ল্যাম্পপোস্টের সাহসী তরুনদের অভিবাদন

208515_166594363393638_100001292274617_324319_2005832_n

০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৫৬ |

 

বাংলাদেশে বিরোধী দলের ওপর নানা ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রায় প্রথম থেকেই শুরু হয়েছে। যেভাবে এটা হয়েছিল তার তুল্য কোনো ব্যাপার ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের আগে পাকিস্তানেও দেখা যায়নি। মত প্রকাশের স্বাধীনতা, মিটিং-মিছিলের অধিকার ইত্যাদি দিক দিয়ে বিচার করলে বাংলাদেশের জনগণ গণতান্ত্রিক অধিকারহীনতার মধ্যেই বরাবর বসবাস করে এসেছেন। নিজেদের আন্দোলন ও শক্তির জোরে তারা কোনো কোনো সময় নিজেরা স্বাধীনভাবে কাজ করলেও সরকার যখনই সুযোগ পেয়েছে তখনই জনগণের অধিকারের ওপর হামলা করেছে।

এখনকার অবস্থার দিকে তাকালেও দেখা যাবে, দুই বছরের দখলদারি সামরিক শাসনের পর সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে ক্ষমতাসীন হলেও বর্তমান সরকার জনগণের মত প্রকাশের স্বাধীনতা, মিটিং-মিছিলের ওপর যেভাবে হামলা করছে আপাত দৃষ্টিতে এটা এক বিস্ময়কর ব্যাপার। মিটিং-মিছিলের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখার জন্য তারা অনুমতির ব্যবস্থা করেছে। এছাড়া মিছিলের ওপর নানারকম নিষেধাজ্ঞা বজায় রেখে এবং পদে পদে বাধা দিয়ে তারা জনগণের সাংগঠনিক স্বাধীনতাকে বেশ প্রকটভাবে খর্ব করেছে। ফ্যাসিবাদের অর্থ শুধু হত্যাকাণ্ড, জেল-জুলুম নয়। যে কোনো ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থায় সরকারকে দেখা যায় আইনের আওতার বাইরেও জনগণের ওপর জুলুম করতে, তাদের স্বাধীনতা খর্ব ও হরণ করতে। এদিক দিয়ে দেখা যাবে শুধু বর্তমান সরকারই নয়, এ যাবৎকাল বাংলাদেশের প্রত্যেকটি সরকারই ফ্যাসিবাদের এই চরিত্র-লক্ষণসম্পন্ন।

বর্তমানে ঢাকায় যেখানেই মিটিং করা হোক, তার জন্য পুলিশের অনুমতি লাগে। মাইক ব্যবহারের জন্য অনুমতি লাগে(অথচ যৌন রোগের তেল বেঁচতে মাইকের অনুমতি লাগে না!) মিছিল করলে তাতে পুলিশের বাধা এক সাধারণ ব্যাপার। এই নির্যাতনকে পুলিশি নির্যাতন বলা হলেও আসলে এটা হলো সরকারের নির্যাতন। পুলিশ কোনো স্বাধীন সংস্থা নয়। যে সরকার ক্ষমতাসীন থাকে তার নির্দেশ অনুযায়ীই পুলিশ কাজ করে বা কাজ করতে বাধ্য হয়। কাজেই পুলিশি নির্যাতন বলতে আসলে সব সময়েই বোঝায় সরকারি নির্যাতন।

গত রোববার ভারতীয় দূতাবাসের সামনে তাই যা ঘটেছে, তাতে পুলিশের ভূমিকাকে বাড়াবাড়ি শুধু নয় চরম বাড়াবাড়িই বলা যায়। কেননা ল্যাম্পপোস্ট নামের একটা প্রায় অখ্যাত সংগঠন তার অল্পকয়েকজন তরুন-তরুনী কর্মী নিয়ে ভারতীয় দূতাবাসের জন্য কতখানি হুমকি সৃষ্টি করছিল তা সহজেই অনুমান করা যায়, ছবিতেও দেখা গেছে ছেলে-মেয়েগুলোর হাতে একমাত্র অস্ত্র বলতে ছিল টিপাইমুখ বাধের প্রতিবাদে লেখা কিছু ফেস্টুন আর চোখেমুখে ক্রোধ। এটাকেও অবশ্যি অস্ত্র বলা যায় সরকারী ভাষ্যে!

ওই সংগঠনের দু’জন কর্মীকে পুলিশ রিমান্ডে নিয়েছে, প্রথম আলো ল্যাম্পপোস্ট সংগঠনটির সাথে কোন চরমপন্থি সংগঠনের যোগ আছে, তারা কিভাবে পাঠচক্রের নামে কর্মী সংগ্রহ করে, তার উস্কানিমূলক বর্ণনা তুলে ধরেছে। ল্যাম্পপোস্ট নাকি পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি(এম এল) এর ভগ্নাংশ! ২০০৫ সালে এই অংশের নেতা মোফাখ্খার চৌধুরীকে রেব “ক্রসফায়ারে” হত্যার পর পার্টি ভেঙ্গে গেলে নাকি এরাই পার্টিকে সংগঠিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে! আমরা জানি এই ঢাবি তে শত শত পাঠচক্র আছে। আছে বিভিন্ন নামে পাহাড়ি ছাত্রদের সংগঠন, আরো আছে উগ্র ধর্মীয় পাঠচক্র। এসবের ভেতর থেকে অনুসন্ধিৎসু প্রতিবেদক ঠিকই নিষিদ্ধ ঘোষিত পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির অস্তিত্ব পেয়ে গেলেন! মারহাবা!!

এখানে সেই বোকা কৃষকের গল্পটা প্রনিধান যোগ্য। চালাক বাঁদর কৃষকের খাবার খেয়ে বোকা ছাগলের মুখে এঁটো মাখিয়ে রাখত। আর কৃষক না বুঝে ছাগলকে ধরে পেটাত। বাস্তবে “সকল শ্রেণীর পত্রিকা” প্রথম আলো দেশের স্বার্থে একটি ন্যায্য দাবি আদায়ের জন্য বিদেশী দূতাবাসের সামনে মিছিলকারী ল্যাম্পপোস্টের কর্মীদের বিরুদ্ধে সরকারকে কানপড়ানি দিচ্ছে। ঠারে-ঠোরে সরকারকে এও বুঝিয়ে দিচ্ছে যে এরা ভয়ংকর! এরাই সেই মোফাক্কারের চ্যালা। আর সরকার যেন এদের আচ্ছামত টিট করতে পারে সে জন্য আরো বলা হচ্ছে…..”এরা নিজেদের সংগঠনের নাম ঠিকানা বলতে রাজি হয়নি। এরা বহিষ্কৃত সদস্য ঋত্তিক ওরফে আত্তাব ওরফে দাউদ,সফি, সুমন। এদেরকে কেন্দ্রীয় কমিটি বহিষ্কার করার কারণে এরা নতুন করে “ল্যাম্পপোস্ট” নামে আত্মপ্রকাশ করতে চাইছে”।

তাহলে ব্যাপারটা কি দাঁড়াচ্ছে? টিপাইমুখ ইস্যুটা পুরোটাই হাওয়া! কেন বাংলাদেশের মানুষ টিপাইমুখ বাঁধের বিরোধিতা করছে, কেন এই বাঁধের বিরোধিতার জন্য গুলশানের অভিজাত এলাকায় সুরক্ষিত ভারতীয় দূতাবাসের সামনে তরুন-তরুনীরা মিছিল করতে গেছে, কেন এবং কি কি কারণে টিপাইমুখ আমাদের জাতীয় অস্তিত্বের প্রতি মারাত্মক হুমকি এর কোন কিছুই ওই রিপোর্টে আসেনি। আসার কথাও নয়। কারণ ওই পত্রিকাটির উদ্দেশ্যই এই ঘটনাটিকে একটি বিশেষ দলের ট্যাগ দিয়ে সরকার এবং সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা। এবং তারা তাতে সফল(!)। এখন সাধারণ মানুষ টিপাইমুখ বাঁধের ইস্যুর চেয়ে বড় স্ক্রুপ আইটেম মনে করতে থাকবে কারা এই ল্যাম্পপোস্ট ?জামাতীরা নতুন ইস্যুতে কাছা দিয়ে বলবে-মার ব্যাটাদের!

জনাব মতিউর রহমান। কমরেড মতিউর রহমান। এক সময়কার বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি’র মুখপাত্র সাপ্তাহিক “একতা”র সম্পাদক। সেই দিনগুলির কথা মনে পড়ায় আরো একটি স্মৃতি মনে পড়ে। এখন যে প্রথম আলো নিজেকে “সকল শ্রেণীর পত্রিকা” বলে হাজির হতে চাইছে, ঠিক একই ভাবে ১৯৬০ সালে নিকিতা ক্রুশ্চেভ দ্যুমায়(পার্লামেন্টে) দাঁড়িয়ে বলেছিলেন- সোভিয়েত ইউনিয়ন এখন আর কেবল মাত্র শ্রমিক শ্রেণীর নয়, এটা এখন সমগ্র সোভিয়েত ইউনিয়নবাসীর। এই “সকল শ্রেণীর” কথাটা শুনলেই ভয় লাগে! কেননা, আমরা দেখেছি সোভিয়েত আর সকল শ্রেণীর থাকেনি। হয়ে উঠেছিল ক্রেমলিন দুর্গের বাসিন্দা সকল ক্ষমতাবান বুর্জোয়াদের রাষ্ট্র। তেমনি এই কাগজটিও হয়ে উঠেছে সকল শ্রেণীর নামে নব্য বেনিয়া পুঁজির সেবাদাস সমাজের প্যারাসাইট বুর্জোয়াদের মুখপাত্র। যাদের কাজই হচ্ছে নিপীড়কের পক্ষে দালালি করা।

মোফাক্কার চৌধুরী এবং ডাক্তার টুটুল মারা যাবার পরও তাদের সংগঠনের কোন কর্মী প্রকাশ্যে মিটিং-মিছিল করেনি। প্রতিবাদ করেনি। এটা তাদের ধারায় নেই। তারা গণ সংগঠন নয়। আর টিপাইমুখ নিয়ে তারা অবশ্যই প্রতিবাদী, কিন্তু এই ইস্যুতে তারা প্রকাশ্যে একটি দূতাবাসের সামনে অবস্থান করবে, প্রকাশ্যে সংবাদ সম্মেলন করবে, তাদের নাম বলবে, এটা চৈত্র মাসের আঁষাড়ে গল্প। এই কর্পোরেট মিডিয়া গোষ্ঠির এখনকার কাজ হলো, তারা ওই ২ জন কে রিমান্ডে নিয়ে স্বিকারোক্তি আদায়য়ের জন্য সুপারিশ করবে। আর তাতে করে টিপাইমুখ বিরোধিতা যে সামান্য কিছু দলছুট নিষিদ্ধ ঘোষিত ছেলেপুলের কাজ এটা প্রমান করা যাবে। এবং এতে করে ভারতীয় কতৃপক্ষের সাথে সহমতেও থাকা যাবে। আ.লীগ. বিএনপি, জামাত বা অন্যান্য দল, এমনকি সিপিবিও যদি এই ইস্যুতে সরব থাকত বা থাকার রেকর্ড থাকত তাহলে এদেরকে এমন এঁটো মাখানোর ফাজলামো করতে হতো না।

জীবন-জীবীকার প্রায় প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে ভারতীয় পণ্য ব্যবহার করে, ভারতের উপর অর্থনৈতিক ভাবে প্রায় পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে যেমন ভারত বিরোধিতা করা যায়না, তেমনি কর্পোরেট বাণিজ্যের বেসাতিতে নাক ডুবিয়ে নির্মোহ জনদরদী সাংবাদিকতাও করা যায় না। আমার দিন পনের আগের নিয়মিত পোস্টে(সংবাদপত্রে) লিখেছিলাম—
“টিপাইমুখ বাঁধ এখন রাজনীতির দাবার বোর্ডে আড়াইচালের ঘোড়া”। এই ইস্যু নিয়ে জামাতীরা এক রকম খেলা খেলছে, সরকার এক ধরণের নতজানু মলমপট্টি দিয়ে চলেছে, বিএনপি নিজেদের ঘর গোছানোর অজুহাতে এই ইস্যু থেকে চোদ্দহাত দূরে রয়েছে। অথচ বিস্ময়কর ব্যাপার হচ্ছে এই টিপাইমুখ বাঁধ আজকের ইস্যু নয়।

১৯৭৪ সালে যৌথ নদী কমিশনের ৭ম, ৮ম, ১০ম ও ত্রয়োদশ বৈঠকে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বরাক নদীর ওপর বাঁধ নির্মাণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ২০০৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে যৌথ নদী কমিশনের ৩৫তম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ সম্পর্কে মেজর (অব.) হাফিজ আপত্তি জানালে ভারতীয় দলের নেতা অর্জুন শেঠী আশ্বাস দিয়েছিলেন, ভারত এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা করবে। সর্বশেষ বৈঠকে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণের কথা জানানো হয়। কিন্তু কোনো ধরনের বাঁধ নির্মাণ করা হবে না বলে জানানো হয়েছিল। এরপর প্রতি বছর ৪ বার করে যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত আর কোনো বৈঠক হয়নি। এর আগে টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ বন্ধের প্রতিবাদ জানিয়ে এবং কী প্রক্রিয়ায় তারা জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণ করবে, এ সম্পর্কে জানতে কয়েক দফা চিঠি দেয়া হলেও ভারতের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের জবাব তারা দেয়নি। 

আমরা জানিনা শেষ পর্যন্ত এই বাঁধ নির্মাণ বন্ধ করার ব্যাপারে আমাদের প্রচেষ্টা সফল হবে কি না, কিন্তু প্রতিবাদ যে করে যেতে হবে সেটা দিবালোকের মত পরিষ্কার। এই প্রতিবাদের ভাষা কেমন হবে, কি কি ভাবে প্রতিবাদ করা যাবে সেটাও যদি কর্পোরেট বেনিয়াদের কাছে শিখতে হয়, তাহলে আমাদের প্রতিবাদের সুরে আর দ্রোহ থাকবে না। হয়ে পড়বে অন্তসারশূণ্য। আমাদের তথাকথিত জাতির বিবেক সুশীল শ্রেণী কি তাই চাইছেন? তাই যদি না হবে তাহলে তারা একঢিলে দুই পাখি মারতে চাইছেন কেন? কেন তারা গণমানুষের দাবিকে সামান্য কিছু তরুণ-তরুণীর হঠকারিতা আখ্যা দিয়ে দিকভ্রান্ত করতে চাইছে? কেন একটি গ্রুপ বা দলের অংশকে ট্যাগিং করে তাদের বিরুদ্ধে সরকারকে “শক্ত” হওয়ার নসিয়ত করছে? শেষ পর্যন্ত কি এটা প্রগতির বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়ার আস্ফালন নয় !!

 

প্রকাশ করা হয়েছে: প্রবন্ধ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:৫৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর…

 

 

এডিট করুন | ড্রাফট করুন | মুছে ফেলুন

১২৪৩ বার পঠিত৮১০১৩৮

 

মন্তব্য দেখা না গেলে – CTRL+F5 বাট্ন চাপুন। অথবা ক্যাশ পরিষ্কার করুন। ক্যাশ পরিষ্কার করার জন্য এই লিঙ্ক গুলো দেখুন ফায়ারফক্সক্রোমঅপেরাইন্টারনেট এক্সপ্লোরার

 

১০১টি মন্তব্য

১-৫৪

১. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:০৪০

মনজুরুল হক বলেছেন: বাগ কি না জানিনা। এডিট করতে গিয়ে দু’দুবার পোস্ট মুছে গেছে। যে দুজন কমেন্ট করেছিলেন তাদের কমেন্ট এর স্ক্রিনশট দেওয়ার চেষ্টা করছি।

২. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:০৫০

দ্বিতীয়নাম বলেছেন: এটাও আমেরিকা-ইজরাইলী সুগভীর চক্রান্ত কোন একটি পক্ষের বিরুদ্ধে।

০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:২৫০

লেখক বলেছেন:

অনুমান করতে পারিনা। আমাদের বিভিন্ন সরকার তো আবার সবকিছুতেই বিরোধীদলের চক্রান্ত দেখে!

ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

৩. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:০৭০

মনজুরুল হক বলেছেন: এটা জাতেমাতাল এর কমেন্ট।
৪. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:০৯০

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: তয় বস জামাতিরা মনে হয় মার ব্যাটা বলবো না। এখন তারা বিশেষ কিছু কম্যুনিস্টরে দোস্ত বানাইছে। এনারা চীনপন্থী। জামাতের প্রচারণায় নতুন লাইন হইলো ভারতরে ঠেকাইতে আমাগো চীনের সাহায্য দরকার। খুব খিয়াল কইরা।

০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:১৩০

লেখক বলেছেন:

আম্গো খারেজির পোস্ট পইড়া আইলাম আমুতে। সে লিখছে– জামাতিরা ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে যে পরিমানে টাটা গাড়ি আমদানী করছে সেই টাকা দিয়া গাড়ির কারখানা বানানো যাইত!

ভারতরে ঠেকানোর কোন ইরাদাই জামাতের নাই। রতন টাটার লগে নিজামীর বৈঠকগুলা মনে কইরা দেখেন। আমাদের গ্যাস তো প্রায় দিয়াই দিছিল!

কমিউনিস্ট ফেরকা নিয়া আর একদিন কমুনে।

৫. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:০৯০

মনজুরুল হক বলেছেন: স্বপ্ন ব্যাকরণ আর জাতেমাতাল এর কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা।

৬. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:১০০

দেশী পোলা বলেছেন: পোস্টে প্লাস, তবে দ্বিতীয় লাইনটার ব্যাপারে কিছু কথা আছে, আপনি বলছেন, “যেভাবে এটা হয়েছিল তার তুল্য কোনো ব্যাপার ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের আগে পাকিস্তানেও দেখা যায়নি”

তাহলে আমরা স্বাধীন হলাম কোন দুঃখে?

০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:১৭০

লেখক বলেছেন: হা হা হা ! দেশী, মনে কইরা দেহেন ব্রিটিশ পুশিলরা হাফ প্যান্ট পরত। হাতে থাকত ডান্ডা। পাকি পুলিশের হাতে থাকত থ্রী নট থ্রী। আর বাঙালি পুলিশের হাতে শট গান, রেব এর হাতে এ কে ৪৭!

অত্যাচারও আধুনিক হয়া উঠে। নির্মমতায় নিখুঁত হয়া ওঠে।

৭. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:২২০

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: স্ক্রিনশট পড়া যাইতেছে না, আরেকটু বড় করা যায় না?

০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:১৫০

লেখক বলেছেন:

দেখি…আমি আবার এ সব টেকি ব্যাপার বুঝি কম।

৮. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:২৯০

স্বপ্ন ব্যাকরণ বলেছেন:

যাক স্ক্রিনশট রেখেছেন। আমি তো মন্তব্য করে পুরা বেকুব হয়ে গেছিলাম হাওয়া।

কোন সমস্যা নাই। ধন্যবাদ সুন্দর লেখার জন্য।

০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৫৮০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৯. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৩১০

ধীবর বলেছেন: কয়েকজন তরুণ তরুণীদের যতটুকু সাহস, গোটা জাতির সে সাহসটুকু হলো না। ল্যাম্পপোস্টের তরুণ তরুণীদের যে নামেই আখ্যায়িত করা হোক না কেন, তাদের এক নম্বর পরিচয় হচ্ছে তারা খাঁটি দেশপ্রেমিক। তারা আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের যোগ্য উত্তরসুরি।

সরকারের কথা,বুদ্ধিজীবিদের কথা না হয় বাদই দিলাম। বিরোধী দলের লজ্জা পাওয়া উচিত। সবচেয়ে কস্ট পেয়েছি, ইন্ডিয়ান এম্বেসির চাকর বাকরের হুকুমে এদের উপর পুলিশের আক্রমন দেখে।

প্রতিটি ভারতীয় পণ্যই যে আমাদের জন্য অত্যাবশ্যকিয় এমন কিন্তু নয়। যেমন ওদের স্যাটেলাইট চ্যানেল, প্রসাধনি, শাড়ি, পাঞ্জাবি, গাড়ি, ইত্যাদি। চাল আমদানির প্রয়োজন হয় তখনই, যখন প্রাকৃতিক দুর্যোগে খুব বেশি ক্ষতি হয়ে যায়। বার্মার সাথে সখ্যতা গড়ে তুললে, চালের জন্য ভারতের মুখাপেক্ষি হতে হয় না। এমনি করে অনেক ভারতীয় পণ্যের নাম করা যায়, যেটা বর্জন করা সম্ভব। ভারত যেখানে আন্তর্জাতিক আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাবার মত ধৃস্টতা দেখাচ্ছে, ( পিনাকের বক্তব্য) অথবা রাজপথের বিক্ষোভকে চরম হাতে দমন করা হচ্ছে, সেখানে স্বেচ্ছায় ভারতীয় পণ্য বর্জনের বিকল্প আর কি হতে পারে?

দেশের স্বার্থে রক্ত ঝড়িয়ে যে উদাহারণ সৃস্টি করেছে ল্যাম্পপোস্ট, তাতে স্বস্তি এতটুকুই যে বিক্রি হয়ে যাওয়া রমেশ/মতিউর গং এর মত সারা দেশবাসি নয়। পোস্টে প্লাস।

এই পোস্টেও মাইনাস দান যারা করলেন, তাদের মানসিকতা দেখে অবাক হলাম।

০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:২২০

লেখক বলেছেন: প্রায় চারিদিকে বৃহৎ একটি রাষ্ট্র দ্বারা পরিবেষ্টিত হলে, আর দেশটি দরিদ্র হলে তাদের অনেক কিছুই মুখ বুজে সহ্য করতে হয়। যেমন আমাদের যে কোন সরকারই রাষ্ট্রীয় ভাবে কুরবানীর সময় চোরাচালানে উৎসাহ দেয়, বর্ডার খুলে দেয়। আবার চামড়া যেন ওদেশে না যায় সে জন্য ক’দিন পরেই কড়া পাহারা বসায়! রাষ্ট্রীয় নীতিই যদি এই ধরণের হয় তাহলে সেই রাষ্ট্রকে কে মানবে? আমরা অনেক কিছুতেই তাদের ওপর নির্ভরশীল, কিন্তু তার মানে এই নয় যে তারা আমাদের পানি কেড়ে নেবে, আর আমরা সুবোধ বালকের মত মেনে নেব। শাসকদের অনেক হ্যাপা থাকতে পারে, অনেক যোগ-বিয়োগ থাকতে পারে, থাকুক। আমাদের বাঁচার ব্যবস্থা নিশ্চিত করে তারপর আপনারা দালালি করুন না! এই ইস্যুতে বিস্ময়কর ভাবে বড় সব দলই নিশ্চুপ! তার মানে তারা সকলেই ভারতের বেনিফিসিয়ারী।

১০. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৩১০

সত্যান্বেষী বলেছেন:

খুবই সময়োপযোগী পোস্ট।

ফারাক্কার মতো এই টিপাইও আমাদেরকে পানিহীন রুক্ষতায় জীর্ণ করবে। তাই আমাদের কাজ হলো প্রতিবাদ করা, সংঘর্ষে যাওয়া, এবং চরমপন্থী হওয়া ভারতের এই দানবীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে, মতিউর রহমানের মতো পা-চাটাদের বিরুদ্ধে।

সেলুট ল্যাম্পপোস্টের ল্যাম্পগুলোকে। সেলুট পোস্টটির ভিতরে উপচে পড়া সাহসকে।

০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:০৩০

লেখক বলেছেন:

আমি এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞ নই, তবে একটি ব্যাপার জানি। কোন দেশ তার দেশের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া অভিন্ন নদীতে বাঁধ দিতে পারে, সেটা তার নিজের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়, কিন্তু সেই বাঁধ যদি ভাটির কোন দেশকে ক্ষতিগ্রস্থ করে তাহলে “নর্মদা রুলস”এ তার বিরোধীতা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আন্তার্জাতিক ভাবে কেন বাংলাদেশ ইস্যুটা নিয়ে সরব হচ্ছে না?

যেখানে খোদ ভারতেই এর বিরুদ্ধে বছরের পর বছর ধরে প্রতিবাদ হয়ে আসছে! যেখানে একটি প্রদেশ আর একটি প্রদেশের (নিজ দেশের) বিরুদ্ধে ব্যারিকেড দিচ্ছে, সেখানে কেন বাংলাদেশ এটা মেনে নেবে?

আমার ব্যক্তিমত হচ্ছে আগে সরকারকে বাধ্য করাতে হবে। সরকার উদ্যোগ না নিলে আমাদের বিচ্ছিন্ন আন্দোলন বা মিছিল-মিটিং এ খুব একটা লাভ হবে না।

১১. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৩৪০

স্বপ্ন ব্যাকরণ বলেছেন:

সহমত@ধীবর।

০৯ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:২৫০

লেখক বলেছেন: হুম।

১২. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৩৭০

তানহা তাবাসসুম বলেছেন: ল্যম্পপোষ্ট অবশ্যই এক্সট্রিমিস্ট………… পিনাকের বিরুদ্ধে কথা বলেছে ……… হুমমম !!!

০৮ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:০০০

লেখক বলেছেন: ইউ অল আর একস্ট্রিমিস্ট এ্যান্ড এক্টিভিস্ট।

১৩. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৩৭০

রণদীপম বসু বলেছেন: আসলে গদিঅলা চেয়ারের মজাই আলাদা ! বাবার দিনের সম্পদেও এত্তো মজা পাওয়া যায় না !

ধন্যবাদ মনজু ভাই।

সরকার যখন অসহিষ্ণু হয়ে ওঠে, অনেকটা নিশ্চিত হওয়া চলে যে- দেয়ার ইজ সামথিং রং…!

০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:২৯০

লেখক বলেছেন:

“সরকার যখন অসহিষ্ণু হয়ে ওঠে, অনেকটা নিশ্চিত হওয়া চলে যে- দেয়ার ইজ সামথিং রং…”

দাদা, এটাই লাখ কথার এক কথা।

১৪. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৪১০

প্রশ্নোত্তর বলেছেন: এবার দেশের প্রতিটি গলিতে গলিতে জ্বলে উঠুক একেকটি ল্যাম্পপোস্ট। গর্জে উঠুক বাঙালি ৫২, ৬৯, ৭১ আর ৯০’র মত করে।

সেল্যুট ল্যাম্পপোস্টের কমরেডদের।

০৮ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:০১০

লেখক বলেছেন: একটি স্ফুলিঙ্গই পারে দাবানল সৃষ্টি করতে….

১৫. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৪২০

দেশী পোলা বলেছেন: জাসদ, বাসদ, কমিউনিস্ট পার্টি ইত্যাদি, এই সব বামপন্থী দলগুলাও কি প্রথম আলোর লাইন ধরেছে? এরা কিছু বলে না কেন?

০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:২৮০

লেখক বলেছেন: জাসদ এখন রুলিং পার্টি। বাসদ মুভমেন্টে আছে। সিপিবি ‘র প্রডাকশনই মতিউর রহমান! আর খান সাহেবদের দৌড় পল্টন মোড় পর্যন্ত। বিম্পি এখন জামাইষষ্টি খাইতে বিজি! আর জামাত আদভানীর সাথে লেন-দেন এ বিজি। সো ? ডার্ক এ্যালাইনমেন্ট।

১৬. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৪৩০

বলেছেন:

বড় করে দেখতে 

বড় করে দেখতে 

এরপর আমিও একটা কমেন্ট করছিলাম

বলেছিলেনঃ প্রথমআলোর অবস্থা আস্তে আস্তে জনকন্ঠের মত হৈতেসে

০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:১৩০

লেখক বলেছেন: আন্তরিক ধন্যবাদ। এ আমার দ্বারা হতো না।

০৮ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:০৪০

লেখক বলেছেন: @জাতেমাতাল। প্রথম আলোর এই ধরণের দালালি আজকের নয়। বিএনপি দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় আসার পর পরই মতিউর রহমান ২০ টি পয়েন্ট দিয়ে খালেদাকে মহান নেত্রী বানিয়েছিল।

আবার তদারকি সরকারের তাবেদারী করতে গিয়ে দুই নেত্রিকে মাইনাসের ফরমুলায়ও বাতাস দিয়েছিল। এদেরকে এখন আর চেনা নয়, সরাসরি বয়কট করতে হবে।

১৭. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৫২০

ত্রিভুজ বলেছেন: টিপাইমুখী ইস্যুতে অনেকের কাছেই দেশের চাইতে দল বড় হয়ে উঠতেছে। অনেকেই তো এই ইস্যুতে পুরোপুরি নিরবতা পালন করছে.. অনেকে আবার টিপাই বিরোধীদের বিরোধীতা করে ইনডাইরেক্টলি ভারতের পক্ষে কথা বলে যাচ্ছেন। কেউ কেউ বিষয়টা অন্যদিকে ঘুড়ানোর চেষ্টা করছেন…. এই হলো আমাদের দেশপ্রেম! খুবই দুঃখজনক! !

০৮ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:২০০

লেখক বলেছেন:

বাঙালি নীতি আর আদর্শকে কখনোই এক পাত্রে রাখে না। দেখুন না, ইসলামে নারী নেতৃত্ব হারাম বলে কি মোহনীয় ভাবগম্ভির আন্তরিক পরিবেশে নিজামী সাহেবরা খালেদা জিয়ার পায়ের কাছে বসে থাকতেন! ব্যাপারটা কি এমন যে,

“খালের এপারের ওয়াজ ওপারে কার্যকর নয়”!

অন্য বড় দুই দল বাদ। তারা না হয় “নীতিহীন”, কিন্তু সৎ লোকের শাসন কায়েমের কারিগরদের এ হেন নীতিহীনতা দেখে দুঃখ প্রকাশ ছাড়া আর কি-ই বা করার আছে !!

১৮. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৫৬০

ধীবর বলেছেন: স্বপ্ন ব্যাকারণ আর জাতেমাতালের মন্তব্যে ঝাঝা। শয়তান ভাইকে ধন্যবাদ এই দুটি শক্তিশালি মন্তব্যকে সাধারণের পড়ার সুবিধা করে দেবার জন্য।

১৯. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৫৭০

ফারহান দাউদ বলেছেন: “ল্যাম্পপোস্ট” এর নামে গুলশানে চরমপন্থী সংগঠনের বিক্ষোভ”— এমন জঘণ্য দালালি রিপোর্টিং এবং সাংবাদিকতার নামে এমন চরম মিথ্যাচার সাম্প্রতিক সময়ের মাঝে এমনকি দালাল হিসেবে পরিচিত পত্রিকাগুলোতেও দেখা যায়নি, যেটা প্রথম আলো দেখালো। ব্যবসায়িক স্বার্থ থাকলেই কি দেশের স্বার্থকে এভাবেই বলি দিতে হবে? হায় লতিফুর, হায় মতিউর, জগৎশেঠ আর রায়দুর্লভ তোমাদের দেখলে বড়ই আনন্দিত হতো।

আর তথাকথিত দেশপ্রেমিক বুদ্ধিজীবিরা কেন এত নীরব? দলীয় স্বার্থ কি দেশের স্বার্থের চেয়ে এতই বড় হয়ে গেল?

০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:১০০

লেখক বলেছেন:

ফারহান আপনার মনে আছে কিনা জানিনা, ফুলবাড়ি কয়লা খনি নিয়ে রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের খবর গুরুত্ব দিয়ে না ছাপানোর কারণে প্রথম আলোর নিয়মিত লেখক(উনি আবার তাদের আ্যাডভাইজারও) মুহম্মদ জাফর ইকবাল ঘোষণা দিয়েছিলেন, তিনি প্র.আ. বয়কট করবেন। কিন্তু কিছুদিন পরই দেখা গেল যেখানকার পানি সেখানেই যেয়ে থিতু হয়েছে!!

২০. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৫৯০

নূহান বলেছেন: ত্রিভুজ ছাগলে মুখ দিছে,এখন পোষ্ট হিট অইবো । লুখাল আইলে সুপারহিট

২১. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৪৪০

ফারহান দাউদ বলেছেন: জাফর ইকবাল এবারও বেশ নিশ্চুপ, শেষমেশ বক্তব্য দিলেন দরি মাছ না ছুঁই পানি, কিন্তু তিনি তো পীরসাহেব, তাঁকে নিয়ে কিছু বললে ভক্তকুলের গণধোলাইয়ের মুখে পড়তে হতে পারে।

০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৫৬০

লেখক বলেছেন:

হুম, সে ভয় তো আছেই! মাসুদ রানা স্টাইলে বলতে হবে…চারিদিকে শত্রু !!

২২. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৫৩০

তায়েফ আহমাদ বলেছেন: টিপাইমুখ নিয়ে যে পরিমান জল ঘোলা হচ্ছে, তাতে সত্যিই আমার মাথা কাজ করছে না!

০৮ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:২৪০

লেখক বলেছেন: আমাদের ছোট মাথা যত কম কাজ করে ততই মঙ্গল। বড় বড় ঘিলুঅলা মাথাদের আমরা রিহেবিলেটেড করেছি না! তাদের মাথা কাজ করলেই বাঁচি।

২৩. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৫৮০

ইউনুস খান বলেছেন: ধন্যবাদ মনজুর ভাই দারুন একটি পোস্টের জন্য।

এইখানে দুইটা জিনিস খুব খেয়াল কইরা:

১। মন্তব্যদাতাদের মাঝে কয়েকজনের মন্তব্যে এটা স্পষ্ট এরা টিপাইমুখে বাধেঁর ব্যাপারটা বিশেষ একটা গুরুত্ব দিতে চাচ্ছে না। কারন হয় এরা খুব ভারত প্রেয়সী অথবা মাত্রারিক্ত আওয়ামীলীগ সাপোর্টার( যাদের তেলামী এবং ভাঁড়ামী দেখে শেষে ওমুক-তমুক দলের দালাল বলে গালি দেয় আমরা)

২। মন্তব্যদাতাদের কয়েকজন পোস্টের আলোচনায় না এসে প্রসঙ্গ অন্য দিকে গুড়িয়ে দিতে চাচ্ছে। এরা খুবই সুচতুর ব্যাক্তি।

চিনে রাখুন ভাই।

০৮ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৪১০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ ইউনুস খান। আমি আপাতত এই বিপরিতমুখি দুইটি ধারার বিষয়ে ভাবছি না। শুধু ভাবছি………… তিন জন বাঙালি একত্র হলে আড়াইটা সমিতি গঠিত হয়!

২৪. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:০৫০

বলেছেন:

লেখক বলেছেন:

হুম, সে ভয় তো আছেই! মাসুদ রানা স্টাইলে বলতে হবে…চারিদিকে শত্রু !!

০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:২৯০

লেখক বলেছেন: শত্রু ভয়ংকর! সিরিজ নং ৭

২৫. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৪১০

আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

মনজু ভাই, আমার মুখে একটা অসুশীলীয় গালি আইসা পড়ছে ভাই, এইটা গিইলা ফালাইলে রাতে ঘুম হইবোনা । আপনার কাছে ক্ষমাপ্রার্থনাপূর্বক আমি তাই এইটারে বাহির কইরা দিতে চাই !

প্রথম আলো একটা চোতমারানী, কোন সন্দেহ ?

আমাদের দূর্ভাগ্য এইরম চোতমারানীগো নিয়াই আমগোরে বসবাস করতে অয়,তাগোরে নিয়াই আমগো যাপিত জীবন, এইসব চোতমারানীরা ভালোমানুষী রূপ নিয়া আমগো আশে পাশেই ঘুরঘুর করে, আর ঝোপ বুইঝা কোপ মারে !

০৮ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৫৬০

লেখক বলেছেন:

না, কোন সন্দেহ নাই! এদেরকে বলা যেতে পারে “বাংলাদেশের আনন্দবাজার” এরা সেভাবেই ভাবে নিজেদেরকে। যাদের নির্লজ্জ দালালিতে ক্ষতিগ্রস্থ শুধুই খেটে খাওয়া গরিব মানুষ। এরা কখনোই স্টাবলিশমেন্টের বিপক্ষে যাবে না। অথচ এরাই আমাদের কর্পোরেট সমাজের মিডিয়া টাইকুন! ছোঃ !!

২৬. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৪৭০

স্বাধীনতা৭১ বলেছেন: সত্যান্বেষী বলেছেন: সেলুট ল্যাম্পপোস্টের ল্যাম্পগুলোকে। সেলুট পোস্টটির ভিতরে উপচে পড়া সাহসকে।

২৭. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৫১০

পৈতাল বলেছেন: দেশের স্বার্থে রক্ত ঝড়িয়ে যে উদাহারণ সৃস্টি করেছে ল্যাম্পপোস্ট,

তাতে স্বস্তি এতটুকুই যে বিক্রি হয়ে যাওয়া রমেশ/মতিউর গং

এর মত সারা দেশবাসি নয়। সেই সাথে এই ব্লগে প্রায় যারা সব ইসুতেই একে

অপরের বিপরীত মতে থাকে তারাও এই ইসুতে একমত বলতে পারেন ৫২ বা ৭১

মতো ।আরেক টা বিষয় আমি অবাক হইতা সি আওয়ামী লীগ বা আওয়ামী লীগর কিছু নেতা যারা ১/১১ পরে খুব এক্টিভ ছিলো আবার এখন মন্ত্রী হইছে এরা খুবই নোংরা ভাবে ভালোতের দালালী করতাছে ।আমার কাছে একটা ব্যপার খুব ভালোভাবেই মিলা গেতাছে যেমুন ধরেন ৯৬ থেইকা ২০০১ ওইসময় ভারোতের লগে বাংলাদেশের সার্থের বিষয় কোন ছার দেইনাই মাগার এইবার এমুন অইলো কে ? আমার কছে লাগে ১/১১ তোইয়ার করা বা এরপরে হাসিনারে জেলে ঢুকানো তারপরে মামলাদিয়াই মামলার রায় দেয় দেয় এই রকম অব্যষ্থা এইসোব কইরা অগো খমোতা দেখাইছে বা অনন্য ভাবে মানুষীক চাপ দিছে অখন এইরকোম অব্যস্থায় ইসারা ইংগিতে বা সরাসরি একটা বোঝাপরার মধ্যে ফালই সে অখন বোঝাপরা কারিরা ওয়াদা যেটা যেট করছিলো ওইগুলা বাস্তোবায়োনের কামেলাইগা গেছে।@মনজুরুল ভাই আমি পুরা বিষয়টা গুছায়া লেখতে পারিনাই। যদি আপনে মোটামুটি এক মত হন তাইলে বিষদ ভাবে লিখবেন আশা কর। পোস্টে প্লাস।++++

০৮ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:১০০

লেখক বলেছেন:

আপনি যেটা বলতে চেয়েছেন সেটা বুঝতে পেরেছি। এ বিষয়ে একমত। পরে এক সময় আপনার এই বিষয়গুলি নিয়ে লেখার আশা করছি।

ভাল থাকবেন।

২৮. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:৩৬০

অকৃতকার্য বলেছেন: সুন্দর উপস্থাপন, তথ্যসূত্র থাকলে আরো ভাল হতো। +

তবে একটি ছোট তথ্যগত ভুল, লিখেছেন,

“বর্তমানে ঢাকায় যেখানেই মিটিং করা হোক, তার জন্য পুলিশের অনুমতি লাগে। মাইক ব্যবহারের জন্য অনুমতি লাগে”

— এটা বর্তমানের নতুন কোন নিয়ম নয়, মিছিল, সমাবেশ, কনসার্ট, শক্তিশালী আতশবাজী, মাইক (এবং আরো কিছু হাবিজাবি) ব্যবহারের জন্য সংশ্লষ্ট জেলার পুলিশ কর্তৃপক্ষের অনুমতি লাগে, এ নিয়ম সুপ্রাচীন কালের। সঠিক তথ্য আপনার পোষ্টকে আরো শক্তিশালী করবে বলে মনে করি।

০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৩৬০

লেখক বলেছেন:

বড় দলগুলোর জন্য লাগেনা। তাদের কর্মসূচীর ঘোষণা সংবাদপত্রে প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিজেরাই অনুমতির ব্যবস্থা করে দেয়! ভ্যানে-রিকসায় করে দোয়া-দুরুদের ক্যাসেট বেঁচতে, যৌন রোগের ওষুধ বেঁচতে, ওয়াজ মাহফিল করতে, মিলাদ পড়তে, ইসলামী জলসাতে অনুমতি লাগে না। সুন্নতে খাত্নার প্যান্ডেল বানিয়ে, রাস্তার ওপর খানাপিনা, গান-বাজনাতেও অনুমতি লাগে না।

লাগে শুধু সরকার বিরোধী কোন প্রসেশন বা ঘেরাও-টেরাও এর জন্য।

আপনার পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ।

২৯. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:৫২০

মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:

লেখাটা পড়ে মনে হলো- একটা কিছু লিখি মন্তব্যের ঘরে। কিন্তু কী লিখি! কত বড় বড় রাজনীতি চলছে টিপাইমুখে! দেশপ্রেমও! ল্যাম্পপোষ্ট রাজনীতি করে কিনা- জানিনা। আমি ল্যাম্পপোষ্টের মূর্খ ছেলেমেয়েদের চিনি। ওরা রোদে পুড়ে বন্যার্তদের সাহায্যের জন্য মানুষের কাছে ভিক্ষে করে, রাত জেগে স্যালাইন বানায়, ছায়ানট ভবনের তহবিল সংগ্রহে আবৃত্তি করে, টিএসসি’র দেয়ালে পা দুলিয়ে বসে গান গায়, ভারতীয় হাইকমিশনের সামনে দুঃসাহসে শ্লোগান দেয়। যে বোকা ছেলে-মেয়েরা রাজনীতিতে দেশপ্রেম নামক ঢিলা-কুলুপের ক্ষেত্রফল জানেনা- তাদের কে বাঁচাবে!

০৯ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৫২০

লেখক বলেছেন:

“তাদের কে বাঁচাবে!”


কেন আমরা! ল্যাম্পপোস্ট যে আলো দেখিয়েছে সে আলোতেই পথ দেখবে বাকিরা। আমরাই ল্যাম্পপোস্টকে খাড় করে রাখব। এবং আমরা অবশ্যই তা করব………….।

৩০. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৩০

হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: একটা আন্দোলনের সময় আসছে। ভারতীয় পন্য বর্জনের আন্দোলন। আসেন আমরা একটা লিস্ট তৈরি করি, আমরা কি কি ভারতীয় পন্য ব্যবহার করি, আর তার বিকল্প হিসেবে কি কি ব্যবহার করতে পারি।

০৯ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৫৫০

লেখক বলেছেন: সম্ভব কি? মনে হয় না। অতটা রেডিক্যাল হওয়াও সম্ভব নয়। আমরা আমাদের সমস্ত সম্পদের সুষম ব্যবহারের পক্ষে। আমাদের সম্পদ ভাড়া দিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মত কনফেডারেশনেই রাজি। কিন্তু টিপাইমুখ অন্য ইস্যু। এটা আমরা কিছুতেই মেনে নেব না।

৩১. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৫০

প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: জীবন-জীবীকার প্রায় প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে ভারতীয় পণ্য ব্যবহার করে, ভারতের উপর অর্থনৈতিক ভাবে প্রায় পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে যেমন ভারত বিরোধিতা করা যায়না, তেমনি কর্পোরেট বাণিজ্যের বেসাতিতে নাক ডুবিয়ে নির্মোহ জনদরদী সাংবাদিকতাও করা যায় না।

এটাই কি আমাদের জন্য কাল?

কাদের এই পোস্ট ভাল্লাগলো না?

০৯ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৫৭০

লেখক বলেছেন: কি জানিরে ভাই! কে কোথা দিয়ে কি চালান দেয়, কে কি ধরিয়ে দেয় বুঝিনা। একেবারেই বুঝিনা।

৩২. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:২১০

সরকার সেলিম বলেছেন:

এই কাগজটিও হয়ে উঠেছে সকল শ্রেণীর নামে নব্য বেনিয়া পুঁজির সেবাদাস সমাজের প্যারাসাইট বুর্জোয়াদের মুখপাত্র। যাদের কাজই হচ্ছে নিপীড়কের পক্ষে দালালি করা।

খুবই সত্য কথন।

০৯ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:২৭০

লেখক বলেছেন: এখনই একে বয়কট করুন….

৩৩. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:২৫০

সরকার সেলিম বলেছেন: পোস্টটি ১৮ জনের ভাল লেগেছে, ৪ জনের ভাল লাগেনি। এই ৪ জন কে?

০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৩৮০

লেখক বলেছেন: হু কেয়ারস ?

৩৪. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৩৩০

কিরিটি রায় বলেছেন: প্রিয়তে।

কি বলবো?

সব দেখে শুনে মন করে চিৎকার…..

লড়াই লড়াই লড়াই চাই

লড়াই করে বাচতে চাই…

০৯ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৫৮০

লেখক বলেছেন: লড়াই ছাড়া নিপীড়িত মানুষের মুক্তি নাই।

৩৫. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:২৯০

রিফাত হাসান বলেছেন: মঞ্জুরুল হক, আপনার এই লেখাটি হঠাৎ চোখে পড়ায় লগ-ইন করলাম। প্রতিবাদ যে করে যেতে হবে- টিপাইমুখে বাঁধের বিরুদ্ধে, যেটি একই সাথে সরকারের ফ্যাসিবাদিতা, নগ্ন দালালী এবং বেয়াদপ মিডিয়ার কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ- সে বিষয়ে আপনার সাথে পুরোপুরি একমত। আমি মনে করি আমাদের এই মুহূর্তের লড়াই একই সাথে ভারতীয় আধিপত্যবাদ, তার দেশীয় দালাল, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকার ও বেয়াদপ মিডিয়ার বিরুদ্ধে।

০৯ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:২৬০

লেখক বলেছেন:

আপনার বক্তব্যের সাথে একমত। তবে এই লাইনটির সাথে সহমত নই…”আমি মনে করি আমাদের এই মুহূর্তের লড়াই একই সাথে ভারতীয় আধিপত্যবাদ, তার দেশীয় দালাল, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকার ও বেয়াদপ মিডিয়ার বিরুদ্ধে”

কারণ আমি মনে করি বাংলাদেশের প্রধান চারটি দলই কমবেশী ফ্যাসিবাদী। ভারতের সাথে বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে উচ্চকণ্ঠ বিএনপির আমলেই সবচেয়ে বেশী একতরফা বাণিজ্য হয়েছে। ব্যা,না,হুদা কোটি টাকা খেয়ে পিয়াজিও থ্রী হুইলার বন্ধ করে(লিড দুষণের অজুহাতে) ভারতীয় অটো (সিএনজি) আমদানী করেছে। টাটার কাছে দেশের গ্যাস সস্তায় দিয়ে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ফরেন ইনভেস্টমেন্ট কন্ট্রাক্ট করেছিল। পরে টাটা নামমাত্র মূল্যে গ্যাসের নিশ্চয়তা না পাওয়ায় ইনভেস্ট করেনি। আর এরশাদের কাহিনী তো বলার কিছু নেই। তার মত ভারত প্রেমিক আ.লী বা বিএনপিও হতে পারবে না। সুতরাং ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে এরা কেউই লড়বে না। জামাত তো না-ই। জামাত আর বিজেপি সখ্য নতুন কিছু নয়।

তবে মিডিয়া হাইপের বিরুদ্ধে নিপীড়িত মানুষকে এক সময় না এক সময় রুখে দাঁড়াতেই হবে। আমি মনে করি “মিডিয়া ব্যুম ইজ মোর ডেঞ্জারাস দ্যান সনিক ব্যুম”!

ধন্যবাদ আপনাকে।

৩৬. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৪৬০

অলস ছেলে বলেছেন: একমত। সুন্দর ভবিষ্যত এর জন্য এতো এতো লড়াই অপেক্ষায়। ভালো লাগেনা।

০৯ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৩২০

লেখক বলেছেন: গুড স্ট্র্যাটিজি!

৩৭. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৫৯০

নাজিম উদদীন বলেছেন: ল্যাম্পপোস্টের সাহসী তরুণদের স্যালুট!

০৯ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৩৩০

লেখক বলেছেন: সাহসীকতা সঞ্চারিত হোক জনে জনে….

 

৩৯. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:২০০

মুক্তি মণ্ডল বলেছেন: সহমত পোষণ করছি…

০৯ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৩৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কবি….

৪০. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৪১০

ব্যতিক্রমী বলেছেন: ধন্যবাদ আইডল, এমন একটি পোস্ট দেয়ার জন্য। টিপাইমুখ বাঁধ বিষয়ে আপনার পজেটিভ অবস্থান আরও আগে থেকেই আশা করছিলাম। যাই হোক, অবশেষে আপনিও সক্রিয় হলেন। আপনি হয়তো জানেন না, এই ব্লগে আপনার অনেক ভক্ত যারা আপনার কাছ থেকে দেশাত্তবোধক কিছু আশা করে। টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের বিরুদ্ধে একটা আন্দোলনে এগিয়ে আসুন না। কথা দিচ্ছি, যে কোনো মূল্যে পাশে থাকব। +

৪১. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:০৭০

কার্ল মার্কস বলেছেন: যা কিছূ ভালূ তার ছাতে প্রথম আলূ

২২ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:১২০

লেখক বলেছেন: দারুন কোবতে!

৪২. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৪৯০

অ্যামাটার বলেছেন:

৪৩. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৫১০

অ্যামাটার বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ লেখাটার জন্য। ল্যাম্পপোষ্টকেও স্যালুট। আমাদের প্রত্যেকেরই নিজের অবস্থানে থেকে কিছু করা উচিৎ।

০৯ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৫৬০

লেখক বলেছেন:

“আমাদের প্রত্যেকেরই নিজের অবস্থানে থেকে কিছু করা উচিৎ।”

এই কথাটিই আমাদের সমাজ জীবনের সর্বত্র প্রয়োগ হওয়া উচিৎ। ধন্যবাদ।

৪৪. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৩১০

পি মুন্সী বলেছেন: প্রথম আলোর রিপোর্ট টাই একটা চরমপন্থী, সন্ত্রাসী রিপোর্ট।

প্রথম আলো যদি কাওরান বাজারে বসে জনস্বার্থ, জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে তথ্যের সন্ত্রাস করতে পারে তবে গুলশানে ভারতীয় কমিশনে প্রতিবাদ জানানো চরমপন্থী হবে কোন যুক্তিতে?

০৯ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:১৬০

লেখক বলেছেন:

গনিত অলিম্পিয়ার্ড আর বদলে দেওয়ার ক্যাম্পেইন কপ্চানো জ্ঞানপাপীদের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার এখনই সময়……………….

“বাংলাদেশের আনন্দবাজার” হওয়ার মাজেজা একাধিকবার তারা দেখিয়েছে। আমিনী গংয়ের কাছে ক্ষমা চেয়েও তারা সাংবাদিকতাকে কলুসিত করেছে।

বিদ্রোহ ন্যায়সঙ্গত।

৪৫. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৪৯০

জাতেমাতাল বলেছেন: ল্যাম্পপোস্ট এর সাথে সংহতি প্রকাশ করুন।

০৯ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:১৭০

লেখক বলেছেন: তাদের সহায়তায় এগিয়ে আসুন।

৪৬. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৫৯০

সমাজ্ঞী বলেছেন: সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়: হাইকমিশনে প্রতিবাদ জানাতে আসা যুবকদের পরিচয় জানার জন্য ভারতীয় রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা গবেষণা ও বিশ্লেষণী সংস্হা প্রথম আলুকে একটি এসাইনমেন্ট দেয়। কথিত রিপোর্ট টি টারই অংশ; যাহা বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতার নামে ছাপা হয়।

০৯ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:১৮০

লেখক বলেছেন: “সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র” ব্যাপারটাই মতলববাজী।

৪৭. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:২০০

ফারহান দাউদ বলেছেন: আমি ভাবতাসি এখন থাইকা আরো মনোযোগ দিয়া আলুর ব্যাপারিদের পত্রিকা পড়তে হইবো, তাদের ডেইলি দালালির কাটিংগুলা নিয়া একটা অন্তত ব্লগীয় বা পিডিএফ সংকলন প্রকাশ করা যাইতে পারে। এই সংকলনটা যারা প্রথম আলু রে পীর মানে তাদের জন্য ভবিষ্যতে একটা শিক্ষা হইতে পারে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মও দেখবার পারবো দালালি কোন লেভেলে হয়, যেমন দৈনিক সংগ্রামের কাটিংগুলা দিয়া মাঝে মাঝেই জামাতিদের মুখে জুতার বাড়ি মারা যায়।

০৯ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:২৪০

লেখক বলেছেন:

চমৎকার আইডিয়া! ফারহান, সত্যি যদি কাজটা শুরু করতে পারেন সেটা বিরাট একটা কাজ হবে। সহায়তা পাবেন। তাতে করে ভাড়াখাটা বুদ্ধিজীবীদের মুখোস উন্মোচন করা যাবে।

৪৮. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৩৩০

সমাজ্ঞী বলেছেন: আইচ্ছা ভাই একখান কথা জিগাই। হেরা চরমপন্থি হহলে খারাপ কী? কামটা তো বেটার মতই করছে, নাকি ভুল কইলাম?

ভারতের চরমপনথার লগে চরম না হইলে পারবেন?

০৯ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৩৯০

লেখক বলেছেন:

স্টাবলিশমেন্টের বিরুদ্ধে যে-ই প্রতিবাদ করবে তাকেই প্যারাসাইটরা “চরমপন্থী” বলে।

আদায়ের প্রশ্ন যেখানে, সেখানে চরমপন্থা ছাড়া আর কোন পন্থায় কাজ হতে পারে বলে জানা নেই। তবে মধ্যপন্থা যে সুবিধাবাদ, সেটি জানি।

৪৯. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৪১০

আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: বাংলা পত্রিকা পড়া হয় না এখন আর! তাই বিশেষ কিছু জানতাম না। আপনাকে ধন্যবাদ।

প্রথম আলোর জন্য আজ সত্যি প্রথম ঘৃণা এল, এক দলা থুথু।

০৯ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৪৫০

লেখক বলেছেন:

অথচ আশরাফ, আমরা বলি … সংবাদপত্র হচ্ছে সমাজের আয়না! জাতির বিবেক!! এই কি সেই বিবেকের ভূমিকা ?

৫০. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:১৪০

কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:

লাল ঝান্ডা দেখলে কর্পোরেটরা থাবা দিয়া আটকাইতে চাইবে, এইটাতো স্বাভাবিক, না হইলেই চিন্তা করারা বিষয় যে দালাল লাল কিনা।

আর একটা কথাও বলার, আপনে যে কমরেড মতিউর বইল্যা সম্বোধন করলেন, আমার অভিজ্ঞতা কয়, এই টাইপের লুক গুলি বড়ই বেশি ভয়ানক।

কী করে প্রকৃত কম্যুনিষ্ট হতে হয় আর কম্যুনিস্টদের বাল্যখিল্যতা সুলভ আচরন লেখা দুইটিতেই আমারা পাই, কী কইরা একটা গ্রুপ নিজেরা, কাউকে কোনঠাসা করে, দলে ভাঙ্গনের কারন হয়ে ওঠে।

বৃহত্তর অর্থে বিষয়টা তো সকল বাম আন্দোলনের জন্যই খাটে।

আমার একটা জিনিস মনে হইচে বচ, সেটা হইল বাংলাদেশের বুর্জোয়া দলগুলি নিজেদের মধ্যেও লুটের বিষয়ে বোঝাপড়ায় আসতে পারে নাই যে, পুঁজিবাদী অর্থেও নির্বাচনের ফলাফল মাইন্যা নেয়া, ফলে আপাত ভাবেও মত প্রকাশে তাদের এত ভয়।

কথাটা বিস্তৃত লেখলাম না, আপনে ঠিকই বুঝতে পারবেন, কী কইছি।


আপনের লেখা-টেখা যাই হোক, আপনার গুণমুগ্ধ আমার প্লাস ( নাই বা রইল তেমন কুনু গুরুত্ব) হাজারটা।

অন্ধ হইলে,অন্ধই। প্লাস।

২২ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:১৭০

লেখক বলেছেন:

মাঝে মাঝে অদ্ভুত ভাবে আপনার-আমার চিন্তার জায়গাগুলো এক লাইনে চলে আসে! সেই চিন্তার খেই ধরে এগিয়ে যাই……..হাতে পাই পূর্ব জনমের এক পাপ! যার নাম রিভোল্ট! রিভোল্ট অলওয়েজ জাস্টিফাইড।

আপনার গুণমুগ্ধ প্লাসকে মাথায় তুলো রাখা হলো, তা সে মাথায় চুলের আধিক্য থাকুক চাই না থাকুক, কি আসে যায়!

৫১. ১০ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৩০০

মগ্নতা বলেছেন: shohomot.

Click This Link

২২ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:১৮০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মগ্নতা।

২২ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:১৯০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মগ্নতা।

৫২. ২১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:৪৯০

নিশাত শাহরিয়ার বলেছেন: সেলুট ল্যাম্পপোস্টের ল্যাম্পগুলোকে। সেলুট পোস্টটির ভিতরে উপচে পড়া সাহসকে।

ধিক প্রথম আলো!!!থু!!!!প্রথম আলো

২৪ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৪৯০

লেখক বলেছেন: ল্যাম্পপোস্ট এর ছেলেদেরকে পিটিয়ে ঠান্ডা করার প্রকল্প হাতে নিয়েছে ঠ্যাঙ্গাড়ে বাহিনী….পেটাচ্ছেও।

৫৩. ২২ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৭০

নাজমুস বলেছেন: ল্যাম্পপোস্ট সম্পর্কে জানতে চাই। কেউ কি আছেন?

২২ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:০৯০

লেখক বলেছেন:

ওদের কর্মকান্ড নিয়ে একটা সংকলন বের হয়েছে। আজিজে পাওয়া যাচ্ছে। একটু খোঁজ নিলেই পাবেন। আমি ঠিক জানিনা কোন দোকানে পাওয়া যাচ্ছে…………..

ধন্যবাদ আপনাকে।

৫৪. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:০৭০

জাতি জানতে চায় বলেছেন: পত্রিকা না পড়ায় ল্যাম্পোস্ট সম্পর্কে ভাল জানি না!! সন্দেহ জাগে মতিউর রহমানের পত্রিকাই যখন এর বিরুদ্ধে লাগে! স্বয়ং মতিউর নাকি নিজেও আশির দশক পর্যন্ত আন্ডারগ্রাউন্ড পলিটিক্স, মানে চরমপন্থীদের সাথে জড়িত ছিলো। প্রথম আলোই চরমপন্থী মোফাক্কর মারা যাওয়ার পর প্রথম পৃষ্ঠার মাঝখানে যে বক্স নিউজ দিছিলো, তাতে মোফাক্করকে বিশিষ্ট জ্ঞানী রবিনহুড হিসেবে তুলে ধরেছিল!! ডাক্তার টুটুলের নিউজ গুলাও একই ধরনের ছিলো! সেই প্রথম আলো ল্যাম্পোস্টরে নিয়া এরকম সংবাদ করায় মনে হচ্ছে এর ভিতরে ব্যাপক ঘুটলি আছে!!!

একটা চরমপন্থী গোষ্ঠীর আন্ডারগ্রাউন্ডে থাকলেও উপরে তাদের কোন প্রতিকী গ্রুপ থাকতে পারে। আর জাতীয় ইস্যুতে এরকম প্রতিকী অংশের প্রকাশ মোটেই অস্বাভাবিক নয়, অন্তত বাম-চরমপন্থীরা এতটুকু বুদ্ধি রাখে। ল্যাম্পোস্ট যদি চরমপন্থীদের অংশ হয়ে থাকে তাহলে এর ব্যাপারে সাবধান থাকাই ভাল। প্রথম আলো ল্যাম্পোস্টকে লাইম লাইটে আনার জন্যই এরকম করছে কিনা সন্দেহ হয়!! আর রাজনৈতিক পক্ষ হয়ে থাকলে জেল-জুলুম বরাবরের মতই স্বাভাবিক, এমনকি প্রয়োজনীয়ও বটে!! সেরকম কিছু না হয়ে থাকলে সবার সমর্থনই ল্যাম্পোস্টের সাথে থাকবে।

অবাংলাদেশী হওয়ায় শুধু পিনাকরে দোষ দিয়া লাভ নাই। পিনাকরা এমনি এমনিই বা হঠাৎ করেই এরকম বলে নাই। বরং তার বক্তব্য গুলাই বাংলাদেশের সুশীল সমাজ, ফ্রন্টসাইডের শিক্ষক-বুদ্ধিজীবি, ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদদের চেহারা প্রকাশিত হওয়ার পরও আমরা তাগোরে না ধইরা যেভাবে পিনাকরে ধুইতাছি তাতে পিনাক তথা ভারতীয় রাজনীতিবিদরা নির্ঘাত হাসাহাসি করতাছে!!

সরকার ল্যাম্পোস্টরে যা করছে সেটা এমনিতেই জঘন্য, তার উপর টিপাইমুখ নিয়ে পিনাকের ওরকম বক্তব্যের পর করাটাতো রীতিমত নির্লজ্জ ভারত প্রেম। যদিও তা অস্বাভাবিক নয়, কারন অস্তিত্বের জন্যে আলীগের পার্শ্ববর্তীদেশের সাহায্যের বড়ই প্রয়োজন!! ভার‌ত যদি কোন কারনে টিপাইমুখ নাও করে, তাহলে এর বিপরীতে অন্য অনেক কিছই চেয়ে বসবে তাতে কোন সন্দেহ নাই। ইতমধ্যে কোন একটি সংসদীয় দল নাকি ভারতে গ্যাস রফতানীর কথা ভাবছে!!! এসব কারনেই হয়ত টিপাইমুখ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলা তাদের আন্দোলনের পথ নিয়া ভাবছে! আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে আলীগও চাচ্ছে বিরোধীরা আন্দোলনে আসুক (ভাবভঙ্গী তাই বলে!), না হলে শান্তিপূর্ণভাবে পাঁচবছর পার করে ফেললে কোন ব্যর্থতার দায় কার উপর চাপাবে!!

আমরা বাঙ্গালীরা জাতিগতভাবে ট্যাগিং এ বিশ্বাসী, স্বয়ং মন্জুরুল ভাই নিজেও জাতীয় ইস্যুতে বাম-ডানসহ বিভিন্ন ট্যাগিং করছেন। ল্যাম্পোস্টের পরিচয় নিয়া বিস্তারিত তথ্য থাকলে ভাল হইত। পোস্টের জন্য ধন্যবাদ (আমার চাপা সহ্য করার জন্যেও)

 

Top of Form

আপনার মন্তব্য লিখুন

কীবোর্ডঃ  বাংলা                                    ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয় ভার্চুয়াল   english

নাম

       

Bottom of Form

 

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s