এই কবিতাটির কোনো শিরোনাম নেই!

Hanno tutti ragione (Albums) 23

০৬ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:১৯ |
প্রিয়তম তোমায় বলেছি,
নাজিম আমার প্রিয় কবি।
নাজিম হিকমত সম্ভ্রান্ত পাশা,
কিন্তু নাজিম কমিউনিস্ট!
প্রিয়তমা তোমাকে আরো বলেছি;
নাজিমকে ওরা ৫৬ বছর জেল দিয়েছিল!
ছাপ্পান্নটা বছর, যা তার জীবনের চেয়েও বেশী!

প্রিয়তমা ওরা আমায় জেল দেয়নি,
দিয়েছে কালাপানি, দ্বীপান্তর।
আন্দামান-নিকোবর হয়ে আরো দূরে
সেই কিরিবেতি।
আমার চারধারে অথৈ জলরাশী।
সেখানে ঢেউয়ের মাথায়
সফেদ ফেনায় রোদের লুকোচুরি,
হাওয়ায় ভাসানো গাংচিলের ডানা।
আমার চারধারে জলরাশী শেষ হলে
চার চারটি নিরেট দেয়াল।
কংক্রিটের পলেস্তারায় আমি
তোমাকে দেখি প্রিয়তমা আমার!

আমার এখানে যখন রাত নামে,
যখন পাখিরা আর ডানা মেলে ওড়ে না,
তখনো আমার ভেতরে প্রবল বাতাসে
নিজেকে অটুট রাখার আকুল ডানা ঝাপটানি!
আমি ডানা ঝাপটাই আর পালাতে থাকি।
জীবন থেকে জীবনে, মরণ থেকে মরণে!
ওরা আমায় ফাঁসী দেয়নি, দিয়েছে দ্বীপান্তর।

তোমার মনে আছে? আমি বলেছিলাম-
নাজিমের কথা? নাজিম বলেছিলো-

‘প্রিয়তমা আমার
তোমার শেষ চিঠিতে
তুমি লিখেছ ;
মাথা আমার ব্যথায় টন্ টন্ করছে
দিশেহারা আমার হৃদয়।

তুমি লিখেছ ;
যদি ওরা তেমাকে ফাঁসী দেয়
তেমাকে যদি হারাই
আমি বাঁচব না।

তুমি বেঁচে থাকবে প্রিয়তমা বধু আমার,
আমার স্মৃতি কালো ধোঁয়ার মত হাওয়ায় মিলিয়ে যাবে
তুমি বেঁচে থাকবে, আমার হৃদয়ের রক্তকেশী ভগিনী,
বিংশ শতাব্দীতে
মানুষের শোকের আয়ূ
বড় জোর এক বছর।’

আমি জানি ওরা আমায়
ফাঁসী দেবে না।
আমার চোখে কালো কাপড় বেধে
ওরা সটান নিয়ে যাবে আমার
সেই প্রাণ প্রিয় গ্রামের
কোনো নিভৃত খোলা মাঠে।
আমাকে ওরা গোসল করাবে,
দোয়া পড়াবে।
তারপর একটা তপ্ত সীসে আমার বুকে এসে বিঁধবে!
আমি যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে
তোমাকেই ভাবব বলে মরার আগে
শেষ পর্যন্ত তোমার কথা মাথায় গেঁথে রাখব
প্রিয়তমা আমার!

আমি এখন তোমার পাশে বসে
সেই চিরচেনা তিলটি দেখছি,
তোমার অনাবৃত স্কন্ধে
সেই ছোট্ট তিলটির দিকে
অপলক তাকিয়ে আছি, ঠিক সেই সময় প্রিয়তমা ,
ঠিক তখনই আরো একটি লাশ পড়ল!
আরো একজন সাথী আমার একাকী হলো!

আমি যেদিন মনে মনে
তোমার শত ভ্রুকুটি উপেক্ষা করে
তোমার সিক্ত অধরে ধাবমান,
ঠিক তখনই আমার আরো একজন সাথীর বুকে
ছোট্ট এক টুকরো
সীসে ঢুকিয়ে দেয়া হলো।
প্রিয়তমা, আমি যত বার তোমাকে দেখি,
স্বপনে এবং জাগরণে,
দেখি অনিমেষ কালো রাতের
কালো জোৎস্নানায়, কালো বন্যায়,
দেখি ততবারই আমার একজন সাথীকে
ওরা হত্যা করে!

প্রিয়তম, তুমি চেয়েছিলে
আমি যেন সুস্থ্য থাকি, ভালো থাকি।
তুমি ব্যাকুল হয়ে বলেছিলে-
সময় মত ওষুধটা হাতের কাছে রেখো,
রাতে যেন ঘুমোতে ভুলো না।
প্রিয়তমা তুমি অত দূরে বসে
দেখতে পারো না,
আমি যতবার ঘুমোই-
ততবারই তোমাকে হারাই।
আমি যত বার জাগি- তোমাকে হারাই।
আমি যত বার তোমাকে ভাবি- তত বারই
আমার এক কমরেড মাটিতে লুটিয়ে পড়ে!
আমি একা হয়ে যাই,
ক্রমশঃ একা হতে থাকি।

আমি জানি নিবীর্য কাপুষের দল
তোমাকে আমার থেকে ছিনিয়ে নেয়ার
সহজতম পথটি খুঁজে পেয়েছে।
ওরা আমাকে তুমিহীন করার
অব্যর্থ উপায় পেয়েছে।

ওরা আমাকে তোমার সারা জীবনের স্মৃতি সমেত
কোন এক কালো রাতে, কালো কাপড়ে
আমার সেই চোখ; যা তুমি
বারে বারে ছুঁয়ে দেখেছ,
সেই চোখে কালো কাপড় বেধে দাঁড় করাবে
কোনো এক নির্জন ধানক্ষেতে।
তারপর নিয়ম মেনে নিয়ম শেখাবে।
আমি শুধু তোমাকে, তোমাকেই,
শুধু তোমাকেই আর একটি বার
দেখতে চাইব প্রিয়তমা!

কিন্তু আমি জানি ওরা তা দেবে না।
এই নিরেট কংক্রিটের দেয়াল,
সফেদ ফেনা, গাংচিল আর
নিকষ কালো পানিকে স্বাক্ষী রেখে
আমি তোমাকে হারাব প্রিয়তমা!

শেষের সেই সময় তোমাকে হারানোর
কষ্ট আরো তীব্র হয়ে উঠলেও
আমি শান্তিতে মরতে পারব,
কারণ আমি আর জানব না
আমার আর কোন কোন সাথী
খুব ভোর বেলায় স্বজনহীন,
প্রিয়তমহীন হয়ে তোমাদের এই
সাধের পৃথিবী থেকে চলে গেল!
শেয়াল শকুনেরা মাংস খুবলে
নেয়ার সময় ভাবে না এখানে
কার পেলব হাতের স্পর্শ ছিল!

শত শত পঁচে যাওয়া দলিত মাংস
কঙ্কাল শরীরে উঠে আসবে,
বেজন্মা জারজ সময় স্বাক্ষ্য দেবে না,
তবুও তারা উঠে আসবে।
প্রেয়সীর ভেজা ঠোঁট, মরাল গ্রীবা,
উন্নত নাকের ভাঁজে জমে থাকা ক্লেদ বিন্দু,
গহিনে জড়িয়ে থাকা অবুঝ প্রেমের স্পর্শে
তারা উঠে আসবে।
কেননা তারা জানে নাজিমের সময়ে
এক বছরের শোকের আয়ু
এখন বড় জোর দুদিন!

প্রিয়তম আমার , এই শেষের বেলায়
আমার চোখে কি লেখা তা যদি
ওরা পড়তে পারে,
দেখবে সেখানে শত সহস্র শব্দে
আকাশ ছোঁয়া বিশাল ক্যানভাসে
আঁকা তোমার মুখটি দেখতে চাই।
একবার প্রাণভরে তোমকে
দেখতে চাই প্রিয়তমা!
আমার মাথার সেই পুরোনো ব্যথাটা
তোমাকে উপহার দিতে চাই!
আমার না থাকা সময়ে যেন তুমি অনুভবে
অস্তিত্বে মেখে নিতে পারো সেই ব্যথা,
যা আমি আজন্ম বয়ে বেড়িয়েছি!


৩১ মার্চ ২০১১

অল্টারনেটিভ ব্লগ

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): মনজুরুল হকএর কবিতানাজিম হিকমতপ্রিয়তমাবন্দুক যুদ্ধক্রসফায়ারদীপান্তর ;
প্রকাশ করা হয়েছে: কবিতা  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:৪০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর…

এডিট করুন | ড্রাফট করুন | মুছে ফেলুন

১৮৪ বার পঠিত১৩২১০

মন্তব্য দেখা না গেলে – CTRL+F5 বাট্ন চাপুন। অথবা ক্যাশ পরিষ্কার করুন। ক্যাশ পরিষ্কার করার জন্য এই লিঙ্ক গুলো দেখুন ফায়ারফক্সক্রোমঅপেরাইন্টারনেট এক্সপ্লোরার

৩২টি মন্তব্য

১-১৬

১. ০৬ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:০৬০

শব্দহীন জোছনা বলেছেন: বাপরে বিশাল কোবতে…….

আমার চারধারে অথৈ জলরাশী।

সেখানে ঢেউয়ের মাথায়

সফেদ ফেনায় রোদের লুকোচুরি,

হাওয়ায় ভাসানো গাংচিলের ডানা

………………………………

………………………….

শত শত পঁচে যাওয়া দলিত মাংস

কঙ্কাল শরীরে উঠে আসবে,

বেজন্মা জারজ সময় স্বাক্ষ্য দেবে না,

তবুও তারা উঠে আসবে

ভালো লাগলো কবিতাটা আর এই লাইনগুলো বেশি ভালো লাগলো।

০৬ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:৩১০

লেখক বলেছেন: আসলে আমার মনে হয় একটা ডিসক্লেইমার দেয়া উচিৎ ছিল!

এত বড় কবিতা কেউ লেখে?!

আপনার ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগল।

ভালো থাকুন।

২. ০৬ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ২:০১০

মেটালিফেরাস বলেছেন: কমরেড, শুভেচ্ছা।

অনেক দিন ধরে গ্রুপে যাচ্ছেন না। গ্রুপের লেখাগুলো দেখা দরকার।

০৬ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ৩:৪৩০

লেখক বলেছেন: আমি খুবই কম সময়ের জন্য লগ ইন করি। আর সে কারণে গ্রুপে যাওয়াও হয়না, কে কি লেখা পোস্ট করল তাও দেখা হয়না। তবে চেষ্টা করব নিয়মিত যেন যেতে পারি।

ভালো থাকবেন কমরেড। আপনিও তো লেখেন না। কোথাও কমেন্টও করতে দেখি না। গ্রুপে লেখা দিন।

৩. ০৬ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ২:০৮০

নীরব 009 বলেছেন: আমি যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে

তোমাকেই ভাবব বলে মরার আগে

শেষ পর্যন্ত তোমার কথা মাথায় গেঁথে রাখব

প্রিয়তমা আমার!

আমিও এটাই ভেবে রেখেছি।

ভাল লেগেছে পড়তে। শুভ কামনা জানবেন।শুভ রাত্রি।

০৬ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ২:৪২০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ নীরব। আপনাদের ভালো লাগাতেই লেখকের স্বার্থকতা।

আপনিও ভালো থাকবেন। শুভ কামনা রইল।

৪. ০৬ ই এপ্রিল, ২০১১ ভোর ৪:৩০০

প্রজন্ম৮৬ বলেছেন: আপনার প্রিয় কবি’র লেখা কবিতা’র একটি গান ( ইউটিউব)

Click This Link

যদিও তুর্কি ভাষায় তবু আমার বিশ্বাস সুরটা মন ছুঁয়ে যাবে।

০৬ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ১২:৪৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ প্রজন্ম৮৬।

আমি তুর্কী বুঝি না, তবে আমার লেবানিজ আর তিউনিসিয়ান বন্ধুদের কল্যাণে কিছু আরবী-তুর্কী গান শোনার সৌভাগ্য হয়েছে। এখন অল্প অল্প বুঝি। এর সুরটা আসলেই মন ছুঁয়ে যায়।

নাজিমের আর একটা কবিতার গান শুনেছিলাম বিখ্যাত লেবানিজ শিল্পী ফাইরুজ-এর কণ্ঠে।

৫. ০৬ ই এপ্রিল, ২০১১ ভোর ৬:৫২০

ফাইরুজ বলেছেন: চমত্‍কার

০৬ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:২৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফাইরুজ।

ভালো থাকুন। কাব্যময় থাকুন।

৬. ০৬ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ১২:৩১০

বৃষ্টিধারা বলেছেন: শত শত পঁচে যাওয়া দলিত মাংস

কঙ্কাল শরীরে উঠে আসবে,

বেজন্মা জারজ সময় স্বাক্ষ্য দেবে না,

তবুও তারা উঠে আসবে

ভালো লাগলো খুব ।

এত্ত বড় কবিতা লিখার ধইরজ কই পেলেন ?

০৬ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ১:০৫০

লেখক বলেছেন: ভালো লাগল? বেশ।

তা আমি যে খুবই অধৈর্য্যশীল মানুষ তা কিভাবে টের পেলে?

আসলে সেদিন হঠাৎ এক দোকানে সস্তায় কিছু ‘ধইরজ’ পেয়ে গেলাম! সেটাই রোজ তিন বেলা দাগ মেপে মেপে খেয়ে লিখে ফেললাম

৭. ০৬ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:২০০

আরিশ ময়ুখ বলেছেন: বড় কবিতা কিন্তু পড়তে এতটুকু খারাপ লাগল না

০৬ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:৩৪০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আরিশ ময়ূখ।

আপনার ভালো লাগা পাথেয় হয়ে থাকুক।

৮. ০৬ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:২২০

অনিক বলেছেন: অসম্ভব সুন্দর। অনুপম অভিব্যক্তি ও ক্ষোভের নান্দনিক প্রকাশ।

০৬ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:৫০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দাদা। পড়ে ভালো লাগল জেনে খুশি হলাম।

আছেন কেমন? অনেক দিন দেখা সাক্ষাৎ নেই!

৯. ০৭ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১০:৪২০

শায়মা বলেছেন: কবিতাটাকে চিঠি চিঠি লাগছে ভাইয়া।

তোমার আর অন্য সব লেখার চাইতে অনেক বেশী সহজ বোধ্য এই লেখাটা আমার কাছে।

এই লেখাটা পড়ে মনে হলো এটা একদম তোমার নিজের কিছু কথা। মোটেও বানানো না।

০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:৪৫০

লেখক বলেছেন: এটা তো আসলে চিঠিই।

আমার মনে হয় রসকসহীন কঠিন লেখকের খেতাব ঘুচল না!

যা হোক এটা তোর কাছে সহজবোধ্য লেগেছে জেনে আশ্বস্ত হলাম!

এটা একদম আমার নিজের কথা!? বলিস কি?

আসলেই তাই ভাইয়া। মানুষের জীবনে কিছু না ঘটলে বানিয়ে বানিয়ে বেশি কিছু লেখা যায় না। ঘটনা ঘটতে হয়, তা সে নিজের হোক বা পরের হোক। তার পর সেটা গভীরভাবে নীরিক্ষণ করতে হয়। তবেই না এক একটা লেখা হয়ে ওঠে!

ভালো থাকিস।

১০. ০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ১২:৫৩০

প্রতিবাদী কন্ঠস্বর বলেছেন: দারুন…..

০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ বিকাল ৩:০৮০

লেখক বলেছেন: অভিনন্দন কমরেড। ভালো থাকুন।

১১. ০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ বিকাল ৩:১৭০

শায়েরী বলেছেন: চমৎকার

০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ বিকাল ৩:৪১০

লেখক বলেছেন: কবিতাটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ শায়েরী।

অ.ট. আপনার নিক নামটা চমৎকার!

১২. ০৯ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:১১০

বৃষ্টি ভেজা সকাল ১১ বলেছেন: কিছু কিছু লেখা থাকে দীর্ঘ হলেও পড়তে বিরক্ত লাগেনা, এটা তেমনি।

সায়মাপুর কথাই ঠিক, চিঠি চিঠি কবিতা, অনেক ভাল লাগল।

০৯ ই এপ্রিল, ২০১১ বিকাল ৫:৪৬০

লেখক বলেছেন:

হুম। তোমাদের শায়মাপু দিনকে দিন অভিভাবক হয়ে উঠছেন!

ঠিক ঠাক ভাইয়াকে রীড করতে পারেন!

এখন থেকে খুব সাবধানে লিখতে হবে মনে হচ্ছে !

ভালো লাগার জন্য ধন্যবাদ বৃষ্টি ভেজা সকাল ১১

১৩. ০৯ ই এপ্রিল, ২০১১ বিকাল ৫:৪৮০

বৃষ্টিধারা বলেছেন: আমাকে ও সস্তা দরে কিছু ধইরজ কিনে দিবেন ?? পিলিঝ লাগে ।

০৯ ই এপ্রিল, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৪৪০

লেখক বলেছেন:

সেই দোকানটা এখনো আছে কিনা কে জানে! দেখি আবার গেলে কিনে আনব।

আপাতত শায়মাপুর কাছে তালিম নিতে থাকো

ও হচ্ছে ‘ধইরজের’ হিমালয়!!!!

১৪. ১০ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:০৮০

বৃষ্টি ভেজা সকাল ১১ বলেছেন:

২০টি এত্ত তাল কুরুক্যা

বৃষ্টিধারা বলেছেন: আমাকে ও সস্তা দরে কিছু ধইরজ কিনে দিবেন ?? পিলিঝ লাগে  ।

লেখক বলেছেন:

সেই দোকানটা এখনো আছে কিনা কে জানে! দেখি আবার গেলে কিনে আনব।

আপাতত শায়মাপুর কাছে তালিম নিতে থাকো

আমিতো হাসতে হাসতে কাইত

১০ ই এপ্রিল, ২০১১ সকাল ১০:৪৬০

লেখক বলেছেন:

বৃষ্টিধারার আব্দার কিন্তু খারাপ না!

এক ফাইল ‘ধইরজ’ কিনে খেয়ে যদি বিশাল বিশাল

লেখা নামিয়ে দেয়া যায় তাহলে তো তাকে এপ্রিশিয়েট করতেই হয়।

হাসতে হাসতে কাইত/চিৎ হও অসুবিধা নাই, তবে ‘খুন’ হয়ো না।

১৫. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:৫৮০

খারেজি বলেছেন: অনেক দিন পর একটা পূর্ণাঙ্গ কবিতা পড়লাম মনজু ভাই‍!

পুরোটাই দুর্দান্ত হয়েছে।

থাম্বস আপ!

১৫ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:৫৫০

লেখক বলেছেন: হা হা হা!

খারেজি যখন ‘দুর্দান্ত’ বলে তখন মনে হয় কিছু না কিছু হয়েছে!

কি করব বলেন! বড় বড় গদ্য আর আসে না। আলোচক-সমালোচক ছাড়া কি

লেখা পূর্ণাঙ্গ হয়!

তাই বাধ্য হয়েই কবিতায় মাথা গুঁজতে হলো।

এ আমার সৌভাগ্য!!

১৬. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১০:১১০

আরিফ রুবেল বলেছেন: ভালো লাগল

১৬ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:২৩০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ আরিফ রুবেল।

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s