এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি [১১] বৃষ্টি দিনের স্মৃতি আর অন্যরকম দায়িত্ব

556719_379430475481805_599501349_n

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১০ |

 

বর্ষা কাল শুরু হয়ে গিয়েছিল। রাত নেই দিন নেই অঝরে বৃষ্টি ঝরে চলেছে। গ্রামের ছোট ছোট কাঁচা রাস্তাগুলো কাদায় থ্যাকথেকে হয়ে গেল। রাতে টিনের চালে ঝম ঝম করে বৃষ্টি পড়েই চলেছে। আমরা এক ঘরে এক বিছানায় সবাই গাদাগাদি হয়ে কখনো বসে বসে দেশের সেই ছোটবেলার স্মৃতি হাতড়ে বেড়াতাম। রাতে বৃষ্টি শুরু হলে এখানে ওখানে বাটি পেতে দেওয়া লাগত। টপ টপ করে সেই বাটিতে পানি পড়ে চারিদিকে ছিটকে যেত। অন্যান্য বছরের চেয়ে সেবার অনেক বেশি বৃষ্টি হয়েছিল। পথ-ঘাট থৈ থৈ হয়ে গিয়েছিল। খুব ছোট বেলা যখন গ্রামে যেতাম ওমনি বর্ষা কালে থৈ থৈ পানিতে সয়লাব মাঠে হুটোপুটি করার সেই সব দিন মনে করে হঠাৎ হঠাৎই মনটা বিষন্ন হয়ে উঠত। আমাদের এই আলোচনায় বোনরা কিছুই বলতে পারত না। কেবল মা আর আমি বর্ষা নিয়ে সেই সব মধুর স্মৃতি নিয়ে বিলাপ করে যেতাম। কখনো বাবা তার আরো শৈশবের কথা বলতেন। এই সময়ে এক এক দিন এমন জোরে বাজ পড়ত যেন একসাথে আট-দশটা কামান গর্জে উঠেছে। তার পর যখন কড়কড় করে সেই বাজের শব্দ পেতাম মনে হতো যেন মেশিন গানের গুলি হচ্ছে! অর্থাৎ আমাদের যা কিছুই ঘটত তার সাথে কোন না কোন ভাবে যুদ্ধ, গুলি ব্যাপারগুলি এসে যেত। যেমন আমরা গ্রেনেডকে বলতাম ‘আনারস’।

সেই বর্ষা মাথায় নিয়েও আমি প্রায় নিয়মিত হাজির হতাম সেই জগন্নাথের বাড়িতে। এক একটা ছোট ছোট বই আনতাম আর দুই দিনেই পড়ে ফেলতাম। আমরা যে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি সেই ইতিহাস থেকে শুরু করে চীনের যুদ্ধ, রাশিয়ার যুদ্ধ সবই আমি জগন্নাথের কাছে জেনেছি। তার দেওয়া বই পড়তে পড়তে আমার ভেতর অদ্ভুত একটা পরিবর্তন আসল। আমার আশে-পাশের অনেকের চেয়ে নিজেকে বেশি জানা মানুষ মনে হতে শুরু করল। জগন্নাথই আমাকে বলেছিল –‘আমি এই সব বই হাতে পেয়েছি ১৬/১৭ বছর বয়সের পর, সেই তুলনায় তুমি অনেক আগে পেলে’। এই আগে পাওয়ায় কিনা জানি না আমার মনে হলো আমাদের এই যুদ্ধ খুব সহজে থামবে না। বছরের পর বছর লেগে যাবে। অবচেতনে যখন আমাদের হাতিয়ার, শক্তি এই সব নিয়ে পাক বাহিনীর বিশাল শক্তির (শুনেছিলাম তাদের হাজার হাজার ট্যাঙ্ক, কামান, যুদ্ধবিমান আছে, সেই তুলনায় আমাদের তো কিছুই নেই!) সাথে তুলনা করতে শিখলাম তখন মনে হলো এই যুদ্ধ অনেক বছর ধরে চলবে। বাবাও বলতেন-‘ওরা হচ্ছে বিশ্বের অন্যতম সামরিক শক্তি, ওরা কি সহাজে হার মানবে? আমরা খুব সহজে স্বাধীনতা পাব না’। বাবার এই কথা শুনে কখনো কখনো মন খারাপ হয়ে যেত, তাহলে আমরা কি আর কখনোই দেশে ফিরতে পারব না? আবার কখনো কখনো বেশ ভাল লাগত! মনে হতো-এই তো ভাল আছি, স্কুল নেই, পড়ার চাপ নেই, রেজাল্ট ভাল করার চাপ নেই। শুধু খাও-দাও আর যুদ্ধ করো। যুদ্ধে যে আমাদের শত শত মুক্তিযোদ্ধা মারা যাচ্ছে সেটা মাথায়ই আসত না। দেশে যে কি বিভৎস নিপীড়ন চলেছে সে সম্পর্কে কিছুই বোধে আসত না। ছোট্ট ঘর, অচেনা পরিবেশ, ভীন দেশ এই ব্যাপারগুলো তখন আর খরাপ লাগত না। মানিয়ে নিয়েছিলাম মনে হয়। ছোট ছোট ছেলেরা যখন পথের উপর মার্বেল খেলত, ঘুড়ি ওড়াতো, লাটিম ঘোরাত, তখনই মাঝে মাঝে পার্থক্যটা ধরতে পারতাম। বুঝে নিতাম আমি ওই দলে নেই! আমি পথের ধারে সারাদিন মার্বেল খেলতে পারিনা। আমিও ওদের মত গ্রামের শেষ মাথায় গিয়ে ঘুড়ি ওড়াতে পারিনা। এই সময় মনটা খারাপ হয়ে যেত। ওদের ওই মার্বেল খেলা দেখতে দেখতেই একটি ছেলের সাথে আমার ভাব হয়ে গেছিল। তার নাম রফিক। বাংলাদেশে তাদের বাড়ি ছিল মাগুরা। ও বলত ‘মাইগরো’। ওরার শরণার্থী হয়ে এই গ্রামেরই আর পাড়ায় থাকত, কিন্তু কিছুই করত না। সারাদিন খেলেই বেড়াত।

লাগাতার বৃষ্টি আর পথঘাট নষ্ট হয়ে যাওয়ায় নিয়মিত গ্রাউন্ডসিট বিছিয়ে ট্রেনিং হচ্ছিল না। হাসপাতাল থেকে ফেরার পর বাবাও তেমন একটা অপারেশনে যেতেন না। আমাকেও আর পাঠাননি। কয়েক দিন নিজেই আমাকে বললেন- ‘তুই এত ছোট যে রাইফেল নিয়ে ফ্রন্টে যাওয়াই ঠিক না। তার চেয়ে বরং আর কাজ কর। গেরিলা ট্রুপে মাঝে মাঝে যাওয়া-আসা কর’। আমি তাতেও উৎফুল্ল! পর দিন যথারিতি ক্যাম্পে গিয়ে ট্রেনিং হাবিলদার ওয়াদুদ মুন্সী চাচাকে গিয়ে বললাম-‘চাচু বাবা আপনার সাথে দেখা করতে বলছে’। মুন্সী চাচা কে বাবা আগেই বলে রেখেছিলেন। তিনি তেমন কিছুই বললেন না। শুধু বললেন-‘কি আর করবা বাজান, আমাগো তো কিছু না কিছু করতেই হইব, তুমি কাইল আসো তুমারে নতুন একটা টিমের সাথে লাগাইয়া দিবনে’। ‘নতুন টিম’ শুনে রাতে উত্তেজনা-উৎকণ্ঠায় ভাল করে ঘুমই এলো না। পরদিন শুরু আমার নতুন ট্রেনিং। কোন রাইফেল বন্দুক নেই। শুধুই বক বক করে যাচ্ছেন মুন্সী চাচা। এই টিমের প্রায় সবাই হয় কলেজের ছাত্র, নয়ত চাকরি করত বা কৃষি কাজ করত। কেউ কেউ এমনিই বেকার বসে ছিল। এদের মধ্যে প্যান্ট পরা একমাত্র আমি। বাকি সবাই লুঙ্গি পরত। কোমরে গামছা বাঁধা। সেই গামছার মধ্যে একটা বা দুইটা গ্রেনেড লুকোনো।

আমি শিখলাম কি ভাবে বাংলাদেশ সীমান্ত পার হয়ে ভেতরে ঢুকে যেয়ে পাক বাহিনীর কোথায় কোথায় পোস্ট আছে, কোথায় ক্যাম্প, কোথায় ব্যারাক, কোথায় রাজাকাররা মিলিত হয় এই সব খবর সংগ্রহ করতে হবে। কখনো ফেরিঅলা সেজে কখনো কৃষক সেজে, কখনো বা জাল নিয়ে জেলে সেজে এই কাজগুলো করতে হবে। এসব শুনেটুনে প্রথমে আমার যে উৎসাহ ছিল তা কমে গেল। ধুর এটা কি যুদ্ধ হলো? মনটাই খারাপ হয়ে গেল। পুরো কাজটাকে আমার কাছে মনে হলো একটা চোর চোর ব্যাপার! কিন্তু যশোর থেকে আসা এই টিমের নেতা যে তিনি আমাকে অনেকক্ষণ ধরে বোঝালেন যুদ্ধের মাঠে এটাই সবচেয়ে কঠিন কাজ! বিপদে পড়লে কেউ তোমার সাহায্যে এগুবে না! যাহোক আমি হ্যাঁ-না একটা ঘোরের মধ্যে পড়ে গেলাম। একবার ভাবলাম যা করছি সেটাই ভাল। ইয়াসিন কাকার সাথে হাসপাতালের কাজই বরং ভাল। আসলে তখন আমার সমস্ত মনোযোগ চলে গেছে জগন্নাথের বইগুলোর মধ্যে। হুনান, লেনিনগ্রাদ,তেলেঙ্গানা নামগুলো আরও বেশি আকর্ষণ করছিল।

দোনো মনো করেও ঠিকই একদিন অপারেশনে যাওয়ার জন্য তৈরি হয়ে গেলাম। প্রথম প্রথম যে কয়বার ফ্রন্টে গেছি তার কয়েকবার মা’কে বলে যাইনি, এক-দু বার বলে গেছি। মা খুব মুশড়ে পড়তেন। না করতেন। কিন্তু যত দিন গড়াচ্ছে মা আর না-করেন না। একদিন সকাল থেকেই বৃস্টি হচ্ছিল। টানা বৃষ্টি। দুপুরের একটু আগে আমাদের টিম রেডি হয়ে গেল। লিডারের হাতে ঝাকি জাল। আমার হাতে বর্ষা(অনেক ফলাঅলা কোচ, যা দিয়ে পানিতে মাছ গেঁথে ফেলা হয়)। আর একজনের হাতে খালুই। এই তিনজনের টিম মাথায় কৃষকের টোপর পরে বেরিয়ে গেলাম। আমার সাইজের টোপর পাওয়া যায়নি বলে আমার মাথা খালি। বলা হলো ‘অপারেশন আমঝুপি’। হাঁটু পর্যন্ত কাদা মাড়িয়ে হাঁটছি তো হাঁটছিই। বিকেল নাগাদ সীমান্ত ক্রস করে আরো মাইল দুয়েক হেঁটে একটা গ্রামে উঠলাম। একেবারে কুড়েঘর মত একটা বাড়ির উঠোনে যেয়ে লিডার তাদের সাথে কথা বলার পর সেখানেই থাকার ব্যবস্থা হলো। ওই বাড়ির লোকটা আর তার বউয়ের একমাত্র আগ্রহ আমি! এইটুকু ছেলে মুক্তিযোদ্ধা ওরা যেন সেটা মেনে নিতে পারছিল না। অনেক রাতে কুপি বাতি নিয়ে আরও চার-পাঁচজন মহিলা আমাকে দেখতে এলো। আমি কি করব বুঝতে না পেরে মাথা নিচু করেই বসে থাকলাম। ওদের একটি প্রশ্নেরও উত্তর দিলাম না। যা বলার বললেন লিডার। খুব ভোরে উঠে আমরা সোজা চলে গেলাম বিলে। লিডার জাল ফেলা শুরু করল। সাত-আটবার খেও দেওয়ার পর পুঁটি, টাকি, চ্যালা মিলিয়ে আধা কিলো মাছ ধরা হতেই আবার হাঁটা শুরু। লিডারের নাম বলা আছে শাজাহান। আর একজন তার চাচাতো ভাই সেজেছে, তার নাম কুদ্দুস, আর আমি লিডারের ছোট ভাই কবির!

হাঁটছি তো হাঁটছিই…..আরো কয়েক মাইল যাওয়ার পর আমঝুপি। দূর থেকে দেখলাম মাটির দেওয়াল দিয়ে ঘেরা একটা বিওপি, যেটা আগে ইপিআররা ব্যবহার করত। সেটাতেই পাক বাহিনী। লিডার কুদ্দুস আর আমাকে একটু দূরে বসিয়ে বিওপির কাছে ডোবায় জাল ফেলছে আর তুলছে। ফেলছে আর তুলছে। এভাবে এক সময় তাকে আর দেখতে পাচ্ছিলাম না। বিওপির ওপাশে চলে গেছে। বিওপির সামনের গেট যেটা আমরা দেখতে পাচ্ছিলাম না, সেখান দিয়ে এক পাক সেনা বের হয়ে এপাশে এসে দেওয়াল বেয়ে উপরে উঠে খানিকক্ষণ বসে থাকল, তারপর আবার নেমে আমাদের দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পেচ্ছাপ করল। আবার বিওপিতে ঢুকে গেল। লিডারকে দেখা যাচ্ছেনা তাও অনেকক্ষণ হবে! আমরা দুজন খুব চিন্তায় পড়ে গেলাম। কুদ্দুস (তার আসল নাম কি জানিনা) মনে করিয়ে দিল আরো ঘন্টাখানেক পরেও না আসলে আমরা চলে যাব। মনে থাকবে তো, কেউ কাউকে বাঁচাতে যাব না। মেনে নিতে পারছিলাম না, তবুও বললাম-‘হ্যাঁ মনে থাকবে’। আমরা অধীর হয়ে অপেক্ষা করছি তো করছিই……. একসময় দেখলাম আবার জাল ফেলতে ফেলতে লিডার ফিরছে। তিন জন একসাথে হওয়ার পর যে পথে গেছিলাম সেই পথে না এসে অন্য পথ ধরলাম। এবার আমরা কেউ জানিনা কত দূরে বর্ডার! হাঁটতে হাঁটতে লিডারের কাছে শুনলাম-‘অপারেশন সাকসেসফুল’।

কি দিয়ে কি হলো কিছুই বুঝলাম না। ঘোরা পথে আসার কারণে বর্ডারে আসতেই প্রায় সন্ধ্যে। শেষে মাইলের পর মাইল হেঁটে ক্যাম্পে পৌঁছুলাম অনেক রাতে।
সকালে লিডার আমাদের জানাল না, কিন্তু রিপোর্ট করল নিয়ম মত। এই বিষয়ে আমি কিছুই আর জানলাম না। অপারেশন থেকে ফেরার পর আর আমার ক্যাম্পে যাওয়া হলো না। তার পর দিন থেকেই জ্বর। ভীষণ জ্বর। ডাক্তার কাকার কাছ থেকে বাবা ওষুধ এনে দিলেন। তাতেও কাজ হলো না। টানা সাত-আট দিন জ্বরে ভুগলাম। আমার বোন মাথায় পানি দেওয়ার সময় আমি নাকি প্রলাপ বকছিলাম! আর সেই সব কথাও ছিল আনারস, ক্লিপ, থ্রো এই সব নিয়ে! একদিন শুনলাম আমঝুপি বিওপিতে মুক্তিযোদ্ধারা একদিক দিয়ে গুলি করতে করতে এগিয়েছে, আর ঠিক উল্টো দিক দিয়ে গ্রেনেড হামলা করে চার-পাঁচ জন পাক সেনাকে খতম করেছে, সেদিন লিডার বললেন-‘ভাডি, ইডা হলো আমাগেরে কাজের ফল’! আবার নতুন এক শিহরণ! আমরা কিছু একটা করতে পেরেছি এটাই বড় কথা মনে হতে লাগল। আবার বেশ অনেক দিন কোন দায়িত্ব আসল না। অলস সময় কাটাচ্ছি। আমার সময় অলস কাটলে কি হবে, বাবার পালা এলো আবার ফ্রন্টের বাঙ্কারে। পানি বেড়ে যাওয়ার পর আমাদের বাঙ্কারের লোকদের জন্য খাবার পাঠানো হতো না। ওখানেই খাবারের ব্যবস্থা করে দিত গ্রামবাসীরা। যদিও অনেক দূরে, তবুও তারা রান্না করে খাবার দিয়ে যেত। পাক বাহিনী পানি বাড়ার পর আর ফায়ারও করেনি বা বর্ডার অঞ্চলে টহলও দিত না। সে কারণে আমাদের টিমগুলো আগের চেয়ে আরো ভেতরে চলে যেত। আর যারা পুরোনো গেরিলা টিম তাদের কোন কোন টিম একেবারে মেহেরপুর শহরেও চলে যেত। আমাদের নতুন টিমকে সে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। জ্বর-টর ভাল হওয়ার পর একদিন এলো সেই দায়িত্ব। একেবারে মেহেরপুর শহরে গিয়ে কিছু খবর আনতে হবে, এবং এবার কোন হাতিয়ার তো নেওয়া যাবেই না এমনকি আনারসও নেওয়া যাবে না। সম্পূর্ণ খালি হাতে যেতে হবে। দুরু দুরু বুকে অপেক্ষা করে চলেছি……….

চলবে…………. 

প্রথম পর্ব। দ্বিতীয় পর্ব। তৃতীয় পর্ব। চতুর্থ পর্ব। পঞ্চম পর্ব। ষষ্ঠ পর্ব। সপ্তম পর্ব। অষ্টম পর্ব নবম পর্ব। দশম পর্ব।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতিকিশোর মুক্তিযোদ্ধামুক্তিযুদ্ধবাঙ্গালীবাংলাদেশীবাংলাদেশ১৯৭১৭১৭১মনজুরুল হকস্মৃতিকথাগেরিলাপাকিস্তানপূর্ব বাংলাবিহারী197171’71bangladeshfreedom fighterliberation warbangladeshibanglaeast pakistanwest pakistan…. ; ; ; ; ; ; ;
প্রকাশ করা হয়েছে: মুক্তিযুদ্ধস্মৃতিকথা  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুন, ২০১০ ভোর ৪:০৭ |বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর…

 

 

এডিট করুন | ড্রাফট করুন | মুছে ফেলুন

৪৪৮ বার পঠিত০৬০২৫

 

মন্তব্য দেখা না গেলে – CTRL+F5 বাট্ন চাপুন। অথবা ক্যাশ পরিষ্কার করুন। ক্যাশ পরিষ্কার করার জন্য এই লিঙ্ক গুলো দেখুন ফায়ারফক্সক্রোমঅপেরাইন্টারনেট এক্সপ্লোরার

 

৬০টি মন্তব্য

১-৩০

১. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৯০

পরশমনি বলেছেন: ধন্যবাদ। প্রতিরাতে অপেক্ষায় থাকি।

এই মাসে শেষ হবে তো ভাইয়া?

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২৪০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ পরশমনি।

এই ডিসেম্বরেই শেষ হবে। সাথে থাকার জন্য অভিনন্দন ভাইয়া।

২. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪১০

বলেছেন:

মাইলফলক হতে যাচ্ছে।

গর্ববোধ করছি এ সময়ে ব্লগিং করতে পেরে। ব্লগে সঠিক সময়েই আছি মনে হয়।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৩৭০

লেখক বলেছেন:

জানি না কি হচ্ছে, তবে তোমাদের সবার অংশ গ্রহনে যে কিছু একটা হচ্ছে সেটা অনুভব করছি।

ভাল থেকো ভাইয়া।

৩. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১৫০

ফিউশন ফাইভ বলেছেন: এখন একটানা ৯, ১০, ১১ পর্ব পড়ে ফেললাম।

একটা প্রশ্ন বারবার মাথায় আসে, আপনার বাবা কেমন মানুষ, যিনি তার এইটুকু ছেলেকে যুদ্ধের মাঠে ঠেলে দিয়েছিলেন অবলীলায়?

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫০০

লেখক বলেছেন:

এটার ব্যাখ্যা আমার কাছে নেই। তবে বাবা বলতেন-“সেই দিন লালবাজার বিএসএফ ক্যাম্পে তোমাদের ছেড়ে যাবার পর ধরেই নিয়েছিলাম তোমাদের আর খুঁজে পাব না। পাওয়ার পর মনে হলো আমাদের সবারই জীবন সারপ্লাস”! বাবা বলতেন-“আমার যদি চারটিই ছেলে থাকত তাদের সবাইকেই মুক্তিযুদ্ধে পাঠাতাম”।

(এডিটেড)

৪. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪১০

শ*  বলেছেন: মনজুভাই একটা ব্যপার স্কিপ হলো কি ? প্রথমে যা ছিল প্রতিরোধ,তা থেকে স্বাধীনতার বার্তায় পৌছুলো কিভাবে বাস্তবে । সবাই জানি অবশ্য বঙ্গবন্ধুর ভাষন ইফেক্ট করে ছিল কিন্তু জানতে বা বুঝতে চাইছিলাম আসলে প্রতিরোধ থেকে স্বাধীনতার তাগিদে সম্মুখ সংগ্রামের ক্রমঅগ্রসরমামান স্টেপস গুলা ধরতে ।আমজনতার স্বতঃ প্রনোদনা এই ক্ষেত্রে কতটুকু ইফেক্ট রেখেছিল ? অন্য কোন দ্বিতীয় অথবা তৃতীয় অনুঘটক এক্ষেত্রে ভুমিকা রেখেছিল কি না ?

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৮০

লেখক বলেছেন:

হ্যাঁ, নিশ্চই রেখেছিল। সেই বিষয়টা আর দু’একটা পর্ব পরেই আসবে। বিষয়টা এভাবে আসবে…..আমার সেই বয়সের দেখা ঘটনার সাথে পরিনত বয়সের যুক্তি-বোধ মিলিয়ে সেই দেখার ঘটনাগুলোকে এখনকার বুদ্ধি বিবেচনা দিয়ে দেখার চেষ্টা করব। যার সাথে এই নতুন শতাব্দীতে এসে আমি নিজেও দ্বিমত পোষন করি!

৫. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫০০

লুৎফুল কাদের বলেছেন: +++

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১৫০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ লুৎফুল কাদের।

নিয়মিত আপনি প্রেরণা দিয়েই চলেছেন।

ভাল থাকুন।

৬. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫৫০

মনজুরুল হক বলেছেন:

আমি মনে করি অনুঘটক শুধু দ্বিতীয় বা তৃতীয় নয়, চতুর্থও ছিল….@শয়তান।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:১৯০

লেখক বলেছেন:

এই প্রসঙ্গটা আসবে পরে….

৭. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:০৪০

শ*  বলেছেন: প্রাথমিক অনুঘটকগুলা বোঝার অপেক্ষায় তাহলে রইলাম  ।

আরেকটা অনুরোধ । পর্বগুলিতে দিন মাসের আভাষ দিবেন মাঝে মাঝে । এতে আমাদের পাঠকদের ঘটনা মিলাতে একটু সুবিধা হবে । কেবল বর্ষা কাল শুরু হয়ে গিয়েছিল বললে অনেক সময়ই ইংরেজি মাস ধর্তে অসুবিধা হয় ।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১৪০

লেখক বলেছেন:

আচ্ছা ঠিক আছে। তবে সমস্যা হয় কি, মা’কে যখন বলি অমুকের সাথে যখন কথা হয়েছিল তখন যেন কোন মাস ছিল? বা বাবা যখন হাসপাতালে তখন কি মাস? মে? না জুন?

মা’ও দেখি “সম্ভবত” ব্যবহার করেন। তবে প্রাত্র-প্রাত্রীদের নাম মা ঠিক ঠাকই বলেন।

৮. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:২৭০

মুনশিয়ানা বলেছেন: একটানা পড়ে গেলাম কয়েকটা পর্ব…

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:১১০

লেখক বলেছেন:

অনেক ধন্যবাদ মুনশিয়ানা।

৯. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৫৩০

ম্যাকানিক বলেছেন: মঞ্জু ভাই ডিসেম্বরে শেষ না হলেও আপত্তি নাই অনেক অজানা কথা জানতে পারছে এই প্রজন্ম।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:১৫০

লেখক বলেছেন:

সেটা ঠিক আছে, কিন্তু ব্লগে এই একই বিষয় লাগাতার প্রচার হলে বিরূপ প্রতিক্রিয়াও হতে পারে। যাহোক, বিরূপ হোক বা না হোক, শুরু যখন করেছি, তখন যত দিনই লাগুক লেখাটার একটা পূর্ণাঙ্গ দেওয়ার চেষ্টা করব।

ধন্যবাদ ম্যাকানিক।

১০. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৫৯০

ফারহান দাউদ বলেছেন: রূপকথা পড়ছি মনে হয়, একটা সময়, একটা মহাকাব্য, এভাবেই তৈরি হয়েছিল তাহলে।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:১৭০

লেখক বলেছেন:

খুটিনাটি অনেক কিছুই এড়িয়ে যাচ্ছি স্থানাভাবে। মনে হয় এটা ঠিক হচ্ছে না। আমার মনে হয় সবই তুলে আনা উচিৎ। তা মেনে নিতে পারি বা না-পারি।

অনেক ধন্যবাদ ফারহান। আজ আপনি অনেক রাত অব্দি আছেন!

১১. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:২৭০

সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:

কত অপেক্ষায় যে থাকি……..লেখাটার জন্য।

অনেক ভালো থাকবেন মনজুর ভাই…..লেখাটা কি যে অসাধারন।

একে তো ডিসেম্বর মাস।

তার উপর আপনার এ লেখার টান।

অনেক শুভকামনা।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৮০

লেখক বলেছেন:

….আর আপনাদের এই সকল আঁচল ভরে দেওয়া স্পর্ধা,

নিঃস্ব করে উজাড় করা ভালবাসা

রোজ রাতেই আমাকে বসিয়ে দেয় স্মৃতি তর্পনে।

এক লহমায় ফিরে যাই

আজ থেকে ৩৮ বছরে আগেকার সেই প্রায় ধূসর হয়ে আসা

সোনালী দিনগুলোতে…..

১২. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৮০

নাজমুল আহমেদ বলেছেন: ছোটবেলায় যখন নানা-নানুর কাছে রূপকথার গল্প শুনতাম তখন একটা গল্প শেষ হতেই আরেকটা গল্প বলার জন্য পীড়াপিড়ী করতাম। এখন মনে হচ্ছে আপনার কাছে বসে বসে অবিরাম এই মুক্তিকথার গল্পগুলি শুনি। এক দিনের ধৈর্য্য সয়না।

হ্যাটস্ অফ ইউ কমরেড…

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০০০

লেখক বলেছেন:

আমি কথা দিয়েছি নাজমুল

অবিরাম লিখে যাব শেষ পর্যন্ত।

আমি লিখি।

আর আমার মনে হয় আপনাদের সবার সাথে গোল হয়ে বসে গল্প বলছি !!

১৩. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৯০

ত্রিশোনকু বলেছেন: উত্তেজনায় ছটফট করছি। তারপর কি করলেন?

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৮০

লেখক বলেছেন:

আজ একটু পরেই বলে যাব।

১৪. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৭০

শ।মসীর বলেছেন: আমিও অপেক্ষায় রইলাম……….

ভাল থাকবেন।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১২০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ শামসীর। আপনিও ভাল থাকবেন।

১৫. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩২০

ফারহান দাউদ বলেছেন: শেষরাতের দিকে অনেকগুলো ভাল লেখা পেয়ে গেলাম, থাকতে হলো, আপনার লেখাটা দিয়ে শেষ করেছি। কিছু মনে না নিলে বলি, সময় নিয়ে হলেও খুঁটিনাটি সব তুলে রাখা দরকার, নয়তো আপনাদের প্রজন্মের সাথে সাথে এই সবকিছুই হারিয়ে যাবে, জানা হবে না অনেক কিছুই।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৬০

লেখক বলেছেন:

হ্যাঁ ফারহান, খুটিনাটি সবই তুলে আনব।

ডুবে যাই লেখার ভূবনে………………..

১৬. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৬০

সামছা আকিদা জাহান বলেছেন: আমিও দুরু দুরু বুকে অপেক্ষা করছি পরের পর্বের জন্য। ধন্যবাদ।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৭০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ সামছা আকিদা জাহান।

পরের পর্ব আজই দিচ্ছি……..

১৭. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩১০

যীশূ বলেছেন: এই সিরিজটার পরের পর্বের জন্য অপেক্ষা করে থাকি। চলুক…….

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩০০

লেখক বলেছেন:

অনেক ধন্যবাদ যীশু।

১৮. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৬০

ক-খ-গ বলেছেন: একদিন আকাশও মাথা হেঁট করেছিল আপনাদের স্পর্ধার কাছে।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩১০

লেখক বলেছেন:

…আর এখন মাথা বিকোচ্ছে ফেসিয়ালের দামে !!

১৯. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২১০

নাজনীন১ বলেছেন: নিত্য নতুন সব বাস্তব অভিজ্ঞতা! পড়ে যাচ্ছি নিয়মিত। আগে যত কাহিনী শুনিছি ২য় বা ৩য় কোন ব্যক্তির কাছে। বা মুক্তিযোদ্ধাদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু কিছু শুনেছি। সরাসরি একজন মুক্তিযোদ্ধার কাছ থেকে ধারাবাহিক সূক্ষাতিসূক্ষ দিনলিপি শোনা এই প্রথম। অনুরোধ করি আপনি যতটা জানেন, আপনার যা অনুভূতি কোনরকম রাখঢাক না করে লিখে যান, সবকিছুই আমরা জানতে চাই।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪৩০

লেখক বলেছেন:

একবার যখন শুরু করতে পেরেছি,

তখন আমার স্মুতিতে যা আছে সবই লিখে যাব।

অনেক ধন্যবাদ নাজনীন১

২০. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৩০

নির্ঝরিনী বলেছেন: আপনার এই সিরিজটা পড়ে অনেক উপকার হচ্ছে। কতকিছু জানতে পারছি…সব ঘটনা কেমন ছবির মতো দৃশ্যপট হয়ে ভেসে উঠছে…মাছ ধরতে যাবার দৃশ্যটা মনের মধ্যে গেঁথে গেল…

বাবার মুখ থেকে, যুদ্ধে যাওয়া..প্রশিক্ষন নেয়া…আবার দেশে এসে অপারেশানে অংশ নেয়া…পুরো ঘটনাবলী কখনো শোনা হয়নি…টুকরো টুকরো ঘটনা শুনেছি…এভাবে একদম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কি হয়েছিল জানা হয়ে উঠেনি…আমারই ব্যর্থতা…এখন এতদূর থেকে আফসোস ছারা আর কিছুই করার নেই।

বাবা কিছুটা অন্তর্মুখী স্বভাবের…বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস এলে তাকে শুধু নিঃশব্দে চোখের জল মুছতে দেখি…

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:২১০

লেখক বলেছেন:

প্রথমে ভেবেছিলাম বিশেষ বিশেষ ঘটনা আর মূল বিষয়গুলি লিখেই সিরিজটা শেষ করে দেব। এখন দেখা যাচ্ছে অনেকেই সেই সময়কার খুটিনাটি সব কিছু তুলে আনতে বলছেন। আসলেই যা উল্লেখ না করলে অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। তাই সিরিজটি মনে হচ্ছে আরো বড় হবে।

কথা দিচ্ছি- সব তুলে আনব।

২১. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৭০

পল্লী বাউল বলেছেন: আবারে মুগ্ধ

এবং আবারো অপেক্ষা…..

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৩২০

লেখক বলেছেন:

দায়বদ্ধ হয়ে গেছি দাদা।

আর একবার দায় ঘাড়ে চাপলে আমাকে তো কথা রাথকেই হবে।

২২. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৬০

শ*  বলেছেন:

আমি লিখি।

আর আমার মনে হয় আপনাদের সবার সাথে গোল হয়ে বসে গল্প বলছি !!


আসলেই  । আমাদের মত পাঠকদের কাছেও একই অনুভুতি কাজ করছে

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:২১০

লেখক বলেছেন:

কেবলই গোল হয়ে বসে সেই যুদ্ধদিনের কথা চলছে……অবিরাম…

২৩. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৪২০

রাজর্ষী বলেছেন: আপনার বর্ননা পড়ে মনে হয় যে আমি নিজেও সেই যুদ্ধে শামিল হয়ে পড়ি। ধন্যবাদ

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫০০

লেখক বলেছেন:

আমরা সবাই এর এক একটা পার্ট রাজর্ষী।

আলাদা স্বত্তা হলে আপনি কেন হাজার মাইল দূরে বসে আপ্লুত হবেন!

ভাল থাকবেন।

২৪. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৪০

মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: আপনার লেখার জন্য আমি নিয়ম করে অপেক্ষা করি। কী মুশকিল!

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৩০

লেখক বলেছেন:

এ আমার মুকুটহীন মুকুটে একটি পালক!

অসীম কৃতজ্ঞতা রিপন।

২৫. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৪০

মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: অসাধারন লাগল!

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৬০

লেখক বলেছেন:

শুভ কামনা সৌরভ।

২৬. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪২০

রাগ ইমন বলেছেন: অসাধারন বর্ননা ।

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫৪০

লেখক বলেছেন:

১৪ তম পর্বে বীর গেরিলা যোদ্ধা লাল্টুর কথা আছে, চুয়াডাঙ্গার আরো কিছু পরিচিত মানুষের হত্যার কথা আছে। আপনার আব্বু চিনবেন হয়ত।

এতদিন কোথায় ছিলেন?

২৭. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৫০

অপ্‌সরা বলেছেন: ওদের ওই মার্বেল খেলা দেখতে দেখতেই একটি ছেলের সাথে আমার ভাব হয়ে গেছিল। তার নাম রফিক। বাংলাদেশে তাদের বাড়ি ছিল মাগুরা। ও বলত ‘মাইগরো’।

ঠিকি বলেছো মাগুরার লোকেরা ঠিক এই ভাবেই বলে। তোমার লেখা পড়ে পড়ে অবাক হচ্ছি ভাইয়া।তুমি এতকিছু মনে রেখেছো!

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪০০

লেখক বলেছেন:

সেই সময়টা ছিল আমার জীবনের এক অনন্যসাধারণ সময়! সব কিছু চোখের সামনে ছবির মত ভেসে ওঠে ভাইয়া, সব….

২৮. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:০৫০

ত্রেয়া বলেছেন: শুনলে অদ্ভুত মনে হতে পারে কিন্তু কেন যেন এই লেখা পড়তে পড়তে হঠাৎই নিজের বাবা-মা, বোনটাকে খুব দেখতে ইচ্ছে করছে….

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৫০

লেখক বলেছেন:

তার মানে আপনি দেশের বাইরে! খুব দূরে আর ঝামেলায় না থাকলে এই শীতে চলে আসুন দেশে। চিরচেনা সেই নোংরা ময়লা, শব্দদুষণের দেশও মনে হবে স্বর্গোদ্যান!!

২৯. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৮০

শিপন আবদুর রাজ্জাক বলেছেন:

১১ বছরের গ্যারিলাকে স্যালুট ।

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:০৬০

লেখক বলেছেন:

স্যালুট অজ পাড়াগাঁয়ের অগুনতি নাম না-জানা মুক্তিয্দ্ধোকে…..

৩০. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪২০

মেহবুবা বলেছেন: এসব পড়তে পড়তে মনে হয় না আপনি কিশোর ছিলেন ।

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৯০

লেখক বলেছেন:

কিশোরের চোখে দেখে পরিননত মানুষের লেখা।

সেই কিশোর লিখলে এমন হতো কি?

শেষ হয়ে গেছে মেহবুবা।

আসলেই কি শেষ?

 

Top of Form

আপনার মন্তব্য লিখুন

কীবোর্ডঃ  বাংলা                                    ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয় ভার্চুয়াল   english

নাম

       

Bottom of Form

 

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s