জন্ম বার্ষিকীতে কমরেড লেনিনকে সশ্রদ্ধ স্যালুট।

lenin big

২২ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১১:০৮ |

আজ ২২ এপ্রিল মহান নেতা কমরেড ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন এর জন্মবার্ষিকী। ১৮৭০ সালের এদিনে তিনি রাশিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর অমর কীর্তি এই পরিসরে বর্ণনা করা সম্ভব নয়। শুধু তাঁকে আরেক বার সশ্রদ্ধ অভিবাদন। হৃদয়ে চিরস্থায়ী হোন কমরেড!

মার্কিনদের ওয়েব সাইট History তে লেনিনকে নিয়ে শুধু এতটুকুই বলা হয়েছে………Lenin was the founder of the Russian Communist Party, leader of the 1917 Bolshevik Revolution, and the architect, builder, and first head of the Soviet state. !!!!! (যথেষ্ট!!)

আমাদের দেশের ‘জাতীয়’ দৈনিকগুলোতে লেনিন নেই!! অথচ বিষম খাবার মত তথ্য হচ্ছে এখনকার প্রায় সবকটি দৈনিকের সম্পাদক বা ওই পর্যায়ে যারা আছেন তাদের অনেকেই এক সময় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সক্রিয় সদস্য ছিলেন!!!!

লেনিনের কিছু উক্তি:

“Despair is typical of those who do not understand the causes of evil, see no way out, and are incapable of struggle. The modern industrial proletariat does not belong to the category of such classes.”

“It is true that liberty is precious. So precious that it must be rationed.”

“Freedom in capitalist society always remains about the same as it was in ancient Greek republics: Freedom for slave owners.”

“When one makes a Revolution, one cannot mark time; one must always go forward — or go back. He who now talks about the freedom of the press goes backward, and halts our headlong course towards Socialism.”

“Any cook should be able to run the country.”

“All our lives we fought against exalting the individual, against the elevation of the single person, and long ago we were over and done with the business of a hero, and here it comes up again: the glorification of one personality. This is not good at all. I am just like everybody else.”

“You all know that even when women have full rights, they still remain fatally downtrodden because all housework is left to them. In most cases housework is the most unproductive, the most barbarous and the most arduous work a woman can do. It is exceptionally petty and does not include anything that would in any way promote the development of the woman.”

“The most important thing when ill, is to never lose heart.”

“Whenever the cause of the people is entrusted to professors, it is lost.”

“Literature must become party literature. Down with unpartisan litterateurs! Down with the superman of literature! Literature must become a part of the general cause of the proletariat.”

“No amount of political freedom will satisfy the hungry masses.”

“Authority poisons everybody who takes authority on himself.”

“To rely upon conviction, devotion, and other excellent spiritual qualities — that is not to be taken seriously in politics.”
 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): লেনিনলেনিনের জন্মবার্ষিকীকমরেড লেনিন ;
প্রকাশ করা হয়েছে: স্মৃতিকথা  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:৩১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর…

 

 

এডিট করুন | ড্রাফট করুন | মুছে ফেলুন

৪০৭ বার পঠিত২৪৫৬

 

মন্তব্য দেখা না গেলে – CTRL+F5 বাট্ন চাপুন। অথবা ক্যাশ পরিষ্কার করুন। ক্যাশ পরিষ্কার করার জন্য এই লিঙ্ক গুলো দেখুন ফায়ারফক্সক্রোমঅপেরাইন্টারনেট এক্সপ্লোরার

 

৪৫টি মন্তব্য

১-২৩

১. ২২ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১১:২১০

সমাস বলেছেন: আমাদের দেশের ‘জাতীয়’ দৈনিকগুলোতে লেনিন নেই!! অথচ বিষম খাবার মত তথ্য হচ্ছে এখনকার প্রায় সবকটি দৈনিকের সম্পাদক বা ওই পর্যায়ে যারা আছেন তাদের অনেকেই এক সময় বাংলাদেশের কমিনিস্ট পার্টির সক্রিয় সদস্য ছিলেন!!!![/si

==============================

ব্যর্থ বিপ্লবীরা সব চেয়ে ভয়ঙ্কর। আমাদের দেশে সমাজতান্ত্রিক আনেআদলনকে রোখাই এইসব সাবেক কমিউনিস্টদের প্রধান মিশন এখন।

====================================

রেড স্যালুট।।

মেহনতি মানুষের জয় অনিবার্য।

২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:১৫০

লেখক বলেছেন: “ব্যর্থ বিপ্লবীরা সব চেয়ে ভয়ঙ্কর। আমাদের দেশে সমাজতান্ত্রিক আনেআদলনকে রোখাই এইসব সাবেক কমিউনিস্টদের প্রধান মিশন এখন।”

এরা কোন কালেও বিপ্লবী ছিল না। ছিল স্যাসাল ডেমোক্র্যাট।

২. ২২ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১১:২৪০

বলশেভিক বলেছেন: মহান নেতা লেনিন অমর।

Lenin – zil, Lenin – ziv, Lenin – budet zit

২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:৩০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বলশেভিক।

৩. ২২ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১১:৩২০

পরিবেশবাদী ঈগলপাখি বলেছেন: বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক, তবে সেটা আগে নিজের ভেতরের বিপ্লব, পুজিবাদি রসে ডুবে কর্পোরেট গান শুনে ভোগে মত্ত জনতা কথার ফুলঝুরি দিয়া কোনকালেই গন মানুষের বিপ্লব আনতে পারবে না

২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ২:১২০

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন।

ধন্যবাদ।

৪. ২২ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১১:৫১০

কবীর হুমায়ূন বলেছেন:

”বিপ্লব স্পন্দিত বুকে, মনে হয় আমিই লেনিন।”

সি,আই,এ-এর এজেন্ট মিখাইল গর্ভাচোপের ‘পেরেস্ত্রইকা’ আর ‘গ্লাসনোস্ত’ এর যাঁতাকলে লেনিন অদৃশ্য হয়েছে। কিন্ত, একদিন ধনতন্ত্রের সাম্রাজ্যবাদের চরমতা কার্ল মার্ক্সের বা এরূপ মতবাদের প্রচার এবং বাস্তবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য হাজার লেলিন তৈরী হবে।

ধন্যবাদ, মনজুরুল হক।

২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:২৯০

লেখক বলেছেন: কবীর হুমায়ূন@

আমার এখানে কারেন্ট নেই। আপনার মন্তব্যের বিষয়ে পরে আরো আলোচনা করব।

৫. ২২ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১১:৫৩০

মেলমুটকিড বলেছেন: মহান লেনিনকে রেড স্যালুট।

সাম্রাজ্যবাদীদের সাথে মানবতাবাদী ও সমাজতন্ত্রবাদীদের লড়াই সর্বদাই তীব্র ও নির্মম।

পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।

২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:২৭০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মেলমুটকিড।

মহান লেনিনকে লাল সেলাম।

৬. ২২ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১১:৫৩০

বৈকুন্ঠ বলেছেন: লেনিন ছিল, লেনিন আছে, লেনিন থাকবে….

২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:১৬০

লেখক বলেছেন: লেনিন ছিল, লেনিন আছে, লেনিন থাকবে….

কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে থাকবেন লেনিন!!

৭. ২২ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১১:৫৭০

স্পুতনিক বলেছেন: Ленин Жил,

Ленин Умер,

Ленин некогда вернется.

৮. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:০৪০

স্পুতনিক বলেছেন: লেনিনকে মাটিতে পুতে ফেলার ব্যবস্থা করা হচ্ছে!!!

২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ২:৫১০

লেখক বলেছেন: কবর জিয়ারতের জন্য আপনেরে ডাকা হইবেক।

রেডি থাইকেন মাওলানা সাব।

৯. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:১৪০

স্পুতনিক বলেছেন: লেনিনের জন্মদিনে, লেনিনের অনুসারিরা রাস্তায় বিদেশী দেখলেই হিংস্র জানোয়ারের মত হত্যা করে, এইটাই হল লেনিনের শিক্ষা।

২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:১৮০

লেখক বলেছেন: হা হা হা! বেড়ে বলেছেন! তবে রাশায় এখন আর লেনিনের অনুসারি বলে কিছু নেই!

১০. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:৩১০

পাওয়ার ফ্যালকন বলেছেন:

মেহের পাকিজান,গরিলা ও আমার বিরুদ্ধে গ্র্যান্ড ন্যারেটিভ ডিসকোর্স কুৎসার জবাব- মাওলানা হাফমিদুল হক 

 

১২. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:৪০০

ডাইনোসর বলেছেন:

জার সরকারের পতনের পর বিশ্বের বুকে প্রথম সমজাতন্ত্রী রাষ্ট প্রতিষ্টা করার জন্য রেড সেলুট। এবং নিরীহ মানুষ হত্যা করার জন্য ঘৃনা।

২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:২১০

লেখক বলেছেন: দুইটা একসাথে হয় না।

একটায় থাকেন। আপনার ঘৃণায় কোন সমস্যা নেই। করতে থাকুন।

১৩. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:৪৩০

সৌভিক ঘোষাল বলেছেন: কমরেড লেনিন আমাদের মত মার্কসবাদে আস্থাশীলদের চিরন্তন শিক্ষক, তাঁর লেখা থেকে প্রতিদিন শিখি আমরা। লেনিনচর্চা একদিকে মেহনতি মানুষের আন্দোলনের মুক্তির হাতিয়ার, অন্যদিকে চিন্তার দুনিয়ায় নিত্য আলোকসম্পাতি।

আমার একটি লেখা একটু তুলে দিতে ইচ্ছে করছে। লেনিন থেকে উদ্ধৃতিই বেশি। গঙ্গাজলে গঙ্গাপুজো কথাটায় ধার্মিকতার অনুষঙ্গ আছে, কিন্তু এই লেখায় সেভাবেই লেনিন আছেন

২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ২:৫২০

লেখক বলেছেন: তুলে দিয়ে ভালো করেছেন সৌভিক ঘোষাল।

১৪. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:৪৩০

সৌভিক ঘোষাল বলেছেন: সংসদীয় নির্বাচন ও কমিউনিস্ট অবস্থান বিষয়ে লেনিন

সংসদীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা বয়কট নিয়ে কমিউনিষ্ট আন্দোলনে দীর্ঘ বিতর্ক আছে। আমাদের দেশেও এ নিয়ে বিতর্ক কম নেই। লেনিনের এগেইনস্ট বয়কট বইটি খুব স্পষ্টভবে এ বিতর্ককে ধারণ করেছে। রাশিয়ার সংসদ বা ডুমা নির্বাচনের প্রেক্ষিতে করা মন্তব্যগুলিতে লেনিন সাধারণভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ/বয়কট এর বিশ্লেষণ প্রেক্ষিত নিয়ে কিছু কথা বলেছেন। সোসালিস্ট রেভেলিউশনারী (এস আর) ও মেনশেভিকদের সংগে তিনি এ নিয়ে বিতর্কে নেমেছেন। রাশিয়ার ডুমার প্রথম দুটি নির্বাচনে বলশেভিকরা অংশ নেয় নি, মেনশেভিকরা দুটিতেই অংশ নিয়েছিল। তৃতীয় নির্বাচনের আগে বলশেভিকরা নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়। দ্বিতীয় নির্বাচনে এস আর রা অংশগ্রহণ করলেও তৃতীয় নির্বাচন তারা বয়কটের সিদ্ধান্ত নেয়। এই প্রসংগেই লেনিন এগেইনসট বয়কট লেখেন। রাশিয়ান ডুমার প্রথম ও দ্বিতীয় নির্বাচনে লেনিন-ই প্লেখানভ প্রমুখ মেনশেভিক নেতৃত্বের নির্বাচনে অংশগ্রহণের তাত্ত্বিক ব্যাখ্যাকে নাকচ করে দিয়েছিলেন।

মেনশেভিক তাত্ত্বিকরা যুক্তি দিয়েছিলেন মার্কসবাদীদের প্রতিনিধিত্ত্বমূলক সংসদীয় কাঠামো ব্যবহার করা উচিৎ, লেনিন স্পষ্টতই বিষয়টির আলোচনায় জানিয়েছেন, বিষয়টা এত সরল নয়-

those who, like Plekhanov and many other Mensheviks, opposed the boycott on the general grounds that it was necessary for a Marxist to make use of representative institutions, thereby only revealed absurd doctrinairism. To argue like that meant evading the real issue by repeating self-evident truths. Unquestionably, a Marxist should make use of representative institutions. Does that imply that a Marxist cannot, under certain conditions, stand for a struggle not within the framework of a given institution but against that institution being brought into existence? No, it does not, because this general argument applies only to those cases where there is no room for a struggle to prevent such an institution from coming into being. The boycott is a controversial question precisely because it is a question of whether there is room for a struggle to prevent the emergence of such institutions. By their arguments against the boycott Plekhanov and Co. showed that they failed to understand what the question was about.

Further. If all boycott is a struggle not within the frame work of a given institution, but to prevent it from coming into existence, then the boycott of the Bulygin Duma, apart from everything else, was a struggle to prevent a whole system of institutions of a monarchist-constitutional type from coming into existence. The year 1905 clearly showed the possibility of direct mass struggle in the shape of general strikes (the strike wave after the Ninth of January[7]) and mutinies (Potemkin[8]). The direct revolutionary struggle of the masses was, therefore, a fact. No less a fact, on the other hand, was the law of August 6, which attempted to switch the movement from the revolutionary (in the most direct and narrow sense of the word) path to the path of a monarchist constitution. It was objectively inevitable that these paths should come into conflict with each other. There was to be, so to speak, a choice of paths for the immediate development of the revolution, a choice that was to be determined, of course, not by the will of one or another group, but by the relative strength of the revolutionary and counter-revolutionary classes. And this strength could only be gauged and tested in the struggle. The slogan of boycotting the Bulygin Duma was, there fore, a slogan of the struggle for the path of direct revolutionary struggle and against the constitutional-monarchist path. Even on the latter path, of course, a struggle was possible, and not only possible but inevitable. Even on the basis of a monarchist constitution it was possible to continue the revolution and prepare for its new upswing; even on the basis of a monarchist constitution it was possible and obligatory for the Social-Democrats to carry on the struggle.

অর্থাৎ কোনো প্রতিনিধিত্বমূলক প্রতিষ্ঠানকে কমিউনিষ্টদের সাধারণভাবে ব্যবহার করা উচিৎ, একথা ঠিক হলেও নির্দিষ্ট কোন পরিস্থিতিতে মার্কসবাদীরা এ ধরণের প্রচলিত প্রতিনিধিত্বমূলক প্রতিষ্ঠানের মধ্যেই কাজের পক্ষে না দাঁড়িয়ে এরকম প্রতিষ্ঠানের আগমন সম্ভাবনার প্রতিরোধেও দাঁড়াতে পারে। কখন মার্কসবাদীরা এ ধরণের প্রতিষ্ঠানের মধ্যে থেকে লড়বে, আর কখন এর বাস্তবায়নের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে? লেনিন নির্দিষ্টভাবে বলেছেন এই সিদ্ধান্ত এ ধরণের প্রতিষ্ঠানের কার্যকরী হয়ে ওঠার নিশ্চয়তা অনিশ্চয়তার সম্ভাবনা বিচারের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে, আর তাই বয়কটের প্রশ্নটি বারবার বিতর্ক তৈরি করে।

১৯০৫ এর বিপ্লবের পর রাশিয়ায় সাধারণ ধর্মঘট ও পোটেমকিন জাহাজের বিদ্রোহের মতো ঘটনার মধ্য দিয়ে প্রত্যক্ষ বিপ্লবী সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মতো সম্ভাবনা ছিল। আর এই সংগ্রাম জয়যুক্ত হলে প্রতিনিধিত্বমূলক নির্বাচনের নয়া প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোকে ঠেকানো সম্ভব ছিল। এজন্যই বলশেভিকরা ১৯০৫ এর বিপ্লব পরবর্তী আন্দোলনের জোয়ারের মুখে দাঁড়িয়ে নির্বাচন বয়কট করে প্রত্যক্ষ সংগ্রামের পথে এগিয়েছিল।

তৃতীয় ডুমার নির্বাচনের আগে রাশিয়ায় নাটকীয় কিছু পরিবর্তন হয়। ১৯০৫ এর বিপ্লবকে দমন করার সাফল্যর সূত্র ধরে পার্লামেন্ট ব্যবস্থা পূর্বের তুলনায় অনেকাংশে বেশি প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে ওঠে। এই প্রতিক্রিয়াশীল চরিত্রকেই সামনে রেখে এস আর রা নির্বাচন বয়কটের পক্ষে যুক্তি সাজিয়েছিলেন।

The case is presented in such a manner as if the ultra-reactionary nature of the Third Duma by itself makes such a method of struggle or such a slogan as the boycott necessary and legitimate. The impropriety of such an argument is absolutely clear to any Social-Democrat, since there is no attempt here whatever to examine the historical conditions of the boycott’s applicability. The Social-Democrat who takes a Marxist stand draws his conclusions about the boycott not from the degree of reactionariness of one or another institution, but from the existence of those special conditions of struggle that, as the experience of the Russian revolution has now shown, make it possible to apply the specific method known as boycott. If anyone were to start discussing the boycott without taking into consideration the two years’ experience of our revolution, without studying that experience, we would have to say of him that he had forgotten a lot and learned nothing. In dealing with the question of boycott we shall start with an attempt to analyse that experience.

লেনিনের সূত্রানুযায়ী স্পষ্টতই বয়কট ব্যাপারটা সংসদের প্রগতিশীল বা প্রতিক্রিয়াশীল চরিত্রের ওপর নির্ভর করছে না, আন্দোলনের বিশেষ অবস্থার ওপর নির্ভর করছে। কেন প্রথ্ম ও দ্বিতীয় ডুমার নির্বাচনকে বলশেভিকরা বয়কট করেছিল, সে প্রসঙ্গে লেনিন জানিয়েছেন

this boycott took place under conditions of a sweeping, universal, powerful, and rapid upswing of the revolution.

কিন্তু তৃতীয় নির্বাচনের আগে সেই উত্তুঙ্গ বিপ্লবী পরিস্থিতি ছিল না। তাই তখন প্রত্যক্ষ বিপ্লবী সংগ্রামের পক্ষে না দাঁড়িয়ে লেনিন ডুমা নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন।

কমিউনিস্টরা নিজেদের আন্দোলন সংগ্রামের শক্তি দুর্বলতার প্রেক্ষিত থেকেই কোন প্রতিষ্ঠান বা লরাই আন্দোলনকে দেখবে, সেই প্রতিষ্ঠানের চরিত্র বিচার তার সিদ্ধান্ত গ্রহণে তুলনায় গৌণ – এগেইনসট বয়কট এরকম একটা নির্দেশিকাই তুলে ধরে।

২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:২৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

আপনার এই মন্তব্য নিয়ে পরে বিস্তারিত লিখব।

আপাতত শুধু অভিনন্দন।

২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ২:০৮০

লেখক বলেছেন: ভাই সৌভিক ঘোষাল।

আপনার এই কমেন্ট বিষয়ে বলতে গেলে এই পরিসরে সম্ভব হবে না। আপনি যেভাবে দেখছেন ব্যাপারটা অতটা সরলিকরণে ভাবা যায় না।

তবে কথা দিচ্ছি, আপনার এই বিষয়টা মাথায় থাকল। এ নিয়ে আলাদা একটা পোস্ট দেয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখছি।

আশা করি তত দিন সাথে থাকবেন। এবং এধরণের মন্তব্য করবেন। কারণ আপনার এই মন্তব্য আমাদের ভিন্ন ভাবে ভাবতে শেখাচ্ছে।

অভিনন্দন রইল।

১৫. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:৫৯০

আয্‌দা বলেছেন: কমিউনেষ্ট দর্মের জুনক …….ডাউন উইথ রেড

২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:২৬০

লেখক বলেছেন: জনাব আয্দা। যেহেতু মাইনাসের সিস্টেম নেই, তাই ভাল না লাগলে মনে মনে মাইনাস দিয়ে চলে যাওয়াই ভাল। এটা ফাজলামির পোস্ট নয়। কথাটা মাথায় রাখলে ভাল লাগে।

১৬. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:২৩০

স্বাধীকার বলেছেন: ব্যর্থ বিপ্লবীরা সব চেয়ে ভয়ঙ্কর। আমাদের দেশে সমাজতান্ত্রিক আনেআদলনকে রোখাই এইসব সাবেক কমিউনিস্টদের প্রধান মিশন এখন

রেড স্যালুট।।

২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ২:০৪০

লেখক বলেছেন: রেড স্যালুট।

১৭. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:৪০০

খারেজি বলেছেন: মনজু ভাই. ওই গানটা মনে আছে, পাশ দাও কমরেড লেনিন, রুশ দেশের কমরেড

লেনিন, পাথরের কবরে শয়ান।

পাশ দাও কমরেড লেনিন!

আমাকে যে দিতে হবে স্থান।।

আইভান, আমি চীনা চাষী, মাটিমাখা দু’পা আমার।

লড়েছি তোমারই তরে কমরেড,

আজকে আমার হল ছুটি।।

আমি চিকো, কাল কাফ্রি, রোদে আখ কাটি মুঠি মুঠি।

জেগেছি তোমারি তরে কমরেড,

কাজ সারা হয়েছে এবার।।

চাং আমি মহাশাল থেকে, সাংহাইয়ের পথে ধর্মঘটে,

বিপ্লবের তরে অনাহারে- লড়ি, মরি, ডরিনা সঙ্কটে।।….

পাশ দাও কমরেড লেনিন!

আমাকে যে দিতে হবে স্থান।।

২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ২:০২০

লেখক বলেছেন: কয়েক লাইন মাত্র মনে ছিল। অনেক কিছু ভুলে যাওয়ার স্তুপে এটাও ভুলে গিয়েছিলাম।

উপরে আসিফ সুকান্তের কবিতাটি পুরোটা তুলে দিয়েছে। ওটাও সবটা মনে ছিল না।

আমার কি মনে হয় জানেন?

এই যে আমরা তারিখটা মনে রেখেছি, এটাও মনে করতে পারাকে এখন ‘বিরাট কাজ’ বলে মনে হচ্ছে! এমনই এক আইয়েমে জাহেলিয়াতের ভেতর দিয়ে যাচ্ছি আমরা….

এখন পুঁজিবাদকে কাঠ খড় পুড়িয়ে নিত্য নতুন ত্বরিকা বের করতে হচ্ছে না। তাদের হয়ে করপোরেট বেনিয়ারাই কাজটা করে দিচ্ছে। এবং ওই বেনিয়াদের হয়ে আমাদের বিদ্ব্যৎজনেরা ম্যানেজারিয়াল পোস্টে ভাড়া খেটে সেই “মহা বিস্মরণের” কাজটি নিপুণভাবে করে যাচ্ছে।

১৮. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ২:১৪০

নাহিয়ান বিন হোসেন বলেছেন: বিরক্তি তো লাগবেই! আপনারা তো আবার নাস্তিকতা , পার্বত্য রাজাকার , সাথে আহা-উহু কমিনিউজমের পথে জেহাদী ঝান্ডা উড়ানো বীর সৈনিক! আসলে সত্য কথা কার আর সহ্য হয় বলুন! কিছু নিচু শ্রেনীর নব্য রাজাকার আর আহা-উহু কমিউনিজমের অনুসারী আবাল গুলার তো সত্য আরো অসহ্যই লাগার কথা! বেচারারা কত জেহাদ কইরা জ্ঞানী আবালের ভাব ধরে ,মীরজাফরির মুখোশটা ঢাকার চেষ্টা করে আর সাধারন পাবলিকে সেইসব দেইখা থুতু মারে! এই অন্যায় কি সহ্য করা যায়!

২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ২:৩৬০

লেখক বলেছেন: বুঝলাম না আপনার জ্বলুনিটা কার উপর? লেখকের না লেনিনের উপর ?

লেখকের উপর বিলা হইয়া লাভ নাই। কারণ এই সব বালছাল গোণায় ধরিনা।

আর লেনিনের উপর জ্বলুনি হইলে কিছু করার নাই মনা, জ্বলতে থাকুন।

জ্বলুনি বেশি হইলে এইখানে আর আসার দরকার নেই। বরং কোন পুকুর বা ডোবা নালায় নামতে পারেন।

এই কমেন্টের পর চুলকাইতে আসলে সোজা ব্লক করে দেয়া হবে।

যে গাছের সাথে পিঠ ঘইস্যা চুলকাইতে মন চাইতেছে, আগে সেই গাছের জাত জানা দরকার। বোঝাইতে পারলাম?

১৯. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ৩:৪৫০

মশিউর মামা বলেছেন: এই লোকের সম্মতিতে রাশান শেষ জার নিকোলাস সপরিবারে নিহত হন যার মধ্যে ছিল তার স্ত্রী ও ৫ সন্তান | নিকোলাসের কনিষ্ঠ সন্তানের বয়স ছিল ১৪ | একজন শিশু হত্যাকারীকে নিয়ে এত মাতামাতির কারণ কি ? শেখ রাসেল কে হত্যার জন্য যদি ফারুক , রশিদ বা ডালিম ঘৃণ্য হয় তবে আলেক্সি নিকোলাভিচ হত্যার জন্য এই লোক ও সমান ঘৃণ্য |

২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ বিকাল ৫:১১০

লেখক বলেছেন: জার নিকোলাস-২ বা এর আগের জারদের হাতে নিহতদের কথা যে বললেন না! নাকি তাদের মধ্যে কোন শিশু-নারী নেই? নাকি তারা মানুষই নন?

মাতামাতি চলছে। চলবে। পছন্দ না হলে কষ্ট করে কমেন্ট করতে তো বাধ্য করেনি।

২০. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ সকাল ৯:৪৬০

সমাস বলেছেন: ডাইনোসর সাহেব দেখি “মুক্তমনায়” লিখতে লিখতে মুক্তমনার সাধারন অসুখ লেনিনোফোবিয়া আক্রান্ত হৈতে শুরু কর্সেন…

২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ বিকাল ৫:১৬০

লেখক বলেছেন: “মুক্তমনা”র বর্তমান প্রজেক্ট হচ্ছে কোনোওভাবে মার্কসবাদকে বিজ্ঞান কি-না সেটা দেখানোর জন্য ল্যাবরেটরিতে ফেলে ব্যবচ্ছেদ করা। একবার যদি প্রমান করা যায় যে মার্কসবাদ বিজ্ঞান, তাহলে তারা হামলে পড়ে বলতে শুরু করবে….ওই বিজ্ঞানের রিফর্ম দরকার!!!!

কিন্তু এই পপারের শিষ্যরা বড্ড ভুল পথে শ্রম ব্যয় করছেন।

এদের এইসব পিঠ চুলকানো তামাশা মাঝে মাঝে আমোদ দেয় বটে,তবে চূড়ান্ত বিচারে বিরক্তিকর।

২১. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ১২:০২০

সাগ৪২০ বলেছেন: কমিউনিস্ট আন্দোলনে আজ পর্যন্ত মার্কসবাদ-লেনিনবাদের যুগই ক্রিয়াশীল

২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ বিকাল ৫:২১০

লেখক বলেছেন: আপনার দেয়া লিঙ্কটা ওপেন হলো না।

২২. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ৮:০৩০

সমাস বলেছেন: সমস্যা হৈলো তারা ভোগবাদি এপ্রোন পরে মার্কসবাদের ব্যবচ্ছেদে নামছে।

২৩. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১০:৩৯০

ডাইনোসর বলেছেন:

সমাস বলেছেন: ডাইনোসর সাহেব দেখি “মুক্তমনায়” লিখতে লিখতে মুক্তমনার সাধারন অসুখ লেনিনোফোবিয়া আক্রান্ত হৈতে শুরু কর্সেন…

সমাস@

মুক্তমনায় লিখতে লিখতে হবে না । হবে পড়তে পড়তে। এটা ঠিক এই বিপরীত মত ওখান থেকেই পাই।আমি যখন প্রথম নাস্তিক টাইপ কথা বার্তা বলতে থাকি তখন অন্যরা বলতো কমিউনিষ্টদের সাথে থাকতে থাকতে…..। অতএব যে কোন যায়গা থেকেই অনুপ্রেরনা নিতে আমার কোন আপত্তি নাই। পপারের দর্শনের বিপক্ষে লেলিনবাদীদের উল্লেখ যোগ্য কোন বিতর্ক দেখি নাই।

সমাস আপনি হয়তো জানেন এই ব্যাপার নিয়ে আমি বাসদ এর সেন্ট্রান কমিটির কয়েক জনকে মেইল করেও কোন উত্তর পাইনি।

এখন লেলিনবদীরা যদি পপারের দর্শনের কোন ত্রুটি না ধরে ধার্মিকদের মতো “ভোগবাদি এপ্রোন পরে মার্কসবাদের ব্যবচ্ছেদে নামছে।”আথবা “এই পপারের শিষ্যরা বড্ড ভুল পথে শ্রম ব্যয় করছেন।”

এই ধরনের কথা বলে তখন শুনতে কেমন যেন শুনায়। যা হোক আশা করছি কেউ একজন পপারের দর্শনের বিপক্ষে শক্তিশালী একটা যুক্তি দাঁড় করাবেন।

আমি সবসময় যুক্তি মেনে নেয়ার জন্য প্রস্তুত আছি।

 

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s