এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি [১৯] কেঁপে ওঠা মাটিতে-বাতাসে বারুদের গন্ধ

Litle figher

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩০

একের পর এক এইসব মৃত্যুর খবর শুনতে শুনতে আমার আর কোন বিকার হতো না! আগে যেমন একটা মৃত্যু সংবাদ শুনলে আঁতকে উঠতাম, এখন আর তেমন হয়না! এনে মনে মৃত্যুকেও যেন খুব স্বাভাবিক ভাবে মেনে নিতে শিখে গেলাম! পাড়ায় যে বড় জমিদারদের পুকুর ছিল তার পাশেই একটি হিন্দু পরিবার থাকত। ভাঙ্গা জমিদার বাড়ির এক কোণায় ছাপড়া মত তুলে সেখানেই থাকত তারা। সেই বাড়ির বুড়ো মানুষটি হঠাৎ কয়েকদিনের জ্বরে মারা গেল। এটা কোন যুদ্ধের মরা নয়। এমনিই মরে যাওয়া। এই মৃত্যুও খুব স্বাভাবিক মনে হলো। আমরা এখানে আসার পর কোন হিন্দুর মৃত্যু দেখিনি। ওই বুড়ো মরে যাওয়ার পর আমরা দলবেধে মড়া ঘাড়ে শ্মশানে গেলাম। গ্রামের শেষ মাথায় একটা মরা খাল যেখানে বিলে মিশেছে সেখানে শ্মশান। আমি আগে কখনো লাশ পোড়ানো দেখি বলে খুব আগ্রহ করেই লাশের সাথে গেলাম। লোকজন বেশি না, মাত্র দশ-বার জন খাটিয়ায় করে লাশ ঘাড়ে নিয়ে যাচ্ছে, আর অনবরত বলে চলেছে –‘বলো হরি, হরি বোল’! আমি প্রথম প্রথম কিছুই বলছিলাম না, তারপর মনে হলো বললে ক্ষতি কি? প্রথমে লজ্জায় একটু আস্তে আস্তে, পরে ওদের সাথেই গলা মিলিয়ে বলতে থাকলাম-‘বলো হরি, হরি বোল‘! প্রথম দিককার একজন বলে-‘বলো হরি’…সাথে সাথে আমরা সবাই বলে উঠি-‘হরি বোল’! সাজানো চ্যালাকাঠের উপর লাশ শুইয়ে দেওয়ার পর তেল ঢেলে আগুণ ধরিয়ে দিল! আমি ভীষণ ভাবে চমকে উঠলাম! এভাবে মানুষকে পোড়ায়! চড় চড় করে চামড়া পোড়ার শব্দ হচ্ছে, আর কেমন যেন অচেনা গন্ধ বেরুচ্ছে। আমি ভয়ে ভয়ে দেখছি…… লাশ পুড়ে কয়লা হওয়া পর্যন্ত অকেকেই দাঁড়াল না, কিন্তু আমি অবাক হয়ে দাঁড়িয়েই থাকলাম। অশ্ব-বিশ্ব দুই ভাই আমার হাত ধরে টেনে নিয়ে এলো। এর আগে আমাদের গ্রামের নদী দিয়ে মাটির হাড়ি আর আধাপোড়া কাঠ ভেসে যাওয়ার সময় বড়রা বলত-‘শ্মশানের কাঠ, শ্মশানের হাড়ি’। 
নভেম্বরের শীত এখন ভাল ভাবেই পড়তে শুরু করেছে। বিকেল হতেই টুপ করে সূর্যটা ডুবে যায়। বোনদের জন্য উল কিনে এনে মা সুয়েটার বুনে দিলেন। আমার একটা ফ্লানেলের সার্ট ছিল তাই আমার দরকার হলো না। মায়ের সেলাই করা টাকা থেকে আমি মা’র জন্য একটা শাল কিনে আনলাম। গাঢ় রঙের। মা বললেন-ভেড়ার লোম দিয়ে নাকি এই শাল বানানো হয়।

এই সময় আমাদের ক্যাম্পের পাশে আর্মিদের ক্যাম্পে আরো অনেক গাড়ি ভরে ভরে অস্ত্রপাতি আর সৈন্যরা এলো। পাক সেনারা ওপারে যত বেশি বেশি বাড়িতে আগুন দিচ্ছিল ততই মুক্তিযোদ্ধারা আক্রমন জোরদার করছিল। এর মধ্যে আমাদের ক্যাম্পে আশপাশের ছোট ছোট কোম্পানি আর গ্রুপকে আনা হলো। বড় কিছু হবে এমন শুনছিলাম প্রায় রোজই। ভারতীয় আর্মির কাছ থেকে যে ফোর ইঞ্চ মর্টার পাওয়া গেছিল সেই মর্টার একটা নিয়ে ফিট করা হলো ফ্রন্টে। মর্টারের জন্য যে চার-পাঁচ জনকে দেওয়া হলো তারা সবাই ইপিআর। তাদের আগেকার সেই খাকি পোশাক পরেই তারা মর্টারের কাছে ডিউটি করত। মূল ফ্রন্ট আরো একটু ভেতরে। একদিন জিপটিপ ছাড়াই আমরা কয়েকজন সেই মর্টার ফিট করা জায়গা দেখতে চলে গেলাম। এদিন আমাদের কারো কাছেই কোন অস্ত্র নেই। আমি যাদের সাথে গেলাম তারা সবাই পাবলিক। কারো বয়স কুড়ির উপরে আবার কেউ পঁচিশ-ত্রিশ মত। চেনা পরিচিত পথে হেঁটে আমরা মর্টার পাতার জায়গায় গিয়ে খামোখাই বসে থাকলাম। একটা তেরপল দিয়ে বিরাট নলটা ঢেকে রাখা হয়েছে। আমরা অনুরোধ কারার পর এক ইপিআর হাসতে হাসতেই তেরপর তুলে আমাদের দেখাতে গিয়ে বলল- ‘উস্তাদের চেহারা দেখতে আইছ, দেখো’! আমি মর্টারের গায়ে হাত দিয়ে দেখলাম ঠান্ডা! চকচকে নলটা একটু কোণাকুণি আকাশের দিকে তাক করা। কোন কিছু না ভেবেই আমি ফস করে জিজ্ঞেস করে বসলাম-‘কাকা কবে বোমা ছোঁড়া হবে’? ইপিআরটা আমার মাথায় চাটি দিয়ে বলল-‘খারাও না, কয়দিন পরেই দেখবা’।

শীত এলে দেশে থাকতে আমরা এসডিও সাহেবের বাডির সামনে একটা পাকা করা টেনিস কোর্টের পাশে আর একটা নতুন কোট বানাতে দেখতাম। সেখানে ওরা র‌্যাকেট খেলত। আমাদের পাড়ায় কেউ তেমন একটা খেলত না। আমরা ওদের সেই পুরোনো হয়ে যাওয়া কর্ক কুড়িয়ে এনে দড়ি টাঙ্গিয়ে র‌্যাকেট খেলতাম। এখানে আমাদের এই গ্রামে বা পাড়ায় কোথাও কাউকে র‌্যাকেট খেলতে দেখিনি। কিন্তু কি আশ্চর্য! আমাদের ক্যাম্পে ক্যাপ্টেন সাহেবের তাবুর পাশে যে বাঁশঝাড় সেখানে একদিন দেখলাম বড় করে কোট বানানো হচ্ছে! এখানে নাকি ভলিবল খেলা হবে! সৈন্যরা দেখি মহা ধুমধামে দড়ি ফেলে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে কোট বানালো। যথাসময়ে নেট আর বল এলো। এবং মুক্তিযোদ্ধারা দুই দলে ভাগ হয়ে ভলিবল খেলতে শুরু করল! এটা আমি কোন ভাবেই মেলাতে পারছিলাম না। আমার নিজেরও খুব খেলার সখ হতো, কিন্তু আমাকে নিত না। বাবা যে দিকে থাকত আমি নিজেই সেই দিকে দাঁড়িয়ে গেলে আমাকে দুর দুর করে সরিয়ে দেওয়া হতো! মেজাজ খারাপ করে পাশে বসে থাকতাম। জোরে মারা বল বাইরে চলে গেলে কুড়িয়ে আনতাম, তবুও আমাকে খেলতে নিত না। এ নিয়ে একদিন বাড়িতে মা’র কাছে নালিশও করলাম। মা’ বাবাকে সে কথা বলতেই বাবা বললেন-‘ও ছোট মানুষ ও পারবে কেন? হাতে ব্যথা পাবে না’? আমি জীবনে কোন দিন বাবার সামনে মাথা উঁচু করে কথা বলিনি, তর্ক তো করিইনি। হঠাৎ সেদিন বাবার সামনে বলে দিলাম-‘ব্যাথা পেলে পাব, মরে তো যাব না! আমি যে গোলাগুলির মধ্যে যুদ্ধে যাই, তখন’? বাবা অনেকক্ষণ একভাবে আমার দিকে তাকিয়ে থাকলেন। তারপর নিজে নিজেই বললেন-‘উচিৎ না, তারপরও পাঠাই, তাই তো মরে যাওয়ার চেয়ে ব্যথা তো বেশি না’! তার পর দিন বাবার দলে একেবারে লাস্ট লাইনে দাঁড়ানোর সুযোগ পেলাম। ওদের এই ভলিবল খেলা দেখে আমি যেমন অবাক হয়েছিলাম, তেমনি পাড়ার লোকেরাও অনেক কিছু বলাবলি করত। চা-দোকানের পাশে বসে বলত-‘যুদ্ধ কইরে মরচে, আবার খেলতি সখ হয়েচে দেকো’? বাবাকেও একদিন ওই দোকানের পাশের লোকরা বলেছিল-‘ও হক সায়েব, আপনাদের খেলাধুলো দেইকে তো মনে হচ্চেনা যে আপনারা যুদ্ধ করচেন’? বাবা দেখলাম কি কি বলে যেন বোঝালেন- শরীর ঠিক রাখার জন্য নাকি করতে হয়, ক্যাপ্টেন সাহেবের আব্দার।

এর পর নিয়ম করে খেলা চলতে থাকল। সন্ধ্যে হলেই দলে দলে ফ্রন্টে চলে যাচ্ছে। এদিকে আর একদল বিকেল থেকেই চিৎকার চেচামেচি করে ভলি খেলছে। এ নিয়ে পাবলিক মুক্তিযোদ্ধা আর ইপিআরদের মধ্যে কথা চালাচালিও হতো। একদিন রুস্তম নামের এক মুক্তিযোদ্ধা মেহেরপুরের ভাষায় গালিও দিয়েছিল। রুস্তম দেখতে পাঞ্জাবীদের মত বিশাল ছিল। লুঙ্গি পরে খালি গায়ে ঘুরে বেড়াত। বুক ভর্তি কালো কালো লোম। আমাকে মাঝে মাঝে এক হাতে উঁচু করে তুলে বলত-‘আমার বাপে রুস্তম নাম রেইকেচে ক্যানো জানিস? আমি হ’লাম পালোয়ান’! রুস্তম কখনো খেলত না। সে-ই গালি দিয়ে বলেছিল-‘তুমাগের পুঙ্গায় ম্যালা ত্যাল, তাই তুমরা খেলচ, আমরা মরতি মরতি যুদ্দ করচি, আমাগের খেলা আসে না, শালার সুমুন্দির ছেইলেরা….’ এই কথা কি ভাবে যেন ইপিআররা শুনে তারাও রুস্তমকে গালাগালি করেছিল। আমি মনে মনে রুস্তমের পক্ষেই ছিলাম, কিন্তু কাউকে কোন কিছু বলিনি। কেন যেন মনে হয়েছিল রুস্তম তো ঠিকই বলেছে।

আরো কয়েকদিন পর যথারীতি বিকেলে সবাই খেলছে। সন্ধ্যেয় যাদের ফ্রন্টে যাবার কথা তারা তৈরি হচ্ছে। আমিও বাড়ি ফেরার জন্য হাঁটা ধরেছি। হঠাৎ গুড়ুম গুড়ুম শব্দে চারপাশ কেঁপে উঠল। এই শব্দটা আগের সেই মেশিনগানের গুলির মত না। মনে হচেছ কামান দাগার শব্দ। ক্যাম্পে সাথে সাথে শোরগোল পড়ে গেল। যারা খেলছিল তারাও তাড়াতাড়ি নেটটেট গুছিয়ে তাবুতে ফিরেই তৈরি হতে লাগল। ওদেরই একজন আমাকে হা করে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে বলে উঠল-‘দাঁড়ায়া আছ ক্যান, হয় বাড়ি চলে যাও, না হয় রেডি হও’। বাবা তার টিম নিয়ে দৌড়ে যাবার সময় আমার পাশে এসে বাড়ি চলে যেতে বলে গেলেন। আমি কি করব তা বুঝে উঠতে পারছিলাম না। একবার মনে হলো যাব না। কি হবে যেয়ে? আমি তো কিছুই করতে পারিনা! পরক্ষণেই যুদ্ধ দেখার কথা ভেবে রেডি হয়ে গেলাম। ‘কোথ’-এ আমার নামে কোন এসএলআর ছিল না। যেটা খুশি নিলেই হয়। আমি মাতব্বরি করে এসএলআর না নিয়ে একটা এসএমজি কাঁধে ঝুলিয়ে হাঁটা দিতেই একজন অচেনা লোক ছোঁ মেরে কেড়ে নিল। এসএমজি খুব কম ছিল। সেটা শুধু কমান্ডাররাই নিত। আমি মন মরা হয়ে আবার এসএলআরই নিয়ে দৌড় শুরু করলাম। ক্রমাগত গুড়ুম গুড়ুম করে বোমা ফাঁটছে। আমরা যখন বিএসএফ ক্যাম্প পার হবো সেই সময় ক্যাম্পের পুব পাশে জমির মধ্যে একটা গোলা ফাঁটল। এখন আর জিপ নেই। যে যার মত শুধু দৌড়াচ্ছে। আমি ওদের সাথে তাল মেলাতে না পেরে কেবলই পিছিয়ে পড়ছি। তখন আবার কেউ একজন আমার হাত ধরে কিছুদূর টেনে নিয়ে যাচ্ছে। এই রাস্তায় আগে বহুবার আমি হেঁটে গেছি, জিপে গেছি, কিন্তু কখনো এমন তাড়াহুড়োয় দৌড়ে যাইনি। হাঁপাতে হাঁপাতে দৌড়াচ্ছি আর মনে হচ্ছে পড়ে যাব! এসএলআরটা না থাকলে মেন হয় এত কষ্ট হতো না। একেবারে যখন আমাদের নতুন ফ্রন্টলাইনের কাছে চলে এসেছি, তখন কে যেন আমার মাথা থেকে হেলমেটটা খুলে নিয়ে বলল-‘আমার সাথে সাথে দৌড়াও ভাতিজা’। আমরা যতই ফ্রন্টের কাছে আসছি ততই আমাদের পাল্টা গুলির শব্দও শুনতে পাচ্ছি। এলএমজির ব্রাশ ফায়ার, আর তার সাথে রাইফেল এবং এসএলআরের সিঙ্গেল। কিছুক্ষণ পর পরই আমাদের সেই মর্টারের ফায়ার। আমরা যেয়ে ধপাধপ উপুড় হয়ে শুয়ে পড়লাম।

আমি কেবল কাক করে ফায়ার শুরু করব তখনই আমাকে ধমক দিয়ে থামিয়ে দিল একজন। আমি বোকার মত পেছনের লাইনে শুয়েই গুলি করতে যাচ্ছিলাম। খেয়ালই নেই আমার সামনে আমাদেরই আর একটা লাইন। আমি মনে হয় নিজেদের লোককেই গুলি করে দিচ্ছিলাম আর একটু হলে! ক্রল করে আবার সামনে গেলাম। অন্ধকারে কার পাশে আমি বা আমার পাশে কে চিনতে পারছিলাম না। কিন্তু আমাকে দেখেই সেই পাশের লোকটা চিনে সেই অন্ধকারেই কেমন করে যেন হাসার চেষ্টা করল। মাথা ঝাঁকি দিল। পিঠে হাত রাখল। আমি মুখ ঘুরিয়ে তাকালাম। আবার পিঠে হাত রেখে একটু জোরে চাপ দিল। আমার ঘাড়ে একটা ধাক্কা দিয়ে এসএলআর থেকে গুলি বেরিয়ে যেতে থাকল…..সামনে কে আছে, কি আছে জানিনা। অন্ধকারে গুলি করছি। পনের বিশ মিনিট বা আর একটু পরে তিনি কনুই দিয়ে গুঁতো দিয়ে বললেন- এ্যাডভান্স। আবার ক্রল করে এগোচ্ছি…..এতক্ষণ পরে খেয়াল হলো মাথায় হেলমেট নেই! যে খুলে নিয়েছিল সে কোথায় তাও জানিনা! আমি চিৎকার করে উঠলাম-‘কাকা হেলমেট নেই’! লোকটি সাথে সাথে তার হেলমেট খুলে আমার মাথায় পরিয়ে দিল! আমি অবাক হলাম, কাকার মাথা খালি! যদি মাথায় গুলি লাগে! গুড়ুম গুড়ুম অবিরাম গোলা এসে পড়ছে কখনো আমাদের সামনে কখনো পেছনে। যে কোন মুহুর্তে মাঝখানে পড়লে কি হবে সেটা ভাবারও সময় নেই! আরও একটু পরে আমাদের কমান্ড এলো ‘মুভ’! এবার ক্রল না, উঠেই কুঁজো হয়ে সামনে ছুটছি…..ছুঁটতে ছুঁটতে আমাদেরই একটা বাঙ্কার দেখলাম। ওই লোকটি সেই বাঙ্কারের পাশ দিয়ে যাবার সময় আমাকে ধাক্কা দিয়ে বাঙ্কারের ভেতর ঠেলে দিল। আমি গড়াতে গড়াতে বাঙ্কারে ঢুকে গেলাম…..লোকটা দৌড়াতে দৌড়াতেই চিৎকার করে বলছেন ‘বের হবা না ওখানেই থাকো”।

ঘুটঘুটে অন্ধকার বাঙ্কারে আমি একা! ভয়ে কেঁপে উঠলাম! আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে টানা গুড়ুম গুড়ুম আর কটকট শব্দে থেকে থেকে বুক কেঁপে উঠছে…..ক্লান্ত আমি বাঙ্কারের কোণায় মনে মনে পানি খুঁজে চলেছি…..ভীষণ তেষ্টায় ছাতি ফেটে যাবে যেন…….একটু পানি……

চলবে………..

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতিকিশোর মুক্তিযোদ্ধামুক্তিযুদ্ধবাঙ্গালীবাংলাদেশীবাংলাদেশ১৯৭১৭১৭১মনজুরুল হকস্মৃতিকথাগেরিলাপাকিস্তানপূর্ব বাংলাবিহারী197171’71bangladeshfreedom fighterliberation warbangladeshibanglaeast pakistanwest pakistan…. ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ;
প্রকাশ করা হয়েছে: মুক্তিযুদ্ধস্মৃতিকথা  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুন, ২০১০ ভোর ৪:১৮ |বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর…

 

 

এডিট করুন | ড্রাফট করুন | মুছে ফেলুন

৪৬৬ বার পঠিত৪৬৬২৩

 

মন্তব্য দেখা না গেলে – CTRL+F5 বাট্ন চাপুন। অথবা ক্যাশ পরিষ্কার করুন। ক্যাশ পরিষ্কার করার জন্য এই লিঙ্ক গুলো দেখুন ফায়ারফক্সক্রোমঅপেরাইন্টারনেট এক্সপ্লোরার

 

৬৬টি মন্তব্য

১-৩৩

১. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩৯০

আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন: +++

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:২৫০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ মনসুর।

ভাল আছেন তো?

২. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫১০

শ* বলেছেন: বুঝলাম না । সেপ্টেমর অক্টোবর মাস অথচ আপনাদের ক্যাম্পের অবস্থান এখনও স্থির রয়ে গেছে যে ?

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫৩০

লেখক বলেছেন:

৫/৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থির ছিল।

৩. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:০২০

শ* বলেছেন: আমি বুঝতে চাইছিলাম এরই মধ্যে যেসব মুক্তাঞ্চল ছিল সেগুলির দখলে তাহলে কারা ছিল ? স্থলযুদ্ধের নিয়মইতো দখল বজায় রাখা ।

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:২২০

লেখক বলেছেন:

মুক্তাঞ্চল ছিলনা। সীমান্ত থেকে কয়েক মাইল ভেতর পর্যন্ত যে অঞ্চল ছিল সেখানে অস্থায়ী ক্যাম্প ছিল। মূল ক্যাম্প মেহেরপর মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত ওখানেই ছিল। ওরা মেহেরপুরের আশপাশ থেকে আস্তে আস্তে মেহেরপুরে জড়ো হচ্ছিল।

৪. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৩৪০

ক্যালিপসো বলেছেন: প্রায় দুই ঘন্টা যাবত আপনার পোস্ট পড়ছি। পড়ছি তো পড়ছিই।

আজ শুধু মন্ত্রমুগ্ধের মত পড়ে গেলাম।

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:২২০

লেখক বলেছেন:

অনেক ধন্যবাদ ক্যালিপসো।

আপনার নিকটা বেশ সুন্দর! আগে দেখিনি।

৫. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৪০০

ভ্যানগার্ড বলেছেন: +++

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩৯০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ।

৬. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৭০

ফিরোজ-২ বলেছেন: মন্ত্রমুগ্ধের মত পড়ে গেলাম। +++

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪৫০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ ফিরোজ-২, ভাল থাকুন।

৭. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৩০

অজানা আমি বলেছেন: ++++++++++++++

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪৫০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ।

৮. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৮০

ত্রিশোনকু বলেছেন: “‘ব্যাথা পেলে পাব, মরে তো যাব না! আমি যে গোলাগুলির মধ্যে যুদ্ধে যাই, তখন’? বাবা অনেকক্ষণ একভাবে আমার দিকে তাকিয়ে থাকলেন। তারপর নিজে নিজেই বললেন-‘উচিৎ না, তারপরও পাঠাই, তাই তো মরে যাওয়ার চেয়ে ব্যথা তো বেশি না’”

-অপূর্ব।

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪৬০

লেখক বলেছেন:

কি বলব? শুধুই কৃতজ্ঞতা।

৯. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৩০

যীশূ বলেছেন: অসাধারণ যুদ্ধ অভিজ্ঞতা আপনার!!!! আপনাকে সত্যি হিংসা হয়!!!

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪৭০

লেখক বলেছেন:

তার চেয়ে বেশী কষ্টের ঠিকুঁজি।

১০. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১০০

েতজপাতা বলেছেন: মঞ্জু ভাই জানিনা কেন ত্রিশোনকু আমাকে আপনার সাথে যোগাযোগ করতে বলেছেন…

আপনি একটু এই ব্লগটা পড়ে দেখবেন…

Click This Link

অন্যদের ও বলছি আমার এই লিঙ্কটি পড়ুন…আলিফাকে বাচাতে এগিয়ে আসুন…

ধন্যবাদ।

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৯০

লেখক বলেছেন:

অনেক দেরী হয়ে গেছে ভাই, তবুও দেখি কি করা যায়…..

১১. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৮০

পল্লী বাউল বলেছেন: আবারো মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে পড়লাম ++

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪৮০

লেখক বলেছেন:

আবারো কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ হলাম….

১২. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩১০

নাজনীন১ বলেছেন: একেবারে সম্মুখ যুদ্ধ!! ঐ সময় কারো এতোটুকু দুশ্চিন্তা হতো না? কি সাহস সবার!

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫৮০

লেখক বলেছেন:

বাঁচার জন্য মানুষ দুরন্ত সাহসী হয়ে ওঠে..

১৩. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৯০

মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: মঙ্গল হোক আপনার।

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:০০০

লেখক বলেছেন:

মঙ্গলে যাপিত জীবন

তবুও যেন কিসের আঁধারে ঢাকে….

১৪. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৩০

ত্রিশোনকু বলেছেন: সবার অবগতির জন্য:

গত রাতে মন্জুরুল হকের মামী ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে পরলোক গমন করেছেন (ইন্না নিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন), যে মামীর কাছে তার জীবনের বড় একটা অংশ কেটেছিল। মরদেহের সাথে তিনি গত রাতেই ঢাকা ত্যাগ করেন। আগামীকাল তার ঢাকা ফেরার সম্ভাবনা আছে।

তিনি সবার কাছে দু:খ প্রকাশ করেছেন আজকের কিস্তি না দিতে পারার জন্যে।

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৩০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ ত্রিশোনকু।

৬ দিন পর আজ ফিরেছি। ২৪ তারিখে রাতে আপনার ফোন পেলাম যখন, তখন আমি আরিচার কাছাকাছি। টানা টেনশন আর যাত্রার ক্লান্তিতে লেখার চেষ্টা করেও পারলাম না আজ।

আশা করছি কাল ২০ তম পর্বটা লিখতে পারব। আপনাকে ফোনে কিছুটা বলেছি, এই মানুষটি আমার জীবনের অনেকটা জায়গাজুড়ে ছিল।

এখন খুব খালি খালি লাগছে…….

১৫. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৩০

ম্যাকানিক বলেছেন: ত্রিশোনকু আপনাকে ধন্যবাদ খবরটা দেয়ার জন্য।

মঞ্জু ভাই এই সিরিজের সবগুলোই বেস্ট তারপরেও আপনার এই পর্বটা বেস্ট অব দ্যা বেস্ট বলে মনে হচ্ছে।

তিনি সবার কাছে দু:খ প্রকাশ করেছেন আজকের কিস্তি না দিতে পারার জন্যে

আপনি যে কষ্ট করে বাংলাদেশ জন্মের সময়ের অজানা কিছু অধ্যায় তুলে ধরছেন সেজন্য রইলো অনেক অনেক শ্রদ্ধা আর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রাপ্য সম্মান আমরা সমস্টিগত ভাবে দিতে পারিনি কিন্তু ব্যাক্তিগতভাবে শ্রদ্ধা সম্মান সহোযোগিতা করতে কখনই কার্পন্য করিনি এবং করবো না।

আপনি সব সামলে আসেন আমরা অপেক্ষায় রইলাম।

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৩০

লেখক বলেছেন:

আপনার মন্তব্যের উত্তর লেখার সময় প্রতিবারই এমন হয়, অপ্রস্তুত হই। কিছু অসামান্য কথা আপনি বলে যান, যার উত্তর ঠিক করা যায়না, হয়না!

কি বলব? ভাল থাকুন।

১৬. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১১০

জাতেমাতাল বলেছেন: সম্মুখ সমরের এ রকম প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা এর আগে আপনার লেখায় আসে নাই। এই প্রথম আমরা মুখোমুখি হচ্ছি, যুদ্ধের এ ধরনের ভয়াল বর্ণনার সাথে।

আগামী পর্বের জন্য উৎকন্ঠা নিয়ে অপেক্ষা করছি…

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৩০

লেখক বলেছেন:

অনেকটা সময় গ্যাপ হয়ে গেল। আজ আবার লিখতে পারলাম।

এই লেখা নিয়ে আপনাদের অকৃত্তিম আগ্রহ আর প্রেরণা এখনো এই লেখাটির প্রাণভমরা হয়ে আছে। লিখে যাচ্ছি….

১৭. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৫০

দীপান্বিতা বলেছেন: অপেক্ষা …

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৭০

লেখক বলেছেন:

সাত দিন পর আজ আবার পোস্ট করতে পারলাম।

ভাল থাকুন দীপান্বিতা।

১৮. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৪৫০

আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: নিরবে পড়ে যাচ্ছি, দাদা।

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৭০

লেখক বলেছেন:

আমি কৃতজ্ঞ আশরাফ।

১৯. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২০০

নাজমুল আহমেদ বলেছেন: মামীর আত্মার মাগফেরতা কামনা করছি….

সব বিপদ সমাধান করে ধীরে সুস্থ্যে আসেন আমরা অপেক্ষায় থাকবো।

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫০০

লেখক বলেছেন:

হ্যাঁ নাজমুল সাত দিন পরে আজ আবার লেখা শুরু করতে পারলাম। একটা ঝড় বয়ে গেল এই কয়দিন। ভয় পাচ্ছিলাম আবার শুরু করতে পারব তো! যাহোক ২০ তম পর্বটা পোস্ট করতে পেরেছি।

২০. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪০০

খারেজি বলেছেন:

মনজু ভাই দোয়া করি পরের পর্বের জন্য বেঁচে বর্তে থাকুন!

(পুরাটার একটা সংকলিত ইবুক টিবুক না, বই চাই। এই বৈমেলাতেই। নাইলে বয়কট।)

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪০০

লেখক বলেছেন:

বেঁচেবর্তেই আছি খারেজি।

জানিনা আপনি নিজে কতটা খুশী, তবে আমি আপনার প্রত্যাবর্তণে ভীষণ খুশী। আবার আমাদের পদচারণায় ব্লগের রাতগুলো আগের মতই প্রাণময় হয়ে উঠবে খারেজি।

বইয়ের চেষ্টা চলছে। হয়ে যাবে হয়ত।

২১. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৬০

অপ্‌সরা বলেছেন: ভাইয়া , কেমন আছো???

কিছুদিন ছিলাম না।

তুমি কেমন ছিলে???ভালো ছিলে তো???

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৩০

লেখক বলেছেন:

মামীকে বাঁচাতে পারলাম না! ২৩ তারিখে সিএমএইচ এ এনে ২৪ তারিখ সারা দিন শত চেষ্টার পরও বাঁচাতে পারলাম না! মাত্র ৫৭/৫৮ বছর বয়সে মামী চলে গেলেন। ক্যান্সার ধরা পড়ল একেবারে শেষ সময়ে! ওই দিনই সন্ধ্যায় মারা যাবার পর রাত দশটায় লাশ নিয়ে খুলনা চলে গেলাম।

সারা রাত এ্যাম্বুলেন্সে লাশের পাশে বসে জীবনকে অন্যভাবে চিনলাম ভাইয়া!

সব আনুষ্ঠানিকতা সেরে আজ ফিরলাম। কোন কিছুই ভাল লাগছে না। এই মানুষটাকে নিয়ে আমার শত শত দিনের স্মৃতি সারাক্ষণ তাড়া করে ফিরছে…..

২২. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪৯০

শ* বলেছেন: কয়েকটা দিন রেস্ট নেন হকভাই ।

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১০০

লেখক বলেছেন:

সেটা হলে তো ভালই হতো, কিন্তু এখনই সিরিজটা শেষ করতে না পারলে ফেব্রুয়ারী মেলা ধরা যাবে না। বাংলাদেশে সারা বছর বই প্রকাশ হয় না!

২৩. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩২০

যীশূ বলেছেন: পরের পর্বের অপেক্ষায় আছি………..

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫৮০

লেখক বলেছেন:

টানা সাত দিন অপেক্ষা করাতে হলো!

বাস্তবতা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল।

ধন্যবাদ যীশূ।

২৪. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫২০

হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: Click This Link

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:০১০

লেখক বলেছেন:

পড়লাম।

খুবই অসাধারণ কাজ হয়েছে।

২৫. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৯০

দীপান্বিতা বলেছেন: মামীর আত্মার শান্তি কামনা করি……আপনি একটু স্থির হয়ে আবার লেখা শুরু করুন…আমরা সবাই অপেক্ষা করবো

০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৭০

লেখক বলেছেন:

স্থির হয়ে কোন কিছু ভাবার, করার কোন সময়ই আমাকে বরাদ্দ করেনি প্রভু!

এ বড় বিমাতাসুলভ আচরণ!

সেই একাত্তরে যে লড়াইয়ের সূচনা হয়েছিল আজও তা চলছে, চলছে ভীষণ অসম পরিনতিতে! সেই লড়াইয়ে পাহাড়-পর্ব্বত চষে ফেলেও আমি সমুদ্র দেখিনি! আজও সমুদ্র দেখিনি!!

২৬. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৮০

ছায়াপাখির অরণ্য বলেছেন: বহ্নিকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন…….

Click This Link

০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩২০

লেখক বলেছেন:

দেখি কি করা যায়।

২৭. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২২০

নির্ঝরিনী বলেছেন: বেশ কটা দিন নেটবিহীন থাকার দরুন ভেবেছিলাম আজ এসে আপনার সিরিজটার শেষটুকু পুরোটাই একবারে পড়ে ফেলতে পারবো…

কিন্তু এসে একটা দুঃসংবাদ পেলাম…

আপনার মামীর আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি…

০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৪০

লেখক বলেছেন:

এটা আমার জন্য খুব বড় একটা ধাক্কা!

চার-পাঁচ দিন লেগে গেছে ধাতস্থ হতে!

২৮. ০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৬০

*বলেছেন: ব্লগে সময় দিতে পারছিনা … বেশ ব্যাস্ত … আপনার খবরাখবর শয়তান ভাই দিয়েছিল …

ভালো থাকুন মনজু ভাই এবং অতি অবশ্যই

অনটপিকঃ পোস্ট পড়িনি ।

০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১২০

লেখক বলেছেন:

হ্যাপী নিউ ইয়ার।

এই লেখাটা না থাকলে হয়ত আগামী ১০/১৫ দিন ব্লগেও আসতে মন চাইত না।

আপসেট! ভীষণ আপসেট!!

২৯. ০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৪০

সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:

আপনার মামীর জন্য অনেক দোয়া….।

মনে হচ্ছিল এমন কিছু একটা হয়েছে।

এই পর্বটারশেষটুকুতে দম আটকে আসছিলো।

শুভকামনা রইলো।

নতুন বছর ভালো কাটুক…..

০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪২০

লেখক বলেছেন:

অনেক শুভকামনা সাজি।

চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদসংকুল দশাকেই “ভাল কাটছে” ধরে নিয়ে

এক একটা বছর পার করে যাচ্ছি…চলছে….একসময় আর চলবেনা….

তখন বলা হবে- ডট। সিম্পলি ডট!!

৩০. ০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৩০

দীপান্বিতা বলেছেন: আপসেট হবেন না, প্লিজ্‌!

ঈশ্বর মঙ্গলময়……সব ঠিক হয়ে যাবে…

অবশ্যই একদিন এমন প্রভাত আসবে…

০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৫৬০

লেখক বলেছেন:

ঠিক বলেছেন। ঈশ্বর হয়ত মঙ্গলময়, কিন্তু তার পৃথিবীতে ছোট ছোট ঈশ্বররা(ডাক্তার) দিনের পর দিন ভুল চিকিৎসা করে শেষে যা ডেকে আনল তা নিরেট অমঙ্গল।

প্রভাত তো রোজই আসে দীপান্বিতা!

তবে কোনটা আমাদের আর কোনটা তাদের সেটাই বিবেচ্য।

আমি অকুল পাথারে দুচোখ মেলে থাকি

নতুন প্রভাত দেখব বলে,

প্রভাত পেরিয়ে সন্ধ্যে নামে, নামে রাত

দেখা আমার শেষ হয়না

কেবলই চেয়ে থাকা!!

৩১. ০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:২৯০

আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

এই পর্বটা জোশ লাগলো যুদ্ধের জোশের কারণে ।

বিশেষ করে আপনার সম্মুখ যুদ্ধের বর্ণনায় ।

০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৪০০

লেখক বলেছেন:

চূড়ান্ত আঘাতের প্রস্তুতি….

৩২. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১২০

দীপান্বিতা বলেছেন: তা ঠিক! সব অর্থের পিছে দৌড়াচ্ছে!

পাপার সময়তো ঠিক ভাবে বুঝলামই না কি হয়েছিলো! ২দিনেই সব শেষ!

………ডাক্তারদের কথা বললে মাঝে মাঝেই বনফুলের কথা মনে পরে।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪০০

লেখক বলেছেন:

বলাই চাঁদ মুখোপাধ্যায় বাবুদের আমলে তাও মানুষ বিকিকিনির হাটে ওঠেনি এমন ভাবে। এখন তো নিজেকে কে কত চটকদার কমোডিটিজ বানাবে তারই কসরৎ চলছে!

নববর্ষ শুভ হোক দীপান্বিতা।

৩৩. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৫৮০

সামছা আকিদা জাহান বলেছেন: আবারও পড়া শুরু করলাম। যথারীতি মন্ত্র মুগ্ধের ন্যায় পড়ে চলছি।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩২০

লেখক বলেছেন:

অনেক দিন পরে ফিরলেন। এর মধ্যে আমারও অনেক দুর্ঘটনা ঘটে গেছে।

যাহোক, এসেছেন যখন তাহলে একবারে শেষ পর্ব পর্যন্ত চলে যেতে পারবেন।

 

Top of Form

আপনার মন্তব্য লিখুন

কীবোর্ডঃ  বাংলা                                    ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয় ভার্চুয়াল   english

নাম

       

Bottom of Form

 

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s