে আমদানিনীতি শিথিল করতে চাইছে তার পেছনে কারণ কি? কেন দেশের স্বর্থের কথা বিবেচনায় না এনে একটি বিশেষ মহলের আবেদন বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হচ্ছে? এইসব পুরোনো জাহাজ কোথা থেকে আসে, তাতে কি কি বর্জ্য থাকে, তা আমাদের দেশের জন্য দেশের মানুষের জন্য কি কি ভয়ংকর ক্ষতি করতে পারে তা নিয়ে আগেও লেখালেখি হয়েছে। পরিবেশবিদ থেকে শুরু করে পরিবেশ বিজ্ঞানি, পরিবেশ আইনজীবী সমিতি সহ অনেকেই এ নিয়ে তাদের আপত্তি জানিয়েছেন। এই ধরণের জাহাজ সম্পর্কে একটা ধারণা দেওয়া যাকঃ

ইউরোপিয়ান দেশগুলো যেমন, ডেনমার্ক, জার্মানি, নেদারল্যান্ড, ফিনল্যান্ড ও সিঙ্গাপুর কেন আমাদের দেশে জাহাজ নির্মাণে আগ্রহ দেখাচ্ছে? ইউরোপিয়ান দেশগুলো তো নিজেরাই বছরের পর বছর জাহাজ নির্মাণ শিল্পে পৃথিবীর সেরা। গত প্রায় এক শতাব্দীধরেই তো তারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জাহাজ, ফেরি বোর্ট, টাগ বোট রপ্তানি করে আসছে, এখন কি এমন হলো যে তারা আমদানী করতে চাইছে? তারা তাদের দেশের গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং দায়বদ্ধ। তাই তাদের নিজের দেশের মানুষদের দিয়ে যে অমানবিক এবং বিপজ্জনক কাজ করাতে পারে না তা-ই আমাদের মত লেস ডেভেলপ্ড দেশে করিয়ে নেয়। তাদের পারমানবিক বর্জ্য জাহাজে ভরে সারা ইউরোপের কোথাও ফেলতে পারেনা। গ্রীণপিস কর্মীরা তেড়ে আসে। সেই সব জাহাজ একসময় এসে ভেড়ে এই বাংলাদেশে। মারাত্মক বিষাক্ত পারমানবিক বর্জ্য, বিষাক্ত রাসায়নিক,টক্সিন, প্রাণঘাতি যৌগ ডাম্প এবং রিসাইক্লিং করার মোক্ষম জায়গা এই বাংলাদেশ,

কেননা এখানে সস্তায় মানুষ মেলে! নামমাত্র দামে এই যুগেও দাস পাওয়া যায়! এরা ঝাঁকে ঝাঁকে মরলেও তেমন কোন সামাজিক প্রতিবাদের মুখোমুখি হতে হয়না।বড় অংকের ক্ষতিপুরণ দিতে হয়না। উন্নত দেশগুলোর যে সব বিষাক্ত পরিত্যাক্ত জাহাজ তাদের কোন বন্দরে ভেড়ার সুযোগ পায় না সেই সব হ্যাজার্ড কার্গো চলে আসে বাংলাদেশে। এইসব জাহাজ পুড়িয়ে ফেলাও যাবেনা। তাই তাকে সেটা ভাঙ্গতেই হবে। আর ভাঙ্গার জন্য বাংলাদেশ এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রেভইয়ার্ড।
জাহাজভাঙ্গা শিল্পের নামে হেল অব আর্থ বা বিশ্বের নরক!

Chittagong, Bangladesh, Some 45,000 workers of the ship-breaking industry in Chittagong are now working in hazardous atmosphere risking life in handling of old equipment used to break ships and dealing with toxic chemicals in their daily routine work. In the absence of any protective measures at least 300 workers of the yards had so far died and about 550 were handicapped in accidents in harness in the last 18 years. At present the workers of 30 ship-breaking yards in Chittagong are working at high risk of accident particularly explosion of gas cylinder and oil tanker. 

Asbestos in the Ship-breaking industry of Bangladesh: Action for Ban

জাহাজভাঙ্গা এই কাজে দেশের মানুষের কি কি ক্ষতি হচ্ছে, পরিবেশের কি কি ক্ষতি হচ্ছে, সত্যিকার অর্থে জাতীয় অর্থনীতিতে কতটুকু অবদান রাখতে পারছে সেই খতিয়ান কোথাও পাওয়া যাবেনা। এবার দেখি কি কি ডিজাস্টার ইতিমধ্যেই ঘটে গেছে, এবং এখনো ঘটে চলেছেঃ

এই ধরণের বিষাক্ত জাহাজগুলি রেখে যাবে বছরের পর বছর ধরে বিষাক্ত কেমিক্যালসের মরণ ব্যাধি। চেরনোবিল পারমানবিক বিষাক্ততার পাশ্বপ্রতিক্রিয়ায় এখনো সেখানে বিকলাঙ্গ শিশু আর প্রাণীর জন্ম হয়। আর এখানে জন্ম হবে বিশ্বের অভূতপূর্ব সব রোগব্যাধী আর ভাইরাস!!
toxicswatch-alliance against pollution & corporate crimes

ToxicsWatch keeps track of callousness, corporate crimes, military-industrial complex & their impact on humans & ecosystem. It is concerned about public health impacts from companies of all ilk and related public and corporate policies. It is an ally of WaterWatch Alliance. 

পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় বলেছে, চট্টগ্রাম বন্দরে কয়েকটি জাহাজ আটকে আছে। এতে শুধু ব্যবসায়ীরাই নন, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে উদীয়মান জাহাজ নির্মাণ শিল্পও। সুতরাং আমদানি-নীতি আদেশের সংশ্লিষ্ট শর্ত শিথিল করা না হলে জাহাজ ভাঙা শিল্পটি সামনের দিকে এগোতে পারবে না।
একই ধারার ৪০ উপধারায় বলা আছে, ‘পরিত্যক্ত জাহাজ (স্ক্যাপ ভ্যাসেল) আমদানির ক্ষেত্রে তা বিষাক্ত বর্জ্যমুক্ত এই মর্মে রপ্তানিকারক দেশের সরকার বা সরকার কর্তৃক অনুমোদিত উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়নপত্র শিপিং ডকুমেন্টসের সঙ্গে অবশ্যই দাখিল করতে হবে।’
এদিকে আমদানি-নীতি আদেশের শর্ত শিথিলের জন্য পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের আবেদনের এক দিন পর এনবিআর একই সুপারিশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে।
সুপারিশে বলা হয়েছে, আমদানি করা জাহাজ বর্জ্যমুক্ত কি না, তা আমদানিকারকেরাই বলবেন। আর তা যাচাই করবে বেসরকারি জরিপ প্রতিষ্ঠান। চট্টগ্রাম বন্দরে আসার পর আমদানিকারকেরা সরকারকে এমন অঙ্গীকারনামা দেবেন যে, বিষাক্ত বর্জ্যযুক্ত জাহাজ আনা হলে যেন বিধি অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

কি বিভ্রান্তিকর কথা! আমদানিকারক অঙ্গীকার দিলেই যেন সাত খুন মাফ! যে আমদানিকারকরা বিষাক্ত বর্জ্য বিষয়ে সামান্যতম জ্ঞাত নন, যাদের কাছে এই দেশের মানুষের বিষাক্ত টক্সিক প্রভাবে মৃত্যুঝুঁকি কোন ভাববার বিষয় নয়, যাদের কাছে মোটাদাগে ‘কর্ম সংস্থান করে দিচ্ছি’ টাইপ দাতাগিরিই প্রধান, যারা টাকার জন্য গ্রীণপিস বর্ণিত বিষাক্ত জাহাজ এনে শত শত মানুষকে বিষে নীল করতেও দ্বিধা করেন না তাদেরই কাছে চাওয়া হচ্ছে ‘অঙ্গীকারনামা’! এ যেন শিয়ালে কাছে কুমিরের বাচ্চা রেখে শিয়ালকে না খেতে অনুরোধ করা!

জাহাজ ভাঙা সমিতির সভাপতি জাফর আলম বলেন, ‘আমদানি নীতি আদেশের ওই শর্তের বিষয়টি আমাদের জানা ছিল না। এরই মধ্যে অনেক জাহাজ এসে গেছে। তবে বাংলাদেশে যেসব জাহাজ আসে, সেগুলোতে বিষাক্ত বর্জ্য বলতে কিছু থাকে না।’ এই যে সমিতি প্রধান নির্দিধায় সার্টিফিকেট দিয়ে দিলেন তার কি কোন গ্রহণযোগ্যতা আছে? তিনি কি নিশ্চিত যে আসলেই সেই জাহাজে কোন ক্ষতিকর বিষাক্ত বর্জ্য নেই? তা কেন? তিনি তো বলেই দিলেন-‘থাকে না’। তার মানে আছে কি নেই সেই প্রশ্নও ওঠে না! এখন এই ‘সার্টিফিকেট’ যদি একটি সমিতি প্রধান দিতে পারেন, আর তা যদি সরকারের একাধিক দপ্তরের কাছে গ্রহণযোগ্য হয় তাহলে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে পরিবেশ-টরিবেশ আর বিষাক্ত বর্জ্যটর্জ্য নিয়ে মাতামাতির কিছু থাকেনা। এই সব তুঘলকি আইন-কানুনের ট্যুইস্ট দেখে জনমনে গভীরভাবে এই প্রশ্ন উঠতেই পারে যে, এই বিশেষ মহল কি সরকারকেও প্রভাবিত করতে পারে? অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে-পারে! তাহলে আর কে রইল এই দেশের অশিক্ষিত সরল সোজা মানুষদের বিষের দংশন থেকে বাঁচানোর?

বিষ নিয়ে হেলাফেলা করে বিষের দংশনে গরিব খেটে খাওয়া মানুষকে ছুঁড়ে ফেলার এই মরণ খেলা অবিলম্বে বন্ধ করুন। সময় শেষ হয়ে যাওয়ার আগেই এটা বন্ধ করুন। মনে হতে পারে, এতে সামান্যই সমস্যা হবে। মনে হতে পারে-এতে কি-ই বা আসে-যায়? কিন্তু বিষের ছোবল শুধুই যে এর সাথে জড়িত সাধারণ শ্রমিকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে সেই গ্যারান্টি কেউ দিতে পারেনা।

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বিষাক্ত বর্জ্যস্ক্র্যাপজাহাজভাঙ্গাটক্সিকশ্রমিকের মৃত্যু ;
প্রকাশ করা হয়েছে: প্রবন্ধ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুন, ২০১০ ভোর ৪:২৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর…

এডিট করুন | ড্রাফট করুন | মুছে ফেলুন

২২০ বার পঠিত১২৮১৩

মন্তব্য দেখা না গেলে – CTRL+F5 বাট্ন চাপুন। অথবা ক্যাশ পরিষ্কার করুন। ক্যাশ পরিষ্কার করার জন্য এই লিঙ্ক গুলো দেখুন ফায়ারফক্সক্রোমঅপেরাইন্টারনেট এক্সপ্লোরার

২৮টি মন্তব্য

১-১৪

১. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৭০

ভাঙ্গন বলেছেন: এই লেখাটা আজকে ‘ভোরের কাগজে’ পড়েছিলাম !

অনেক ভাবনা যোগায় লেখাটা!

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৩০

লেখক বলেছেন:

কাগজের লেখাটা আর একটু এনলার্জ করেছি এখানে। সাথে কিছু লিঙ্কও যোগ করেছি।

অনেক ধন্যবাদ ভাঙ্গন।

২. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৫০

প্রশ্নোত্তর বলেছেন: লেখাটা আসতে আসতেই মাইনাস দিল কে?

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৬০

লেখক বলেছেন: কি আর করা যাবে! লতা মুঙ্গেশকরের মত গাইতে হবে…কলঙ্ক আমার ভাললাগে….

৩. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৯০

দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:

সরকার নতি স্বীকার করেনি। সরকার ওই বানিজ্য থেকে কিছু কামাই করে নিচ্ছে। নতি স্বীকারের প্রশ্ন উঠত যদি সরকার বিষয়টির বিপক্ষে থাকতো। কিন্তু এখানে ঘটনা তো উল্টা।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৮০

লেখক বলেছেন:

এই দেশে সিন্ডিকেট নামক সীলমারা প্রতিষ্ঠানগুলি মাঝে মাঝে সরকারের চেয়েও বেশি ক্ষমতা ভোগ করে! তাদের ঘাটানোর বোকামি সরকারই বা কেন করবে?

আর টু-পাইসের বিষয়টি তো ওপেন টু অল!

৪. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১০০

দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:

ব্যাপারটা আমিও দেখেছি। আমার কমেন্টে বলতে চেয়েছিলাম, পরে চেপে গেছি। আমার বুক রিভ্যুউয়েও মাইনাস আছে।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৫০

লেখক বলেছেন: যে দিয়েছে তাকে চিনেছি। আপনার-আমার কারো সাথেই তার কোন ইন্টারেক্শন নাই! এটা হলো “জাস্ট আই ড্রিঙ্ক এমনি এমনি” !!

বাদ দিন। আসুন আমরা অনাগত ভয়াবহতা উপভোগ(!) করি……..

৫. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৫১০

মেটালিফেরাস বলেছেন: জাহাজ ভাঙ্গা সমিতির জাফর আলমকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে বলেই তিনি সরকারের নীতি পরিবর্তনের মত কঠিন কাজে হাত দিয়েছে। এনবিআর বা পরিবেশ অধিদপ্তরের মনে হয় কিছুই করার নেই সরকার এক বার “হ্যাঁ” বলে ফেললে।

লেখাটা ভোরের কাগজে পড়েছিলাম আগেই।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৩৪০

লেখক বলেছেন:

ওরা বাজেট করেই নামে। শেখ হাসিনার প্রথম দফায় চট্টগ্রাম কাষ্টমসের কয়েকজন কর্মকর্তার চাকরি একই দপ্তরে ১৫/১৬ বছর হয়ে যাওয়ায় তাদের বদলি করা হয়েছিল। তারা ওই সময়ে এত টাকা ঘুষ খেয়েছিল যে বদলি হলে তাদের আয়েশী জীবনটা মরুভূমি হয়ে উঠত।তাদের একজনের বাড়ির গেট খুলত রিমোট কন্ট্রোলে! খুলসিতে এক একটা অট্রালিকা! তাই তারা সিন্ডিকেট করে ৪ কোটি টাকার বাজেট করে!

ফলাফল-বদলি বাতিল!

১০ টা জাহাজ উপকূলে ভেড়ার অপেক্ষায় আছে। ভিড়তে না পারলে কত কোটি লোকসান? সেই লোকসানের চার ভাগের এক ভাগ বাজেট করলেই কাফি! সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ঢালার জন্য তারা প্রস্তুত! সরকারের “হ্যাঁ” না বলে উপায় আছে বলে মনে হয়না।

৬. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৫৪০

মেটালিফেরাস বলেছেন: ভাল কথা; আপনার এই জাহাজ ভাঙ্গা নিয়ে এর আগেও লেখা ছিল। এই লেখা গুলি নিয়ে কোন বইয়ের কথা ভেবেছিলেন কি? আপনার মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বইয়ের কথা পড়লাম বলে বলছি।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৯০

লেখক বলেছেন:

না ভাই এই লেখা নিয়ে কোন বই বের হয়নি। তেমন কোন ইচ্ছাও নেই।

ধন্যবাদ আপনাকে।

৭. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৫৯০

আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

নামমাত্র দামে এই যুগেও দাস পাওয়া যায়! এরা ঝাঁকে ঝাঁকে মরলেও তেমন কোন সামাজিক প্রতিবাদের মুখোমুখি হতে হয়না।বড় অংকের ক্ষতিপুরণ দিতে হয়না। উন্নত দেশগুলোর যে সব বিষাক্ত পরিত্যাক্ত জাহাজ তাদের কোন বন্দরে ভেড়ার সুযোগ পায় না সেই সব হ্যাজার্ড কার্গো চলে আসে বাংলাদেশে।

 

এটাই আসল কথা

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২১০

লেখক বলেছেন:

এই সব তুঘলকি আইন-কানুনের ট্যুইস্ট দেখে জনমনে গভীরভাবে এই প্রশ্ন উঠতেই পারে যে, এই বিশেষ মহল কি সরকারকেও প্রভাবিত করতে পারে? অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে-পারে! তাহলে আর কে রইল এই দেশের অশিক্ষিত সরল সোজা মানুষদের বিষের দংশন থেকে বাঁচানোর?

কোথাও কেউ নেই!

৮. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:০৯০

ফিরোজ-২ বলেছেন: মমাত্র দামে এই যুগেও দাস পাওয়া যায়! এরা ঝাঁকে ঝাঁকে মরলেও তেমন কোন সামাজিক প্রতিবাদের মুখোমুখি হতে হয়না

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫০০

লেখক বলেছেন:

রাষ্ট্রের কর্ণধাররাই যেখানে এদের সহায়তা দেয় সেখানে সামাজিক প্রতিরোধ আর কতটুকু ঠেকাতে পারে!

৯. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৪২০

মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: আসুন আমরা অনাগত ভয়াবহতা উপভোগ(!) করি……

আমরা কি এতটাই অসহায়?

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৬০

লেখক বলেছেন:

অবস্থাদৃষ্টে তো তাই মনে হচ্ছে! সহায় হতে পারে যে সরকার, তাকেই তো জিম্মি করে তার নীতি বদলাতে বাধ্য করা হচ্ছে।

১০. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৩০

খারেজি বলেছেন:

খুব গুরুতর বিষয় হলো পরিবেশবাদী নামের সংগঠনগুলো দায় সারছে যেনতেন ভাবে!

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৩১০

লেখক বলেছেন:

এনজিওদের দৌড়ের এন্ডিং আপনি জানেন নিশ্চই? “বেলা” যতটুকু করে তা কি তাদের নিজেদের মগজ দিয়ে করে? মনে হয় না।

সমস্যা হচ্ছে সব ধরণের পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো তৈরি হয় একদঙ্গল আইনজীবী সমন্বয়ে। এদের আল্টিমেট গোল কোর্টেই শুরু, কোর্টেই শেষ।

যেহেতু এর বিকল্প কিছু আপাতত নেই তাই এদের হাতকেই শক্তিশালী করা একটা কৌশলগত উপায় হতে পারে।

এত অনিয়মিত কেন আপনি?

১১. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫৩০

সাহসী বলেছেন: মাথাভাঙ্গা মাথারাই জাহাজভাঙ্গার পেছনে। আপনাকে ধন্যবাদ।

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:০৭০

লেখক বলেছেন:

অনেক কথার সার কথা বলে দিয়েছেন।

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সাহসী।

১২. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৯০

জেমিনি বলেছেন: মনজু ভাই ভাল আছেনতো???? দিন কাল কেমন যাচ্ছে আপনার???

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৬০

লেখক বলেছেন:

ভাল নেই ভাই! আসলেই ভাল নেই।

দিনকাল কেটে যাচ্ছে কোনও রকমে। তোমার পরীক্ষাটরীক্ষা সব শেষ হয়েছে? ডিজাইনিং নিয়ে এখন কি অবস্থা? অনেক দিন পর দেখে ভাল লাগল জেমিনি।

১৩. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৫৫০

রাগ ইমন বলেছেন: ওরা ভোগ করুক, আমরা উপভোগ!

মাঝে মাঝে মনে হয় , এই দুনিয়ায় আমার শিশুকে আনব কি না। চারিদিকে এত বিষাক্ত বাতাস!

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫৩০

লেখক বলেছেন:

অনাগত শিশু তার ভবিতব্য নিয়েই আসবে। আপনার বা আপনাদের তাতে বাগড়া দেওয়াটাই বরং অপ্রকৃতিগত বিষয়।

বিষাক্ত বাতাসই যদি তাদের পূর্বপুরুষদের আমলনামা হয় তাহলে তাতে তার অবগাহণে তো তার পাপ নেই, পাপ তার পূর্বসূরীর।

১৪. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২৫০

জেমিনি বলেছেন: আমার সব পরীক্ষা শেষ  এখন একদম ফ্রি আছি বলা যাবে না। হাবিযাবি নিয়ে ব্যস্ত। হুম ডিজাইনের কাজ চলছে।

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৭০

লেখক বলেছেন:

কি আনন্দ! হাবিজাবি নিয়ে ব্যস্ত থাকার যে কি মজা সেটা জীবনেও বুঝলাম না! সারা জীবন কেবল সিরিয়াস আর সিরিয়াস! সরল সোজা একটা জীবন পেলাম না। এ প্রসঙ্গে নির্মলা মিশ্রের সেই গানটা মনে পড়ে গেল……….

এমন একটা ঝিঁনুক খুঁজে পেলাম না

যাতে মুক্তো আছে-

এমন কোন মানুষ খুঁজে পেলাম না

যার মন আছে!!

ভাল থেকো জেমিনি।
Top of Form

আপনার মন্তব্য লিখুন

কীবোর্ডঃ  বাংলা                                    ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয় ভার্চুয়াল   english

নাম

       

Bottom of Form

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s