সর্বহারা শ্রেণির মহান পথ প্রদর্শক কার্ল মার্কসের ২০১ তম জন্ম দিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি


জন্মদিনে অতলান্ত শ্রদ্ধা মহান শিক্ষাগুরু বিশ্ব সর্বহারা শ্রেণির মহান পথ প্রদর্শক কার্ল হাইনরিশ মার্কসের প্রতি। আজ তাঁর ২০১তম জন্মদিন। এক শোষণ হীন সমাজ তৈরির দর্শনের আবিষ্কারক। কার্ল মার্ক্সের সংক্ষিপ্ত জীবনী ও দর্শন নিয়ে কিছু কথা বলঅ দরকার, কিন্তু এই পরিসরে সেটা খুব একটা জরুরি না। তার পরও সংক্ষেপে-

‘দুনিয়ার মজদুর এক হও’ শ্লোগানে যিনি শোষিত-বঞ্চিত মেহনতি মানুষকে তাদের ন্যায্য অধিকারের বিষয়ে সচেতন করতে আমৃত্যু সংগ্রাম করেছেন, তিনি হলেন উনবিংশ শতাব্দীর প্রখ্যাত জার্মান চিন্তাবিদ, দার্শনিক, সমাজবিজ্ঞানী ও বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা কার্ল মার্ক্স। তার পুরো নাম কার্ল হাইনরিশ মার্ক্স (Karl Heinrich Marx)। তিনি ১৮১৮ সালের ৫ ই মে তৎকালীন প্রাশিয়ার ত্রিভস শহরে সচ্ছল মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন এবং ১৮৮৩ সালে চরম অর্থকষ্টের মধ্যে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বাবা হার্শেল মার্ক্স পেষায় আইনজীবী ছিলেন। তার পূর্বপুরুষ যদিও ইহুদি ধর্মাবলম্বী ছিলেন, কিন্তু মার্ক্স জন্মাবার পরে তার পরিবার খ্রিষ্টান (প্রটেস্টান্ট) ধর্মে দীক্ষিত হয়। ছোট বেলা থেকে মার্ক্স ভালো ছাত্র হিসাবে পরিচিত ছিলেন। এছাড়াও তিনি ছিলেন একজন স্বভাব কবি। তিনি বন ও বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন, দর্শন এবং ইতিহাসের পাঠ গ্রহণ করেন এবং ১৮৪১ সালে তিনি ইউনিভারসিটি অফ জেনা থেকে পি.এইড.ডি ডিগ্রী লাভ করেন। শিক্ষাজীবন শেষে তিনি রাইনল্যান্ডের যুবকদের দ্বারা পরিচালিত ‘রাইন অঞ্চলের সংবাদ পত্র’ নামক পত্রিকায় যোগ দেন এবং ১৮৪২ সালে তার সম্পাদক নিযুক্ত হন। সম্পাদক হিসাবে যোগ দেয়ার পর থেকেই ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে কাগজটির প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে তৎকালীন সরকার পত্রিকাটি বন্ধ করে দেন। এই সময় মার্ক্স অর্থশাস্ত্রের প্রতি আকৃষ্ট হন এবং তার পাঠ নেওয়া শুরু করেন।

১৮৪৩ সাল মার্ক্সে তার প্রেমিকা জেনি ভন ভেস্তফানেলকে বিয়ে করেন। এরপর তিনি প্যারিসে চলে আসেন এবং এখান থেকেই তিনি শুরু করেন অপরিসীম দারিদ্র ও ইউরোপীয় শক্তিশালী রাষ্ট্রশক্তির বিরুদ্ধে লড়াই। আর মার্ক্সের এই সংগ্রামে তার পরিবারের পাশে এসে দাঁড়ান তার অকৃত্রিম বন্ধু ও সহযোগী ফ্রেডরিক এঙ্গেলস। ১৮৪৫ সালে প্রাশিয়ার সরকারের ষড়যন্ত্রে তিনি প্যারিস থেকে পরিবার সমেত বিতাড়িত হন এবং তিনি চলে যেতে বাধ্য হন ব্রাসেলস-এ। ১৮৪৭ সালে মার্ক্স ও এঙ্গেলস কম্যুনিস্ট লিগে যোগ দেন এবং সেই বছরই এঙ্গেলস-এর সহযোগিতায় যৌথভাবে রচনা করেন শ্রমিক শ্রেণীর অমোঘ হাতিয়ার ‘The Communist Manifesto’। এছাড়া তার উল্লেখযোগ্য রচনাগুলো হলো, The Capital, Value Price And Profit, The Critique Of Political Economy, The Proverty Of Philosophy । তবে তার Communist Manifesto একটি অমর সৃষ্টি যাকে অনেকে ‘সর্বকালের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দলিল’ বলে অভিয়িত করেছেন।

এর পরে আমরা ওভারল্যাপ করে চলে যাচ্ছিঃ

মার্ক্সের দর্শন তথা সমাজতান্ত্রিক চিন্তাধারা দ্বান্দ্বিক পদ্ধতির উপর প্রতিষ্ঠিত। তবে পদ্ধতি হিসাবে দ্বন্দ্ববাদের সাক্ষাৎ গ্রীক দার্শনিক সক্রেটিসের আলোচনায় দেখা যায়। কিন্তু মার্ক্স তার দ্বন্দ্ব তত্ত্বের প্রেরণা মূলত তার পূর্বসূরী দার্শনিক হেগেলের দ্বন্দ্ববাদ থেকে লাভ করেন। কিন্তু হেগেলের এই পদ্ধতিকে তিনি ভিন্ন ভাবে প্রয়োগ করে সম্পূর্ণ বিপরীত সিদ্ধান্তে উপনীত হন। মার্ক্স তার দ্বন্দ্ববাদের সাথে হেগেলের দ্বন্দ্ববাদের পার্থক্য নির্দেশ করতে গিয়ে নিজেই বলেছেন, “হেগেলের দৃষ্টিতে চিন্তা বা ধারণাই হলো জগত স্রষ্টা এবং প্রকৃত জগত হচ্ছে মন নির্ভর জগত। পক্ষান্তরে আমার কাছে বস্তুজগৎই হচ্ছে একমাত্র জগত বা আদর্শ এবং মানুষ তার মনের সাহায্যে এই বস্তুজগতকে চিন্তার মাধ্যমে জানতে চেষ্টা করে।” মার্ক্স দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদের যে তত্ত্ব প্রচার করেন তার মূল কথা হলো, বস্তুই একমাত্র সত্ত্বা এবং গতি হলো তার স্বাভাবিক ধর্ম। বস্তুর অস্তিত্ব মনের উপর নির্ভরশীল নয় বরং মনের অস্তিত্বই বস্তুর উপর নির্ভরশীল।

মার্ক্স ইতিহাসের যে বস্তুতান্ত্রিক ব্যাখ্যা দিয়েছেন তাতে তিনি ইতিহাসের বিকাশ ও বিবর্তন সম্পর্কে সনাতন দৃষ্টিভঙ্গিকেই গ্রহণ করেন। কিন্তু ভিন্নতর ব্যাখ্যা প্রদানের মাধ্যমে তিনি সম্পূর্ণ বিপরীত সিদ্ধান্তে উপনীত হন। তিনি মনে করেন, ইতিহাস তথা মানব জীবনের যাবতীয় ঘটনা একমাত্র অর্থনৈতিক বিচার-বিবেচনার দ্বারা পরিচালিত হয়। ইতিহাসের ঘটনাবলীকে ধর্মীয়, নৈতিক, আধ্যাত্মিক বা যে কোন কারণের অভিব্যক্তি বলে বর্ণনা করা হোক না কেন সেগুলি আদতে অর্থনৈতিক বিচার-বিবেচনা থেকে উৎসারিত। তার মতে, সামাজিক উৎপাদনের ফলে সৃষ্ট বিভিন্ন সম্পর্কের যোগফল নিয়েই সমাজের অর্থনৈতিক কাঠামো গঠিত হয়। এই ভিত্তির উপর আইনগত এবং রাজনৈতিক অধি-কাঠামোসমূহ প্রতিষ্ঠিত এবং সামাজিক চেতনার বিভিন্ন প্রকাশ এই ভিত্তির সঙ্গে সম্পর্কিত। বস্তুগত জীবনে উৎপাদনের যে পদ্ধতি বিরাজ করে তা সামাজিক, রাজনৈতিক ও আধ্যাত্মিক জীবন প্রক্রিয়ার সাধারণ চরিত্রকে নির্ধারিত করে। মানুষের চেতনা তার অস্তিত্বকে নিয়ন্ত্রিত করে না বরং সামাজিক অস্তিত্বই তার চেতনাকে নিয়ন্ত্রিত করে।

মার্ক্সে তার নিজস্ব সমাজতান্ত্রিক চিন্তাধারার আলোকে পুঁজিবাদী সমাজের উৎপাদন ব্যবস্থার মৌলিক কিছু ত্রুটির কথা উল্লেখ করেছেন। এ বিষয়ে ‘উদ্বৃত্ত মূল্যতত্ত্ব’ নামে তিনি একটি মৌলিক তত্ত্বের আবিষ্কার করেন। তিনি অন্যান্য পণ্যের ন্যায় মানুষের শ্রম শক্তিকে একটি পণ্য বলে বিবেচনা করে বলেছেন যে, অন্যান্য পণ্যের মত শ্রমেরও দ্বিবিধ মূল্য বিদ্যমান যা বিনিময় মূল্য এবং ব্যবহারিক মূল্য বলে অভিয়িত করা যায়। শ্রম সংগ্রহ করার জন্য শ্রমিককে যে মূল্য দেওয়া হয় তা বিনিময় মূল্য। কিন্তু শ্রমিকের শ্রমের ফলে সৃষ্ট দ্রব্যাদি বাজারজাত করে যে মূল্য পুঁজিপতিরা অর্জন করে তা হলো শ্রমের ব্যবহারিক মূল্য। মার্ক্স এখানে দেখান যে, শ্রমের বিনিময় মূল্য অর্থাৎ শ্রমিককে প্রদত্ত পারিশ্রমিকের চেয়ে শ্রমের ব্যবহারিক মূল্য সব সময় বেশী থাকে। ব্যবহারিক মূল্যের এই উদ্বৃত্ত অংশকে তিনি ‘উদ্বৃত্ত মূল্য’ বলে অভিয়িত করেছেন। তিনি এই উদ্বৃত্ত মূল্যকে পুঁজিপতিদের ‘চৌর্যবৃত্তির মাধ্যমে অর্জিত মূল্য’ বলে গণ্য করেছেন।

মার্ক্সের তত্ত্ব অনুসারে, মানব সমাজের প্রতিটি রাজনৈতিক অবস্থা তার বিশেষ বিশেষ অর্থনৈতিক উৎপাদন ব্যবস্থার ফলশ্রুতি। অর্থাৎ, অর্থনৈতিক উৎপাদনের মাধ্যমগুলো যখন যে শ্রেণীর হাতে সংরক্ষিত থাকে তখন সেই শ্রেণী সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনে প্রাধান্য লাভ করে এবং তদানুসারে সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবন ব্যবস্থার গতি প্রকৃতি নির্ধারিত হয়। এই উৎপাদন ব্যবস্থায় মানব সমাজ পুঁজিপতি ও প্রলিতারিয়েট-এই দুই শ্রেণীতে বিভক্ত হয় এবং এদের মধ্যে সংঘর্ষ দেখা দেয়।

মার্ক্সের মতে, প্রচলিত সকল সমাজের ইতিহাস শ্রেণী সংগ্রামের ইতিহাস। শ্রেণী সংগ্রাম সম্পর্কে তিনি বলেন, শিল্প বিপ্লবের পর থেকে আধুনিক সমাজগুলো সুস্পষ্ট দুটি শ্রেণীতে বিভক্ত। একটি হলো পুঁজিপতি শ্রেণী আর অন্যটি হলো প্রলিতারিয়েট বা শ্রমিক শ্রেণী। পুঁজিপতিদের ক্রমাগত শোষণের ফলে প্রলিতারিয়েট বা শ্রমিক শ্রেণী তাদের দুঃখ ও হতাশা সম্পর্কে যখন পুরোপুরি সচেতন হয়ে উঠবে তখন বিপ্লবে সূচনা হবে এবং আবহমান কাল ধরে যারা শ্রমিকদের শোষণ করে পুঁজিপতি হয়েছে তারা নিঃস্বত্ব হয়ে যাবে। রাষ্ট্রের যাবতীয় ক্ষমতা যখন প্রলিতারিয়েট হাতে চলে আসবে তখন তারা সে ক্ষমতাকে ব্যবহার করে তাদের মধ্যের বৈষম্য দূর করার চেষ্টা করবে।

এবার দেখি মার্কসকে নিয়ে মহান সিনেমাস্রষ্টা ঋত্ত্বিক ঘটক কী বলছেনঃ

“এদের সবাইকে আমাদের মানব জমিনের আশা আকাঙ্খার সাথে মিলমিশ খাবার পরীক্ষায় উতরে আসতে হবে, যে কথা মার্ক্সের ব্যাপারেও প্রযোজ্য। তাদের পোষ্ট-মডার্ণিজম বা পোষ্ট-স্ট্রাকচারালিজম- যে নামই দেই না কেন। কারুর উপরই নির্বিচার আস্থা বা অনাস্থা আনা যাবে না, খোদ মার্ক্সের উপরও নয়। বরং আমরা যদি মনে রাখি যে, মার্ক্সের লড়াইটাই ছিল ন্যায়-অন্যায় নির্বিচারে শোষক শ্রেণীর লাভটাকে র্যা শনালাইজ করার প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে আজকের ইতিহাসে সব চাইতে বড় বিপ্লবী প্রস্তাবনা; তাহলে, তিনি আর আমাদের কাছে বুদ্ধিবাদী থাকবেন না। শোষণ আর শোষকের বিরুদ্ধে লড়তে হলে আগেই তাত্ত্বিক প্রতিষ্ঠা জরুরী- এও শোষকদের বুদ্ধিবাদী ছেদো কথা। বিপ্লবের ডাক শোষণের বিরুদ্ধে নৈতিক ডাক; সেই ডাককে তত্ত্ব দেয় ন্যায্যতা, কৌশল। নতুন ঞ্চানকান্ডগুলোর কিছু অংশ সে দিকে আমাদের সহায়ক হতে পারে বেশ ভালোভাবেই; তবে একথা মনে রেখে যে, ওই উপাংশগুলোর যে দাবি করে তার অনুযায়ী তারা বিশ্ব ব্যবস্থার সম্পর্ক শাস্ত্র দাখিল করতে পারছে কিনা!
আমাদেরকে ফিরে আসতে হবে মানুষের কাছে। যাদের শুধু একক বা শুধু সমগ্র আবার শুধু বাহ্যিক বা শুধুই অন্তর্গত দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না। শ্রী চৈতন্য যেমন শুষ্ক তর্ক বাদ দিয়ে প্রেমে নেমেছিলেন, তেমনি মার্ক্সও সব দার্শনিক কচ্কচি ছেড়ে বাস্তব, জীবন্ত মানুষ থেকেই তার দর্শনের যাত্রা শুরু করেন। সেই গুরুত্বের কথা জানাতেই এই ভাষান্তরখানির প্রস্তাবনা। তবে শুধু বইয়ে তো কিছু হয় না- মানুষের আর্তনাদের শব্দ শুনতে জানতে হয়, ভালোবাসতে হলে ঘৃণাও করতে হয়। ফকির লালন শাহ্ তো সোজা করে বলেই রেখেছেন-
যার শরীরে মোহর মারা সে বুঝবে কিসে!”

মার্কসবাদ আজ আরও প্রাসঙ্গিকঃ

বিশ্বজুড়ে পুঁজিবাদ ও শোষণ ব্যবস্থা বিরাজ করছে। পুঁজিবাদী শোষণের নির্মমতা, বর্বরতা সকলের চোখের সামনে। যে পুঁজিতে আধিপত্য হলো পুঁজিবাদের মর্মবস্তু, সেই পুঁজির আবির্ভাব ঘটে যখন তখন তার সমগ্র দেহ থেকে চুঁইয়ে পড়ছে রক্ত। পুঁজিবাদ, তার নির্মম শোষণ ও চক্রাকারে সঙ্কট এবং সঙ্কটের তীব্রতা বৃদ্ধি মার্কসবাদকে বর্তমান সময়ে আরও প্রাসঙ্গিক করে তুলেছে।

আত্মসর্বস্বতা, ব্যক্তিস্বার্থের চোরাগতিতে মানব মননকে টেনে নামানোর লক্ষ্যে বিশ্ব পুঁজিবাদ দর্শনের ক্ষেত্রে নতুন নতুন আক্রমণ নামিয়ে আনছে। উত্তর আধুনিকতা (পোস্ট মর্ডানিজম)-র দর্শন হলো সর্বশেষ নজির। ইদানিং আরও বেশ কিছু দর্শনের ফ্যাকশন নিয়ে হাজির হয়েছে মতলববাজমহল। সে আলাপ অন্য দিন।

দর্শনের জগতে সংগ্রামের গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পেয়েছে, বর্তমান সময়ে। সেই জন্য মার্কসীয় দর্শন হয়ে উঠেছে আরও প্রাসঙ্গিক।

সাম্রাজ্যবাদের যুগকে মার্কসীয় অর্থনীতির ভিত্তিতে ব্যাখ্যা করলেন ভ্লাদিমির লেনিন। লগ্নীপুঁজির সম্পর্কে প্রকৃত শিক্ষা আমরা পেলাম সমৃদ্ধতর মার্কসীয় অর্থনীতির মাধ্যমে। বর্তমান পৃথিবীতে যখন আমরা দেখছি চরমভাবে কেন্দ্রীভূত আন্তর্জাতিক লগ্নীপুঁজির আধিপত্য তখন মার্কসীয় অর্থনীতি হলো প্রকৃত দিক্দর্শন। কার্ল মার্কসের অমর সৃষ্টি ‘পুঁজি’র সমাদর বৃদ্ধি পেয়েছে সমগ্র বিশ্বজুড়ে।

পুঁজিবাদ-সাম্রাজ্যবাদের পতন ছাড়া সমতা, শান্তি, প্রগতি সম্ভব নয় এই উপলব্ধি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। পূর্বতন সোভিয়েত ইউনিয়নের বিপর্যয়ের পর সাময়িক দ্বিধা অতিক্রম করে সমগ্র বিশ্বজুড়েই পুঁজিবাদী শোষণের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ-সংগ্রাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিপ্লবী মতবাদ-মার্কসবাদের প্রাসঙ্গিকতা আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

পুঁজিবাদের পতন ও সমাজতন্ত্রের বিজয় অনিবার্য….. কথাটা শ্লোগানের মত মনে হলো তো? হোক। সত্য এমনই নিরাভরণ নিঃশঙ্ক হয়। সত্যকে দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রকাশ করতে হয়।

মনজুরুল হক
৫ মে, ২০১৯

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s