এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি [ ১ ] আল্লারাখা তোমায় ভুলিনি বন্ধু!!

Litle figher

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০২ |
গত বছর আগস্টের দিকে বন্ধু ফারুক ওয়াসিফ বলেছিল। তার পর একরামুল হক শামীমসামহোয়ারইনে“আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস” নামে একটা পোস্ট দিয়ে আমাকে ঋণী করে দিল। এর পর মানবী, রাগ ইমন বিভিন্ন সময়ে মনে করিয়ে দিয়েছেন। আমি পারিনি। সময় পাইনি তেমন নয়, তবে কেন যেন মনে হয়েছে এত বছর আগেকার সব কিছু কি মনে করতে পারব? কিছু কিছু প্রায় ধূসর হয়ে যাওয়া স্মৃতিরা কি ধরা দেবে! শেষমেশ অমি রহমান পিয়ালকে কিছুদিন আগে কথা দিয়েছিলাম-ডিসেম্বর পর্যন্ত বেঁচে থাকলে লিখব। হ্যাঁ, এই সেই ডিসেম্বর। একটু একটু শীতের আমেজ আর মিঠে সোনা রোদে ঝলমল ডিসেম্বর। অথচ যে ডিসেম্বরের কথা বলতে যাচ্ছি তা মোটেই আলো ঝলমল সোনা রোদের মৌতাতের সকাল ছিলনা। এক একটা প্রহর কেটেছে উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠায়। আমার ছেলেখেলা করা শৈশব এক হ্যাঁচকা টানে সরে গিয়ে আমার সামনে হাজির হয়েছিল যুদ্ধের দগদগে ঘা মাখা এক কদাকার বিভৎস স্মৃতি, যা আনন্দ বেদনা আর গৌরবের এক রক্ত তিলক।

মার্চ,১৯৭১। চুয়াডাঙ্গা। ব্রডগেজ রেল লাইনটা যেখানে দিগন্তে মিশে গেছে, যখন আর দু’টি লাইন আলাদা দেখা যায়না ঠিক সেখানে রোজকার মত সূর্য উঠত। চকচকে রেল লাইনে সেই রোদের বিচ্ছুরণ। অন্য পাঁচ-দশটি দিনের মত আমাদের দিনগুলি শুরু হতো। দুপুরে স্কুল থেকে ফিরে নাকেমুখে দুটো গিলেই হারিয়ে যেতাম নিজেদের বানানো জগতে। ঈদগাহ মাঠের ধারের লিচু বাগানে কাদামাটি মেখে রোজকার রুটিনমত হাজির হতাম রেল লাইনের ওপারে সরকারী খামারে। আমরা বলতাম-‘ফার্ম’। বিষয়টা যে চৌর্যবৃত্তি তা বড় হওয়ার আগ পর্যন্ত বুঝিনি। ফার্মে পেঁকে থাকা টোম্যাটো-গাজর মনে হতো আমাদেরই সম্পদ! পটাপট দুই-তিন সের টোম্যাটো তুলে সাথে নেওয়া গামলায় মাখানো হতো। পকেটে থাকত শুকনো মরিচ পোড়া আর লবন। চার-পাঁচ জনে মিলে সেই স্যালাড সাবাড় করে ফার্মের সেচের পানি যেখানে গিয়ে জমত সেই বিরাট চৌবাচ্চায় আমারা গোসল সেরে বাড়ি ফিরতাম। কোন ঝুটঝামেলা নেই। বিকেলে সেই ফার্ম পেছনে ফেলে আর একটু দূরে ইপিআর ক্যাম্পে যাওয়াটাও রোজকার রুটিন ছিল। ইপিআররা ফুটবল,ভলি,ব্যাডমিন্টন যা-ই খেলুক আমরা বল কুড়িয়ে আনা স্বঘোষিত ‘বলবয়’। আমার ন’য়া চাচা ছিলেন ব্রিটিশ এয়ারফোর্সের বৈমানিক। অবসরের পর ইপিআর ক্যাম্পে কি যেন এক দায়িত্বে কাজ করতেন। সেই সুবাদে হোক বা পড়শি হিসেবেই হোক ইপিআর ক্যাম্পে আমাদের যাতায়াত অবাধ ছিল। প্রায় সকলেই চিনত। বিশেষ করে বৈশাখ মাসে ঝড় শুরু হলে ক্যাম্পের আমগাছের আমে আমাদের অধিকার ছিল নিরঙ্কুশ।

আমি বরাবরই পোশাক-আশাকে একটু ছিমছাম ছিলাম বলে অথবা কি কারণে যেন পাঞ্জাবী আর বেলুচিরা আমাকে বলত-‘তুম হামারা বেটা, তুম বাঙ্গাল য্যায়সা নেহি’! হয়ত ফর্সা মুখে বড় বড় চোখের কারণেও হতে পারে। কে.ডি.খান নামের পাঞ্জাবী অফিসারের সখ ছিল পাখি পোষা। তার রুমের বাইরে অনেকগুলো খাঁচা ভর্তি থাকত পাখিতে। আমরা হা করে পাখি দেখতাম, কারণ গুলতি দিয়ে আমরা কেউ কখনো কোন পাখি মারতে পারিনি। কে.ডি.খানের পর আর একজন আল্লারাখা আমাদের ভাল বাসতেন। তার ছেলের বয়সও ছিল আমাদেরই মত। তার ছবি দেখাতেন। কাবলি ড্রেস পরা একটি ফোকলা দাঁতের ছেলে পাহাড়ের খাঁজে দাঁড়িয়ে ছবি উঠেছে। প্রায় রোজই ওদের গেমস শেষ হলে আল্লারাখা আমদের পেস্তা বাদাম আর আখরোট দিতেন। এই রুটিনটা মার্চের শেষ দিকে এসে কেমন যেন বদলে যেতে থাকে। আমরা বুঝিনা কেন কি হচ্ছে। শুধু দেখতাম সারা ক্যাম্পে ফিসফাস গুঞ্জন। আমাদের বাড়িতে একটা ন্যাশনাল প্যানাসনিক রেডিও ছিল। সন্ধ্যায় সেই রেডিওতে বাবা-মাকে দেখতাম খুব মনযোগ দিয়ে খবর শুনছেন। তখনো খবরের কাগজ কি জিনিস তা আমরা জানতাম না। তবে রেডিও শুনে শুনে একটা গান আমাদের মুখস্থ হয়ে গেছিল…

“আমাদের বন্দী করে ওরা যদি ভাবে, 
দুনিয়ায় পাপের ভারে পূণ্য ডুবে যাবে,
 
ভুল ভুল সে যে বড় ভুল,
 
আমাদের সন্তানেরা দেবে সে ভুল ভেঙ্গে দেবে”
 

মার্চের ২৬ বা ২৭ ঠিক মনে নেই আমাদের বাড়ির পাশে দেখলাম বড়রা বাঙ্কার খুঁড়ছে। আমরা মহাধুমধামে এই নতুন ব্যাপারটায় সামিল হলাম। কি যেন একটা হতে যাচ্ছে। কিন্তু সেটা কি তা জানতাম না। আমাদের যাদের বয়স নয়-দশ-এগার তাদের পই পই করে বলে দেওয়া হলো, সাইরেণ বাজার সাথে সাথে যে যেখানেই থাকো সোজা এই বাঙ্কারে ঢুকে যাবে। সাইরেণ ছাড়াই আমরা বাঙ্কারে ঢোকা প্রাকটিস করে ফেললাম। আমাদের এই বাঙ্কার বাঙ্কার খেলাটা একদিন হঠাৎ বাস্তব হয়ে গেল! ২৮ বা ২৯, কিংবা ৩০ তারিখে বিকেলের দিকে প্রচন্ড শব্দ করে দুইটা যুদ্ধ বিমান আমাদের শহরে উড়ে এলো। এর আগে আমি কখনো যুদ্ধ বিমান দেখিনি। ট্রেনিং মত দৌড়ে সবাই বাঙ্কারে গিয়ে ঢুকলাম, কিন্তু কিছুক্ষণ পর আমি আর বুলবুল ভাই(আমার ধর্মমামা রেজাউল সাহেবের বড় ছেলে) বাঙ্কারের পাশে উপুড় হয়ে শুয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছি…..হঠাৎ মনে হলো একেবারে আমাদের পাড়ার উপর দিয়ে ও দুটো উড়ে গেল! সাথে সাথে কানে আঙ্গুল দেওয়ার পরও মনে হলো কান ফেটে যাবে, কিছুক্ষণ পর আবার, এভাবে কিছুক্ষণ পর পরই গোঁ গোঁ করে ছুটে আসছিল প্লেন দুটো। একাবার দেখলাম একটা প্লেন গোত্তা খেয়ে পড়ে যাচ্ছে, বুলবুল ভাই লাফ দিয়ে উঠে চিৎকার করতে লাগলেন- একটা পড়েছে একটা পড়েছে! তার মানে ইপিআর রা একটাকে গুলি করে ফেলেছে! আমরা আবেগে আনন্দে লাফালাফি করতে লাগলাম, হঠাৎ দেখি সেই প্লেনটা আবার উড়ে আসছে…..রেজাউল মামা বললেন-ওটা পড়েনি, ডাইভ দিয়ে নিচে নেমেছিল। এর কিছুক্ষণ পর দেখলাম ইপিআর ক্যাম্প থেকে কুন্ডলি পাকানো ধোঁয়া আকাশে উঠে যাচ্ছে…. ‘ওরা ক্যাম্প গুড়িয়ে দিয়েছে’, কথাটা শোনার পর আমরা একে অপরের মুখ চাওয়াচায়ি করলাম। কতক্ষণ মনে নেই, এক সময় এয়ার এ্যাটাক শেষ হলো। আমরা কোন কিছু না ভেবেই দৌড় দিলাম। গন্তব্য ইপিআর ক্যাম্প।

তখনো দাউ দাউ করে আগুণ জ্বলছে। চারিদিকে সৈন্যরা ছুটোছুটি করছে। অনেকক্ষণ দূরে দাঁড়িয়ে আগুন দেখলাম। আমাদের কিছু করার ছিলনা। শুধুই আতঙ্কে গলা শুকয়ে আসছিল। আগুণ একটু থামার পর আমরা ক্যাম্পের ভেতরে যাচ্ছি, সেলুনের পাশে ইপিআরদের গরু রাখার জন্য বড়মত একটা চাতাল ছিল, মোটা লোহার শিক দেওয়া। সেটার পাশ দিয়ে যাবার সময় কে যেন আমার নাম ধরে ডাক দিল! আমি চমকে ফিরে তাকালাম, কাউকে দেখলাম না। আবার সেই ডাক! এবার শিকের কাছে গিয়ে দেখি আল্লারাখা! পাশে কে.ডি. খান এবং আরো অনেক পাঞ্জাবী সৈন্য আর অফিসার। আল্লারাখা কি যেন বলতে চাচ্ছিল, একজন বাঙালি সৈন্য আমাদের টেনে সরিয়ে নিয়ে এলো। ধমক দিয়ে বলল-আর কখনো ওদের কাছে যাবেনা, ওরা পাকিস্তানী কুত্তা। বাড়ি ফিরেও মনের ভেতরকার দ্বন্দ্ব দূর হচ্ছিল না। বুঝতে পারছি পাকিস্তানী আর্মিরা আমাদের মারতে চাইছে, যশোর ক্যান্টনমেন্ট থেকে ফাইটার প্লেন এসে বোম্বিং করে ক্যাম্প জ্বালিয়ে দিয়েছে, আমার বাবা অনেকগুলো মানুষের সাথে কোথায় যেন বেরিয়ে সেই অনেক রাতে বাড়ি ফিরছে। যুদ্ধ লাগবে, বর্ডার খুলে দেবে, আমরা যুদ্ধে নেমে গেছি, এই সব কথাবার্তা শুনতাম, কিন্তু তার সাথে আল্লারাখার সম্পর্ক কি তা বুঝে উঠতে পারলাম না। আল্লারাখাকে কেন বন্দী করেছে তাও বুঝলাম না! তাকে আমার কখনোই আমাদের শত্রুপক্ষ মনে হয়নি। রাতে মা’কে সব বলার পর মা বাবাকে বললেন। বাবা বোঝালেন অনেক কিছু, যা আমার মাথায় ঢুকে আরো গোলমাল করে দিল। আমার চাচা বাবাকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বললেন। চাচা ঐ দিনের পর ক্যাম্পে যেতে নিষেধ করে দিলেন। কিন্তু আমার ভেতর তখন দ্বিধাদ্বন্দ্ব ঘুরপাক খাচ্ছে। কিছুতেই বুঝতে পারছিনা যারা কয়েকদিন আগেও একসাথে হাসত-খেলত তারা কেন একে অপরের ‘শত্রু’ হয়ে যাবে?

পর দিন কাউকে কিছু না বলে একাই ইপিআর ক্যাম্পে গেলাম। আজ দেখলাম আল্লারাখাদের সাথে আরো অনেককেই আটকে রাখা হয়েছে। আমি একটু কাছে যেতেই আল্লারাখা শিকের কাছে এসে ফিসফিস করে বলল- ‘বেটা তুমি আমাকে একটা ডাব খাওয়াতে পারবে?’ এটা শুনে কে যেন বলল-‘ ওকে বিপদে ফেলছ কেন, না বেটা তুমি যাও, আর এসো না’। রাতে আমি মা’কে সব বললাম। মা আমাকে চার আনা বের করে দিয়ে বলল-‘ওদেরকে মেরে ফেলা হবে, তোর বাবার কাছে শুনলাম, তুই কাল ওকে একটা ডাব দিয়ে আসিস’। অনেক রাত পর্যন্ত ঘুম এলো না। মনে পড়ল আল্লারাখা ২৫ মার্চের আগেই পাঞ্জাবীদের বিরুদ্ধে বাঙালিদের পক্ষে কথা বলত বলে পাঞ্জাবীরাও তাকে গালাগালি করত। বাঙালি সৈন্যরা আল্লারাখাকে ‘গেরাই’ (নিজ দেশের লোক) বলত। ২৫ তারিখের পর পাঞ্জাবীদের অস্ত্র সিজ করে নেওয়ার সময় সেও বাঙালিদের সাথে ছিল,সেও জয় বাংলা বলে ভলিবল সার্ভ করত!

পর দিন খুব সকালে উঠে একটা ডাব কিনে হাটা দিলাম। ক্যাম্পের কাছে এসে ডাবটা আমার গেঞ্জির তলায় লুকিয়ে নিলাম, কিন্তু গেঞ্জির তলে যে অত বড় একটা ডাব লুকিয়ে নেওয়া যায়না সেটা মাথায় আসেনি। আল্লারাখার ঘরের কাছে আসতেই বাঙালি এক সৈন্য ডাবটা কেড়ে নিল! তার পর সে কি কি বলল তা আমার মাথায় ঢুকল না। আমি অসহায়ের মত ফ্যাল ফ্যাল করে আল্লারাখার দিকে চেয়ে থাকলাম। আল্লারাখা একটু হেসে বলল-‘ বেটা তুম তো বহোৎ জখম উঠায়া, কোয়ি জরুরৎ নেহি বেটা, খারিয়াত র‌্যাহনা, উয়ো লোগ মানতি নেহি ম্যায় তুমহারা আদমী হু…… আরো কি কি যেন বলতে চাচ্ছিল, কিন্তু কে যেন আমার হাত ধরে সরিয়ে নিয়ে গেল।

তিন চার দিন আর ক্যাম্পে যাইনি, একদিন কে যেন বলল- পাঞ্জাবীগুলোকে শেষ করে দেওয়া হয়েছে। কোন কিছু না ভেবেই আমি দৌড় দিলাম। খেলার মাঠে সারি সারি লাশগুলো পড়ে ছিল। এদিন আমার বাবাকেও দেখলাম ওখানে। বাবা কাছে এসে বোঝালেন- ওরাও আমাদের শত শত ভাইকে যশোর ক্যান্টনমেন্টে মেরে রেখেছে। আমি কিছুই শুনছিলাম না। চোখ জোড়া খুঁজে বেড়াচ্ছিল কাকে যেন। এক সময় পেলাম! আকাশের দিকে মুখ করে শুয়ে আছে আল্লারাখা, আমার দেখা মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শহীদ।

চলবে…………

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): আল্লারাখামুক্তিযুদ্ধএকাত্তরযুদ্ধস্মৃতিএক কিশোরের বেঁচে থাকার লড়াই।এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতিকিশোর মুক্তিযোদ্ধামুক্তিযুদ্ধবাঙ্গালীবাংলাদেশীবাংলাদেশ১৯৭১৭১৭১মনজুরুল হকস্মৃতিকথাগেরিলাপাকিস্তানপূর্ব বাংলাবিহারী197171’71bangladeshfreedom fighterliberation warbangladeshibanglaeast pakistanwest pakistan…. ; ;
প্রকাশ করা হয়েছে: মুক্তিযুদ্ধস্মৃতিকথা  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:৫৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর…

এডিট করুন | ড্রাফট করুন | মুছে ফেলুন

১২৫০ বার পঠিত২৭১০৭৫০

মন্তব্য দেখা না গেলে – CTRL+F5 বাট্ন চাপুন। অথবা ক্যাশ পরিষ্কার করুন। ক্যাশ পরিষ্কার করার জন্য এই লিঙ্ক গুলো দেখুন ফায়ারফক্সক্রোমঅপেরাইন্টারনেট এক্সপ্লোরার

১০৭টি মন্তব্য

১-৫৪

১. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৩০

মনজুরুল হক বলেছেন:

কিছু কিছু নাম আমার আর মনে পড়েনা। মায়ের কাছে অনেকের নাম পরে জেনেছি। আমার এই লেখাটি বাবা বেঁচে থাকলে হয়ত আরো কিছু সংযোজন করে দিতেন। বাবা মারা যাওয়ায় সেই মনে করিয়ে দেওয়ার কাজটি আমার মা করছেন। মায়ের কাছে যখনই স্মৃতি ঝালাই করতে বসছি তখনই মা’কে কাঁদতে দেখছি। তার পরও আমার মা আমাকে মাস, তারিখগুলো মনে করিয়ে দিচ্ছেন।

২. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১০০

সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন: এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেললাম……….

অপেক্ষায় থাকলাম পরের পর্বের….

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৫০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ সারওয়ার ইবনে কায়সার । পরের পর্ব কাল-পরশুই আসবে। চেষ্টা করব এই ডিসেম্বরেই একাত্তরের ডিসেম্বরের কথামালা শেষ করতে।

৩. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১১০

দেশী পোলা বলেছেন: হুমম, সব পাকিস্তানী সৈনিক তাহলে বর্বর ছিলো না? (এটা আপনি ছাড়া অন্য কেউ বললে এতক্ষনে রাজাকার ট্যাগ পরে যেতো)

আপনার পরবর্তী লেখার অপেক্ষা..

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৯০

লেখক বলেছেন:

সত্য স্বীকারে কুণ্ঠিত হন ইতিহাস লিখিয়েরা। আমি ইতিহাস নির্মাণ করছি না, ইতিহাসের হাত ধরে সেই সকল স্মৃতিতে ঘুরে আসছি কেবল।

পরের পর্বের অপেক্ষার জন্য ধন্যবাদ।

৪. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৫০

এমিল বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম…

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৩০

লেখক বলেছেন:

তুমি কেন শুধুই প্রিয় তে রাখবে? তোমার কাছে প্রশ্ন আশা করি। আল্লারাখার স্মৃতি আমার সবই মনে ছিল, কিন্তু আমি যে তাকে একটা ডাব খাওয়াতে পারিনি সেটা মা মনে করিয়ে দিলেন। এবছর বাবার মৃত্যুবার্ষিকীতে এই প্রসঙ্গ তুলেছিলাম মায়ের কাছে।

৫. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৮০

অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: প্রিয়তে +++

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৯০

লেখক বলেছেন:

আশাকরি পরের পর্বগুলোতেও আপনাকে সাথে পাব।

ধন্যবাদ অমাবশ্যার চাঁদ।

৬. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৫০

তায়েফ আহমাদ বলেছেন: একটানে পড়লাম।

যুদ্ধ-রক্ত-হিংসা-স্বাধীনতা-পরাধীনতা-বীরত্ব সবকিছুকে ছাপিয়ে কখনো কখনো মানুষের প্রতি ভালবাসাটাই যেন বড় হয়ে ওঠে।

দেশী পোলার সাথে একমত; (এটা আপনি ছাড়া অন্য কেউ বললে এতক্ষনে রাজাকার ট্যাগ পরে যেতো)

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৫০

লেখক বলেছেন:

আল্লারাখাকে তার আত্মিয়রা শহীদ ভেবেছেন হয়ত। হয়ত পাকিস্তানে তার বাবা-মা, স্ত্রী-সন্তানেরা তার মৃত্যুর কারণে আমাদেরকে এখনো অভিসম্পাত দিয়ে চলেছেন, কিন্তু তারা কেউ কোন দিনও জানবে না এখানে একজন এখনও তার স্মৃতিচারণে অশ্রুপাত করে!!

৭. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৮০

সত্যান্বেষী বলেছেন: ‘মাতার এই অশ্রুধারা বীরের এই রক্তস্রোত’ ভরা ডিসেম্বরে আল্লারাখাকে সশ্রদ্ধ অভিবাদন।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৩০

লেখক বলেছেন:

এই কাজটা করতে গিয়ে আমি মনে হয় মা’কে কষ্টই দিচ্ছি। একই সাথে সেই সময়কার কস্ট নতুন করে পাচ্ছেন, আবার বাবার কথা ভেবে অন্য মাপের কষ্টও পাচ্ছেন।

আমাদের যুদ্ধের ইতিহাসে এই আল্লারাখার জন্য হয়ত কোন স্থান বরাদ্দ নেই। না থাকুক, আমার স্মৃতিতে আল্লারাখা আজো ভাস্মর।

৮. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩০০

ফিউশন ফাইভ বলেছেন: দারুণ। আগামী পর্বগুলোও পড়বো।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৪০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ। এটা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আর কোন কাজে হাত দিচ্ছিনা।

৯. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৭০

শ* বলেছেন: এয়ার স্ট্রাইক তাহলে মার্চেই শুরু হৈছে ?

কয়েকটা টাইপো রয়ে গেছে এখনও

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৬০

লেখক বলেছেন:

টাইপো কারেক্টেড।

এটা প্রথম। এর পরে আবার শুরু হয় এপ্রিলের প্রথম ভাগে। সেটা পরের পর্বে আসছে..

১০. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৭০

এমিল বলেছেন: মনজু ভাই, প্রশ্ন তোলার প্রশ্ন আসছে কোথায়? আপনি আপনার চোখে দেখা উপলব্ধি গুলো লিখেছেন।

আমি জানি আপনার এই আল্লারাখা হয়তো সাধারণ বাঙ্গালীদের সাথে নিজেকে একাত্ম ভাবতো।

বা আমার আম্মুর কাছে শোনা নাম না জানা বিহারী প্রতিবেশী, যারা মিলিটারি রেইড আসার খবর পেলেই নিজেদের পাড়ার মানুষগুলোকে সতর্ক করে দিতো। হানাদার বাহিনীর হাত থেকে পাড়ার যুবতী নারীদের লুকিয়ে থাকতে সাহায্য করতো। সেটা যে তারা নিজেদের জাতিগত ভিন্নতা সত্ত্বেও এই মানুষগুলোর সাথে একাত্ম ভাবতো সেজন্যই।

পাশাপাশি হয়তো এমন আল্লারাখারাও ছিলো যারা শুধুমাত্র জাতিগত ভিন্নতার জন্যই ২৬ মার্চের আগে থেকেই বাঙ্গালীদের উপর নির্যাতন করতো। আপনার জানার কথা, মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে শুধু খুলনাতেই অনেক বিহারী হাজার হাজার বাঙ্গালীকে খুন করেছে।

নিজের কথা বলি। আমার কাছে সবচে ঘৃণিত মনেহয় রাজাকারদের। কারণ, তারা ছিলো বাঙ্গালী। যখন দেখি একজন বাঙ্গালী শুধুমাত্র নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য অন্য বাঙ্গালী কে খুন করছে, মা- বোনদের হানাদারদের হাতে তুলে দিচ্ছে তাদের প্রতি তীব্রতর ঘেণ্ণা ছাড়া আমার আর কিছুই অবশিষ্ট থাকে না।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৪০

লেখক বলেছেন:

একটু অপেক্ষা। পরের কয়েকটি পর্ব থেকেই তুমি যেটা বললে সেই বিষয়গুলো আসবে। আসবে স্মৃতিটৃতি গুবলেট করা ভয়াবহতা। সেখানে খালিশপুর, যশোরের বেজপাড়াও আসবে।

দেখলে তো, ৪ এর উত্তরে ওই কথা না বললে তোমার হাত দিয়ে এই তথ্যগুলো বেরুতো না!

১১. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৪০

আমি এবং আঁধার বলেছেন: আপনার লেখা খুবই ভালো লাগলো।

মুহম্মদ জাফর ইকবালের একটা কলামে পড়েছিলাম, অনেকটা এরকম- স্বাধীনতা খুব পুতঃপবিত্র কিছু না, এটা অনেকটা শিশুর জন্মের মতন। সদ্যোজাত শিশুর শরীরে লেগে থাকে অনেক ময়লা, রক্ত, নালী। সেগুলোকে ধুয়ে, মুছে নেওয়ার মাধ্যমেই স্বাধীনতা পূর্ণতা পায়। আপনার এই স্মৃতিচারণেও সেটাই আবার মনে হলো। সাধারণ মানুষের দ্বারাই মুক্তিসংগ্রাম হয়েছিলো, দেবদূত দ্বারা নয়। কাজেই বিচ্যুতি অস্বাভাবিক নয়। তবে সবকিছুর ওপরে একরাশ ঘৃণা সর্বদাই থাকবে রাজাকারদের জন্য। তাদের আচরণ কোনোভাবেই জাস্টিফায়েবল নয়; অন্তত আমার কাছে।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১০০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ আমি এবং আঁধার।

এই একটি পর্ব পড়েই কোন সিদ্ধান্তে আসা ঠিক হবেনা। এক একটি পর্বে এক একটি বিষয় তুলে আনতে চাইছি। কষ্ট করে এই সিরিজটির সাথে থাকুন, আশা করছি অনেক বিষয় আসবে ক্রমান্বয়ে।

১২. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১২০

ম* বলেছেন: কিছু বলার নাই … যুদ্ধ’ বস্তুটার চেহারাটাই যে ওরকম । কিশোরসূলভ আবেগের মুল্য সেখানে থাকার কথা নয় ।

স্মৃতিচারণ চমৎকার লাগলো । পরবর্তি পর্ব বড় আকারে একবারে দেবেন। ভেঙ্গে ভেঙ্গে পড়লে আগ্রহ নষ্ট হয়ে যায়।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৬০

লেখক বলেছেন:

কি ভাবে ? এটাই ১৭” মনিটরে প্রায় সাড়ে পাঁচ স্ক্রিন! আরো বড় করলে স্ক্রলে সমস্যা হবে না?

১৩. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২৫০

মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: ভেবেছিলাম, লেখাটি অফ-লাইনে পড়েই কেটে পড়ব। পড়া শেষ করে মনে হল, একথাটি আপনাকে জানানো দরকার যে, শুধু ব্লগের জন্য এটি না লিখে- আরো বড় পরিসরে লিখুন; বড় কলেবরে।

শুভাশিষ আপনার জন্য।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪৩০

লেখক বলেছেন:

গতবছর ডিসেম্বরে, এবছর মার্চে উদ্যোগ নিয়েও শুরু করতে পারিনি। এবার যখন শুরু করতে পেরেছি আশা করছি বড় পরিসরে বড় কলেবরেই শেষ করতে পারব।

আপনার শুভাশিষ পাথেয় হয়ে রইল।

১৪. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫৫০

নিবিড় অভ্র বলেছেন: …….

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১৮০

লেখক বলেছেন:

আপনার ডটগুলোর পরিচয় ধরে নিলাম এমন….

“এটা কি লিখেছেন! ধ্যাৎ!”

“কিছুই বলার নেই”

“লেখাটা পড়ে বিষন্ন হলাম”

ভাল থাকুন।

১৫. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:২৭০

শ* বলেছেন:

কয় পর্বের প্ল্যান করলেন ?

একমত

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৩৮০

লেখক বলেছেন:

কয় পর্বে শেষ হবে বলতে পারছিনা, তবে ১৫/১৬ পর্ব যে হবে তা বলা যায়। একাত্তরের মার্চ থেকে শুরু করেছি। হিসেব মতে ডিসেম্বরেই শেষ হবার কথা, কিন্তু আরো একটু এগিয়ে যাওয়া উচিৎ তাও মনে করছি, দেখি শেষ পর্যন্ত কি দাঁড়ায়…

পরের পর্বগুলো একটু বড় করেই দেব তাহলে।

১৬. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৬০

লুৎফুল কাদের বলেছেন: +++

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:২২০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ লুৎফুল কাদের।

১৭. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৪১০

বাবুতারা বলেছেন: ছোটবেলায় সবসময় মুক্তিযোদ্ধা হতে চেয়েছি, আর বড় হবার পর ইতিহাসের পাতায় নৃশংসতা দেখে বারবার শিউরে উঠেছি…… বুঝতে পেরেছি মুক্তিযুদ্ধে যাবার জন্য “ক্রেইজ” নয়, অন্যকিছু প্রয়োজন… সম্ভবত সেই জিনিসটার নাম অকৃত্রিম সাহস, দৃঢ় সংকল্প কিংবা আরো বেশি কিছু….

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৫০

লেখক বলেছেন:

দিনক্ষণ ঠিক করে মুক্তিযুদ্ধে সামিল হয়নি কেউই। পেশাদার সৈনিকদের কথা জানিনা, তবে যে জনসাধারণ যুদ্ধে গেছেন তারা প্রথমত জীবন বাঁচাতে জীবন হাতে নিয়ে যুদ্ধে জড়িয়েছেন। ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ হওয়া মানুষ সম্ভবত মৃত্যুকে হাতের মুঠোয় নেওয়ার সাহস অর্জন করে। আর এই সাহস যার থাকে তাকে তো আর কোন ভয় ভীত করতে পারেনা।

১৮. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:০৩০

ম্যাকানিক বলেছেন: ভালো লেখা মঞ্জু ভাই

কয় পর্বে শেষ হবে বলতে পারছিনা, তবে ১৫/১৬ পর্ব যে হবে তা বলা যায়।

অপেক্ষায় রইলাম

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৬০

লেখক বলেছেন:

খুব বেশি অপেক্ষায় রাখব না। চেষ্টা করব প্রতিদিনই একটি করে পর্ব দিতে।

ভাল থাকুন।

১৯. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৩০

ক-খ-গ বলেছেন: কমেন্ট করছিনা, কিছু একটা লিখবো ভাবছি।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৯০

লেখক বলেছেন:

শুনে ভাল লাগল। সম্ভবত সময়ের ফেরে আপনার লেখা অনেকদিন আমার পড়া হয়না। আপনি জানেন, তার পরেও বলছিঃ কিছু কিছু মানুষকে আমি আজও মিছিলের অগ্রভাগে দেখি সংকল্পবদ্ধ,ঋজু। আপনি সেই মানুষ।

২০. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৬০

নাজমুল আহমেদ বলেছেন: দারুন একটা সিরিজ…… পরের পর্বের জন্য অপেক্ষায় থাকলাম।।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫২০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ নাজমুল। পরের পর্ব বা তারও পরের পর্বগুলো নিশ্চিতভাবেই অনেকটা আঁকাবাঁকা পথে এগুবে। ততে করে সিরিজটা শেষ পর্যন্ত ‘দারুন’ থাকবে কিনা বলতে পারছিনা।

২১. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২০০

রোহান বলেছেন: +++

পরের পর্বের অপেক্ষায়…

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৪০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ রোহান। আর কয়েক ঘন্টা পরই দ্বিতীয় পর্ব দিতে পারব। কোন গ্যাপ দিতে চাচ্ছিনা। আশা করি পোস্টের সাথে থাকবেন।

২২. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৬০

মাহবুব সুমন বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথাকে ভিন্ন কোন থেকে দেখা, পরবর্তি পর্বের জন্য অপেক্ষা করছি। আপাত অনুভূতি ? ভালো লাগছে

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৭০

লেখক বলেছেন:

আপনার স্বক্ষাৎকারমূলক মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের আলোকে এটা হয়ত খানিকটা ভিন্ন আঙ্গিকের। আপনাকে মন্তব্য করতে দেখে ভাল লাগল। শুভেচ্ছা।

২৩. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৭০

শ।মসীর বলেছেন: আকাশের দিকে মুখ করে শুয়ে আছে আল্লারাখা, আমার দেখা মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শহীদ। -অনেক সাহসী কথা লিখেছেন । আপনাকে ধন্যবাদ।

লেখক বলেছেন:

সত্য স্বীকারে কুণ্ঠিত হন ইতিহাস লিখিয়েরা। আমি ইতিহাস নির্মাণ করছি না, ইতিহাসের হাত ধরে সেই সকল স্মৃতিতে ঘুরে আসছি কেবল। — অপেক্ষায় থাকলাম।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৯০

লেখক বলেছেন:

আমি চেষ্টা করছি শৈশবের দেখা, অনুভব করা ঘটনাগুলো পরিণত স্মৃতির সহায়তায় বর্ণনা করে যেতে। তাতে ইতিহাসের গুণাগুণ কিংবা সাহিত্যমান বিঘ্নিত হলো কি হলোনা সে নিয়ে মাথা ঘামাব না।

২৪. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৯০

শ।মসীর বলেছেন: আপনার মত করে যদি আরও কিছু লেখক ভাবতে পারতেন, তবে হয়ত অনেক সমৃদ্ধ একটা দলিল আমরা পেতাম ।

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪৩০

লেখক বলেছেন:

আমি নিজেকে খুবই সাধারণ মাপের এক ধারাবর্ণনাকারী ভাবছি…

আপনার এমন চমৎকার মন্তব্যের জন্য অভিনন্দন নিন।

২৫. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪১০

ফিউশন ফাইভ বলেছেন: লেখাটি দ্বিতীয়বার পড়লাম। বেশ নির্মোহ মনে হল লেখককে। যতো ভ্রুকুটিই থাকুক না কেন, আপনার কাছ থেকে আপনার দেখা একেবারে সত্যিকার ঘটনাগুলো জানতে চাই, তা যতো ছোটই হোক, যতো তুচ্ছই হোক। অনেক মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতিচারণ অতীতে পড়েছি, মুজিববন্দনা ছাড়া তেমন কিছু পাইনি। আপনি নির্মোহ থাকবেন, এই আশা রাখছি।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:০২০

লেখক বলেছেন:

এক্ষুণি আপনার এই মন্তব্যের বিষয়ে মতামত দিচ্ছিনা। শুধু বলব- সিরিজটার সাথে থাকুন………..

২৬. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৯০

দীপঙ্কর বলেছেন: গগুল টকে আসেন

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩৮০

লেখক বলেছেন:

ওপেন করেছি। তুমি কোথায়?

২৭. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৭০

আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: +++++

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০২০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ শান্ত। ভাল আছ তো?

২৮. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৩০

রো*  বলেছেন:

আবেগটা পাশ কাটানো যেতো…

অনেক কিছু জানছি। এসব অজানা ছিলো…। টোটাল টাইপ কতটুকু হয়েছে? পর্বগুলো তাড়াতাড়ি পাবতো?

স্যালুট কমরেড!

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০১০

লেখক বলেছেন:

শিরোনাম খেয়াল করো ভাইটু। এক কিশোরের চোখে…..আবেগ তো থাকবেই।

আজই ২য় পর্ব দেব। টাইপ চলছে….১২ টা নাগাদ পোস্ট হয়ে যাবে। তবে সমস্যা হয়েছে ২য় স্টিকি পোস্ট! ওখানে কিছু আলোচনা করতেই হচ্ছে…….

২৯. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৯০

মোঃমোজাম হক বলেছেন: এই মাসে ৭১ নিয়ে আরো লেখা চাই।আপনাকে+++++

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫২০

লেখক বলেছেন:

কেন ভাই! ৭১ নিয়ে শুধুই এমাসে কেন? সব সময়ই লেখা উচিৎ যদি লেখার দরকার পড়ে!

আপনার অনুভূতিকে শ্রদ্ধা।

৩০. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩০০

নাজনীন১ বলেছেন: আপনার এই লেখায় সে সময়কার একজন সাধারণ মানুষের অনুভূতিগুলো পাব আশা করছি, যেটা আমি আমার বাবা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের কাছে পেয়েছি, কোন বই থেকে নয়। অপেক্ষায় রইলাম বাকী পর্বগুলোর জন্য। সবগুলো পড়বো।

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৫০

লেখক বলেছেন:

শুধুই সাধারণ মানুষ নয়, একজন কিশোরের স্মৃতি বর্ণনা করছি। যেহেতু একজন পরিনত মানুষ বর্ণনা করছে তাই ভাষা ব্যবহার আর ঘটনার বর্ণনায় পরিনত ছাপ থাকতে পারে।

সবগুলো পর্ব পড়বেন জেনে ভাল লাগছে।

৩১. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৩০

অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: চালায়া যান বস..একটা পর্বও যাতে মিস না হয়।

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৬০

লেখক বলেছেন:

নাহ্ এবার আর মিস হবে না। পিয়ালকে বলেছিলাম এবার বলতেই হবে আমাকে….অবাক হলাম! পিয়ালকে দেখলাম না এখনো….

৩২. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৮০

দীপঙ্কর বলেছেন:

না কথা না কিছু

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৭০

লেখক বলেছেন:

শুধুই দেখে যাওয়া……

৩৩. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৭০

নির্ঝরিনী বলেছেন: পড়লাম, পোস্টের সাথে আছি….পরের পর্বের অপেক্ষায়…

শুরুরদিকটা পড়ে একটানে শৈশবে ফিরে গিয়েছিলাম…ঐরকম এক ফার্মেই আমার শৈশব, কৈশোরের অনেকটা সময় কেটেছে…

আল্লারাখার ডাব খেতে না পারার কস্টটা বার বার মনে পীড়া দিচ্ছে…

++++++++

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪২০

লেখক বলেছেন:

ইতিমধ্যে ২য় পর্ব পোস্ট করেছি।

আপনার মত দশা আমারো। আল্লারাখার কথা মনে হলেই দলা পাকানো কষ্টটা গলার কাছে উঠে আসে………..

আমার আটপৌরে শৈশব আমার অকেটা জায়গাজুড়ে ফুলকপি’র বাগান করেছে! সেখানে সাদা সাদা ফুলকপি ধরে আছে…

৩৪. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫১০

যীশূ বলেছেন: পড়ছি।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৩০

লেখক বলেছেন:

দুঃখিত। আপনার মন্তব্যের উত্তর লিখতে দেরি হয়ে গেল।

ভাল থাকবেন।

৩৫. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৪০

মুনশিয়ানা বলেছেন: অসাধারন হৃদয় মোচড়ানো স্মৃতিকথা… এতো জীবন্ত বর্ণনা…।

মুগ্ধ হয়ে পড়ছি আর পুরো ছবিটা চোখের সামনে জ্বলজ্বল করে ভেসে উঠছে।

শুধু আল্লারাখার জন্য বুকের মধ্যে একধরনের দলা পাকানো কষ্ট…

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৭০

লেখক বলেছেন:

জানিনা এটি স্মৃতিকথা হয়ে উঠছে কি-না, তবে যা দেখেছি তা নিজের মত করে বর্ণনা করে যাবার চেষ্টা করছি…….আশা করছি পরের পর্বগুলোতেও সাথে থাকবেন।

৩৬. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৫১০

সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:

অসাধারন।

ডিসেম্বর মাসে এর চেয়ে ভালো কোন লেখা হতে পারে না।

শুভকামনা ……লেখা চলুক।

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৫৬০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ সাজি। আমার উঠে যাওয়ার মুহূর্তেই এলেন।

একটু কষ্ট করে দেখে নেবেন, এর পরে আরও দুই পর্ব দেওয়া হয়েছে। চলবে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে…………..।

৩৭. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৫০০

রাগ ইমন বলেছেন: আপনি ভাই লোক ভালো না কিংবা আমারই কপাল খারাপ। যখন ব্লগ কিছুদিনের জন্য ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি, তখন শুরু করলেন এই লেখা!

যাক গে, সবচেয়ে বড় কথা হলো , লেখাটা শুরু করেছেন ! সেইটাই আনন্দের !

আব্বুর সাথে অনেক আলাপ হয় এই ” সাধারনের হাতে লিখিত ইতিহাসের প্রয়োজনীয়তা ” নিয়ে। একটা ঘটনা সব ধরনের মানুষের বর্ননায় উঠে না এলে পূর্ণ চিত্রটা আসে না । আমরা প্রত্যেকেই নিজের নিজের চিন্তা চেতনা দ্বারা বায়াসড । সুতরাং , সকল পক্ষ ও বিপক্ষ সহ নিরপেক্ষদের ভার্বাল পোস্ট মর্টেম ইতিহাসের পূর্ণতা দিতে খুবই জরুরী । তাছাড়া , যে যেভাবে ১৯৭১কে প্রত্যক্ষ করেছেন , অনুভব করেছেন , অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন , তার কাছ থেকে তাঁর দৃষ্টিকোন থেকে সত্যকথনের দরকার খুব বেশি ।

খুব খুশি হলাম । আবারো অভিনন্দন লেখা শুরু করার জন্য । আমার আব্বুকে শেষ পর্যন্ত এখনো ব্লগে আনা হলো না । আমি চেষ্টা করে যাব , আব্বুর মুক্তিযুদ্ধের অভিজ্ঞতা তাঁকে দিয়ে ব্লগে লেখানোর ।

আপনি যেমন বললেন , অনেকেই কিছু না বুঝেই জড়িয়ে গিয়েছিলো মুক্তিযুদ্ধ নামক একটা যুদ্ধে । সেই তুলনায় আব্বুর যুদ্ধে যোগদান ছিলো রীতিমত পরিকল্পিত । যুদ্ধ অবশ্যম্ভাবী এইটা বুঝতে পেরে যুদ্ধে যোগ দেওয়ার জন্যই বিভিন্ন ধরনের ছুতা দেখিয়ে আব্বু ও অন্যান্য বাঙালী অফিসাররা ( বিমান বাহিনী) একে একে করাচী থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে চলে আসেন । আব্বুর শেষ দুই বন্ধু যারা মার্চের কাছাকাছি সময়ে আসতে চেষ্টা করেন আসতে পারেননি । ধরা পড়েছিলেন ।

যারা বুঝে শুনে যুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন (হয়ত আপনার আব্বুর মতন) , তাঁর দেখার চোখ ভিন্ন হবেই , পাশাপাশি সেই চোখটাও পড়তে পারলে ভালো হত।

আল্লারাখার মত মানুষ গুলাও পরিস্থিতির শিকার । আমাদের মনে রাখতে হবে , পশ্চিম পাকিস্তানী সরকার ও সরকারী সিদ্ধান্ত সকল পশ্চিম পাকিস্তানীর চিন্তা ও চেতনার প্রতিনিধিত্ব করে না। ঐ পক্ষে আল্লারাখারা ছিলো ( খোঁজ নিলে দেখা যাবে আল্লারাখার জন্মভূমিও হয়ত করাচী কিংবা ইসলামাবাদের সামন্তদের শোষনের শিকার ছিলো।) , আর আমাদের পক্ষেও রাজাকাররা ছিলো ।

ইরাকে গিয়ে যেই আমেরিকান গুলা ১৮, ১৯, ২২ বছর বয়সে মরে ভূত হচ্ছে তারা কেউ আম্রিকান এলিটদের ছেলে মেয়ে নয় । আমেরিকার হত দরিদ্র পরিবারের অসহায় সন্তান, দুইটা পয়সার – সুযোগ সুবিধার জন্য যারা প্রতিরক্ষা বাহিনীতে যোগ দেয় তাদের ইরাক- আফঘানিস্তানে পাঠিয়ে আম্রিকান সরকার নিজের স্বার্থসিদ্ধি করে। আল্লারাখাও তেমন কেউ হতে পারে।

তবে , পাকিস্তানী খান সেনা , রাজাকার – আল বদর, আল শামস এর এর দলে নরাধমের সংখ্যাই বেশি ছিলো । নইলে গ্রাম কে গ্রাম উজাড় করা লাশের সারি পেতাম না আমরা।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০২০

লেখক বলেছেন:

“আব্বুর সাথে অনেক আলাপ হয় এই ” সাধারনের হাতে লিখিত ইতিহাসের প্রয়োজনীয়তা ” নিয়ে। একটা ঘটনা সব ধরনের মানুষের বর্ননায় উঠে না এলে পূর্ণ চিত্রটা আসে না । আমরা প্রত্যেকেই নিজের নিজের চিন্তা চেতনা দ্বারা বায়াসড । সুতরাং , সকল পক্ষ ও বিপক্ষ সহ নিরপেক্ষদের ভার্বাল পোস্ট মর্টেম ইতিহাসের পূর্ণতা দিতে খুবই জরুরী । তাছাড়া , যে যেভাবে ১৯৭১কে প্রত্যক্ষ করেছেন , অনুভব করেছেন , অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন , তার কাছ থেকে তাঁর দৃষ্টিকোন থেকে সত্যকথনের দরকার খুব বেশি ।”

আপনার এই কথাগুলো একাধারে শেল এর মত বুকে বিধল, আবার পরম এক প্রশান্তিতে বুকটা ভরে উঠল! আমাদের অনেকেরই একাত্তরকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি ভীন্ন ভীন্ন, কিন্তু আমাদের এই দেখটা কখনোই ইতিহাসের অংশ হয়ে ওঠেনি বলে আমরা এক একজনের নির্মিত ইতিহাস থেকে খন্ড খন্ড চিত্র পাচিছ/পেয়েছি।

প্লিজ আপনার বাবাকে রাজি করান। প্রয়োজনে আপনিই কষ্ট করে লিখুন। দেখা যাবে তারও বুকের ভেতর পাহাড় সমান স্মৃতি জমে আছে!

৩৮. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৪০

মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: অবশেষে শুর করলেন।

লেখাটি শেয়ার করছি অনেকের সাথেই, আশা করছি আপত্তি করবেন না।

লেখার বিষয়ে এখন কিছু বলব না, সিরিজ শেষ হোক

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৮০

লেখক বলেছেন:

আবারও কত দিন পর! আপনি কোথা যে মাঝে মাঝে ডুব মারেন! এই যে দেখলাম, হয়ত আবার কয়েক মাস পরে হাজির হবেন!

সেটাই। এখন কিছু বলার দরকার নেই, সিরিজটা শেষ করি আগে। তবে এবার যখন এসেছেন এই সিরিজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আপনার ছুটি নেই।

৩৯. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:২৭০

তামিম ইরফান বলেছেন: যে প্লেন গুলি থেকে বোম্বিং করা হইছিলো ঐগুলা কোন দেশী প্লেন ছিলো???

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৫০

লেখক বলেছেন:

আমাদের দেশী। মানে পাকিস্তানী। যশোর থেকে মনে করা হতো চুয়াডাঙ্গা বিদ্রোহ করেছে। তাছাড়া ইপিআররা অনেক পাঞ্জাবী মেরে ফেলার কারণে পাক আর্মি প্রতিশোধ নিতে চাচ্ছিল।

৪০. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:০৭০

আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

যাত্রা হলো শুরু ।

একজন পরিপক্ক মানুষের লেখায় একজন অবুঝ কিশোরের অভিজ্ঞতা দেখছি, দারুণ ।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:২১০

লেখক বলেছেন:

আর যে মানুষটি এই বর্ণনা লিখছে তার ক্ষণে ক্ষণে দ্বিমুখি অনুভব হচ্ছে, কখনো অঝরে কান্না পাচ্ছে, কখনো গর্বে বুকটা ফুলে উঠছে…….সব মিলিয়ে স্মৃতিরা মুক্তি পাচ্ছে, এটাই আমার সান্তনা।

৪১. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৬০

লীনা দিলরূবা বলেছেন: পড়া শুরু করলাম। সবশেষে একটি মন্তব্য করবো।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৯০

লেখক বলেছেন:

কবে যে শেষ হবে….

ধর্য্য রাখতে পারবেন তো?

অপেক্ষায় থাকলাম শেষাবধি…..

৪২. ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩২০

সামছা আকিদা জাহান বলেছেন: বড় দেরী হয়ে গেল পড়তে। আমার দেশের ইতিহাস আমাকে মন্ত্রের মত টানে। আমার সমস্ত ভাল লাগাগুলিকে নিয়ে আমি পড়ছি আপনার এই পোস্ট।

বাবার মুখে শুনেছিলাম ডিসেম্বরে এয়ার স্ট্রাইকের কথা। ডিসেম্বরেই বাংকার এর কথা শুনেছিলাম।

হয়ত এক এক জায়গায় এক এক সময়ে শুরু হয়েছে।

আমরা যানি মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিকথা। আমাদের সন্তানেরা জানবে আমাদের থেকে। আপনারা যদি লিখে না রাখেন তবে তো ওরা বিকৃত ইতিহাস জানবে।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৮০

লেখক বলেছেন:

এতদিন মুখে মুখে বলতাম। এবার মনে হলো লিখে যাওয়া উচিৎ, কখন মরে যাই ঠিক তো নেই! এই অনিশ্চিত জনপদে মৃত্যুর কোন গ্যারান্টি নেই। তাই লিখে চলেছি। নিয়মিত পড়লে ভাল লাগবে আমার।

৪৩. ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৮০

নীরজন বলেছেন: চোখটা কেমন যেন জ্বালা করছে………….

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫০০

লেখক বলেছেন:

খুব সম্ভবত ধুলোটুলো পড়েছে হয়ত! আমারও লেখার সময় অমনটি হচ্ছিল……….

ভাল থাকবেন।

৪৪. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪১০

অন্যরকম বলেছেন: অল কোয়ায়েট ইন দ্য ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট পড়ার পর যে অনুভুতি মনে এসেছিল, সেরকমই মনে হ্চ্ছে আপনার এই লেখা পড়ে।

অনেক দেরীতেই পড়া শুরু করলাম। বইয়ের মলাটে পড়তে চাই!

১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৬০

লেখক বলেছেন:

আমি সম্ভবত ৮১/৮২ সালের দিকে বইটা হাতে পাই। সেই থেকে এরিখ মারিয়া রেমার্ক আমার মনের গহিনে ঠাঁই পেয়ে যায়।

পাতাহীন ডালে বসা সেই পাখিটার ছবি আঁকছিল ছেলেটা…..কখন একটা গুলি এসে লাগে টের পায়নি…পাখিটার দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে ঢলে পড়ে……………

এই জায়গাটায় এসে চোখ ভিজে ওঠে! আমি মেলাতে পারি বিনিদ্র রাতের পর নদী সাঁতরে বাঁচার চেষ্টা করছি………বন্দুকটা হারিয়ে ফেললাম!!

৪৫. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:০৭০

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেললাম । রোমাঞ্চকর একটা অনুভূতি হল ।

অনেক দেরি হয়ে গেল , তবুও ভাগ্য ভাল যে চোখ এড়িয়ে যায়নি

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৩৫০

লেখক বলেছেন:

অনেক অনেক ধন্যবাদ মেহরাব শাহরিয়ার।

সবার সাথে শেয়ার করতে পেরে আমিও রোমাঞ্চিত।

৪৬. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৫০

এমিল বলেছেন: মনজু ভাই। একটু দেখেন তো

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৫০

লেখক বলেছেন:

দেখলাম। অসাধারণ ব্যাপার! কিন্তু এখন তো দেখাচ্ছে “টেম্পোরারী আনএভেইলেবল”

এখানে আপলোড করা গেলে মেন হয় দারুন একটা কাজ হবে। থ্যাক্স এমিল। তোমার পিনি ঠিক হলো কবে? নাকি অন্য পিসি থেকে লগইন?

৪৭. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৩৯০

এমিল বলেছেন: আরেকবার কস্ট করে চেক করেন। এবার হবে।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪০০

লেখক বলেছেন:

আচ্ছা দেখছি।

৪৮. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৪৮০

এমিল বলেছেন: http://www.mediafire.com/?1xwi5tneuwyএইটাও দেখতে পারেন

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪১০

লেখক বলেছেন:

আচ্ছা।

আমি ফোন করিনা বলে কি তুমিও একটা ফোন করতে পার না?

৪৯. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৩০

মুক্ত বয়ান বলেছেন: ভাইয়া, প্রথম থেকেই আপনার সিরিজের সাথে আছি। পড়ে যাচ্ছি আর মুগ্ধ হচ্ছি। বিচিত্র সব অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হচ্ছি।

শুধু লগইন করা হয় না বলে মন্তব্য করা হচ্ছে না। বাকিদের মন্তব্যই আমার সকল প্রশংসা।

ভাল থাকুন।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২০০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ ভাইয়া।

সাথে থেকো।

৫০. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৭০

অপ্‌সরা বলেছেন: শহীদ আল্লারাখা এখন থেকে আমার স্মৃতিতেও থেকে যাবে।

বেশীভাগ সময় তোমার লেখা গুলো সব মন খারাপ করানো ভাইয়া। তবে

সব শেষে এইখানটাতে কি চোখের পানি আটকে রাখা যায় বলো?

“চোখ জোড়া খুঁজে বেড়াচ্ছিল কাকে যেন। এক সময় পেলাম! আকাশের দিকে মুখ করে শুয়ে আছে আল্লারাখা, আমার দেখা মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শহীদ।”

ওরা যতবড় শত্রু হোক, মানুষ আর ছোট্ট তোমার বন্ধু হিসেবে আল্লাহরাখা মোটেও শত্রু ছিলোনা।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৯০

লেখক বলেছেন:

চোখের সামনে আজো ভাসে আল্লারাখার মুখ। একটা ডাবের দাবী ছিল তার! অথচ তাও খাওয়াতে পারিনি! কি কষ্ট কি কষ্ট!!

৫১. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৫৫০

ত্রেয়া বলেছেন: ভেবে অবাক হচ্ছি কি করে এতগুলি পর্ব চোখে পড়েনি আমার।তবে এই যে শুরু করলাম যে কটা পর্ব আপনি দিয়েছেন সবগুলো শেষ করে উঠব।

আর এ পর্বের কথা কি বলবো বুঝতে পারছি না।পড়তে গিয়ে কেমন যেন অসহায় একটা বোধ হচ্ছে ভেতরে।

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২০০

লেখক বলেছেন:

প্রতিটি পর্ব লেখার সময় আমার যে অনুভূতি হয়েছিল সেই একই অনুভূতি পাঠক হিসেবে আপনারও হওয়ার অর্থ আপনি লেখকের মননে মিলিত হয়ে, একাত্ম হয়ে পড়েছেন।

আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ ত্রেয়া।

৫২. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৮০

প্রতিবাদী কন্ঠস্বর বলেছেন: +

লিখে যান মনজুরুল ভাই।

০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৮০

লেখক বলেছেন:

অনেক পরে হলেও আপনি দেখতে পেয়ে পড়েছেন তাতেই আনন্দিত।

৫৩. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫০০

জনৈক আরাফাত বলেছেন: শোকেসে রেখেছিলাম। এবার সিরিজটা পড়া শুরু করলাম!

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৮০

লেখক বলেছেন:

অনেক ধন্যবাদ আরাফাত।

৫৪. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:১৮০

মাহমুদা সোনিয়া বলেছেন: এটা কি পড়লাম!! মনে হচ্ছে ৭১ রেই আছি!! অসাধারণ!!

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:১৬০

লেখক বলেছেন: দুঃখিত, একটু দেরীতে আপনার মন্তব্যের উত্তর দিচ্ছি।

ভালো হয় যদি আপনি একটু কষ্ট করে পরের পর্বগুলো পড়ে ফেলতে পারেন। আশা করি হতাশ হবেন না।

এতদিন পরে এস এ বিষয়ে নতুন করে আর কিছু বলতে মন চাইছে না।

ভালো থাকুন সোনিয়া।

Top of Form

আপনার মন্তব্য লিখুন

কীবোর্ডঃ  বাংলা                                    ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয় ভার্চুয়াল   english

নাম

       

Bottom of Form

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s